কেউ কেউ কারও কারও জীবনে পথপ্রদর্শক তো বটেই। সেই ভূমিকা আপনা থেকেই তৈরি হয়। গাইডের নিজস্ব একটা আনুষ্ঠানিক পরিচয়, পরিচিতি থাকে। তবে কাকে কী পড়ানো উচিত, কী শেখানো উচিত, সে কী শিখবে, তা ঠিক করে দেওয়ার আমরা কেউ নই। এই ভাবনাকে আঁকড়ে ধরলে ওই পথপ্রদর্শক বা গাইডের ভূমিকা অর্থহীন হয়ে দাঁড়ায়।

নাচের পরিসরে নানা তালবাদ্য যখন সোৎসাহে ব্যবহার করতে চাইছেন রবীন্দ্রনাথ, গান গাওয়ার সময় তাল রেখেও গাইছেন না খুব একটা, তালবাদ্য সংগতেও তাঁর আপত্তি। অথচ ছন্দ রাখছেন। যে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানে লিখছেন– ‘কাঁপে ছন্দ ভালো মন্দ তালে তালে’, সেই তিনি ছন্দ, তাল আর লয় নিয়ে তাঁর ভাবনা বলছেন স্পষ্ট উচ্চারণে। তাঁর গানের অধরামাধুরী ধরা পড়ছে কথা বলার ছন্দে। সংগীতের মুক্তির এই জানালা খুলেই গান গাইতেন রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং।

'তমালতালবনরাজিনীলা' আভাসিত ছায়ার ঘোমটা-টানা পল্লি। উপকণ্ঠে সবুজ মেখলার মতো দো-জমি। আউসধান আলু আখ সরষে গমক্ষেত। তারপর আদিগন্ত তরঙ্গায়িত আমন ধানের জমি। বাংলার মাঠ সংস্কৃতি নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved