আটের দশক আসলে একবুক নস্ট্যালজিয়া। যেখানে মফস্সলের কোনও বাড়ি লাগোয়া একফালি ছোট্ট জমি হয়ে উঠত শীতকালের লর্ডস, গরমকালের মারকানা। সেই নস্ট্যালজিয়ায় আজও জেগে থাকেন ’৮৩-র বিশ্বকাপজয়ী কপিল দেব, মাঠের গণ্ডি টপকে মিথ হয়ে যাওয়া মারাদোনা। জীবনের একটা শিক্ষা, ধৈর্যের দর্শন, মনোবিজ্ঞানের নায়ক হয়ে জ্বলজ্বল করেন সুনীল গাভাসকর। আর জেগে থাকেন সুব্রত ভট্টাচার্য, সুরজিৎ সেনগুপ্ত, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, কৃশানু দে, মজিদ বাসকরের মতো ময়দানের ফুটবল-দেবতারা।

'গীতবিতান’ যখন প্রথম সংকলিত হচ্ছে, সেই কাজে দিনেন্দ্রনাথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন, তার নজির পাচ্ছি দিনেন্দ্রকে লেখা রবীন্দ্রনাথের চিঠিতে। অথচ গীতবিতান যখন প্রকাশ হল, তখন সেই বইয়ে দিনেন্দ্রনাথের নামটুকু পর্যন্ত রইল না।

একদিন সকালে গৌরাঙ্গপ্রসাদ ঘোষের সঙ্গে আমি গিয়েছিলাম উত্তমকুমারের ৩ নম্বর ময়রা স্ট্রিটের বাড়িতে। সালটা ১৯৭৪। সদ্য দে’জ থেকে উত্তমকুমারের ‘আমার আমি’ বইটির পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। একেবারে সামনে থেকে উত্তমকুমারকে দেখার রোমাঞ্চ আমি সারাজীবন ভুলব না।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved