Robbar

কলাম

অন্ধকারে, মৃতদেহ কাঁধে

যখন কেউ কাউকে খুন করে লাশ গায়েব করে, তখন সে কি লাশ ঘাড়ে করে এমন আরামদায়ক দুলকিচালে নিশ্চিন্তে হেঁটে যেতে পারে?

→

নন্দলাল বসু ও কলাভবনের শুরুর দিনগুলি

অবনীন্দ্রনাথের প্রিয় শিষ্য নন্দলাল তখন চিত্রীমহলে বিশেষ পরিচিত। ‘সতীর দেহত্যাগ’, ‘দয়মন্তীর স্বয়ম্বর’, ‘সুজাতা’, ‘অহল্যা উদ্ধার’, ‘জতুগৃহ দাহ’, ‘উমার তপস্যা’ ইত্যাদি অজস্র ছবি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার বেশ কিছু আগে, ১৯১৪ সালে, রবীন্দ্রনাথ নন্দলালকে শান্তিনিকেতনে আমন্ত্রণ করেছিলেন।

→

স্মৃতি-বিস্মৃতির কথা

শুধু আপনারই বা কেন হবে, আমার আপনার সকলের মাথার নাম ‘স্মৃতিমণ্ডল’। স্মৃতি নামের মন্ডল পদবিধারী মেয়ের কথা বলছি না, বলছি এক সমাসবদ্ধ পদের কথা। স্মৃতিমণ্ডল।

→

সমর্পণ নয়, ব্যাড গার্লের প্রতিস্পর্ধা

১৯৫৮। আমার জীবনে ওপি এল, তোলপাড়! অসামান্য সুন্দরী নায়িকা মধুবালার ঠোঁটে আমি গাইলাম ওপির সুরে ‘আইয়ে মেহেরবান’। রাতারাতি ভারত জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আমার কণ্ঠের রতিস্নান। আমি বুঝলাম এই গানের সবটুকু, সব মায়া ও মাদক, আমার কণ্ঠের জন্য রচনা করেছে ওপি।

→

সদ্যবৈধব্য চিনতে আমার কখনও ভুল হয়নি

রোববার-এ ফিরলেন জয় গোস্বামী। লেখা নয়, অনন্ত কথাবার্তা পরিসর। যে-কথা ছুঁয়ে থাকবে তাঁর নানা স্মৃতি ও অনুসঙ্গকে। সঙ্গে শৈবাল বসু।

→

কবি বনাম আবৃত্তিকার

কবিতা পড়া শেষ করে মঞ্চ থেকে নিষ্ক্রান্ত হচ্ছেন যখন শম্ভু মিত্র, সুভাষ মুখোপাধ্যায় স্মিত হেসে দাঁড়িয়েছেন তাঁর সামনে। আবৃত্তি কেমন লাগল জানতে চাইছেন শম্ভু মিত্র। সুভাষ জানালেন: ‘ভালো, তবে আমি পড়লে বোধহয় আর একটু ভালো হত।’

→

কুবের পুজোর আচার থেকেই সোনা কেনা হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়

অক্ষয় তৃতীয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যক্ষাধিপতি কুবেরের নাম। স্বর্গের সম্পদনিধির দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিনটিতে। কুবের সম্ভবত প্রাক-বৈদিক দেবতা। বৈদিক যুগে তিনি প্রথম সারির দেবতাদের মতোই প্রভাবশালী ছিলেন। অনেকেই ‘কুবের’ শব্দটিকে অস্ট্রিক গোষ্ঠীর শব্দ মনে করেছেন।

→

কলাভবন শুরুর নেপথ্যে এক দরদি শিক্ষক

কলাভবন তো আর হঠাৎ করে গড়ে ওঠেনি, ধীর গতিতে এক-পা এক-পা করে এগিয়েছে। আমরা জানি, রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত ‘বিশ্বভারতী’র অন্যতম প্রধান অঙ্গের নাম ‘কলাভবন’। তার পুরো চেহারা গড়ে উঠেছে ধীরে ধীরে। ভেবে দেখলে, তার সূচনা কি ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অন্তরে নিহিত ছিল না?

→

ইনি আমার মাসি, আর আমি এনার দিদি!

দেওয়াল ঘেঁষে একটা টেবিল আর সামনে ফুটপাথে গোটা দুই-তিন যেমন-তেমন বেঞ্চি। বসে চায়ের গেলাসটা হাতে নিয়েছি, হঠাৎ কোথা থেকে উদয় হল ছোট্ট এক মেয়ে। পায়ে চটি, সুন্দর ফ্রক। মাথায় উমরোঝুমরো চুল।

→

ওধারে এক আগন্তুক

আমার মনটাও একটা সুবৃহৎ আয়না। মনের ভিতরে যেন ওই আয়নার ওধারের জগৎটা রয়েছে। অথবা, ঠিক উল্টোটা। আমার মনের ভেতরে যা আছে, সেটাই আসল জগৎ। বাইরের জগৎটা আসলে ওই ভিতরের জগতেরই প্রতিবিম্ব।

→