মাছের স্বাদ ভালো লাগাকে ঘিরে আর্থসামাজিক নানান সমীকরণ নিত্যদিন তৈরি হয়। সময়ের নিয়মে সেইসব সমীকরণ হারিয়েও যায়। তবে মাছেদের মধ্যে বরাবর উঁচু জাত আর নিচু জাতের ভাগাভাগি ছিল। মঙ্গলকাব্যের কালেও ছিল, একালেও আছে।

বাহুমূলে সুরভিত ডিওডরেন্ট, চোখে পাশনে চশমা আর কালীঘাট পটের বাবুর মতো হাতে ফুল ছিল ফ্যাশানের স্টেটমেন্ট। ছবি আঁকা শিখতে আসা অর্ধেন্দুপ্রসাদ নিজেই হয়ে উঠেছিলেন এক চলমান পটচিত্র। খানিক রসিকতার সুরে বললে, এ প্রায় পরশুরামের সেই লালিমা পাল (পুং)-এর জীবন্ত সংস্করণ।

ব্রাহ্মণদের গাঞীনাম (গাঁইনাম) রাঢ় ও বারেন্দ্র মিলিয়ে দেড় শতাধিক। গাঞীনাম আকাশচারী বা কাল্পনিক নয়। একাধিক গাঁইনাম শিলালিপি, সংস্কৃত সাহিত্য ছাড়াও প্রাচীন লোকছড়ায় স্থান পেয়েছে। অনেক গাঁইনামের হদিশ মেলে না। লুপ্ত হয়েছে। অথবা অন্য গ্রামের সঙ্গে মিশে গেছে। কিংবা নাম পরিবর্তিত হয়েছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved