

নব্বই-উত্তর গান নিয়ে এল বিষয়গত ভিন্নতা। অভাবনীয় সব স্থান, সামগ্রী ও চরিত্ররা। এমন সব সাধারণ মানুষজনের জীবনের আখ্যান যা আগে বাংলা গানের উপাদান বলে গণ্য হত না। কিন্তু তথাকথিত ‘জীবনমুখী’ গানে জাতপাতের প্রসঙ্গটি পেতে ২০১৯ অবধি অপেক্ষা করতে হল।
বাদশাহ আকবর না কি দাবা খেলতেন রক্তমাংসের মানুষ সাজিয়ে। সেরকমই ‘শতরঞ্জ কে খিলাড়ী’ ছবিতে লর্ড ডালহৌসি থেকে শুরু করে দুই দাবাড়ু পর্যন্ত সব চরিত্রই দাবার ঘুঁটি হয়ে উঠেছিল সত্যজিতের কলমের ডগায়। কীভাবে? বিশ্ব দাবা দিবসে বিশেষ নিবন্ধ।
সত্তরের কলকাতার অলিগলিতে হঠাৎই ঢুকে পড়েছিলেন ব্রুস লি। ‘এন্টার দি ড্রাগন’ ছবির মাধ্যমে। যদিও তখন তিনি আর জীবিত নেই। তবু ডিভিডি-ভিসিআর, পাড়ায় পাড়ায় ক্যারাটে ইশকুল আর রকের আড্ডায় একটা প্রজন্মের সকলেই আমরা ব্রুস লি হতে চেয়েছিলাম।
বাংলা সাহিত্যে কে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক– তাই নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ আছে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকারেরা প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিকের শিরোপাটি অর্পণ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের অগ্রজা সুসাহিত্যিকা স্বর্ণকুমারী দেবীকে, কিন্তু কুসুমকুমারী দেবীর ‘স্নেহলতা’ কি তার আগেই প্রকাশিত নয়?
আর্টসি ক্যাফে কফি অ্যান্ড কালচারে চলছে দেবদত্ত গুপ্তর প্রদর্শনী ‘আই লার্নড দ্য রিভার বিফোর আই স ইট’। বাংলার নদীকেন্দ্রিক সংস্কৃতির আবেগ তাঁর ছবির মধ্যে লক্ষ করা যায়। সেখানে কোথাও পাঁচপীরের গল্প, কোথাও মনসামঙ্গলের ছায়া।
গণেশ পাইনকে আমি একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম: মৃত্যুচিন্তা কি আপনাকে ভাবায়? তিনি বলেছিলেন, মৃত্যুর প্রয়োজন আছে জীবনের। একটা বাক্যের শেষে যেমন দাঁড়ির প্রয়োজন আছে, তেমনই জীবনের শেষে মৃত্যুর ওই অন্তিম উপস্থিতিটা খুব জরুরি!
‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-র একচেটিয়া উপহার হিসেবেই হোক, কিংবা দেহসুগন্ধি হিসেবে চকোলেটের গন্ধ বিক্রি করার প্রবণতায়, অথবা যৌনক্রীড়ার বিবিধ উপকরণে চকোলেট ফ্লেভারের পরিচিত ব্যবহারে– চকোলেটকে বারবার ‘অ্যাফ্রোডিসিয়াক’ হিসেবে পেশ করার ধরনটি পরিচিত।
দশরথের এত স্নেহ পেয়েছিলেন বলেই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ পিতৃ-আজ্ঞা পালনে রাজত্ব ত্যাগ করে বিষম জীবনযাপন বেছে নিয়েছিলেন রাম। সেই রামই নিজের পুত্রদের স্নেহ করার সুযোগই পেলেন না। মহাভারতে যেমন পিতার স্নেহ কী বস্তু জানলই না পঞ্চপাণ্ডব। শকুন্তলা-দুষ্মন্তের পুত্র ভরতকেও পিতৃস্নেহ বঞ্চিত হতে হয়েছিল শৈশবে।
সত্যজিৎ ও ঋত্বিক। ছবিতে রবীন্দ্রসংগীতকে ব্যবহার করেছেন দু’জনেই। সত্যজিতের ব্রাহ্ম প্রেক্ষাপট, শিল্পী নির্বাচন কিংবা তালবাদ্য ব্যবহারের অনীহা– গায়কি-বিষয়ক আমাদের সন্ধানকে গাঢ়তর করে তুলতে পারে। অপরদিকে গণনাট্য আন্দোলনের কর্মী হিসেবে ঋত্বিক, জ্যোতিরিন্দ্র, দেবব্রত প্রমুখ রবীন্দ্র-গানকে জনসমাজে ছড়িয়ে দেবার পন্থী। কম্যুনিকেশনের দর্শন ও ‘পলিসি’টি আলাদা।
এক বছর কিছু লিখবেন না– এই মর্মে আনন্দমেলা সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি লিখেছিলেন বুদ্ধদেব গুহ। চিঠিটি কোনও বিদায়পত্র নয়, কোনও ক্লান্তির বিবরণও নয়। এটি যেন এক শিল্পীর আত্মার দিকে ফিরে তাকানোর মুহূর্ত। যেন তিনি বলছেন– আমি লিখতে জানি, তাই থামতেও জানি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved