Robbar

মিনি সিরিজ

বাঙালিনীর মৎস্য পুরাণ

বাঙালি মেয়ের সঙ্গে মাছের সম্পর্ক বেশ পুরনো। কোটা-রাঁধা-বাড়া কিংবা বেচাকেনা– দুই ক্ষেত্রেই মাছের সঙ্গে মেয়েদের সম্পর্ক নানাভাবে নানা স্তরে, আজও রয়েছে। আর তার সাক্ষ্য ধরা আছে মেয়েদের নিজস্ব গানে। মেয়েদের মৎস্যপুরাণ তাই অন্দর-বাহিরের নানা জানলা খুলে দেয়।

→

হাউল থেকে বাউল

এ বছর অ্যালেন গিনসবার্গের শতবর্ষ। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সুবোধ সরকারের গিনসবার্গ সম্বন্ধীয় যে বক্তৃতা, তারই কিছু অংশের তরজমা।

→

মাছ যখন রাজনৈতিক

নির্বাচনী জয়-পরাজয়ের নিষ্পত্তির পর প্রতিপক্ষকে মাছ-ভাত খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ বিজেপি সত্যিই রাখতে পারে কি না, লক্ষ্য থাকবে সেদিকেও। শেষের কথাটি হল, বাঙালির আমিষ খাদ্যের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যহরণ করা কোনও রাজনীতির পক্ষেই সম্ভব নয়।

→

মৎস্য মারিব আঁকিব সুখে

বাংলায় বলা হয়– ‘মৎস্য মারিব খাইব সুখে’। কিন্তু সেই সুখ কি আর একা একা পাওয়া সম্ভব? তাই হরেন দাসের রঙিন ছবিতে দেখি বৃত্তাকার মাছ ধরার জাল হাতে করে মৎস্য-শিকারে চলেছে গ্রামীণ যুগল।

→

সব কাঁটা কি বাছতে পারে মানুষ?

কিছু কাঁটা বেঁধে গলায়। কিছু পায়ে। চোরকাঁটার মতো কিছু লেগে থাকে গায়ে। তাকে যতই ঝাড়া হোক, যায় না।

→

কবি অথবা একজন বোকা লোক

বোকামি নিয়ে কোনও কথা বলতে যাওয়া মানে আসলে আরও বড় বোকামির সমুদ্রে ডুব দেওয়া। পল তাবোরি-র এমনটাই মনে হয়েছিল ‘দ্য ন্যাচরাল হিস্ট্রি অফ স্টুপিডিটি’ বইটি লেখার সময়। প্রায় একই কথা অন্য প্রসঙ্গে এবং অন্য সুরে বলেছিলেন কবি জন ডান।

→

চালাক হওয়া বারণ!

পয়লা এপ্রিল সেই ক্যাবলা মানুষদের দিন, যারা ক্যাব না-ধরে ট্যাক্সি ধরে। পৃথিবীর গতির চেয়ে সেই ক্যাবলাকাটিংদের গতি বেশ খানিকটা ধীর। যারা একই মানুষের প্রেমে বছর-বছর আটকে থাকে। বইয়ের ভাঁজে লুকিয়ে রাখে কবেকার শুকনো ফুল।

→

বোকারাই আর্টস পড়ে!

প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত কাজে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করার ঔপনিবেশিক মানসিকতা আজকের ডিজিটাল প্রজন্মে এসে খানিক বদলে গিয়েছে। এখন বিজ্ঞান-প্রযুক্তি না জানা মানেই সরাসরি রাষ্ট্র ও তার অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত না-থাকা। পিছিয়ে পড়া। সহনাগরিকদের তুলনায় বোকা হয়ে যাওয়া। কিন্তু তাতে কি সম্ভাবনার দিগন্ত ছোট হয়ে যাচ্ছে না?

→

রাজনীতিতে কেউ ‘রাম’, কেউ ‘বোকারাম’

বোকা বনা আর বোকা বানানো তারই এক মহাযজ্ঞশালা এই রাজনৈতিক পৃথিবী।

→

শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার ক্লাস

এযাবৎ শুনে এসেছি, তিনি না কি বোহেমিয়ানের চরম, নিয়মের বাঁধ ভাঙার মানুষ, অতএব– আশায় আশায় থাকি, দু’কান ভরে কবিতা শুনব আর দিন যাবে আড্ডার গতে। যথাকালে দেখা গেল সে গুড়ে বড় বড় পাথর! কবিমানুষটি যেমনই হোন, মাস্টারমশাই শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ক্লাসে দেরি করার জো নেই, তিনি বেশ একটু বকুনিও দিয়ে থাকেন।

→