৩ ডিসেম্বর চলে গেল বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস। প্রতি বছর এই দিনটি আসে, চলে যায় কিন্তু বাস্তবের রুক্ষ পথটার কোনও পরিবর্তন হয় না।
২০১৬ থেকে ২০২২– এই ছ’-বছরের মধ্যে এদেশে গার্হস্থ্য হিংসার জনসংখ্যা সমাযোজিত হার বেড়েছে ১৬ শতাংশ, অথচ তা থেকে মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়ার হারে কোনও উন্নতি হয়নি।
ক্রিকেটের প্রতি অনয়ার অনুরাগ বিন্দুমাত্র কমেনি। এখন কর্তৃপক্ষ কোন দলে অনয়াকে প্রবেশাধিকার দেবে?
আহু দরিয়াই-কে কুর্নিশ, কিন্তু তাঁকে সামনে রেখে নারীদের বাঁচানোর নামে ইরানকে সারা বিশ্বে কালিমালিপ্ত করার পশ্চিমী চক্রান্তকে ধিক্কার।
আমাদের বাস্তবতায় গ্রামই যেহেতু এখন আর দৃশ্যমান নয় তাই গ্রামের নারীর কথা কী করে বলা হবে?
আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি প্রতিদিন এই সমাজটাকে সুস্থ মানুষ-বান্ধব করে তোলার। তবুও আমরা সমষ্টির হাতে মারা পড়ছি, সমষ্টির বোধের মৃত্যু ঘটছে। ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের অবিশ্বাসের ফল এই নিদারুণ পরিকল্পিত ক্ষুব্ধ হত্যাগুলি।
পকেটমারকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে মারতে দেখেছে শৈশব, তার থেকে পালিয়ে আমরা যাব কোথায়?
কিন্তু কেন আমরা এত হিংস্র হয়ে উঠলাম? কেন তাকে পিটিয়ে মারার আগে খেতে দিলাম? কী জানি, একেক সময় মনে হয়, পথের ধারে যে মাংসর দোকানের সামনে দিয়ে আমরা যাতায়াত করি আর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকি, সেখানেও কাটার আগে পাঁঠাকে কাঁঠাল পাতা খেতে দেওয়া হয়।
যৌনকর্মীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণের বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হলে দ্বিতীয়টির সঙ্গে ভিকটিমের যে অসহনীয় শারীরিক ও মানসিক আঘাত জড়িয়ে থাকে, তা লঘু করা হয়।
এই নাইট ডিউটি থেকে আমাদের আদৌ ছুটি মিলবে কি কোনও দিন?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved