

‘ভালো-বাসার বারান্দা’ এখনও পর্যন্ত পাঁচ খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে। ২০১০-এ প্রথম খণ্ড প্রকাশের পর দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশ করতে অনেকটাই সময় লেগে গিয়েছিল। সেই সময় নবনীতাদি রেগে গিয়ে আমাকে একটা চিঠি লিখে ওই বই ছাপতে নিষেধ করেছিলেন।
ককবরক ভাষার লোকসংগীত ও কবিতা সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষ হলেও সরকার বা ত্রিপুরার কোনও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুবাদ কর্মশালার কাজে উৎসাহ দেখাচ্ছিল না। ফলে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের অভাবে সকলের সমন্বয়ে গড়ে উঠল ‘ককবরক সাহিত্য অকাদেমি’।
সাঁঝের কুয়াশামাখা রিক্ত, শস্যহীন খেত। আলপথ দিয়ে হেঁটে চলেছি। জানিই না, কেন যাচ্ছি, কোথায়ই বা যাচ্ছি। পিছনে ফেলে এসেছি অর্থহীন জীবন। সামনে কীসের সার্থকতা? তাও জানি না আমি।
প্যারিসে আন্দ্রের আতিথ্যে থাকাকালীন ফ্রেস্কো আর বাটিক ছাড়াও প্রতিমা আরেকটি কাজ শিখেছেন, সে হল ইউরোপীয় পটারি। কলাভবনের সিলেবাসে স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে সিরামিক পটারির যে কোর্স চালু হয়েছে– তার সুদূর নেপথ্যেও প্রতিমা দেবী।
বালি-মাফিয়ারা নদীর গর্ভ থেকে দেদার বালি তুলছে প্রকাশ্য দিবালোকে। গড়ে উঠছে চোরাবালির মৃত্যু-ফাঁদ। নদী বুজিয়ে তৈরি হচ্ছে জমি-কারখানা। হারিয়ে গিয়েছে কত কত নদী। হারিয়ে গিয়েছে তার ইতিহাস। নদনদীর বিলুপ্তপ্রায় তালিকাটিও অশেষ বলাই ভালো। মুমূর্ষু নদনদী নিয়ে সরকার উদাসীন। উদাসীন আমরাও।
রবীন্দ্রনাথের নাটকে অমল যখন মারা যাবে, তার আগে এসেছিল রাজ কবিরাজ। সেই রাজ কবিরাজের পদ্ধতি সম্পূর্ণ আলাদা। সেই পদ্ধতিতে জানলা খুলে দিতে হয়। খুলে দিতে হয় জীবন-মৃত্যুর সীমার বাইরে যে বড় সময় সেই বড় সময়ের দিকে।
২০২৬-এও ৪৮ দেশের ভিতর ইতালির বিশ্বকাপে না-থাকার অবিশ্বাস্যতার মাঝে অধিকতর অবিশ্বাস্য মনে হয় বারেসি-মালদিনির অস্তিত্ব, সাফল্যের গ্রাফ, কেরিয়ার, ফুটবল।
কাথখোদাই ১০০! টানা ১০০ সপ্তাহ ধরে আমার বই নিয়ে লেখা গুমোট গদ্য কী করে পড়লেন? আপনারা কি বাঙালি নন? না কি আপনারা সেই সুবর্ণরেখা বাঙালি-তলানি, যাঁরা এখনও বাংলা পড়েন, লেখেন, বসেন ভাবনার আসনে? ভাগ্যিস আছেন আপনারা!
জুয়া-সংক্রান্ত ১৩১টি নৃতাত্ত্বিক বিবরণের বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কেবল নারীরাই খেলায় অংশ নিত। পুরুষদের অংশগ্রহণ ছিল নামমাত্র। এই প্রবণতা সেই তুষারযুগ থেকেই। অর্থাৎ পাশা ও জুয়ার সঙ্গে যুক্ত সামাজিক খেলার ক্ষেত্রে নারীরাই সম্ভবত অগ্রণী জুয়াড়ির ভূমিকা পালন করেছিল।
স্বপনদা (স্বপন মজুমদার) আমাকে বলেছিলেন নবনীতাদির প্রথম উপন্যাসটি পুনর্মুদ্রণ করার কথা। ১৯৮৬-র বইমেলার সময় আমি সেই উপন্যাস– ‘আমি, অনুপম’ নতুন করে প্রকাশ করেছিলাম। ‘আমি, অনুপম’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে, ইমার্জেন্সির সময়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved