Robbar

ফেয়ার প্লে

আন‘কমন’ ভারত

‘জয় নয়, অংশগ্রহণই আসল’: অলিম্পিক্সের মহাবাক্য যাই হোক না কেন, এখন সাফল্য বলতে ভারতীয়রা নিরীহ প্রচেষ্টাকে পাত্তা দেয় না। বোঝে পদক আর প্রতিষ্ঠা। এবারের কমনওয়েলথ তাই পদকের আড়ালে এক নিঃশব্দ আন্দোলন, এক গোপন ক্রীড়া-বিপ্লব।

→

অমরত্বের ২৯ জুলাই

১৯১১-তে মোহনবাগানের ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ড-জয় অনেকের কাছে পলাশীর প্রতিশোধ, অনেকের কাছে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ময়দানি-রূপ। স্বাদেশিকতার বর্ণপরিচয়। তবে এ-কথা অনস্বীকার্য, ১৯১১-য় মোহনবাগানের এই সাড়া জাগানো জয় স্বদেশি আন্দোলন এবং ফুটবলকে যেন এক সুতোয় বেঁধে ফেলেছিল।

→

ভালোবাসা অবসর নেয় না!

‘ধনঞ্জয়দা, তুমি যে বড় চলে যাচ্ছ!’ –‘আমার কাজ যে ফুরিয়েছে।’ –‘তুমি কি আর আসবে না?’ তোমার হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়া অবয়ব শেষবার বলে ওঠে– ‘আমার আসার আর দরকারই হবে না…’

→

১৯৬৭, ইডেন, গ্যারি সোবার্স লাইভ!

ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং– ক্রিকেটের তিন ভুবনে তিনি ছিলেন সেরার সেরা। ‘অলরাউন্ডার’ শব্দটার জন্মই হয়েছিল তাঁকে কেন্দ্র করে। সদ্য প্রয়াত, সেই গারফিল্ড সোবার্সকে ঘিরে মুগ্ধতার রেশ আজও ভেসে বেড়ায় ২২ গজ থেকে গ্যালারিতে। তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণ রোববার.ইন-এ।

→

ডাগআউটের ফেলু মিত্তির

তিনি লিওনেল স্কালোনি। আর্জেন্টিনার আরেক লিও। আলবিসিলেস্তেদের ফেলু মিত্তির। ডাগআউটের ভেতরে বসে মগজাস্ত্রের জোরে ঘুঁটি সাজান। মোক্ষম সময়ে মোক্ষম চালে কিস্তিমাত করেন।

→

স্বপ্নের অফসাইড

একটা স্টারডম, একজন মাচো অ্যাথলিট আর অনন্ত প্রচারের চূড়ামণি আর ফোটোগ্রাফারের বাইরে থাকে– একটা আড়াল। জেডেন অ্যাডামস সেই আড়াল থেকে আর ফিরলেন না।

→

আবার বছর চব্বিশ পরে

র‍্যামসের ঘৃণা, তারুণ্যের প্রতিশোধ, যুদ্ধের হিসেব, মারাদোনার স্মৃতি, রেড কার্ড, হার্স্ট, শিল্টন, রেফারি, দৃষ্টিনন্দন গোল। ২০২৬-এ দাঁড়িয়ে এ সবই বহু দূরের স্মৃতি। ২৪ বছর পরের খেলায় কি তবে ইতিহাসের কোনও যোগসূত্রই নেই?

→

আমার সন্ততি স্বপ্নে থাক

মনে হবে, ডিসটোপিয়া। দু’পাশে ভাঙাচোরা হাইরাইজ। অর্ধেক ছাদ। লোহার খাঁচা। ধ্বংসের ভেতরে দাঁড়িয়ে কিছু মানুষ। ঠাসাঠাসি করে। দেখছে, আর্জেন্টিনা বনাম মিশর। গাজা শহরে। কয়েকটা আলো আর মিশরের লাল-কালো পতাকা। যুদ্ধবিমান, ড্রোনের শব্দ আর অনর্গল বম্বিং ভুলে থাকার ৯০ মিনিট। ট্রমা নেই। মৃত্যুভয় নেই। খিদে নেই।

→

ঘরানার ফুটপাথ বদল

ইউরোপ বনাম লাতিন আমেরিকার ঘরানার লড়াইয়ে কে জিতবে, তা নির্ধারণ হবে কিছুদিন বাদেই। একথা সত্যি যে, লাতিন আমেরিকার ফুটবলে শিল্প এবং লড়াইয়ের সংমিশ্রণ, সেই ছবিটা বহু বছর ধরেই ধীরে ধীরে বদলে গিয়েছে অনেকটাই। অন্যদিকে, ইউরোপের দেশগুলোর উপনিবেশের ইতিহাস, অর্থনৈতিক শক্তি এবং অভিবাসন নীতির ইতিবাচক ফলে পুষ্ট হয়েছে তাদের বদলে চলা ফুটবল-সংস্কৃতি।

→

তবু, মনে রেখো…

যে অপরিণত সময়ের কাছে আর ফেরা যাবে না কোনওদিন, সেই সময়টাকে নিয়ে চলে গেলেন ঝগড়ুটে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। আমাদের বড় হওয়ার বৃত্ত সম্পূর্ণ হল শেষমেশ।

→