একটা সময় সুনীলদা মনে করতেন ‘শিক্ষিত’ বাঙালি মানেই তাঁকে চিনবে। আমি প্রশ্ন করেছিলাম: কোন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে চিনবে? বিন্দুমাত্র সময় না ভেবেই বলেছিলেন কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে চিনলে সবচেয়ে খুশি হতাম, কিন্তু দুর্ভাগ্য উপন্যাসিক সুনীলকেই সবাই বেশি চেনে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ লেখা।

নাচের পরিসরে নানা তালবাদ্য যখন সোৎসাহে ব্যবহার করতে চাইছেন রবীন্দ্রনাথ, গান গাওয়ার সময় তাল রেখেও গাইছেন না খুব একটা, তালবাদ্য সংগতেও তাঁর আপত্তি। অথচ ছন্দ রাখছেন। যে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানে লিখছেন– ‘কাঁপে ছন্দ ভালো মন্দ তালে তালে’, সেই তিনি ছন্দ, তাল আর লয় নিয়ে তাঁর ভাবনা বলছেন স্পষ্ট উচ্চারণে। তাঁর গানের অধরামাধুরী ধরা পড়ছে কথা বলার ছন্দে। সংগীতের মুক্তির এই জানালা খুলেই গান গাইতেন রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং।

ভাঁজো কোনও আঞ্চলিক শস্য উৎসব নয়। বিশ্ব-লোকসংস্কৃতির আদিম ধারার এক বিশিষ্ট রূপ। যে উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে শস্যের অঙ্কুরোদ্গম ও আদিরসাত্মক নাচগানের অনুষঙ্গ। গ্রিসের গার্ডেন অব আডোনিস, মিশরের ‘ওসাইরিস শয্যা’ কিংবা আফ্রিকার ইগবো সমাজের ধরিত্রীপুজোর সঙ্গে ভাঁজোর কোনও পার্থক্য নেই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved