কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে দাবি করা রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারকরা কাশ্মীরের ভিন্নমতের মানুষদের শাপ-শাপান্ত ব্যাতীত আর কী দিতে পেরেছেন? এই কাশ্মীরের রনজি জয় ভারতকে নিশ্চিতভাবেই জাতীয় দলে একাধিক তারকা উপহার দেবে আগামীদিনে।
ফেরা তো আসলে প্রত্যাবর্তনও। হারিয়ে যেতে যেতে ঘুরে দাঁড়ানো। যেমন করে ঘুরে দাঁড়ায় লড়াকু যোদ্ধা রঙ্গমঞ্চে নজর কেড়ে নেওয়া পার্শ্বচরিত্র। কিংবা নিঝুমপাড়ায় ফেরিওয়ালার ডাক।
মাঠ ও মাঠের বাইরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা যতই তীব্র হোক, ক্রিকেট শেষপর্যন্ত ছিল একটি মানবিক সম্পর্কের জায়গা। আজ, যখন হাত মেলানো নিয়েও প্রশ্ন ওঠে, তখন সেই সম্প্রীতি যেন আরও দূর সময়ের গল্প বলে মনে হয়।
ক্রিকেটার স্মৃতির কাহিনি হওয়া উচিত এক ডাকসাইটে ক্রীড়া সংগ্রামী হিসাবে। কিন্তু জনতা মেতে উঠল তাঁর ব্যক্তি জীবনের বেদনায় প্রলেপ দিতে। একজন আদর্শ অ্যাথলিট ফ্যান-সাপোর্ট চায় মাঠে। মাঠের বাইরে তাঁর প্রস্তুতিপর্ব। সেখানে একমাত্র প্রশিক্ষকের সাহচর্যে সনিষ্ঠ সাধনায় মগ্ন হওয়া। এই সাধনার নির্যাসই তো খেলোয়াড় নিবেদন করে দর্শককে।
আমাদের একঘেয়ে ক্রিকেট যাপনের মাঝে এই মারকাটারি সেঞ্চুরি কেবলই এক বিস্ময় ইনিংস নয়, বৈভব সূর্যবংশীর সবচেয়ে বড় উপহার বোধহয় এই সময়যানটিই।
মেসিকে ঘিরে এই শহরে বিশ্রী রকমের বিশৃঙ্খলা ঘটে গেল। ফুটবল পাগল পশ্চিমবঙ্গ হয়তো উন্মাদনা দমিয়ে রাখতে পারেনি। কলকাতার আর্জেন্টিনা উন্মাদনার সামাজিক মনস্তত্ত্ব আসলে এক সামষ্টিক পরিচয়ের আকাঙ্ক্ষা। দূরের এক দেশের ফুটবলকে ঘিরে বাঙালি এমন এক অনুভূতির জগৎ তৈরি করেছে, যেখানে অচেনা মানুষও এক পতাকার রঙে হঠাৎই আপন হয়ে ওঠে। মারাদোনার বিক্ষুব্ধ প্রতিভা হোক বা মেসির নীরব সংগ্রাম, বাঙালি তাদের গল্পে নিজেরই জীবনযুদ্ধের ছায়া দেখতে পায়।
জেমিমা রডরিগেজ গান করেন। গিটার বাজিয়ে। আবার সুনীল গাভাসকরকে প্রস্তাব দেন ডুয়েটের। কৈশোরে দেখেছি বীরেন্দ্র শেহবাগকে। ছোট কাগজে তরুণ কবির প্রথম কবিতা, হেলমেটের ভিতর ভরে আনেন কিছু বিস্ফোরক আর কিছুটা কিশোরকুমার। এসব গানের ভিতর ক্রিকেট। আবার ক্রিকেটের ভিতর গানও আছে পুরো দস্তুর।
হৃদয়ের শুশ্রূষাকে যে জেমিমা তাঁর আধুনিক মন আর বোঝাপড়া দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেই রাখেন, তা টের পাওয়া গিয়েছিল আগেই। মনই যে মগজ, আর মগজেই মন, এই মেয়ে মাত্র ২৪-এ সে-কথা এত নির্ভুল পড়তে পারল কীভাবে?
গম্ভীরবাবু কখনও কমল মিত্র, কখনও ইশানের বাবা আবার কখনও ‘উড়ান’-এ লাস্ট সিনে নিজের ছেলের পেছনে দৌড়তে থাকা রণিত রায়। আর সন্তানের নাম, ভারতীয় ক্রিকেট!
কেএল রাহুল সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আক্ষেপ করেছেন যে, আইপিএল এখনও পর্যন্ত পেশাদারি কর্পোরেট মানসিকতা নিয়ে আসতে পারেনি, দলগুলির মধ্যে, সার্বিকভাবে! এই অভিযোগ সত্য, তবে আংশিকভাবে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved