তর্কবাগিশ বাঙালির ডেমোগ্রাফিক চেহারা তো এমনই হওয়ার কথা ছিল যে, অপরকে শুনবে, বুঝবে, জায়গা করে দেবে। কিন্তু দুই বাংলার ডেমোগ্রাফিতেই এখন শুধু বেকারত্ব, রোগ আর অন্ধভক্তির বাস। এমন দুর্দিনে বাঙালি একটু বিভূতিভূষণ পড়ুক, লালন শুনুক আর মন ভালো রাখুক– এটুকুই চাওয়া।

এমনিতেই তো বাঙালি পেটরোগা। গেঁটেবাত আর অম্লশূল নিত্যসঙ্গী। পুজোর ক’টা দিন শরীরের ওপর অত্যাচার না করলেই নয়! রাতবিরেতে চোখের মণি লাল করে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা আছে, এমন অবস্থায় গুরুপাকে পিত্তগরম হতে পারে। বায়ু মাথায় চড়তে পারে। এদিক-ওদিক হয়ে গেলে তখন দায় কে নেবে শুনি, সরকার!

একদিন সকালে গৌরাঙ্গপ্রসাদ ঘোষের সঙ্গে আমি গিয়েছিলাম উত্তমকুমারের ৩ নম্বর ময়রা স্ট্রিটের বাড়িতে। সালটা ১৯৭৪। সদ্য দে’জ থেকে উত্তমকুমারের ‘আমার আমি’ বইটির পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। একেবারে সামনে থেকে উত্তমকুমারকে দেখার রোমাঞ্চ আমি সারাজীবন ভুলব না।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved