

কাথখোদাই ১০০! টানা ১০০ সপ্তাহ ধরে আমার বই নিয়ে লেখা গুমোট গদ্য কী করে পড়লেন? আপনারা কি বাঙালি নন? না কি আপনারা সেই সুবর্ণরেখা বাঙালি-তলানি, যাঁরা এখনও বাংলা পড়েন, লেখেন, বসেন ভাবনার আসনে? ভাগ্যিস আছেন আপনারা!
বিহারের অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী মোহনলাল নিজের মৃত্যুর রিহার্সাল ও শেষকৃত্য নিজেই সেরে নিলেন! কেন এমন কাণ্ড করেছেন জিজ্ঞেস করায় তাঁর উত্তর– ‘জানতে চেয়েছিলাম মানুষ আমাকে কতটা সম্মান দেয় ও স্নেহ করে।’ তবে কি বর্তমান একাকিত্বের যুগে মানুষ স্বীকৃতি খুঁজছে, এমনকী মৃত্যুর বিনিময়েও?
বলরামদার লেখার বিষয়, আঙ্গিক, রূপকথার মোড়ক, জাদুবাস্তবের নির্মোক এক অন্য মাত্রা এনে দিয়েছিল। ছোটদের লেখা লিখতে হলে মন ছোটদের মতো তৈরি করে নিতে হবে। দিন দিন ছোটদের কল্পনার আকাশ ছোট হয়ে যাচ্ছে। সেই আকাশকে বড় করে তুলতে হবে। এই বিশ্বাস বলরাম বসাককে ছোটদের প্রিয় সাহিত্যিক করে তুলেছে।
জুয়া-সংক্রান্ত ১৩১টি নৃতাত্ত্বিক বিবরণের বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কেবল নারীরাই খেলায় অংশ নিত। পুরুষদের অংশগ্রহণ ছিল নামমাত্র। এই প্রবণতা সেই তুষারযুগ থেকেই। অর্থাৎ পাশা ও জুয়ার সঙ্গে যুক্ত সামাজিক খেলার ক্ষেত্রে নারীরাই সম্ভবত অগ্রণী জুয়াড়ির ভূমিকা পালন করেছিল।
নবাবদের প্রিয় আমগুলির মধ্যে অন্যতম আনারসের সুবাস ভরা ‘আনানাস’। আর একটি পছন্দের আম ‘রানি পসন্দ’ নামকরণ করেছিলেন বাংলার শেষ নবাব নাজিম মনসুর আলি খান ফেরাদুন জাঁ-র দেওয়ান প্রসন্ন নারায়ণ দেব। নবাবি আমলের গোড়ার দিকের সেরা জাতের আমগুলির মধ্যে আকর্ষণীয় ছিল আলিবর্দি খানের বাগানের ‘বিমলি’– কথিত আছে বাগানের মালি তাঁর পত্নীর নাম অনুসারে আমটির নাম দিয়েছিলেন।
আজ পরিণত বয়সে পৌঁছে, আমার বাড়ির দলিল ঠিক কোথায় রাখা আছে আমার খেয়ালও থাকে না, কিন্তু একটি-একটি করে পাওয়া কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর ১৪১টি চিঠির একটি সম্ভার ধীরে ধীরে আমার সর্বস্ব সম্পত্তি হয়ে উঠেছে– গত প্রায় চার দশক ধরে তার প্ৰতিটি শব্দে, যতিচিহ্নে, আঁকিবুঁকিতে, অক্ষরে, সাক্ষরে!
বিশ্রী শত্রুতার বলয়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে শান্তির বার্তা উচ্চারণ করতে কলজে লাগে। ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ বটে। কিন্তু বিশ্বের, সব দেশের মধ্যে সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা দিয়ে তারা হৃদয় জিতে নিয়েছে।
স্বপনদা (স্বপন মজুমদার) আমাকে বলেছিলেন নবনীতাদির প্রথম উপন্যাসটি পুনর্মুদ্রণ করার কথা। ১৯৮৬-র বইমেলার সময় আমি সেই উপন্যাস– ‘আমি, অনুপম’ নতুন করে প্রকাশ করেছিলাম। ‘আমি, অনুপম’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে, ইমার্জেন্সির সময়।
মহাশ্বেতা দেবীর জন্মশতবর্ষ। অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক শুভরঞ্জন দাশগুপ্ত মহাশ্বেতার সঙ্গে কথা বলেছেন কয়েকবার। তাঁর সঙ্গে মহাশ্বেতার শেষ কথোপকথনটির বিষয় ছিল সাহিত্য ও লেখকের রাজনৈতিক-সামাজিক অঙ্গীকার। অপ্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারটির মাধ্যমেই জন্মশতবর্ষে রোববার.ইন-এর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।
এক নারী যে একটি বটগাছের মতো পুরুষসঙ্গী চাইছে জীবনে, সেই নারীকে দেখতে যদি হয় পুরুষসুলভ? সেই নারীসত্তা যদি লুকিয়ে থাকে কোনও পুরুষদেহে– তবে কি তার এই চাহিদা, এই ইচ্ছে, এই নিরাপত্তা ও প্রেমের প্রত্যাশাকে দেখা হবে ‘পাপ’ হিসেবে? তাকে বিতাড়িত করা হবে ‘ছায়াসুনিবিড়, শান্তির নীড়’ প্রেম-উদ্যান থেকে?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved