

তাঁর কবিতায় ঘুরে-ফিরে বেড়ায় তাঁর কিশোর প্রেমিকেরা। সীমাহীন সমুদ্রের মতো স্বাধীন এবং তরঙ্গমুখর সান্দ্রো পেন্নার অন্তর্জগৎ! ‘নবীন কিশোর’-দের প্রতি পেন্নার শারীরিক আকর্ষণ, সপ্রেম মুগ্ধতার এক কামতীব্র আগ্নেয়োদ্ভাসকে আমরা স্পর্শ করতে পারি তাঁর কবিতার পঙ্ক্তিতে পঙ্ক্তিতে।
ভেদাভেদ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ কমে আসছে, তবে হাজার হাজার বচ্ছরের ঘৃণার পাহাড় কি আর ১০-২০ বা ৩০ বছরের চেষ্টায় কমে?
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় গোলের পর যখন উদ্বেল মেক্সিকোর গ্যালারি, তখন উন্মুক্ত আকাশের দিকে তাকিয়ে বাবাকেই খুঁজছিলেন রাউল। তাঁকে কি কি বলছিল গ্যালারিতে ২৫ বছর বসে থাকা ইগনাসিও-র ব্রোঞ্জের মূর্তি?
বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসেবে ভারতে চলবে হাইড্রোজেন ট্রেন। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি দূষণমুক্ত, শান্ত এবং গতিশীল রেল পরিষেবা উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে কি এই সবুজ প্রযুক্তি ভারতের বুকে এক নতুন যুগের সূচনা করতে চলেছে?
আবিশ্ব এই পাল্টে যাওয়া ফুটবল সংস্কৃতিকে স্টেফান লরেন্স এবং গেরি ক্রফর্ডের মতো গবেষকেরা অভিহিত করেছেন ‘ডিজিটাল ফুটবল কালচারস’ নামে। এখন বাঙালিও তার অংশীদার। না-ছুঁতে পারা ভৌগোলিক দূরত্ব সে মিটিয়ে নিয়েছে সমাজমাধ্যমে।
প্রায় ৪০০ কোটি ডলার বাজেটের বিপুল আয়োজন, চূড়ান্ত আনন্দ-উল্লাস এবং নানা দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের জৌলুসের উন্মাদনায় সকলে যখন মোহিত, তখন কেউ কি কল্পনা করতে পারছেন যে, ২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপই ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দূষণকারী আসর হতে চলেছে!
শিক্ষক নন্দলাল, আপামর ছাত্রকুলের ‘মাস্টারমশাই’– যিনি ভারতীয় পরম্পরার প্রতি ভাবে প্রবল নির্ভর থেকেও ভারতীয় ট্র্যাডিশন ভাঙার শক্তিকে আহ্বান করেন। খুব সহজ ভঙ্গিতে আর্টের গোড়ার কথাটুকু মেলে ধরতে তাঁর জুড়ি ছিল না।
দিনশেষে ফুটবল মাঠ আসলে ইউটোপিয়াই। সে দেশ কাঁটাতারে ঘেরা ভূ-খণ্ড বোঝে না। বোঝে মানুষ। মানুষহীন দেশ হতে পারে না। দেশহীন মানুষ যদিও দিব্যি হয়। বিশ্বকাপ মিটে গেলে তাই ফুটবল খুব একা। নিঃসঙ্গ।
প্রতাপচাঁদ যে রাজনীতিতে অতি বিচক্ষণ ছিলেন, তা এই শ্রীখণ্ড পর্ব থেকে বোঝা যায়। বেশ আঁটঘাট বেঁধেই জালপ্রতাপচাঁদ বর্ধমানে গিয়েছিলেন। অজ্ঞাতবাস পর্ব শেষ করে কলকাতার বরানগরে ঘাঁটি গাড়েন। আর তাঁর দোসরকে পাঠান উত্তররাঢ় পরিভ্রমণ করতে। তা যে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ছিল তা বোঝা যায়।
তারাশঙ্করের যেমন বীরভূম, রামকুমারের তেমনই বাঁকুড়া। রাঢ় বাংলার প্রকৃতি, মানুষ, সমাজ ও অর্থনৈতিক অবস্থাকে তিনি হাতের তালুর মতো চেনেন। এই গভীর পরিচয়ের সঙ্গে মিশেছে তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ও আখ্যান রচনার আধুনিক কৃৎকৌশল। তাই তাঁর প্রতিটি উপন্যাসই একটি নতুন অভিজ্ঞতা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved