ফারহাতের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে যদি প্রশ্ন করা যায়, তাহলে প্রথমেই বলতে হয় যে, প্রসব-পূর্ববর্তী লিঙ্গ নির্ধারণ বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এমন অপরাধের কারণটি সমূলে উৎপাটন করা গেছে কি? অর্থাৎ যে যে কারণে ভারতে কন্যা-সন্তানকে অবাঞ্ছিত বলে ভাবা হয়, সেই কারণগুলির কোনও সুরাহা হয়েছে?
বিজেপির এক নেতা বলেছেন, বিপক্ষ রাজনৈতিক দলের তরফে ভোটকে সামনে রেখে যে-সংকল্পপত্র ঘোষিত হয়েছে, সেটিকে ‘ইস্তাহার’ হিসেবে মুদ্রিত করা আসলে একটি বিশেষ ধর্মের বা সম্প্রদায়ের মানুষকে খুশি করার জন্য। তিনি এ-ও শুনিয়েছেন, ‘ইস্তাহার’ কোনও বাংলা শব্দ নয়, উর্দু শব্দ, যা উদ্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মীয় সত্তার প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু ইস্তাহার আসলে কী?
মানুষের কথা মনে রেখে গান করেন না তিনি, ঈশ্বর-স্পর্শের জন্যই যত আয়োজন। সুরপথে ধরা দেন পরমব্রহ্ম– তাকে মেনে চলাই ধর্ম। অন্ধকারের গর্ভে বসে সুর দিয়ে তিনি ধরতে চান ‘সহেলা’ রাজাটিকে। কেমন সেই রাজার চরিত্র? কিশোরী আমনকরের জন্মদিনে বিশেষ নিবন্ধ।
আমাদের সংবিধান শুরু হয়: ‘উই দ্য পিপল অব ইন্ডিয়া’, দিয়ে এই উই, এই ‘আমরা’ কারা তবে? আমরা ভারতবাসীরাই তো এই সংবিধান রচনা করেছি, লাগু করেছি, নিজেদেরকে নিজেরাই অর্পণ করেছি এই সংবিধান। তাই এই প্রজাতন্ত্রে যাঁরা বিচারাধীন হয়ে (under adjudication) ভোট দিতে পারছেন না এবার, তাঁরা কি ‘আমরা’ থেকে ‘ওরা’ হয়ে গেলেন তবে?
ঋতুর চোখ জুড়ে তখন অঝোর শ্রাবণ। আর মুখে সেই চেনা আবেগ– যখন সে সত্যিই কিছু পায়। চোখ মুছে বলল– ‘এই কবিতাটা… গানের মধ্যে থাকবে। পুরোটা না, ফাঁকে ফাঁকে। যেন গান আর কবিতা একে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে।’ গুলজারকে বলল– ‘এটা এক্ষুনি মোবাইলে রেকর্ড করে দাও, তোমার গলাতেই থাকবে।’
সেই জোহান দেশ, ক্লাব যেখানে গিয়েছেন বন্ধুকে পাশে চেয়েছেন, পেয়েছেন। ফাইনালে খালি হাতে ফিরেও দেশকে দিয়েছেন আশ্চর্য সুন্দর ফুটবল। দল ফেরার দিন আমস্টারডাম শিপল এয়ারপোর্টে লাখ লাখ মুখ, লেডস্টেপ্লিন স্কোয়ারে জনসমুদ্র। ট্রফি আসেনি তো কী!
প্রাচীনকালে শিবকে কেন্দ্র করে যে বাৎসরিক উৎসব হত, তার নাম ‘মহ’ বা ‘যাত্রা’। ভক্তদের সমস্বরে শিবের নাম-ডাকের গর্জন থেকে পরে ‘গাজন’ শব্দটি আসতে পারে। অনেকে লোকনিরুক্তি করে লিখেছেন, গাঁ-জনের উৎসব বলেই এর নাম ‘গাজন’। কিন্তু শহর মফস্সলেও গাজন উৎসব আজও পালিত হয় জাঁকজমকের সঙ্গে।
‘জাম্প স্কেয়ার’-এর অনুপস্থিতি এবং তেমন কোনও পুরনো ফর্মুলা ব্যবহার না-করে উৎকৃষ্ট ভয়ের-ছবির নির্মাণের নতুন ঝোঁকে পরপর অনেকগুলি ছবি তৈরি হয়েছে আমেরিকায়। ‘ওয়েপন্স’ এই নতুন ঘরানার ভয়ের-ছবি।
সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ বলছে, ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে শহর কার্যত এক ‘পরিবেশগত জরুরি অবস্থার’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত গরমের ফলে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি অনিদ্রা ও স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে, যা সরাসরি মানুষের মানসিক উদ্বেগ ও বিষণ্ণতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved