

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পরেও ইরানে নেকড়ের প্রতি সেই বিদ্বেষ থেমে থাকেনি। জরাথুস্ট্রবাদের সেই ‘অশুভ শক্তির প্রতীক’ হিসেবে নেকড়েকে দেখার মানসিকতা ইরানিদের অবচেতন মনে থেকে গিয়েছিল। ফেরদৌসী তুরানিও তাঁর শাহনামায় শত্রুদের নেকড়ের সাথে তুলনা করেছিলেন, যা এই প্রাণীর প্রতি ঘৃণাকে আরও উস্কে দিয়েছে।
কোনও তালবাদ্য নেই, শুধু একটা হারমোনিয়াম নিয়ে উনি গাইছেন। ‘এমন দেশ টি কো-থাও খুঁজে...’– 'কোথাও' এর 'কো'-টা এক জায়গায় থাকছে, 'থাও'টা চলে যাচ্ছে অনেক দূরে। থাও-এর সুরটা একটা ঢেউয়ের মতো উঠে নেমে যেন ভেসে যাচ্ছে।
ঠান্ডা খাদ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে উনিশ শতকের শেষভাগে, যখন যান্ত্রিক রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তির আবিষ্কার হয়। এর ফলে কৃত্রিমভাবে আইসক্রিম উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। শিল্পায়নের ফলে আইসক্রিম আর অভিজাতদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে চলে আসে সাধারণ মানুষের খাদ্যতালিকায়।
চিন্ময় গুহর সঙ্গে কথোপকথন। শিক্ষা বিষয়ে। পল ফ্রেইরি থেকে পিয়ের কর্নেই– উঠে এসেছে শিক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন তত্ত্ব। সেমিস্টার সিস্টেমের ব্যর্থতা থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ছাত্রদের মূল্যায়ন। কথা বললেন সায়ন ভট্টাচার্য।
সত্যজিতের গল্পে ছেলেবেলার বন্ধুত্বের কথা বারবার ফিরে ফিরে আসে। একদা-নিবিড়ভাবে-আশ্লিষ্ট দুই বন্ধু, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাঁরা স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হয়েছেন।
নাৎসি ক্যাম্পের ড. ফিশারকে তাঁর সহকর্মীরা তাঁর ফার্স্ট নেম ধরেই ডাকতেন। অর্থাৎ, ফ্রিৎস। উনিশ-কুড়ি বছর বয়স থেকেই সত্যজিৎ রায়ের স্মৃতিতে এই ‘ফ্রিৎস’ নামটা গেঁথে গিয়েছিল! দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তিন দশক পরে এই ‘ফ্রিৎস’ নামটা সত্যজিৎ রায় ফিরিয়ে এনেছিলেন নিজের এক ছোটগল্পে।
একতলা বাড়ি একটা, রাজারাজড়ার আমলে তৈরি, ছয়-সাতটা ছোট ছোট ঘর সম্পূর্ণ বই আর বইতে ঠাসা, তেমন ভালো করে ক্লাসিফাই করা নয় বইগুলো। প্রায়শই মলাটছেঁড়া, ধুলোর গন্ধমাখা, হলুদ হয়ে যাওয়া সারি সারি সব জনপরিত্যক্ত অপঠিত বই।
ভাড়াটে ভোটার, মাইগ্রেটেড, ডুপ্লিকেট, সংখ্যালঘু, মৃত, অবৈধ অনুপ্রেশকারী, কতরকমের অ্যালিগেশন! কাল দেখলাম একজন লিখেছেন, প্রচুর মেয়ের নাম বাদ এবারের ভোটে। বোঝো! সংখ্যালঘু আর মহিলাদের কেন যে সরকার এমন যমের মতো ভয় পায়, কে জানে!
সত্যজিৎ রায়ের গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের প্যাটার্ন একটা জায়গায় অদ্ভুতভাবে প্রায়ক্ষেত্রেই এক যে, তারা একা মানুষ, এবং তাদের নিঃসঙ্গতায় তাদের গ্লানি নেই। তারা নিজেদের, নিজেদের মতো করে আবিষ্কার করে নিতে পারে। এই যে নিজেকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিতে পারা– এ-ও একটা নিজস্ব রুচির পরিচয় দেয়।
যে অধিকার স্বাভাবিক নিয়মে পায় অধিকাংশ জন, সেই অধিকার মেয়েদের আদায় করে নিতে হয়। লড়ে নিতে হয়। যেই লড়াই ঘরে বাইরে সব জায়গায়। সম্মান এবং অধিকার– এই দুইটির আপসহীন প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজন মেয়েদের শ্রমের মর্যাদা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved