Robbar

মিনি সিরিজ

সে উজ্জ্বল বাসনা যেন তীক্ষ্ণ প্রহার

পুরাতন দিল্লি শহর। যেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়ে নানা কবির সমাহার। যে শহর মির্জা গালিবের, সেখানে সমর সেন বন্ধ লেখা আর খুলতে পারলেন না। নিজের কাছে দরকার কমে গেল কবিতার। কিন্তু সেটা কি শুধুই নিজের?

→

কবিতার জন্য খুন

নাদিয়া আঞ্জুমান ও ফারোক ফারখজাদ। আফগানিস্থান ও ইরানের দুই নারী-কবি। তারা আসলে লিখতে চেয়েছিল সতত পরাধীন মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের কবিতা। অথচ সেই কবিতাই খুন করল তাদের!

→

শিল্পতীর্থ জগন্নাথ

বিশাল তিনটি রথ থেকে শুরু করে শ্রীজগন্নাথের অনসরকালের পটচিত্র, রথের অলংকরণ, কাঠের বিগ্রহ, মুখোশ, খেলনা, তালপাতার সূক্ষ্ম খোদাই এবং পাথরের ভাস্কর্য– পুরীর শিল্প একটি সাংস্কৃতিক পরম্পরা। এর গভীরে রয়েছে শ্রীজগন্নাথ সংস্কৃতির ধর্মীয় দর্শন, মন্দির-কেন্দ্রিক সেবাপরম্পরা, তীর্থযাত্রার ইতিহাস এবং বংশপরম্পরায় শিল্পচর্চার এক দীর্ঘ ঐতিহ্য।

→

সমুদ্রের মতো, সবই গ্রহণীয়

অভিজ্ঞতার একত্রে, নির্দিষ্ট কোনও অর্থ আছে কি? কেবল তাদের, এক সমগ্রতায় উগড়ে দিতে পারেন কেউ কেউ। যেমন পারতেন, উৎপলকুমার বসু।

→

পুরীর পেটপুজো

সজনে ডাঁটার মুচমুচে প্যান-ফ্রাই হোক, বা পুরভরা কচুপাতা মুড়ে ভাপিয়ে সারুপত্র তরকারি, পাখালা হোক বা বেসর– কলিঙ্গ আহারের স্বাদমাহাত্ম্য অতুলনীয়। তবে জানেন কি, বাঙালি রসনায় ডাল ও বড়ি, এমনকী, সরষের ব্যবহারের সূত্রপাতও করেছিলেন উৎকলবাসী রাঁধুনেরাই?

→

বিখ্যাত বাঙালিদের পুরীস্কোপ

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ১৩১২ বঙ্গাব্দে অর্থাৎ ১৯০৫-এ ‘মুকুল’ পত্রিকার কয়েকটি সংখ্যা জুড়ে পুরী ভ্রমণের বর্ণনা লিখেছিলেন। সেই বর্ণনার শুরুতেই উপেন্দ্রকিশোরকে বলতে শোনা যায়: ‘আজকাল রেল হইয়া পুরী যাইবার বেশ সুবিধা হইয়াছে, তাই এখন অনেকেই শখ করিয়া সেখানে গিয়া থাকেন।’

→

সাহেব, সমুদ্র, জগন্নাথ

পুরীর রথযাত্রার ইতিহাস বলতে গেলে ব্রিটিশ আমলের কলেরা মহামারির প্রসঙ্গ উত্থাপিত হবেই। ঐতিহাসিক ডেভিড আর্নল্ড বলছেন যে, ১৮৬৬ সালে কনস্ট্যানটিনোপলে সংঘটিত একটি সভায় পুরীর তীর্থ সমাগমকে দায়ী করা হয় বিশ্বে বিবিধ স্থানে কলেরা ছড়ানোর জন্য। ইতিপূর্বে মক্কাকেও দায়ী করা হয়েছিল এই রোগ সংক্রমণের হেতু হিসেবে।

→

এক ‘বহিরাগত’ কবি

চমকপ্রদ অন্ত্যমিল, যার সঙ্গে জুড়েছিল তাঁর নিজস্ব প্রায়-কথ্য ভাষায় লেখা অন্বয়। এইসব বৈশিষ্ট্য তাঁকে পরিচিতি দিচ্ছিল প্রতিভাময়ী কবি হিসেবে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ তাঁকে নাড়িয়ে দিয়ে গেলেও, রুশ বিপ্লবের মতো প্রভাব তাঁর কবিজীবন ও জীবনীর উপর আর কোনও ঘটনা ফেলেনি।

→

আমেরিকার শ্রেষ্ঠ ব্যর্থ লেখক

‘আমেরিকার শ্রেষ্ঠ ব্যর্থ লেখক কে?’ প্রশ্ন করলে তিনি বলতেন, এক নম্বরে টমাস উল্‌ফ আর দু’ নম্বরে উইলিয়াম ফকনার। এবং এই কথা তিনি বলে চলেছিলেন টমাস উল্‌ফের মৃত্যু থেকে অর্থাৎ ১৯৩৫ সাল থেকে। ফকনার নোবেল পান ১৯৪৯ সালে। তারপর দু’বার ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড এবং দু’বার কথাসাহিত্যের পুলিৎজার প্রাইজ।

→

তোমার ঈর্ষা আমার জয়

পাউন্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মুসোলিনির হয়ে ইতালির রেডিও থেকে মার্কিন-বিরোধী ধারাবাহিক বক্তৃতা দেন। যুদ্ধশেষে মার্কিন সেনা তাঁকে গ্রেফতার করে। তাঁকে জনসমক্ষে প্রায় প্রদর্শিত করা হয়। তারপর যুদ্ধবন্দি মানসিক রোগী হিসেবে সেন্ট এলিজাবেথে রাখা হয় ১২ বছর। এই বন্দিদশা থেকে তাঁকে মুক্ত করেছিল রবার্ট ফ্রস্টের কবি-ঈর্ষা।

→