Robbar

মিনি সিরিজ

প্রতিমাদির প্রথম বই

বইটা প্রথম ২-৩ দিনে তেমন কিছু বিক্রি হল না। সম্ভবত মলাটের কারণে নেড়চেড়ে অনেকেই দেখলেন। একটু মনখারাপ হয়নি বললে মিথ্যে বলা হবে। তবে গুরুদেব প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য বলে দিয়েছেন, শুধু সেই বই করবে যাতে তুমি বিশ্বাস করো। বিক্রি হলে ভালো, না-হলে তুমি তো বিশ্বাস করো।

→

বাঙালির সব বঁটিই আঁশবঁটি

বাঙালি মুসলিমের পাকঘরে, আর দুলে-বাগদিদের মতো উচ্চবর্ণের হিন্দুয়ানি দ্বারা চিরকালের অপমানিত মানুষের হেঁশেলে আমিষ-নিরামিষের অত ভেদ নেই, সেই অসংখ্য কিন্তু অদম্য বাঙালির সব বঁটিই আঁশবঁটি।

→

বাঙালির বাড়ির মৎস্যেন্দ্রিয়

মাছ ছাড়া ভাত রোচে না, কিন্তু মাছের বাজারে ঢুকলে নাকে চাপা দেন– এমন মানুষ নিশ্চয়ই দেখেছেন। আবার মাছ নিয়ে যাঁদের কাজকারবার, মানে জেলে বা মাছ বিক্রেতা, তাঁদের কাছে নাকি ওই কটু গন্ধই সুগন্ধি-সমান।

→

আমার প্রতিমা দর্শন

গদ্যভাষা স্বতন্ত্র, প্রকাশ এবং পরিবেশনায় প্রতিমাদি একেবারেই ভিন্নধর্মী। শঙ্খ ঘোষ চরিত্র হিসেবে বারবার উপস্থিত আছেন বটে, তবে রচনাকল্পে নেই! বিশেষত কবিদের নিয়ে আলোচনায়। নির্ভার কিন্তু গভীর, অনুভবে ভাবুক অথচ বিশ্লেষণে প্রখর।

→

চলব আমি নিজের আলো ধরে

আমার মা, প্রতিমা ঘোষ, বিদুষী, অধ্যাপক, লেখক, সুন্দরী, সুভাষিণী, সুহাসিনী, শান্ত, ধৈর্যশীলা, আর কবি অধ্যাপক শঙ্খ ঘোষের ২০ বছর বয়স থেকে বান্ধবী এবং ২৪ বছর বয়স থেকে অর্ধাঙ্গিনী। এই প্রত্যেকটি বিষয় নিয়ে অনেক অনেক কথা লেখা সম্ভব। কিন্তু আজ মনে হল, আমার মা কি সেই সময়ের নিরিখে ঠিক ঠিক ‘আধুনিকা’? প্রগতিশীল?

→

আড়ালের প্রতিমা

যে-আড়ালের কথা শঙ্খ ঘোষ ‘নিঃশব্দের তর্জনী’তে লিখেছে, সেই আড়ালেরই আরেকটা অসম্ভব উদাহরণ হয়ে, একই বাড়িতে, প্রতিমা ঘোষ বেঁচেছিলেন।

→

রসনার থেকে রাজনীতি: মাছে-ভাতে বাঙালি

মাছ বৃহত্তরভাবে বাঙালি জীবনের আনাচকানাচে এমনভাবে ছড়িয়ে আছে, যার প্রভাব প্রশ্নাতীত। কিন্তু যা নজর করা দরকার, তা হল, এই মাছকেন্দ্রিক পরিসরের ক্ষেত্রটি আখেরে হিন্দু বাঙালির জীবনের বিশেষ এক রকমের ছবি।

→

বাঙালির মাছের লোভই মেছোভূতের প্রাণ

লোকসংস্কৃতির আলোচনায় ‘মেছোভূত’-কে সাধারণত এমন এক অতৃপ্ত আত্মা হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল মাছের প্রতি অদম্য লোভ। মেছোভূত হল বাংলার মানুষের দীর্ঘদিনের খাদ্যাভ্যাস এবং তার সঙ্গে যুক্ত মানসিক নির্ভরতার এক রূপক প্রকাশ।

→

পাহাড়তলির মাছকাবারি

জলপাইগুড়ি বাইপাসের অস্থায়ী বাজারে ঢুকে শুনলাম, পাশেই বয়ে চলা তিস্তা ছাড়াও এ-বাজারে আসে ধরলা ও জলঢাকা নদীর টাটকা মাছ। বিঘৎখানেক বোরোলি তো আছেই, চোখে পড়ল প্রমাণ সাইজের খোকসা, মৃগেল আর বিশাল সাপের আকৃতির বামুশ বা বাঙোশ মাছ! তবে সবচেয়ে বেশি আপ্লুত হলাম কিলো চারেকের বাঘা মহাশেরের দর্শনলাভ করে।

→

প্রাচ্যের ভক্তি আর পাশ্চাত্য মানবতার সেতু?

১৯৬৮ সালে ডেমোক্র্যাটদের জাতীয় কনভেনশনে এবং দু’ বছর পরে ব্ল্যাক প্যান্থারদের বিদ্রোহী সমাবেশে উপস্থিত থেকে তিনি অবিরাম কৃষ্ণনাম উচ্চারণ করেছিলেন। এই সময় প্রাচ্যপ্রীতির অর্থ কি পাশ্চাত্যকে পুরোপুরি বর্জন? আমার তো মনে হয়, তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের ভক্তিরস এবং মানবতার ভিতর সেতুস্থাপন করতে উন্মুখ ছিলেন।

→