Robbar

Art

ফিসফিসিয়ে ওঠে নীরব আত্মহননের নোটবুক

গোটা প্রদর্শনীকক্ষে একাকী বেশ খানিকটা সময় কাটালে এই আর্কাইভগুলো জীবন্ত হয়ে কানের কাছে বোধহয় ফিসফিসিয়ে ওঠে, দর্শককে একটা খুব হালকা ধাক্কায় আরামদায়ক জায়গার থেকে সরিয়ে কেমন যেন একটা অস্বস্তির মধ্যে টেনে আনে।

→

চুরি হোক শিল্পসম্মত

মৌলিক শিল্পকর্ম এবং অন্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত শিল্পকর্ম, কিংবা অন্যের কাজ চুরি আর সরাসরি জালিয়াতির মধ্যে সীমারেখাটি কোথায় টানবেন? কোন নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে?

→

এক শিল্পী, এক বিজ্ঞান-অন্বেষকের স্বগতভাষণ

এলোমেলো অবিন্যস্ত খসড়ার ধরনই লেওনার্দোর নোট্‌সের নান্দনিক ভিত্তি। আর ঐতিহাসিক ভিত্তিটি অবশ্যই রেনেসাঁসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তা খানিকটা সমসাময়িককে অতিক্রম করে যাওয়ায়– শিল্প, বিজ্ঞান, দর্শন– প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই; খানিকটা মানুষ ও প্রকৃতির আন্তঃসম্পর্ককে দেখার প্রেক্ষিত বদলে; আর খানিকটা ‘শিল্পী’-কে ‘কারিগর’ থেকে ‘দার্শনিক’-এ উন্নীত করায়।

→

সুনয়নী দেবীর ছবি দেখে অবন ঠাকুরকে ‘সার্টিফিকেট’ লিখে দিতে বলেছিলেন গগনেন্দ্রনাথ

গগনেন্দ্রনাথের পছন্দ হয়েছিল সুনয়নীর ছবির সরল-সুন্দর রীতি। অবনীন্দ্রনাথকে অনুরোধ করেছিলেন ‘সার্টিফিকেট’ লিখে দেওয়ার জন্য। উত্তরে অবনীন্দ্রনাথ বলেছিলেন– ‘ও যে ধারায় ছবি আঁকছে তার জন্যে আমায় আর সার্টিফিকেট লিখে দিতে হবে না। পরে দেশের লোকের কাছ থেকে ও নিজেই সার্টিফিকেট আদায় করে নেবে।’

→

মাপ করুন, সৃষ্টিশীলভাবে!

মানুষ-গাছ-জন্তু-পাখি-নদী-পাহাড়-সূর্য-তারা– এ সমস্ত নানান জিনিসের একটা প্রতীকী মোটিফ মানে একটা সিম্বল থাকে অস্ট্রেলিয়ান অ্যাবরিজিনাল আর্টে। সেগুলো বেশিরভাগই ডট, মানে ফুটকি দিয়ে করা। ছবির পটে কাজটা শেষ হয়ে গেলে ওরা যেটা করে সেটাই রহস্য।

→

শিল্পকলায় বিষ্ঠা মানে ব‍্যঙ্গ, বিদ্রুপ অথবা প্রতিবাদ

একসময় পাবলো পিকাসোও নাকি তাঁর মেয়ের মল দিয়ে ছবি এঁকেছেন। শিল্পীর উজ্জ্বল বাদামি রঙের সে এক রহস্য। পেজ সিক্সের রিপোর্ট অনুসারে, ‘পু-ক্যাসো’ সম্পর্কে খবরটি শিল্পীর নাতনি ডায়ানা উইডমায়ার পিকাসোর কাছ থেকে এসেছে এবং এটা ছিল অনেকদিনের পারিবারিক গোপনীয়তা। ১৯৩৮ সালের স্টিল-লাইফ সিরিজে ওঁর সেইসব ছবি প্রদর্শিত হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।

→

ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের রেলিং-এ প্রকাশ কর্মকারের ‘যুগান্তকারী’ প্রদর্শনী

এগজিবিশনের ব্যাপারটায় যে আভিজাত্য, প্রকাশই তা প্রথম ভাঙল। চারুশিল্পর ক্ষেত্রে শিল্পীর অন্তর্দৃষ্টি সাধারণ মানুষের বোধগম্যের বাইরের কিছু, সেটাও বোধহয় সে মানতে চায়নি। সেই কারণেই তো বলেছিল, তার আর্ট জনগণের আর্ট, ফুটপাতও তাদের সামনে আর্টকে তুলে ধরার উপযুক্ত স্থান হতে পারে এবং শিল্পী সমাজের তথাকথিত আভিজাত্যের লক্ষণে আঘাত করতে চায়।

→

মেয়েদের দুর্গা আঁকাতে গিয়ে অসুরের জায়গায় ইংরেজকে বসিয়েছিলেন নিবেদিতা

নব্যবঙ্গীয় চিত্রকলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে ‘প্রবাসী’ আর ‘মর্ডান রিভিউ’-এর পাতা ভরে উঠেছিল তাঁর লেখা চিত্র-পরিচিতিতে। অবনীন্দ্রনাথ ভারতমাতার ছবি আঁকলে, সেটি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন ভগিনী নিবেদিতা। তাঁর মনে হয়েছিল, এটি নতুন ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে ভারতীয় শিল্পভাষায়, দেশের মানুষের জন্যে আঁকা ছবি।

→

বাস্তব আর ভার্চুয়ালের সীমান্তে দাঁড়িয়ে হাইব্রিড আর্ট প্রশ্ন করতে শেখায়– শিল্প কী?

আধুনিক শিল্প আলোচকদের ভাষায়, হাইব্রিড আর্ট আমাদের শেখায়, শিল্প থামতে জানে না। এটা একটা অবিরাম বিবর্তনের ধারা। প্রযুক্তিকে মানবিক আবেগের সঙ্গে যুক্ত করে এমন এক ভাষা সৃষ্টি করছে এখন, যা একাধারে বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক এবং নান্দনিক।

→

শিল্পীরা বিখ্যাত হবেন, কিন্তু আমাদের খ্যাতি, সম্মান, অর্থ কিছুই কি প্রাপ্য নয়?

অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে আর্ট কলেজের ফিগার মডেল হিসেবে কাজ করছেন শোভা বিশ্বাস। তাঁর শরীর থেকেই গড়ে উঠেছে বহু ছাত্রের শিল্পের পাঠ। শরীর সেখানে ভেঙে যায় শুধু ফর্ম আর লাইনে। কিন্তু ক্যানভাসের বাইরে, ব্যক্তি শোভা বিশ্বাস-কে কীভাবে দেখেছে সমাজ? নিজের পেশাকে, অর্থনৈতিক অবস্থানকে তিনিই বা কীভাবে দেখেছেন? তাঁর নিজের কথা, রোববার.ইন-এর পাতায়।

→