আজ থেকে শুরু কলকাতা বইমেলা। আর রোববার.ইন-এ শুরু ‘দ্বিতীয় বই’ নিয়ে লেখকদের স্মৃতিচারণ। চলবে বইমেলার শেষদিন পর্যন্ত। এই সিরিজটি শুরু হল অনিতা অগ্নিহোত্রী-র লেখা দিয়ে।
এক বিপন্ন বাস্তবের মধ্যে যে আমরা এগিয়ে চলেছি, এর থেকে মুক্তির কোনও উপায় নেই, সেই অস্বস্তিকে জাগিয়ে দিয়ে ‘প্রকৃত বাঁচা’র অর্থ কী, সেই অনুসন্ধানের সামনে পাঠককে দাঁড় করিয়েছেন লেখক।
কালকূট তাঁর নিরাসক্ত তথা বৈরাগ্যের দৃষ্টিতে দেখেছেন কীভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ভূমিষ্ঠ একটি প্রাণ একটু একটু করে সমরেশ বসু হয়ে উঠলেন।
ফিল্ম ডিরেক্টর যেমন পুরো দৃশ্যগুলো এডিট টেবিলে সাজিয়ে সাজিয়ে ‘স্টোরি লাইন’ বা গল্পের মূল কাঠামো তৈরি করেন, তেমনই চিত্রশিল্পী পুরো ছবি মাথার মধ্যে সাজিয়ে নিয়ে কমিক্স বা গ্রাফিক নভেলের প্যানেলগুলো আঁকতে বসেন।
এত বছর ধরে চলতে থাকা এই সব বিজ্ঞাপনকে ঘিরে গড়ে ওঠা বিবিধ, বিচিত্র, অসম্ভব দাবিসর্বস্ব বয়ানও যে এক জাতির সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞান হিসেবে গণ্য হতে পারে, তা হয়তো ভেবে দেখা হয়নি। এই বই তা ভাবতে শেখায়।
আজ বাঙালি যখন বিপর্যস্ত গণতন্ত্রে বেসামাল, তখন সে খুঁজে দেখতেই পারে তার অতীত। এবং দেখা যাবে, সেখানে কেবল সমর্পণ নেই, সমঝোতা নেই, অসহায়ত্ব নেই; আছে প্রতিষ্ঠার ইতিহাসও। আত্মমর্যাদার সূত্রেই তার যাবতীয় প্রতিরোধ এবং প্রতিষ্ঠা।
দীর্ঘ আখ্যান পরিক্রমার পর 'দান ছাড়ব না' এই প্রতিজ্ঞা সম্বল করে, নতুন সময়ের বড়ায়িনন্দন, বিশ্বজিৎ-এর কথকতাকে অভিনন্দন জানাই
নাতিদীর্ঘ লেখায় শব্দের মায়াজাল, তা দিয়েই স্বভুঁই ও বিভুঁইকে বাঁধতে চেয়েছেন লেখক বৈজয়ন্ত।
ছোট্ট বইয়ের সংক্ষিপ্ত যাত্রা দ্রুত ফুরোয়, কিন্তু সেই সময়ের গন্ধ ঘিরেই থাকে পাঠককে।
'কৃষ্ণপ্রসন্নর খেরোর খাতা' আর 'মৃত্যুর জবানবন্দি' তাই আদতে পৃথক থাকতে পারে না, দু'য়ে মিলেই এক আখ্যান। যা উপন্যাসের আঙ্গিক নিয়েও পাঠকের সঙ্গে অন্যরকম মোলাকাত প্রত্যাশা করছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved