সাল ১৯৫৪। ‘শ্যামলী’ নাটক। আমার তখন ৭ বছর বয়স। আমার বাবা, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবুপিসি, উত্তমকুমার– এঁরা ছিলেন এই নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। মঙ্গল, শনি, রবি– তিনদিন নাটকের শো। ফলে ওই তিনদিন দেখা পাকা। অনেক সময় শুটিংয়ে যাওয়ার পথে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়কে ট্যাক্সিতে তুলে উত্তমকাকা আসতেন আমাদের বাড়ির দোরগোড়ায়।

নাচের পরিসরে নানা তালবাদ্য যখন সোৎসাহে ব্যবহার করতে চাইছেন রবীন্দ্রনাথ, গান গাওয়ার সময় তাল রেখেও গাইছেন না খুব একটা, তালবাদ্য সংগতেও তাঁর আপত্তি। অথচ ছন্দ রাখছেন। যে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানে লিখছেন– ‘কাঁপে ছন্দ ভালো মন্দ তালে তালে’, সেই তিনি ছন্দ, তাল আর লয় নিয়ে তাঁর ভাবনা বলছেন স্পষ্ট উচ্চারণে। তাঁর গানের অধরামাধুরী ধরা পড়ছে কথা বলার ছন্দে। সংগীতের মুক্তির এই জানালা খুলেই গান গাইতেন রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং।

‘কী ভয়ংকর সেই জ্ঞান, যে জ্ঞানে মানুষ কেবল দেখতে পায় কিন্তু প্রতিরোধ করতে পারে না।’ এ লেখকদের বলা চিরকালের কথা যেন। যে কবিতা লেখে, তার পক্ষে তো সমাজ পাল্টানো সত্যিই অসম্ভব!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved