

হেমিংওয়ে যাপন করেছেন এক তাড়িত জীবন। সংসার পেতেছেন সংসার ভাঙতে। একটি প্রেম শেষ হতে না হতে শুরু হয়েছে আর এক প্রেম। এসবের মধ্যেই তিনি বেছে নিয়েছিলেন ভাবনার একাকিত্ব। বেছে নিয়েছিলেন মদের সর্বগ্রাসী আগুন। নিজের ইচ্ছেমতো বেঁচেছেন, মৃত্যুকেও একলহমায় আলিঙ্গন করেছেন নিজের ইচ্ছেমতোই।
শহুরে মেয়ে দূর কোলিয়ারিতে মরলে প্রচুর বখেড়া, তার চেয়ে অন্য কিছু ভাবতে হল। বিচিত্র এক ক্যাম্পে একরকম চিকিৎসা করিয়ে নিয়ে যাওয়া হল অন্য একটা জায়গায়। এটা অনেক সুরক্ষিত, মানে যারা স্বস্তিতে থাকেন তাদের পক্ষে নিরুপদ্রব, সুব্যবস্থিত।
বাদশাহ আকবর না কি দাবা খেলতেন রক্তমাংসের মানুষ সাজিয়ে। সেরকমই ‘শতরঞ্জ কে খিলাড়ী’ ছবিতে লর্ড ডালহৌসি থেকে শুরু করে দুই দাবাড়ু পর্যন্ত সব চরিত্রই দাবার ঘুঁটি হয়ে উঠেছিল সত্যজিতের কলমের ডগায়। কীভাবে? বিশ্ব দাবা দিবসে বিশেষ নিবন্ধ।
সত্তরের কলকাতার অলিগলিতে হঠাৎই ঢুকে পড়েছিলেন ব্রুস লি। ‘এন্টার দি ড্রাগন’ ছবির মাধ্যমে। যদিও তখন তিনি আর জীবিত নেই। তবু ডিভিডি-ভিসিআর, পাড়ায় পাড়ায় ক্যারাটে ইশকুল আর রকের আড্ডায় একটা প্রজন্মের সকলেই আমরা ব্রুস লি হতে চেয়েছিলাম।
‘ধনঞ্জয়দা, তুমি যে বড় চলে যাচ্ছ!’ –‘আমার কাজ যে ফুরিয়েছে।’ –‘তুমি কি আর আসবে না?’ তোমার হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়া অবয়ব শেষবার বলে ওঠে– ‘আমার আসার আর দরকারই হবে না…’
কলাভবনের বীজ তখনও রোপণ করা হয়নি, রবীন্দ্রনাথ চাইছিলেন অন্ততপক্ষে নন্দলাল তাঁর জাপানযাত্রার সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে চলুক– ‘বিচিত্রা’কে যথাযথভাবে গড়ে তুলতেও তাঁর যাওয়া দরকার। কিন্তু অবন ঠাকুর তাঁর প্রিয়তম শিষ্যটিকে ছাড়বেন না, ফলে সে যাত্রায় কবির সঙ্গে রইলেন মুকুল দে।
প্রবল ঝড়বাদলের এক রাতে উমাকে পাওয়া যায় তার স্বামী বৃদ্ধ বটগাছটির সঙ্গে। এক মাথা সিঁদুর, দু’ চোখের পাতা খোলা। প্রতিবন্ধী উমা, সহমরণে যাওয়াই যার জন্য সম্মানের হত বলে ভেবেছিল প্রতিবেশীরা, এই মৃত্যু কি তাদের মানসিক প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তি দেয়?
উৎসবের আলো নিভে এলে মনখারাপের অভ্যাস আমাদের গ্রাস করে। অপেক্ষার চার বছর তখন অনন্ত মনে হয়। ‘রাজার মুকুট’-এ ছড়িয়ে থাকা বিশ্বকাপের গল্প সেই প্রতীক্ষাকালে যোগ্য সফরসঙ্গী।
কলকাতার ইতিহাসের অলিগলিতে ছিল পূর্ণেন্দুদার স্বচ্ছন্দ যাতায়াত। পাঠকমহলে কলকাতার ইতিহাস নিয়ে সুখপাঠ্য, তথ্যনির্ভর লেখার একটা চাহিদা চিরকালই ছিল আর সে-ধরনের লেখায় শ্রীপান্থ (নিখিল সরকার) আর পূর্ণেন্দুদা ছিলেন সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই লেখক।
কাটা গাছের পাশ দিয়ে যেমন মঞ্জরি বের হয়, ভারতের উত্তর-পূর্বের জনজাতি বংচের তেমনই। পাহাড়িয়া নদীর মতো নানা প্রতিকূলতার পাথর ডিঙিয়ে জেগে রয়েছে তাঁদের শিক্ষা-সংস্কৃতির পথচলা। যোমিং থাংগা বংচের, কমল বংচেরের মতো কবিমন তাকে আগলে রেখেছে বরাবর। কারণ কবিতাকে প্রাণ থেকে ভালোবাসেন তাঁরা, ভালোবাসেন নিজের মাতৃভাষাকেও।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved