Robbar

রোববারের গল্প

প্রেতশিলায় লিখা

আমি তমালের দিকে চেয়ে হাসলাম। কিছুটা বোকা হাসি। কী বলব, ঠিক বুঝতে পারছি না। আমার সব ইনফরমেশন লোকটার কাছে আছে। শুধু যেটা মিলছে না, কখনও মিলবেও না, সেটা হল আমার মৃত্যু তারিখ। আমি পান্ডেজির দিকে তাকালাম। বললাম, ‘ভালো। কী আর করা যাবে? আপনাদের খাতায় থাকুক– আমি মৃত।’

→

অক্ষরযাত্রা

গল্পকার আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কথোপকথন। তা নিয়েই গড়ে উঠেছে এই গল্প। পড়ে নিন রোববারের গল্প, নিজের সময়মতো।

→

সুধাময়ীর পরিচয়পত্র

বিএলও সুধাময়ীর দিকে খানিক তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকান। তারপর নুয়ে পড়া শরীরটার দিকে ফর্মটা এগিয়ে দিয়ে বলেন, সব ঠিক আছে। নিন, এবার টিপছাপ দিন। মুহূর্তে সোজা হয়ে যায় সুধাময়ী। তার চোখদুটো জ্বলে ওঠে।

→

সৌন্দর্য

রোসিন্তা দেখভাল করার ছোকরাটার উদ্দেশ্যে হাঁক পেড়ে গাল দেয়। তার নীলচে সবুজ চোখে আলো পড়ে ঠিকরে যায়। ব্যস, কোথায় জেসিন্তা! তার নবীন আলো ঝলমল রূপ ছেড়ে মেদহীন, বাদামি চুলের মায়ের দিকে দৃষ্টি আটকে গেল বাঁধনের।

→

রিমি বিশ্বাসের মুঠোজগৎ

গোটা গোটা করে পরিষ্কার হাতের লেখায় ছ’টি শব্দ লেখে সাদা পাতায়। বাংলায়। পরের লাইনে ইংরেজিতে। ফের ছ’টি শব্দ। কারণ সে বিপদে ফেলতে চায় না বিম্বিসারকে,... যশোময়কে,... তার পরিচিত কাউকে।

→

আইসক্রিম ডল

মা এখন আমাকে বিষ দেওয়ার চেষ্টা করে। খাবারে। রোজ। একটু একটু করে। আমি জানি। বুঝি। ক্লাস সিক্সের শেষ থেকেই শুরু হয় এই খেলা। শুধু আমার সঙ্গে নয়। আমার আগের পাঁচ জন ভাইবোনের সঙ্গেও এই একই খেলা খেলেছে মা। সবাই হেরেছে। আমি এখনও হার মানিনি।

→