

মহাশ্বেতা দেবীর জন্মশতবর্ষ। অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক শুভরঞ্জন দাশগুপ্ত মহাশ্বেতার সঙ্গে কথা বলেছেন কয়েকবার। তাঁর সঙ্গে মহাশ্বেতার শেষ কথোপকথনটির বিষয় ছিল সাহিত্য ও লেখকের রাজনৈতিক-সামাজিক অঙ্গীকার। অপ্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারটির মাধ্যমেই জন্মশতবর্ষে রোববার.ইন-এর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।
এক নারী যে একটি বটগাছের মতো পুরুষসঙ্গী চাইছে জীবনে, সেই নারীকে দেখতে যদি হয় পুরুষসুলভ? সেই নারীসত্তা যদি লুকিয়ে থাকে কোনও পুরুষদেহে– তবে কি তার এই চাহিদা, এই ইচ্ছে, এই নিরাপত্তা ও প্রেমের প্রত্যাশাকে দেখা হবে ‘পাপ’ হিসেবে? তাকে বিতাড়িত করা হবে ‘ছায়াসুনিবিড়, শান্তির নীড়’ প্রেম-উদ্যান থেকে?
দেশে-বিদেশে গুরু কেলুচরণ মহাপাত্রের ওড়িশি নৃত্যের সমস্ত রকম প্রকরণ বিধৃত হত সুজাতা মহাপাত্রের নৃত্যের মাধ্যমে। ওড়িশি নৃত্যের এমন কোনও প্রকোষ্ঠ ছিল না, যেখানে সুজাতা মহাপাত্র একটি অত্যুজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রতিভাত হননি।
ফিফা আয়োজিত কোনও বড় টুর্নামেন্টে এই প্রথম ছ’জন মহিলা রেফারি। পুরুষদের ফুটবল ম্যাচ পরিচালনার জন্য যে মহিলারা নির্বাচিত হয়েছেন– তাঁদের রীতিমতো চূড়ান্ত কঠিন এই শারীরিক পারদর্শিতার প্রমাণ দিতে হয়েছে। তারপরে মিলেছে মাঠ শাসন করার ছাড়পত্র। সেখানে কোনও লেডিস কম্পার্টমেন্ট নেই। যাত্রাপথে ছাড় নেই একটুও।
ছবির নাম ‘ক্লাউন’। গোপেশের ছবির প্রতিটি রেখায় কুটিলতার যে বিস্তৃত বিন্যাস, তা প্রতিটি মুখচ্ছবিকে করে তোলে প্রতিকৃতি। তাদের চোখের ক্রূরতা, মুখের রেখার অনমনীয় নিষ্ঠুরতা তাদের শরীরী ভাষাকে স্পষ্ট করে তোলে। এভাবেই ঘুরে বেড়ায় এই মানুষেরা, নিজের চেহারা লুকিয়ে, নিজের খলস্বভাব মেকি হাসির আড়ালে লুকিয়ে।
এমন সে আকাশভাঙা বিরতিবিহীন বৃষ্টি যে, সেই ঘনঘোরের মধ্যে বসে তখন মনে হয়, হে প্রভু! জীবনের এই ঝড়, এই বৃষ্টিপাত আর বুঝি কখনও থামবে না!
‘ওয়া কালচার’ থেকে জাপানের ফুটবল মহার্ঘ কী পেয়েছে? স্যামুরাই স্পিরিট। খেলা শেষে, সমর্থকেরা স্টেডিয়াম সাফ করে দেয়। খেলোয়াড়েরা ড্রেসিংরুম। তাই কেউ যখন বলে, জাপানের ফুটবল একটা ফ্লুক, তখন হাসিই পায়।
একাধিক লোকগল্পে যা মেয়েরাই মেয়েদের শুনিয়ে এসেছে চিরকাল– তাতে বড় রানিদের ছোট রানির প্রতি, সুয়োরানিদের দুয়োরানির প্রতি ঈর্ষার মিথ ছড়িয়ে গেছে সমাজের সব কেন্দ্রে। বঙ্কিম পুরুষ-লেখক হয়ে ভেঙে ফেলেছিলেন সেই মিথ, দেখালেন নারী প্রকৃত ভালোবাসলে স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিতে পারে প্রেমিক স্বামীকে, প্রিয় সংসারকে।
অবনীন্দ্রনাথের মনে কি কোনও অভিমান লুকিয়ে ছিল? কীসের সে অভিমান? শিল্পের সমকালীন অবস্থা কি তাঁকে সন্তুষ্ট করতে পারছিল না? এমতাবস্থায় অবনীন্দ্রনাথ আগামী পাঁচ বছর চিত্রপ্রদর্শনী বন্ধ করে দিতে বললেন। আরও কঠিন স্বরে তাঁর প্রিয় শিষ্যদের কাছে গুরুদক্ষিণা চাইলেন তিনি!
গোলকিপারের অস্তিত্বের স্বীকৃতি অনেক বেশি নির্ভরশীল এক একটা নির্ধারক মুহূর্তের ওপর। নিঃসঙ্গ ঈগলের মতো ডানা মেলে দেশের মানুষের স্বপ্নকে আগলে রাখতে চান তাঁরা। এই বিশ্বকাপ কি গোলকিপারদের হয়ে উঠতে পারে না?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved