শান্তিনিকেতনের সংস্কৃতি আর ইতিহাসের অঙ্গভূত খোয়াই। ১৯৩২ সালে লেখা ‘খোয়াই’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ দেখেছিলেন খোয়াইয়ের রূপ। এখন অনেক বেশি ক্ষয়িষ্ণু খোয়াই, অস্তিত্ব সংকটে। নন্দলাল বসু, বিনোদবিহারী, অথবা রামকিঙ্করের ছবিতে খোয়াই যেন আলো-আঁধারির খেলায় বিমূর্ততার বহুপাঠ।
রবীন্দ্রনাথের বলা ‘চিরদিন আমি পথের নেশায় পাথেয় করেছি হেলা’ তাঁর জীবনেও সত্যি। গান নিয়ে পথ চলেছেন, পাথেয় নিয়ে কোনওদিন ভাবেননি। মনে করতেন, রবীন্দ্রনাথ যে-কথা বলছেন গানে, সে যেন আমারও বলার কথা, মনের কথা– এই ভাবনা নিয়ে গাইলে তবেই সে-গান শ্রোতাকে স্পর্শ করবে।
নিপা ভাইরাস আমাদের শরীরে থাকলেও তাকে মোকাবিলা করার ক্ষমতা আমাদের আছে। আমাদের শরীরে নিপা-প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। কিন্তু আমরা যদি খাদ্যাভাব, থাকার জায়গার অভাব, দূষণ, অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠান্ডায় দুর্বল ও অসুস্থ হয়ে যাই, তখন নিজেরা বিপন্ন হলে ভাইরাসের মোকাবিলা করতে পারি না।
কল্পকাহিনিকে কি আজকের বাংলা বাজার পাত্তা দেয়? এরই ফাঁকে স্পেকুলেটিভ ফিকশনের নামে কিছু ‘অশ্বডিম্ব’ প্রসব করে বিষয়টি আরও ঘেঁটে দিয়েছেন কেউ কেউ। তবে কল্পনার আশ্চর্য জগতে ভাসতে যিনি চান, তিনি থোড়াই কলেজ স্ট্রিটের এই অশ্লীল রাজনীতিকে পাত্তা দেবেন!
এখন সার্বভৌমত্ব, অন্যান্য মানুষ বা দেশের মতামত, আন্তর্জাতিক আইন সমস্ত কিছুই শব্দবন্ধ মাত্র। প্রশ্ন হচ্ছে, ক্ষমতার এই প্রবল আগ্রাসী পদক্ষেপ কালকের পৃথিবীর জন্য স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়াবে না তো?
তপন সিংহ, আপনার ঘৃণা, তাচ্ছিল্য, অপভাষার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। না-হলে সাগরদা, সুনীলদা, পূর্ণেন্দুদাকে আমি অমন দাত্রী নৈকট্যে কাছে পেতাম না।
পৌষ সংক্রান্তির দিন উলুবেড়িয়ার বাণীবনে বসে পীর হজরত জঙ্গলবিলাসের মেলা। সেই উপলক্ষে উলুবেড়িয়া তাঁতিবেড়িয়ার কুমোরপাড়ায় প্রতাপ পালের মতো শিল্পীরা গড়ে তোলেন রানি পুতুল। বাংলার পুতুল মানচিত্রে হাওড়া জেলার যে পুতুলের গুরুত্ব অপরিসীম।
মৃত্যুর আগে ডেভিড ম্যাককাচন তাঁর ‘লাইকা’ ক্যামেরাটি তারাপদ সাঁতরাকে দিয়ে যান। ক্যামেরাটির লেন্সের ঢাকনা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারাপদবাবু সেখানে একটি সাধারণ ওষুধের শিশির ক্যাপ লাগিয়ে ব্যবহার করতেন। কেউ কৌতূহলী হয়ে ক্যামেরার নাম জানতে চাইলে তিনি অত্যন্ত গম্ভীর মুখে সেটিকে ওষুধের কোম্পানির নামেই পরিচয় দিতেন।
২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি, প্রয়াত হয়েছিলেন তপন সিন্হা। ২০২৬ সালের এই জানুয়ারি মাসেই, হারমোনিয়াম ছবিটি ৫০ বছর পূর্ণ করল। হারমোনিয়ামের বাসন্তী চরিত্রে ছিলেন অভিনেত্রী সোনালী গুপ্ত। তাঁর হারমোনিয়ামের সাদা-কালো দিনগুলির কথা তিনি লিখলেন রোববার.ইন-এ।
উপন্যাস, ছোটগল্প, এমনকী রিপোর্টাজেও তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা-ভাষায়,ভাবে এবং প্রয়োগে স্বতন্ত্র। থিয়েটার, সিনেমা এবং মার্গসংগীতের পাশে অনায়াসে দ্যুতি ছড়াত সম্পাদক দীপেন্দ্রনাথের 'এথিকোপলিটিক্যাল' চর্চা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved