Robbar

Rabindranath Tagore

বিখ্যাত বাঙালিদের পুরীস্কোপ

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ১৩১২ বঙ্গাব্দে অর্থাৎ ১৯০৫-এ ‘মুকুল’ পত্রিকার কয়েকটি সংখ্যা জুড়ে পুরী ভ্রমণের বর্ণনা লিখেছিলেন। সেই বর্ণনার শুরুতেই উপেন্দ্রকিশোরকে বলতে শোনা যায়: ‘আজকাল রেল হইয়া পুরী যাইবার বেশ সুবিধা হইয়াছে, তাই এখন অনেকেই শখ করিয়া সেখানে গিয়া থাকেন।’

→

স্মৃতি সত্তা ইতিহাস

বইয়ের নিরাভরণ শিরোনামটি দেখেই চকে উঠেছিলাম– ‘জাস্ট বিইং’ অর্থাৎ ‘মাত্র জীবনধারণ’। এ কী বিস্ময়কর বিনয়! ৭০০ পৃষ্ঠার এই বইটি তিন রাত জেগে পড়া শেষ করলাম! এর গঠনশৈলী অনবদ্য, নির্ভার কিন্তু দ্যুতিময়, এবং বিষয়ের প্রাচুর্য সব সীমারেখা অতিক্রম করে।

→

কলাভবন: পূর্ব থেকে পশ্চিমে

শোনা যায়, পূর্ব দিক থেকে কলাভবনের অবস্থানগত পরিবর্তন ক্রমশ পশ্চিমদিকে সরে আসায় নন্দলাল একটু রসিকতা করেছেন। ঘনিষ্ঠ বৃত্তে গল্পচ্ছলে তিনি বলেছেন, কলাভবনের গতি দেখছি ক্রমে পুব থেকে পশ্চিমে চলেছে। অর্থাৎ শিল্পের অভিমুখ যেন প্রাচ্য থেকে ধীরে ধীরে পাশ্চাত্যের দিকেই এগিয়ে চলেছে।

→

পিছন-পানে তাকাই যদি কভু

ভিড় বাস চলেছে। দ্রুত। ভিড় পিছন দিকে এগিয়ে গিয়েছে। পিছন দিকে এগতে এগতে কেউ ভাবছে– পিছনটাই সামনে! এই ভাবনা ততক্ষণই সত্য, যতক্ষণ না গন্তব্য আসছে। গন্তব্য একটা মুহূর্ত, সময়ের বিন্দু।

→

পিতৃস্নেহ বিষম বস্তু!

দশরথের এত স্নেহ পেয়েছিলেন বলেই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ পিতৃ-আজ্ঞা পালনে রাজত্ব ত্যাগ করে বিষম জীবনযাপন বেছে নিয়েছিলেন রাম। সেই রামই নিজের পুত্রদের স্নেহ করার সুযোগই পেলেন না। মহাভারতে যেমন পিতার স্নেহ কী বস্তু জানলই না পঞ্চপাণ্ডব। শকুন্তলা-দুষ্মন্তের পুত্র ভরতকেও পিতৃস্নেহ বঞ্চিত হতে হয়েছিল শৈশবে।

→

কলাভবনের ফ্রেস্কোর ক্লাস শুরু করেছিলেন প্রতিমা দেবী

প্যারিসে আন্দ্রের আতিথ্যে থাকাকালীন ফ্রেস্কো আর বাটিক ছাড়াও প্রতিমা আরেকটি কাজ শিখেছেন, সে হল ইউরোপীয় পটারি। কলাভবনের সিলেবাসে স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে সিরামিক পটারির যে কোর্স চালু হয়েছে– তার সুদূর নেপথ্যেও প্রতিমা দেবী।

→

অমলের জানলা

রবীন্দ্রনাথের নাটকে অমল যখন মারা যাবে, তার আগে এসেছিল রাজ কবিরাজ। সেই রাজ কবিরাজের পদ্ধতি সম্পূর্ণ আলাদা। সেই পদ্ধতিতে জানলা খুলে দিতে হয়। খুলে দিতে হয় জীবন-মৃত্যুর সীমার বাইরে যে বড় সময় সেই বড় সময়ের দিকে।

→

কবির অসুখ অথবা মুখোশের জ্বর

আজ বিশ্ব চিকিৎসক দিবস। বাংলা সাহিত্যের অনেক কবি শারীরিক দিক থেকে ছিলেন অসুস্থ। আর্থিক দূরাবস্থা কিংবা স্বেচ্ছাচার সেই প্রবণতাকে ত্বরান্বিত করেছে। এখন কবিদের শারীরিক স্বাস্থ্য ফিরেছে, কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য তলানিতে। আজ কবি তীব্র এক মনোবিকারে আচ্ছন্ন, লোভী অথবা গুপ্তচর।

→

যেখানে, যখন লিখি সেটাই আমার লেখার টেবিল

কাথখোদাই ১০০! টানা ১০০ সপ্তাহ ধরে আমার বই নিয়ে লেখা গুমোট গদ্য কী করে পড়লেন? আপনারা কি বাঙালি নন? না কি আপনারা সেই সুবর্ণরেখা বাঙালি-তলানি, যাঁরা এখনও বাংলা পড়েন, লেখেন, বসেন ভাবনার আসনে? ভাগ্যিস আছেন আপনারা!

→

গোপেশের খল ক্লাউনেরা

ছবির নাম ‘ক্লাউন’। গোপেশের ছবির প্রতিটি রেখায় কুটিলতার যে বিস্তৃত বিন্যাস, তা প্রতিটি মুখচ্ছবিকে করে তোলে প্রতিকৃতি। তাদের চোখের ক্রূরতা, মুখের রেখার অনমনীয় নিষ্ঠুরতা তাদের শরীরী ভাষাকে স্পষ্ট করে তোলে। এভাবেই ঘুরে বেড়ায় এই মানুষেরা, নিজের চেহারা লুকিয়ে, নিজের খলস্বভাব মেকি হাসির আড়ালে লুকিয়ে।

→