Robbar

সাম্প্রতিকী

মোমরঙা শৈশবের খোঁজে

সাধারণ ছবি এআই-এর‌ সাহায্যে বদলে যাচ্ছে খানিক রঙিন, খানিক অসমান হাতে আঁকা অবয়বে। অ্যালগরিদম বা প্রম্পট এমনভাবেই বানানো হয়েছে যাতে করে প্রতিটি জেনারেটেড ইমেজেই থাকে শিশুসুলভ অসম্পূর্ণতার ছাপ। নিখুঁত, পরিপাটি ডিজিটাল ছবির ভিড়ে এই খানিক এলোমেলো চেহারা যেন অনলাইন দুনিয়ায় সতেজ হাওয়া বইয়ে দিয়েছে।

→

আমরা যারা ভোট দিতে পারলাম না

ভাড়াটে ভোটার, মাইগ্রেটেড, ডুপ্লিকেট, সংখ্যালঘু, মৃত, অবৈধ অনুপ্রেশকারী, কতরকমের অ্যালিগেশন! কাল দেখলাম একজন লিখেছেন, প্রচুর মেয়ের নাম বাদ এবারের ভোটে। বোঝো! সংখ্যালঘু আর মহিলাদের কেন যে সরকার এমন যমের মতো ভয় পায়, কে জানে!

→

বিজ্ঞাপনে ভোট, ভোটের বিজ্ঞাপন

২০১৪ লোকসভা ভোটে ‘বার্জার’ রঙের বিজ্ঞাপন– দেওয়াল জুড়ে ‘ক্রাইম’, ‘কোরাপশন’, ‘রেপ’-এর মতো নানা শব্দ লেখা; তারপরই ‘বার্জার’ রঙের পক্ষ থেকে বক্তব্য: ‘দেশ থেকে এই দাগ উঠুক না-উঠুক, বার্জার ইজি ক্লিন দিয়ে এই দাগ সহজেই উঠে যাবে।’ কিংবা ‘পাওয়ার’ কোম্পানির পাখার বিজ্ঞাপনী বার্তা– “জনগণের অবিসংবাদী প্রার্থী ‘পাওয়ার ফ্যান’কে নিশ্চিন্তে আপনার ভোটটি দিন।”

→

বিভেদের রাজনীতি উসকে দিচ্ছে বস্তি নিয়ে অবজ্ঞা

আমরা কোনওদিনই গরিব, বস্তিবাসীদের ঠিক আমাদের সমতুল্য মানুষ ভাবিনি, ভাবি না। তার ওপর সেই মানুষদের কেউ যদি ধর্মে মুসলমান হন, তাহলে তো কথাই নেই! আমরা ধরেই নিই, মুসলমান মানেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী!

→

মুক্তচিন্তা কি দেশদ্রোহের সমার্থক?

আপাতদৃষ্টিতে এমন ভিত্তিহীন মন্তব্য তাচ্ছিল্যের সঙ্গে উড়িয়ে দেওয়াই যেতে পারে। কিন্তু যেখানে প্রধানমন্ত্রী এ-কথা বলছেন এবং ‘দেশবিরোধী’– এই শব্দচয়ন করছেন, তখন বুঝতে হবে, এর নেপথ্যে সুচতুর একটি রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে।

→

তোমরা আমাদের ভোট দাও, আমি তোমাদের মাছ খাব!

খাদ্য সংস্কৃতিকে বাঙালির ‘পরিচয়’ হিসেবে যাঁরা ভেবে, খাদ্যরুচিতে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন, তাঁদের জানা দরকার ‘খাদ্য সংস্কৃতি’কে আত্মপরিচয় মনে করা বাঙালি অনেকটাই একই শ্রেণির। গরিব, ক্ষুধার্ত মানুষের কোনও খাদ্যসংস্কৃতি নেই। কিন্তু ভোট আছে।

→

ইশতেহারে জোর রোগ নিরাময়ে, রোগ প্রতিরোধে নয়

সব রাজনৈতিক দলের ইশতেহারে উন্নত হাসপাতালকেন্দ্রিক চিকিৎসাব্যবস্থার কথাই বলা হয়েছে। অথচ স্বাস্থ্য তো শুধু রোগ নিরাময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

→

দিশাহীন নীতিই কি আলু-চাষির মৃত্যু পরোয়ানা?

এই সংকটের সমাধান শুধু সরকারি হস্তক্ষেপ বা ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিলে মিলবে না; প্রয়োজন চাষি ও সরকার– উভয়পক্ষের সদিচ্ছা ও সচেতনতা।

→

হে AI প্রেম, হে নৈঃশব্দ্য

এআই প্রেমিকার জন্য বিশ্বে প্রথম আত্মহত্যা! একাকী সেই যুবককে উসকানি দিয়েছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রেমিকাটি, যুবকের দেওয়া নাম ‘জিয়া’। অন্যদিকে এআই প্ল্যাটফর্মের নির্মাতারা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে, পারফিউমে স্নাত হয়ে জানাচ্ছেন, আমাদের কোনও দোষ নেই।

→

বহুত্বের স্বীকৃতিতে আর কি চেনা যাবে ভারতকে?

ঘৃণার বসতি গড়ে সহনাগরিককে, বলা ভালো পাশের মানুষটিকে দূরে ঠেলে দিয়ে, এক টুকরো কাগজে তার পরিচয় খুঁজে, আমরা কি এক ভয়ংকর ইতিহাস-বিস্মৃতির দিকে এগচ্ছি না?

→