

লীলা মুখোপাধ্যায়। ভারতীয় শিল্পের প্রথম আধুনিক ভাস্করদের একজন। শিল্পী বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায়ের ছাত্রী, পরবর্তীকালে সঙ্গিনী। কলাভবন থেকে নেপাল– প্রায় সর্বত্রই সঙ্গে ছিলেন, কাজ করেছেন, শিখেছেন। সৃষ্টি করেছেন আধুনিক ভারতীয় ভাস্কর্যের এক নতুন অধ্যায়– যেখানে সহজ সরল ভাবনা ও মানবিক গহীন আবেগের প্রতিচ্ছবি।
প্রাচীনকালে মুড়ির নাম ছিল ‘হুড়ুম’। চৈতন্যচরিতামৃতে রয়েছে, ‘চিড়া হুড়ুম সন্দেশ সকল’। হুড়ুম একপ্রকার শস্যদানা হলেও, শব্দটির প্রকৃত অর্থ হল হালকা ফাঁপা ভাজা চাল বা চিঁড়ে। খেতে গেলেই দাঁতের চাপে মুড়মুড় করে আওয়াজ বের হয়। তাই বোধহয় নাম হয়েছে ‘মুড়ি’।
পূর্ণেন্দু পত্রীর 'কথোপকথন' ওপার-বাংলাতেও বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। বাংলাদেশে কেউ-কেউ তো সে-বই ইচ্ছেমতো ছেপে বেরও করেছিলেন। তবে বাংলাদেশের যুবসমাজে এই বইয়ের প্রবল জনপ্রিয়তা কবিকেও অভিভূত করেছিল। চতুর্থ খণ্ডের উৎসর্গের পাতায় পূর্ণেন্দু পত্রী লিখেছিলেন, ‘বাংলাদেশের সেইসব তরুণ তরুণীদের হাতে/ কথোপকথন নিয়ে যারা উন্মাদ।’
কলাভবনের ছাত্র নির্বাচনের ভার এসে পড়েছিল নন্দলালের ওপর। রামকিঙ্কর বেইজকে ছাত্র হিসেবে নির্বাচন বা চিত্তপ্রসাদকে মনোনীত না করা– যাবতীয় সিদ্ধান্তই নিতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু কীভাবে ছাত্রদের নির্বাচন করতেন তিনি? কী ছিল তাঁর নির্বাচনের মাপকাঠি?
ঘনশ্যাম দাসের বাক্যবাণ আদতে এক উপনিবেশিত সত্তার অন্তর্ঘাতী বয়ান, যা দেখিয়ে দেয় প্রভুর সত্যি স্থানকালপাত্রভেদে মিথ্যের বেসাতি! তাকে বিশ্বাস করার, মান্য করার অত কিছু নেই। সত্যি দিয়ে তার গল্প শুরু হয়, শেষে লেখা ‘মিথ্যেরই জয়’।
আমি সেই জ্যোৎস্নার প্রান্তদেশে দাঁড়িয়ে সেই অন্ধকার জলস্রোতকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘তুমি কে? জ্যোৎস্নাজলে মর্মরধ্বনি উঠল, ‘আমার কোনও নাম নেই। তাই তোমার প্রশ্নেরও কোনও উত্তর নেই।’ আমি ভাবতে লাগলাম। অন্ধকারে কে বলে উঠল কথাগুলো?
মাহেশের রথের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে কমলাকর পিপিলাইয়ের নাম। ইতিহাস লিখতে গিয়ে কেউ তাঁকে বলেছেন বহিরাগত, কেউ বলেছেন তিনিই মাহেশের জগন্নাথের আদি প্রতিষ্ঠাতা। মতভেদ থাকলেও কমলাকরকে বাদ দিয়ে মাহেশের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ইতিহাস অসম্পূর্ণ।
আগেকার দিনে মেয়েদের গঙ্গাস্নান ছিল ঝক্কির। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, পার্বণের দিনে গিন্নিকে বন্ধ পালকি-সুদ্ধ গঙ্গায় ডুবিয়ে আনা হত। প্রযুক্তির কল্যাণে আজ সেই সমস্যা মিটেছে। এখন নিত্য গঙ্গাস্নান। সকাল-বিকেল। প্রযুক্তিই এখন যুগপৎ ভক্তিযোগ ও কর্মযোগের সহায়।
হেমিংওয়ে যাপন করেছেন এক তাড়িত জীবন। সংসার পেতেছেন সংসার ভাঙতে। একটি প্রেম শেষ হতে না হতে শুরু হয়েছে আর এক প্রেম। এসবের মধ্যেই তিনি বেছে নিয়েছিলেন ভাবনার একাকিত্ব। বেছে নিয়েছিলেন মদের সর্বগ্রাসী আগুন। নিজের ইচ্ছেমতো বেঁচেছেন, মৃত্যুকেও একলহমায় আলিঙ্গন করেছেন নিজের ইচ্ছেমতোই।
শহুরে মেয়ে দূর কোলিয়ারিতে মরলে প্রচুর বখেড়া, তার চেয়ে অন্য কিছু ভাবতে হল। বিচিত্র এক ক্যাম্পে একরকম চিকিৎসা করিয়ে নিয়ে যাওয়া হল অন্য একটা জায়গায়। এটা অনেক সুরক্ষিত, মানে যারা স্বস্তিতে থাকেন তাদের পক্ষে নিরুপদ্রব, সুব্যবস্থিত।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved