

এআই প্রেমিকার জন্য বিশ্বে প্রথম আত্মহত্যা! একাকী সেই যুবককে উসকানি দিয়েছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রেমিকাটি, যুবকের দেওয়া নাম ‘জিয়া’। অন্যদিকে এআই প্ল্যাটফর্মের নির্মাতারা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে, পারফিউমে স্নাত হয়ে জানাচ্ছেন, আমাদের কোনও দোষ নেই।
ঘৃণার বসতি গড়ে সহনাগরিককে, বলা ভালো পাশের মানুষটিকে দূরে ঠেলে দিয়ে, এক টুকরো কাগজে তার পরিচয় খুঁজে, আমরা কি এক ভয়ংকর ইতিহাস-বিস্মৃতির দিকে এগচ্ছি না?
ফারহাতের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে যদি প্রশ্ন করা যায়, তাহলে প্রথমেই বলতে হয় যে, প্রসব-পূর্ববর্তী লিঙ্গ নির্ধারণ বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এমন অপরাধের কারণটি সমূলে উৎপাটন করা গেছে কি? অর্থাৎ যে যে কারণে ভারতে কন্যা-সন্তানকে অবাঞ্ছিত বলে ভাবা হয়, সেই কারণগুলির কোনও সুরাহা হয়েছে?
বিজেপির এক নেতা বলেছেন, বিপক্ষ রাজনৈতিক দলের তরফে ভোটকে সামনে রেখে যে-সংকল্পপত্র ঘোষিত হয়েছে, সেটিকে ‘ইস্তাহার’ হিসেবে মুদ্রিত করা আসলে একটি বিশেষ ধর্মের বা সম্প্রদায়ের মানুষকে খুশি করার জন্য। তিনি এ-ও শুনিয়েছেন, ‘ইস্তাহার’ কোনও বাংলা শব্দ নয়, উর্দু শব্দ, যা উদ্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মীয় সত্তার প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু ইস্তাহার আসলে কী?
আমাদের সংবিধান শুরু হয়: ‘উই দ্য পিপল অব ইন্ডিয়া’, দিয়ে এই উই, এই ‘আমরা’ কারা তবে? আমরা ভারতবাসীরাই তো এই সংবিধান রচনা করেছি, লাগু করেছি, নিজেদেরকে নিজেরাই অর্পণ করেছি এই সংবিধান। তাই এই প্রজাতন্ত্রে যাঁরা বিচারাধীন হয়ে (under adjudication) ভোট দিতে পারছেন না এবার, তাঁরা কি ‘আমরা’ থেকে ‘ওরা’ হয়ে গেলেন তবে?
সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ বলছে, ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে শহর কার্যত এক ‘পরিবেশগত জরুরি অবস্থার’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত গরমের ফলে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি অনিদ্রা ও স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে, যা সরাসরি মানুষের মানসিক উদ্বেগ ও বিষণ্ণতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কিছু মানুষ থাকে আলো নিয়ে। তারা চলে গেলে শুধু একজন মানুষ হারিয়ে যায় না– আলোও নিভে যায় একটু একটু করে। রাহুলের চলে যাওয়াটা তেমনই।
আমাদেরও তো খইরুল, আমিনাদের পাশে দাঁড়িয়ে, আব্দুল হালিমের সাংকেতিক ভাষাকে নির্বাচন কমিশনের কানে তোলার দায়িত্ব ছিল, আমরা কি তা করলাম?
দীর্ঘকাল ধরেই বিশ্লেষকরা এই দ্বীপটিকে তাই ইরানের একটি ‘দুর্বলতম স্থান’ (ক্রিটিকাল উইক পয়েন্ট) হিসেবে বিবেচনা করে আসছেন, যেখানে কোনও ধরনের আক্রমণ তেহরানের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর ও বিধ্বংসী পাল্টা জবাবের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।
মিডিয়ামগ্ন যে-হিন্দু শিক্ষক বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, ওদের জন্যই ‘আমাদের’ দেশের এই অবস্থা, তিনি কি এতটা অপরায়ন ভিতরে বহন করে ক্লাসে তাঁর মুসলিম পড়ুয়াটিকে শ্রদ্ধা করেন মন থেকে?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved