Robbar

Sangbad Pratidin

পিতৃস্নেহ বিষম বস্তু!

দশরথের এত স্নেহ পেয়েছিলেন বলেই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ পিতৃ-আজ্ঞা পালনে রাজত্ব ত্যাগ করে বিষম জীবনযাপন বেছে নিয়েছিলেন রাম। সেই রামই নিজের পুত্রদের স্নেহ করার সুযোগই পেলেন না। মহাভারতে যেমন পিতার স্নেহ কী বস্তু জানলই না পঞ্চপাণ্ডব। শকুন্তলা-দুষ্মন্তের পুত্র ভরতকেও পিতৃস্নেহ বঞ্চিত হতে হয়েছিল শৈশবে।

→

ঋত্বিক-মানিক রবীন্দ্রসেতু

সত্যজিৎ ও ঋত্বিক। ছবিতে রবীন্দ্রসংগীতকে ব্যবহার করেছেন দু’জনেই। সত্যজিতের ব্রাহ্ম প্রেক্ষাপট, শিল্পী নির্বাচন কিংবা তালবাদ্য ব্যবহারের অনীহা– গায়কি-বিষয়ক আমাদের সন্ধানকে গাঢ়তর করে তুলতে পারে। অপরদিকে গণনাট্য আন্দোলনের কর্মী হিসেবে ঋত্বিক, জ্যোতিরিন্দ্র, দেবব্রত প্রমুখ রবীন্দ্র-গানকে জনসমাজে ছড়িয়ে দেবার পন্থী। কম্যুনিকেশনের দর্শন ও ‘পলিসি’টি আলাদা।

→

ককবরক সাহিত্য অকাদেমি

ককবরক ভাষার লোকসংগীত ও কবিতা সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষ হলেও সরকার বা ত্রিপুরার কোনও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুবাদ কর্মশালার কাজে উৎসাহ দেখাচ্ছিল না। ফলে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের অভাবে সকলের সমন্বয়ে গড়ে উঠল ‘ককবরক সাহিত্য অকাদেমি’।

→

ইভি বনাম নস্টালজিয়া

সম্ভবত ইলেকট্রিক গাড়িই ভবিষ্যৎ। হয়তো কয়েক দশক পর পেট্রোল-চালিত মোটর-সাইকেলকে মানুষ ঠিক সেইভাবেই দেখবে, যেভাবে আজ স্টিম ইঞ্জিন বা গ্রামোফোনকে দেখে– একটি সুন্দর ইতিহাস হিসেবে।

→

সত্য সে লুকা!

অশান্ত শৈশব মদ্রিচকে কী করতে পারত? অস্ত্র তুলে নিতেন হাতে? পুড়তেন প্রতিশোধের আগুনে? না কি এই হিংস্র নির্মম পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে অটল থাকতেন তাঁর নির্মল অনাবিল আত্মোপলব্ধিতে: যুদ্ধ কখনও কারওর জন্য ভালো কিছু বয়ে আনে না। গাইতেন প্রিয় গান: ‘নিজে উ সোলদিমা সেভ’, টাকা সবকিছু নয়!

→

লেখার বিরতিও আসলে লিখনপদ্ধতি

এক বছর কিছু লিখবেন না– এই মর্মে আনন্দমেলা সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি লিখেছিলেন বুদ্ধদেব গুহ। চিঠিটি কোনও বিদায়পত্র নয়, কোনও ক্লান্তির বিবরণও নয়। এটি যেন এক শিল্পীর আত্মার দিকে ফিরে তাকানোর মুহূর্ত। যেন তিনি বলছেন– আমি লিখতে জানি, তাই থামতেও জানি।

→

সহজ পথের সন্ধানে

সাঁঝের কুয়াশামাখা রিক্ত, শস্যহীন খেত। আলপথ দিয়ে হেঁটে চলেছি। জানিই না, কেন যাচ্ছি, কোথায়ই বা যাচ্ছি। পিছনে ফেলে এসেছি অর্থহীন জীবন। সামনে কীসের সার্থকতা? তাও জানি না আমি।

→

ভবিষ্যতের সিঁদুরে মেঘ

গবেষকদের মতে, অতীতের বহু দুর্ভিক্ষ, সামাজিক অস্থিরতা এমনকী রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গেও ‘এল নিনো’র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। ভারতে উনিশ শতকের দুর্ভিক্ষ, চিনের খাদ্য সংকট এবং ব্রাজিলের দীর্ঘস্থায়ী খরায় লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল। যদিও শুধুমাত্র ‘এল নিনো’ দায়ী নয়, তবে এই জলবায়ুগত অবস্থা পরিস্থিতিকে বহুগুণ জটিল করে তুলেছিল।

→

গোলাপি প্রেম

মুর্শিদাবাদ ও বারুইপুরের লিচুর জনপ্রিয়তাও কম নয়। তবে ইউরোপে পাঠানোর জন্য কিন্তু মুজাফফরপুর বা তেজপুর বাদ দিয়ে সেরার সেরা লিচু– ‘গোলা গুলাব’কেই বেছে নেওয়া হয়েছে।

→

কলাভবনের ফ্রেস্কোর ক্লাস শুরু করেছিলেন প্রতিমা দেবী

প্যারিসে আন্দ্রের আতিথ্যে থাকাকালীন ফ্রেস্কো আর বাটিক ছাড়াও প্রতিমা আরেকটি কাজ শিখেছেন, সে হল ইউরোপীয় পটারি। কলাভবনের সিলেবাসে স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে সিরামিক পটারির যে কোর্স চালু হয়েছে– তার সুদূর নেপথ্যেও প্রতিমা দেবী।

→