Robbar

Sangbad Pratidin

অগ্নিবীণা

কলেজের অনুষ্ঠানে স্ট্যানলি জ্যাকসনকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে জেলে গিয়েছিলেন বীণা দাস। পরবর্তীকালে সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে পরিচয়, কংগ্রেসে যোগ দেওয়া; এমনকী স্বাধীনতার পরেও দাঙ্গা কিংবা মরিচঝাঁপির ঘটনায় সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া স্বাধীনতা সংগ্রামী বীণা দাসকে আমরা কি শুধুই কারাকাহিনি লেখিকা হিসেবেই মনে রাখব?

→

দেশের নামে দ্বেষ নয়

১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছিল ঠিকই, কিন্তু দেশের সর্বত্র ১৫ আগস্ট তা উদযাপিত হয়নি। হয়নি, তার কারণ এক বিদেশির কলমের খোঁচা! তিনি সিরিল র‍্যাডক্লিফ। তাঁর নির্ধারিত রূপরেখায় ভারতবাসী লাভ করেছিল দেশভাগ। গুলিয়ে গিয়েছিল ভারতবর্ষের ইতিহাস, ভূগোল আর সংস্কৃতি।

→

দূরত্ব বাড়ে-কমে, যোগাযোগ নিভে যায়

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম কিংবা ভার্চুয়াল জগৎ কি পারে নাড়ির টানের বিকল্প হতে? বিশেষ করে যে নাড়ির যোগের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রয়েছে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক।

→

স্রষ্টাদের শতবর্ষে উজ্জ্বল অ্যাসটেরিক্স

যখনই খুদে অ্যাসটেরিক্স বা সরল-সোজা ওবেলিক্স তাদের অলৌকিক পানীয় খেয়ে মহাশক্তিশালী রোমান লিজিয়নদের কচুকাটা করেছে, তখনই পাঠক এক অদ্ভুত মানসিক তৃপ্তির স্বাদ পেয়েছেন। দুই স্রষ্টা গোসিনি ও ইউদেরজোর জন্মের ১০০ বছর পরেও তাঁদের তৈরি চরিত্রগুলো একইভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে রয়েছে।

→

এখনও অভিভাবকরা বলবেন, রাজনীতিতে জড়িও না?

বাংলার মধ্যবিত্ত পরিবারও দশকের পর দশক ধরে একই মন্ত্র আউড়েছে– রাজনীতিতে জড়িও না, পড়াশোনায় মন দাও। আজ যখন সেই সরকারি চাকরির দরজাটাই দুর্নীতিতে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তখন এই প্রজন্মের সামনে বাবা-মায়ের শেখানো পথটাই অচল হয়ে পড়ছে। তখনই রাস্তায় নামাটা অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছে, আর নেহারা সেই কারণেই রাস্তায় নামছেন।

→

শতবর্ষে বিস্মৃত দেশপ্রেমিক পার্বতী গিরি

মাত্র ১১ বছর বয়সে গান্ধীজির আহ্বানে ঘর ছেড়ে যে মেয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, ঘরের মোহ তাঁকে কোনওদিনই সংসারী করতে পারেনি। স্বাধীনতা-উত্তর রাজনীতিও তাঁকে আকর্ষণ করেনি কোনও দিন।

→

বলিডডে কমিটমেন্ট কমেডি

‘ডন থ্রি’র ক্ষেত্রে রণবীর সিংয়ের সরে যাওয়া, শুটিং শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত– সব মিলিয়ে গুরুতর একটা প্রশ্ন মাথাচাড়া দেয়– অভিনেতা কি সিনেমার কর্মী? শিল্পী? অংশীদার? না কি নিজের ব্র্যান্ডের মালিক, যাঁর ইচ্ছে হলে কোনও প্রকল্পে ঢুকবেন, ইচ্ছে হলে বেরিয়ে যাবেন? এই যা-ইচ্ছে-তাই প্রশ্ন ধরে এগলেই, বলিউডের অস্বস্তিকর পরিবর্তন চোখে পড়বে ঠিক।

→

এক শহর, দুই নির্বাসন

কাফকা ও কুন্দেরার মধ্যে সরাসরি কোনও সম্পর্ক ছিল না। তবু তাঁদের লেখার গভীরে ছিল এক অদৃশ্য সাংস্কৃতিক সূত্র। একজনের শক্তি ছিল প্রশাসন, অন্যজনের– মতাদর্শ। তাঁরা দু’জনেই প্রাগকে ছেড়েছিলেন ভিন্নভাবে– একজন মৃত্যুর মাধ্যমে, অন্যজন নির্বাসনে। কিন্তু শহর তাঁদের ছাড়েনি।

→

সর্প হয়ে দংশন করো, ওঝা হয়ে ঝাড়ো

কী আশ্চর্য! সাপকে আমরা দেবতার আসনে বসিয়েছি আবার সেই দেবতাই সর্পবিষহরা, বিষের চিকিৎসা করেন। মনসা হোক বা লোকদেবী ঝাঁকলাই, সকলেই আসলে একাধারে সাপ ও ওঝা। বিষ ও বিষের ওষধি।

→

হাতির হক, মানুষের হালখাতা

চাষিরা আলাদা করে চাষ করছেন হাতির জন্য। হাতিও চাষির ভাগের ফসল নষ্ট করছে না। এরকম দুর্লভ উদাহরণ সুলভ হোক। এইটুকু তো সভ্য হওয়াই যায়, তাই না?

→