Robbar

মিনি সিরিজ

কিশোরের ফুল

তাঁর কবিতায় ঘুরে-ফিরে বেড়ায় তাঁর কিশোর প্রেমিকেরা। সীমাহীন সমুদ্রের মতো স্বাধীন এবং তরঙ্গমুখর সান্দ্রো পেন্নার অন্তর্জগৎ! ‘নবীন কিশোর’-দের প্রতি পেন্নার শারীরিক আকর্ষণ, সপ্রেম মুগ্ধতার এক কামতীব্র আগ্নেয়োদ্ভাসকে আমরা স্পর্শ করতে পারি তাঁর কবিতার পঙ্‌ক্তিতে পঙ্‌ক্তিতে।

→

মার্জিমুলুক ঝাপসা রাত

বাস্তবের মাটিতে আজ যেখানে মিসাইলের ছোঁয়ায় নিহত অসংখ্য নিষ্পাপ শিশুর কবর খুঁড়তে হচ্ছে, হয়তো সেখানেই বসে একদিন কোনও এক মেয়ে বুঝতে চেষ্টা করবে– ‘হিজাব’ কেন তার জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠল? মার্জি-মাফিক না হোক, মর্জিমাফিক তো হওয়া উচিত! প্রয়াত শিল্পী মার্জান সাত্রাপি স্মরণে বিশেষ নিবন্ধ।

→

বিষাদ এখনও জেগে

‘পার্সেপলিস’-এর গল্প বলা হয়েছে সাদা-কালোর বাইনারি ব্যবহার করে। এই সাদা-কালো মাধ্যম, প্রাথমিকভাবে বিষয়টি সহজভাবে পরিবেশন করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হলেও, আসলে এই সাদা এবং কালো রঙের বৈপরীত্য ইঙ্গিত করে স্মৃতি-বিস্তৃতি, শাসক-শাসিত, দমন-স্বাধীনতা, বাইরের এবং অন্তরের বিপ্লব এই সমস্ত কিছুর তাৎপর্যের দিকে।

→

তিনি চেয়েছিলেন সুবিচার, প্রেম আর ঈশ্বরের ক্রোধ

‘I want justice, love, and the wrath of God all in one.’ ভয়ংকর এই যাচনা! গ্রিক চিন্তক ও লেখকরাও ভাবতে পারেননি। ভাবতে পেরেছিলেন, ফারসি, ফরাসি, ইংরেজি, সুইডিশ, জার্মান, ইটালিয়ান জানা এই ইরানি তরুণী, যার বালিকাবেলা কেটেছিল এক ধর্মবিঘ্নিত নারীবিদ্বেষী সামাজিক পরিবেশে।

→

ঘোলমেলে ব্যাপারস্যাপার

যা কিছু ঘেঁটেঘুঁটে ঝাপসা করে দেওয়া হয় তা-ই ‘ঘোলাটে’। পুকুরের স্বচ্ছ জল পাঁক করে দিলে তা ঘোলা জল। ওই জলে মাছ ধরা আবার খুবই সন্দেহজনক এবং খারাপ কাজ! মানুষের দৃষ্টি কমে গেলে, আবহাওয়ায় ধোঁয়া বা ধুলে বেড়ে গেলে, এমনকী কারও স্মৃতি দুর্বল হয়ে গেলে সেটাও ঘোলাটে!

→

এক গ্লাসে গ্রীষ্মবিজয়

বাঙাল বাড়ির ঘোল হবে সাচ্চা টক দইয়ের, যাতে জলের পরিমাণ থাকবে মেপে। সেই ঘোলে পড়বে কাঁচালঙ্কা বাটা বা চটকানো নির্যাস, সঙ্গে থাকবে জিরে ভাজার গুঁড়ো আর ধনেপাতা কুচি। কোথাও কোথাও একটু সরষে বাটার ছোঁয়াও দেওয়া হয় সেই ঘোলে।

→

আমআদমির শুঁটকি বিলাস

বরাবর কলকাতার শহরতলিতে বাঙালপাড়ায় থাকার সুফলও পেয়েছি। কখনও কোনও কাকিমা, কখনও দিদি প্রথমে লজ্জা লজ্জা মুখ করে, ‘তোমরা খাও? আগে জানলে... আমাদের তো প্রায়ই হয়।’ তারপর একদিন কনফিডেন্টলি একবাটি রান্না করে এনে, ‘আবার যেদিন হবে, দিয়ে যাব’। ব্যস, আমার তো ব্যবস্থা হয়ে গেল!

→

অপ্রকাশিত প্রতিমা ঘোষ

প্রকাশক এলেন এক রাত্রে, বইটি নিতে। জানা গেল, কল্যাণ রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি ওরা, যিনি অনুবাদক। শঙ্খ-র কথা হল যে এ বই তো কল্যাণের। ওকে তো জানাতেই হবে। শঙ্খকে করতে হল যোগাযোগ অপর্ণা সেনের সহায়তায়, কল্যাণ এত অল্প সময়ে আর কি করবে এতদূর থেকে, অন্তত ‘নতুন’ সংস্করণের ভূমিকা লিখবে।

→

উদাসী স্মৃতির পথে পথে

আজ মনে হয়, বড় ভাগ্যবান ছিলাম আমরা, এঁদের কাছে পেয়েছি। কিন্তু সময়টা যেন ঝড়ের বেগে পেরিয়ে এসেছি। হুশ করে কোথায় চলে গেলেন সবাই! এই বিধ্বস্ত সময়ে দাঁড়িয়ে মনে হয়– এইসব উদাসী স্মৃতিরাই একক অবলম্বন।

→

মছলিবাবা, ভেরি ফিসি!

সত্যজিৎ আসল মছলিবাবাকে পর্দায় নিয়ে এসেছেন দর্শকদের মনে একটা কৌতূহল তৈরি করে দিয়ে, মছলিবাবার সম্বন্ধে মোটামুটি তথ্য জানার পর। সেই দৃশ্যে, মছলিবাবাকে দেখানোর আগে আমরা দেখেছিলাম মছলিবাবার অনুষঙ্গ, কানা-উঁচু থালায় রাখা মাছের আঁশ।

→