

নন্দলাল বসুর এমন অপ্রত্যাশিত ভাবে চলে যাওয়ায় কলাভবন ঘিরে রবীন্দ্রনাথের আশা যেন নিভে গেল। নিজের ইচ্ছেয় নন্দলাল চলে গিয়েছিলেন বলে মনে হয় না। ঘটনার সময়ে রবীন্দ্রনাথ কি আশ্রমে ছিলেন না? যদি থাকেন তাহলে কি তাঁর সঙ্গে দেখা না-করেই চলে গেলেন নন্দলাল?
অবনীন্দ্রনাথের প্রিয় শিষ্য নন্দলাল তখন চিত্রীমহলে বিশেষ পরিচিত। ‘সতীর দেহত্যাগ’, ‘দয়মন্তীর স্বয়ম্বর’, ‘সুজাতা’, ‘অহল্যা উদ্ধার’, ‘জতুগৃহ দাহ’, ‘উমার তপস্যা’ ইত্যাদি অজস্র ছবি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার বেশ কিছু আগে, ১৯১৪ সালে, রবীন্দ্রনাথ নন্দলালকে শান্তিনিকেতনে আমন্ত্রণ করেছিলেন।
কলাভবন তো আর হঠাৎ করে গড়ে ওঠেনি, ধীর গতিতে এক-পা এক-পা করে এগিয়েছে। আমরা জানি, রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত ‘বিশ্বভারতী’র অন্যতম প্রধান অঙ্গের নাম ‘কলাভবন’। তার পুরো চেহারা গড়ে উঠেছে ধীরে ধীরে। ভেবে দেখলে, তার সূচনা কি ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অন্তরে নিহিত ছিল না?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved