

বাস্তবের মাটিতে আজ যেখানে মিসাইলের ছোঁয়ায় নিহত অসংখ্য নিষ্পাপ শিশুর কবর খুঁড়তে হচ্ছে, হয়তো সেখানেই বসে একদিন কোনও এক মেয়ে বুঝতে চেষ্টা করবে– ‘হিজাব’ কেন তার জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠল? মার্জি-মাফিক না হোক, মর্জিমাফিক তো হওয়া উচিত! প্রয়াত শিল্পী মার্জান সাত্রাপি স্মরণে বিশেষ নিবন্ধ।
‘পার্সেপলিস’-এর গল্প বলা হয়েছে সাদা-কালোর বাইনারি ব্যবহার করে। এই সাদা-কালো মাধ্যম, প্রাথমিকভাবে বিষয়টি সহজভাবে পরিবেশন করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হলেও, আসলে এই সাদা এবং কালো রঙের বৈপরীত্য ইঙ্গিত করে স্মৃতি-বিস্তৃতি, শাসক-শাসিত, দমন-স্বাধীনতা, বাইরের এবং অন্তরের বিপ্লব এই সমস্ত কিছুর তাৎপর্যের দিকে।
‘I want justice, love, and the wrath of God all in one.’ ভয়ংকর এই যাচনা! গ্রিক চিন্তক ও লেখকরাও ভাবতে পারেননি। ভাবতে পেরেছিলেন, ফারসি, ফরাসি, ইংরেজি, সুইডিশ, জার্মান, ইটালিয়ান জানা এই ইরানি তরুণী, যার বালিকাবেলা কেটেছিল এক ধর্মবিঘ্নিত নারীবিদ্বেষী সামাজিক পরিবেশে।
কয়েক বছর আগে হাওড়া স্টেশন থেকে বেরিয়ে সেই দুর্গন্ধময় ছোট টানেল পার হয়ে যেখানে ব্রিজে ওঠার মোড়, তার ঠিক আগেটায় স্বগতোক্তি শুনলাম– ‘রাস্তা যে কে চেনে!’ তারপর সওয়ারির উদ্দেশে, ‘এই যে জায়গাটা দেখছেন, ৫০ বছর আগে এইখানে কী ছিল জানেন?’
কথামৃত মুখের থেকে নিঃসৃত অমৃত, তা পান করলে তা ভেতরে বইতে থাকে। যার ভেতরে গেল তার আধার অনুযায়ী নানা বদল হয়। ঠাকুরের গল্প আর উপদেশ তার মনের মধ্যে সেঁধিয়ে গিয়ে তার হয়ে যায়।
এক দেবীরই কতরকম রূপ। সাধনাও কত আলাদা আলাদা। কোথাও সাড়ম্বরে ষোড়শোপচারে পূজা হয়। কোথাও আবার তারই সঙ্গে পশুবলিও হয়। কোথাও পুজো-আচ্চা সবই গোপন। কেউ শ্মশানে শবসাধনা করে।
আমাদের দেশে গর্ভবতী মায়েদের পরিচর্যায় তৈরি হয়েছে হরেকরকম গার্হস্থ্য রেওয়াজ। কিন্তু সেই সুরক্ষা বলয় ক্রমশই শিথিল হয়ে যায় সন্তান একবার ভূমিষ্ট হয়ে গেলে। গ্রামীণ, অতি সাধারণ বাড়ির মহিলারাই শুধু নয়, যে-মহিলারা অতি সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে আসে, তারাও কি অনুভব করে না গর্ভবতী আর প্রসূতি হওয়ার পার্থক্য?
জলাভূমি রক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিই আজ জলাভূমি ধ্বংসের হাতিয়ার, আইনি রক্ষাকবচকেই সুবিধামতো ব্যবহার করে চলছে জলাভূমি খুন। পাশাপাশি ধ্বংস হওয়া বাস্তুতন্ত্র। তার বিকল্প কী? কলকাতায় কিছু জলাশয় খাতায়-কলমে ‘বাস্তু’ হয়ে যায় আগেভাগেই, যাতে পরে ভরাট করা যায় আইন ফাঁকি দিয়ে।
ব্রিটিশ সরকারের চোখ এড়িয়ে জাপান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের প্রস্তুতি হিসেবে সুভাষচন্দ্রকে যিনি সাহায্য করেছিলেন, তিনি আনন্দমোহন সহায়, এই গোপন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন তাঁর স্ত্রী সতী (সেন), যিনি ছিলেন বাংলার মেয়ে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved