Robbar

Sangbad Pratidin

আজাদ হিন্দ ফৌজের পতাকার বিভ্রান্তি ও বিতর্ক

ইম্ফলের ৪৫ কিমি দক্ষিণে মইরাং-কাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে আজাদ হিন্দ সরকার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে এপ্রিলের ১৪ তারিখের এক বিকেলে। এই তারিখটি আজও ‘মইরাং দিবস’ বা ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। সেই উত্তোলিত পতাকার প্রতীক ঘিরে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক আজও।

→

রঙে রসে অফুরান রবি বর্মার তুলির টান

রাজা রবি বর্মার সমস্ত অয়েল পেন্টিং রোমান্টিকতায় অফুরান। এতটুকু আজও নিভে যায়নি তাদের আবেদন, ক্লান্ত হয়নি তাদের উজ্জ্বলতা, নিস্তেজ হয়নি তাদের প্রাণ।

→

চুরি হোক শিল্পসম্মত

মৌলিক শিল্পকর্ম এবং অন্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত শিল্পকর্ম, কিংবা অন্যের কাজ চুরি আর সরাসরি জালিয়াতির মধ্যে সীমারেখাটি কোথায় টানবেন? কোন নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে?

→

অমিয় চক্রবর্তীর ‘কবিতাসংগ্রহ’ ছিল নরেশ গুহ-র গুরুদক্ষিণা

নরেশদার সম্পাদনার একটা বিশেষ রীতি আমি অমিয় চক্রবর্তীর বই থেকেই লক্ষ করেছি। তিনি বই সম্পাদনা করলে সচরাচর বইয়ের শুরুতে নিজে কিছু লিখতেন না। সম্পাদকীয় থেকে শুরু করে যাবতীয় লেখালিখি থাকত বইয়ের শেষে। সম্ভবত তিনি মনে করতেন যাঁর সংগ্রহ বা সংকলন প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর লেখাই সে-বইয়ের প্রধান পরিচয়।

→

মায়ের বহু গান হিন্দিতে আশাজিকে দিয়ে গাইয়েছিলেন বাবা

আশাজির সঙ্গে বাবার প্রথম রেকর্ডিং ‘বাগ মে কলি খিলি’। ‘চান্দ অউর সুরজ’ নামে একটা ছবির গান। এর মূল গানটা মায়ের গাওয়া একটা বাংলা গান। ‘যা রে যা আমার আশার ফুল ভেসে যা’। মায়ের বেশ কিছু বাংলা গানের হিন্দি ভার্সন, বাবা, আশাজিকে দিয়ে গাইয়েছিলেন।

→

আপামর জনতার ভিড়ে তিনি শুধু ‘আশা’

আজ, এই মুহূর্তে, মনে হয়– তিনি মৃত্যুকে পেরিয়ে গেছেন অনেক আগেই। আজ নয়, অনেক আগেই তাঁর অমর জীবন শুরু হয়েছিল– যখন প্রথম কোনও রাতজাগা মানুষ একলা বসে তাঁর গান শুনে বলেছিল– ‘এ গানটা আমার।’

→

ফ্লপ ছবি, হিট গান

প্রয়াত হয়েছেন আশা ভোঁসলে। মুসলমান বাইজির গলার গান থেকে কৃষ্ণের ভজন, সবেতেই অনায়াস ছিল আশা ভোঁসলের গলা। বৈচিত্রময় ভারতকে রাজনৈতিক অস্ত্র যখন ছেঁটে ফেলার অদম্য চেষ্টা করছে, তখন আশা ভোঁসলে চলে গেলেন। আশার কথা, তাঁর গান রইল। আশা ভোঁসলের স্মরণে বিশেষ লেখা।

→

অক্ষরযাত্রা

গল্পকার আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কথোপকথন। তা নিয়েই গড়ে উঠেছে এই গল্প। পড়ে নিন রোববারের গল্প, নিজের সময়মতো।

→

সফদরের শিশুসাহিত্য: খোলা ছাদে নিশ্চিন্ত ঘুড়ি

সফদর জানতেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ হল মানুষের হাসি। তিনি বিশ্বাস করতেন, যে দেশে শিশুরা খোলা ছাদে নিশ্চিন্তে ঘুড়ি ওড়াতে পারে না, সে দেশে ‘বিপ্লব’ নিছকই একটা ফাঁকা, কেতাবি শব্দ। বিশ্বাস করতেন, একটা বৈষম্যহীন, সুন্দর পৃথিবী গড়তে গেলে সবার আগে একরত্তি বাচ্চাদের মগজের জানলা দরজা খুলে দিতে হবে।

→

গাজনের ‘সং’ কি নিছক অশ্লীলতার সংস্কৃতি?

‘ভদ্রলোকি’ সমাজসংস্কারকদের চেষ্টায় এই ‘ছোটলোকি’ সংযাত্রার ওপর বারবার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অশ্লীল সঙের অভিযোগে কলকাতায় গাজন-সন্ন্যাসীরা গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু সত্যিই কি তাঁরা অশ্লীল? এবং ভদ্রলোকরা সত্যিই শ্লীল?

→