

রঘু রাইদের মতো মানুষ যে সময়টায় এসেছিলেন, আসলে দুঃখের বিষয় হল, এঁদের সঙ্গে সঙ্গে সেই সময়টারও ক্রমশ মৃত্যু হয়ে চলেছে। সকলেই ওঁর ছবির কথা বলেন, বলবেন। কিন্তু এমন অসাধারণ একজন মানুষ, তাঁর জীবনের কথাও বলা উচিত।
বাঙালি মেয়ের সঙ্গে মাছের সম্পর্ক বেশ পুরনো। কোটা-রাঁধা-বাড়া কিংবা বেচাকেনা– দুই ক্ষেত্রেই মাছের সঙ্গে মেয়েদের সম্পর্ক নানাভাবে নানা স্তরে, আজও রয়েছে। আর তার সাক্ষ্য ধরা আছে মেয়েদের নিজস্ব গানে। মেয়েদের মৎস্যপুরাণ তাই অন্দর-বাহিরের নানা জানলা খুলে দেয়।
এ বছর অ্যালেন গিনসবার্গের শতবর্ষ। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সুবোধ সরকারের গিনসবার্গ সম্বন্ধীয় যে বক্তৃতা, তারই কিছু অংশের তরজমা।
আপাতদৃষ্টিতে এমন ভিত্তিহীন মন্তব্য তাচ্ছিল্যের সঙ্গে উড়িয়ে দেওয়াই যেতে পারে। কিন্তু যেখানে প্রধানমন্ত্রী এ-কথা বলছেন এবং ‘দেশবিরোধী’– এই শব্দচয়ন করছেন, তখন বুঝতে হবে, এর নেপথ্যে সুচতুর একটি রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে।
আমি তমালের দিকে চেয়ে হাসলাম। কিছুটা বোকা হাসি। কী বলব, ঠিক বুঝতে পারছি না। আমার সব ইনফরমেশন লোকটার কাছে আছে। শুধু যেটা মিলছে না, কখনও মিলবেও না, সেটা হল আমার মৃত্যু তারিখ। আমি পান্ডেজির দিকে তাকালাম। বললাম, ‘ভালো। কী আর করা যাবে? আপনাদের খাতায় থাকুক– আমি মৃত।’
যখন কেউ কাউকে খুন করে লাশ গায়েব করে, তখন সে কি লাশ ঘাড়ে করে এমন আরামদায়ক দুলকিচালে নিশ্চিন্তে হেঁটে যেতে পারে?
নির্বাচনী জয়-পরাজয়ের নিষ্পত্তির পর প্রতিপক্ষকে মাছ-ভাত খাওয়ানোর চ্যালেঞ্জ বিজেপি সত্যিই রাখতে পারে কি না, লক্ষ্য থাকবে সেদিকেও। শেষের কথাটি হল, বাঙালির আমিষ খাদ্যের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যহরণ করা কোনও রাজনীতির পক্ষেই সম্ভব নয়।
অবনীন্দ্রনাথের প্রিয় শিষ্য নন্দলাল তখন চিত্রীমহলে বিশেষ পরিচিত। ‘সতীর দেহত্যাগ’, ‘দয়মন্তীর স্বয়ম্বর’, ‘সুজাতা’, ‘অহল্যা উদ্ধার’, ‘জতুগৃহ দাহ’, ‘উমার তপস্যা’ ইত্যাদি অজস্র ছবি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার বেশ কিছু আগে, ১৯১৪ সালে, রবীন্দ্রনাথ নন্দলালকে শান্তিনিকেতনে আমন্ত্রণ করেছিলেন।
জ্বরের খবর পেয়ে, স্প্যানিশ সরকারের এক পারিষদ ভাইসরয়কে চিঠি লিখে জানান স্থানীয় এক গাছের ছালের কথা। তিনি এই গাছটির সন্ধান পেয়েছিলেন পেরুর কুইচুয়া নামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজনের কাছ থেকে, যাঁরা শরীরে তাপমাত্রার কাঁপুনি থেকে রক্ষা পেতে এই গাছটির পাতা ও ছাল ব্যবহার করতেন।
বাংলায় বলা হয়– ‘মৎস্য মারিব খাইব সুখে’। কিন্তু সেই সুখ কি আর একা একা পাওয়া সম্ভব? তাই হরেন দাসের রঙিন ছবিতে দেখি বৃত্তাকার মাছ ধরার জাল হাতে করে মৎস্য-শিকারে চলেছে গ্রামীণ যুগল।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved