

কিছু কিছু অসমাপ্তি যুগে যুগে হয়ে থাকে ইতিহাসের পরম প্রাপ্তি। শেষ না-হওয়ার হতাশা ও বিশ্বাস নিয়ে।
মন্দিরের বিগ্রহ নন, এক জীবন্ত ঐতিহাসিক সত্তা, যাঁর লড়াই, যাঁর প্রেম, যাঁর বিনয় আজও আমাদের পথ দেখাতে পারে। আর এই সত্যনিষ্ঠ ইতিহাস চর্চার জন্য উমেশচন্দ্র বটব্যালের মতো এক আপসহীন, বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গিরও আমাদের কাছে সমানভাবে অপরিহার্য।
ভিড় সম্পর্কে এক গভীর সত্য উচ্চারণ করেছিলেন জীবনানন্দ– ভিড়ের হৃদয় নেই। সত্যিই নেই। ভিড়ের কোনও বিবেক নেই, কোনও দায়বদ্ধতা নেই, কোনও ব্যক্তিগত নৈতিকতা নেই। একজন মানুষ একা থাকলে যে কাজটি করতে লজ্জা পাবে, যে কাজটি করতে তার বিবেক বাধা দেবে, সেই মানুষই ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে অবলীলায় নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারে।
কারও চরিত্রের বাহ্যিক আড়ম্বরে মানিয়ে নেওয়ার কথা আদৌ কোনওদিন অভিনেতার ছিলই না। তার কাজ ছিল অভ্যন্তরীণ। অনেক বেশি করে তার কাজ ছিল মননে আর চিন্তায় চরিত্রের কাছাকাছি পৌঁছনো। সে হোক না বায়োপিক, শেষ অবধি তা আরও এক নিতান্ত চরিত্র বাদে কিছু না। কেনই বা অভিনয়ের নামে ‘গো-অ্যাজ-ইউ-লাইক’ খেলতে যাবে এক অভিনেতা!
চিত্তপ্রসাদ সেই বিরল শিল্পীদের একজন, যাঁর রাজনৈতিক ও সংহতির বোধ আজও প্রাসঙ্গিক। শিল্প নিছক ঘর সাজানোর উপাদান নয়। তা এক প্রতিবাদ। আন্দোলন।– এই বোধ তিনিই আমাদের শৈল্পিক চেতনায় প্রবেশ করিয়ে দিয়ে গিয়েছেন। আজ যখন শিল্প আবার সজ্জার দিকে ফিরে যেতে চাইছে, তাঁর কাজ আমাদের মনে করিয়ে দেয়– শিল্পের দায়িত্ব কী।
২০২০ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বরুশিয়া মনচেনগ্ল্যাডবাচের বিরুদ্ধে বিরতিতে টানেলে দাঁড়িয়ে সতীর্থ ফার্লান মেন্ডিকে বেনজেমা বলেছিলেন, ‘ওকে (ভিনিসিয়াস) বল দিও না। ও আমাদের বিরুদ্ধে খেলছে।’ রিয়াল জার্সিতে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন বেনজিমা। নেপথ্যে ভিনিসিয়াসের ঠিকানা লেখা পাসের জাদু কম নয়।
দিনান্তের অস্তরাগ আকাশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল বসন্তের বর্ণিল গুলালের মতো। আমার মনও রাঙা হয়ে উঠছিল অজানিত দিনের স্বপ্নে। যেন কত অন্ধকার রাত্রির পরে আমার জীবনে ঘনিয়ে উঠছে আরক্তসুন্দর সূর্যোদয়।
৭০ বছরের এপার-ওপার মিলিয়ে দিচ্ছে রোজিনা ও টোবা টেক সিং-কে। মিলিয়ে দিচ্ছে জন লেননের ইমাজিন গানটাকে। কত কথা! কত আলোচনা! কিন্তু এই আশ্চর্য সময়ে সব কিছুই বড় ক্ষণস্থায়ী। রোজিনাকে আমরা হয়তো ভুলে যাব। আমাদের হয়তো জানা হবে না, সে তার ‘দেশের বাড়ি’র সন্ধান পেয়েছিল কি না!
স্টেলার ক্লাসে ইম্প্রেশনিস্ট থেকে কিউবিস্ট আর্ট পর্যন্ত বিশদ আলোচনা হত। উল্লেখ করতে হয়, এই সব আলোচনা তিনি যখন করেছেন, তখন আমাদের দেশের শিল্পী ও শিল্পরসিকরা পশ্চিমের এই আধুনিক বিষয় সম্পর্কে একেবারেই অবহিত ছিলেন না।
১৯৭৭ সালের আফগানিস্তান। ১৯৭৬ সালেই সমকামী সম্পর্ককে নৈতিকতা বিরোধী বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমন উত্তাল সময়কে সামনে রেখে, প্রান্তিক যৌনতা বিষয়ে এমন সুস্পষ্ট এবং সামাজিক-রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর ও বিপজ্জনক সাহিত্য এর আগে কোনও আফগান সাহিত্যিককে সৃষ্টি করতে দেখা যায়নি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved