

লীলা মুখোপাধ্যায়। ভারতীয় শিল্পের প্রথম আধুনিক ভাস্করদের একজন। শিল্পী বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায়ের ছাত্রী, পরবর্তীকালে সঙ্গিনী। কলাভবন থেকে নেপাল– প্রায় সর্বত্রই সঙ্গে ছিলেন। কাজ করেছেন, শিখেছেন। সৃষ্টি করেছেন আধুনিক ভারতীয় ভাস্কর্যের এক নতুন অধ্যায়– যেখানে সহজ সরল ভাবনা ও মানবিক গহীন আবেগের প্রতিচ্ছবি।
উত্তরপ্রদেশের এক ব্যক্তির ফ্রিজের মধ্যে বরফ জমে শিবলিঙ্গের মতো হয়ে আছে– যা অনেকটা অমরনাথের মতো দেখতে। তা নিয়ে শুরু হয়েছে পূজা-অর্চনা-ভক্তিগীতি। আমাদের দেশের শিক্ষা, বিজ্ঞানচেতনা আর যুক্তিবাদী ধারণা ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু। এরপরেও এদেশে সোনাম ওয়াংচুকের মতো মানুষেরা শিক্ষার জন্য আন্দোলন করেন!
প্রাচীনকালে মুড়ির নাম ছিল ‘হুড়ুম’। চৈতন্যচরিতামৃতে রয়েছে, ‘চিড়া হুড়ুম সন্দেশ সকল’। হুড়ুম একপ্রকার শস্যদানা হলেও, শব্দটির প্রকৃত অর্থ হল হালকা ফাঁপা ভাজা চাল বা চিঁড়ে। খেতে গেলেই দাঁতের চাপে মুড়মুড় করে আওয়াজ বের হয়। তাই বোধহয় নাম হয়েছে ‘মুড়ি’।
গত তিন শতক ধরে বদলেছে বন্যার চরিত্র। উনিশ শতকের বন্যা ছিল প্রাকৃতিক, নদী প্লাবিত হয়ে। বিশ শতক থেকে মানুষের নদী-নিয়ন্ত্রণ শুরু। একুশে নগরায়ন। ফলে বন্যার চরিত্র এখন আরও জটিল। ভারী বৃষ্টিপাতজনিত নগর-বন্যা ক্রমশই ক্ষতিবৃদ্ধিকারী, কর্মনাশা হয়ে উঠছে। এর সমাধান কী?
বাদল সরকারের নাট্যদর্শনে আদি পাপের ধারণাটি কেবল সমাজ বা রাষ্ট্রের বৃহত্তর ক্যানভাসে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা প্রবেশ করেছে ব্যক্তিমানুষের মনস্তত্ত্বের গভীরতম স্তরে। বাদল সরকারের ঈশ্বরবিহীন পৃথিবীতে ‘কনফেশন বক্স’ হল– খোদ থিয়েটারের অঙ্গন, আর তার ফাদার হল– চরিত্রের দংশিত বিবেক।
নিজামুদ্দিন তাঁর দরগাহ খুলে দিয়েছিলেন। তবু আমির খুসরু অপেক্ষা করেছিলেন আট বছর। রক্তক্ষয়, যুদ্ধ, ক্ষমতা কি মূক করে দিয়েছিল তাঁকে? আজ সুদূর সিরিয়া থেকে আসা সালমান দারবিশের প্রিয় বাদ্যযন্ত্র যখন বোমার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত, তখন তার মুখের উপর আমির খুসরুর ছায়া পড়ে। ক্ষমতার ছায়া কি কবিতা মুছে দিতে পারে?
কৃপাময়ী কর্মকার পটচিত্র আঁকেন। সাঁঝ পুজনীর ব্রতের আলপনা দেন, গড়েন যমপুকুর ব্রতের পুতুল। ব্রতের আলপনা, ছড়া বা মাটির পুতুলের আড়ালে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে এক বৃহত্তর সত্য, ধরা পড়ে বাংলার মেয়েদের আনন্দ, বেদনা, আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামের ইতিহাস।
পূর্ণেন্দু পত্রীর 'কথোপকথন' ওপার-বাংলাতেও বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। বাংলাদেশে কেউ-কেউ তো সে-বই ইচ্ছেমতো ছেপে বেরও করেছিলেন। তবে বাংলাদেশের যুবসমাজে এই বইয়ের প্রবল জনপ্রিয়তা কবিকেও অভিভূত করেছিল। চতুর্থ খণ্ডের উৎসর্গের পাতায় পূর্ণেন্দু পত্রী লিখেছিলেন, ‘বাংলাদেশের সেইসব তরুণ তরুণীদের হাতে/ কথোপকথন নিয়ে যারা উন্মাদ।’
কলাভবনের ছাত্র নির্বাচনের ভার এসে পড়েছিল নন্দলালের ওপর। রামকিঙ্কর বেইজকে ছাত্র হিসেবে নির্বাচন বা চিত্তপ্রসাদকে মনোনীত না করা– যাবতীয় সিদ্ধান্তই নিতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু কীভাবে ছাত্রদের নির্বাচন করতেন তিনি? কী ছিল তাঁর নির্বাচনের মাপকাঠি?
ঘনশ্যাম দাসের বাক্যবাণ আদতে এক উপনিবেশিত সত্তার অন্তর্ঘাতী বয়ান, যা দেখিয়ে দেয় প্রভুর সত্যি স্থানকালপাত্রভেদে মিথ্যের বেসাতি! তাকে বিশ্বাস করার, মান্য করার অত কিছু নেই। সত্যি দিয়ে তার গল্প শুরু হয়, শেষে লেখা ‘মিথ্যেরই জয়’।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved