সম্প্রতি অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে হয়ে গেল নরেন্দ্রচন্দ্র দে সরকারের ছবির প্রদর্শনী। সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। আজ ৯৪ বছরেও তাঁর তুলি সমানভাবে সচল। বয়সের ভারে ন্যুব্জ, চোখের দৃষ্টি ক্ষীণ– একটি চোখে প্রায় দেখতে পান না বললেই চলে। তবুও ছবি আঁকায় বিরতি নেই।
আজও তাঁর জীবনকে জানার জন্য আমাদের সম্বল ইতিউতি কিছু উপাদান। কিছু মানুষের স্মৃতিকথা, খানকতক দায়সারা বা দাঁতভাঙা প্রবন্ধ, আর বেশ কিছু গান। সত্যিই কি সলিলের মতো একজন কৃতী বাঙালির আরও একটু মনোযোগ প্রাপ্য ছিল না?
রাজনৈতিক মেরুকরণের ছায়া এবার খাদ্যসংস্কৃতিতেও। বিরিয়ানি ও অন্যান্য খাদ্যপণ্যের লেনদেন ধর্মের ছাতায় আনার আহ্বান রাজ্যের এক বিরোধী নেতার মুখে। ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় এ আদতে ধর্মীয়-বিভাজনের ঘনানো অন্ধকার।
গোদাবর্মন থিরুমুলপাদ আরাবল্লির পাহাড়-জমি-বন-ইকোলজি রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে থাকলেন।
মারমুখী যুবাদের সামনে তার পরিচয়, ভাষা বা আইডেন্টিটি ইন্ডিয়ান– এমন জবাবদিহি অনিবার্য হয়ে পড়েছিল অ্যাঞ্জেল চাকমার জন্য। কথা হল, এই চারটে শব্দ: ‘আমি ভারতীয়, চিনা নই’, সীমান্তবর্তী এলাকার এক মৃতপ্রায় যুককের মুখ থেকে শুনে কী ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনীতির আঁচ আমরা পাই?
একবার ভেবে দেখা যাক আরবল্লি নেই। গরম বালি ক্রমশ গলা টিপে ধরেছে পশ্চিমের ছোট ছোট নদীগুলোর; ক্রমে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের পশ্চিম প্রান্ত বালিতে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে; গঙ্গার গতিপথ হারিয়ে যাচ্ছে গরম বালিতে; ভারতের জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে– তাই না?
নীতি আয়োগের ২০১৮ সালের রিপোর্ট বলছে, অনিরাপদ পানীয় জলের কারণে এ দেশে প্রতি বছর গড়ে দুই লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। ডায়রিয়া, কলেরা ও টাইফয়েডের মতো জলবাহিত রোগই এর প্রধান কারণ। প্রতিবেদনটির কম্পোজিট ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট ইনডেক্স-এ বলা হয়েছে যে, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ জলের উৎসই কোনও না কোনওভাবে দূষিত, ৭৫ শতাংশ পরিবারেই নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই এবং প্রায় ৬০ কোটি মানুষ তীব্র জল সংকটে ভুগছেন।
দীর্ঘ সংগ্রামমুখর জীবনযাপনের পর অবশেষে ৩০ ডিসেম্বর সকাল ছ’টায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন বাংলাদেশের ‘আপসহীন নেত্রী’, প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। প্রতিকুল পরিস্থিতিতেও তিনি দেশ ছাড়েননি, দেশের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। করলেনও। এ তাঁর রাজনৈতিক জীবনে অনেক বড় অর্জন।
জ্যোতি জুতো পরে না। জ্যোতি নিরামিষ খায়। জ্যোতি খালি পায়ে ঘুরে বেড়ায় সারা কলকাতা। আমি কখনও গরম পিচে পা রাখি। কখনও পরম গোবরে। দুটোই সমান সহনীয়। কিংবা সুন্দর। বলল একদিন জ্যোতি। এই জুতোহীন উদ্বেল প্রেমিককে আনন্দবাজারের বরুণ সেনগুপ্ত ‘খালিপদ’ নামেও ছড়িয়ে দিয়েছেন বাঙালির ঘরে ঘরে।
আদান-প্রদান যে নতুন কিছু তা না। আরাকান রাজসভার কবিরা যে বাংলায় যে কাব্য লিখেছিলেন, সেগুলোর উৎস একটু খুঁজলেই দেখা যায়– অবিভক্ত ভারতবর্ষের কবিদের কবিতার সঙ্গে তার স্পষ্ট যোগসূত্র বর্তমান। এঁদের মধ্যে মুসলমানরাও ছিলেন, তাঁদের কাব্যে কৃষ্ণরাধাও ছিল, হোলিও ছিল।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved