

যে বেমানান শব্দগুলো পাশাপাশি সহ্য করা যেত না আগে, আজকাল সেটাকে আর অত অসহ্য লাগে না অনেকের। যাকে আমরা বলি ‘গুরুচণ্ডালী’ দোষ। অনেকদিন আগে, অর্থাৎ ব্যাকরণে আমাদের মাথাটা যখন অনেকটাই ঠান্ডা ছিল, তখন এই গুরুচণ্ডালী ব্যাপারটা, নিজের মতো করে ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যে বোঝাপড়ার আয়োজন করেছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী।
পোর্ট্রেট তুলতেন কম, অধিকাংশই ওয়াইড ফ্রেমের ক্যানডিড। ২৪-৭০ বা ২৮-৭০ এই লেন্সই উনি ব্যবহার করতেন। বেশিরভাগ ছবিই ওয়াইড ফ্রেম, লং লেন্স নিয়ে ঘুরতেনই না। সবসময় একটাই লেন্স দিয়ে সব কাজ করে সময় সাশ্রয় করতেন।
২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর, রঘু রাইয়ের ৮০তম জন্মদিনে ‘রোববার’ পত্রিকা তাঁকে নিয়ে সংখ্যা করে ‘রাই আমাদের’। সেই সংখ্যায় চিরাচরিত ‘অকিঞ্চিৎ’ লেখেননি রোববার সম্পাদক অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। অকিঞ্চিৎ-এর চারপাতা জুড়ে ছাপা হয়েছিল রঘু রাইয়ের ছবি আর এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার। রঘু রাইয়ের মৃত্যুদিনে সেই সাক্ষাৎকারটির পুনর্মুদ্রণ রইল।
নব্বই সালের আশপাশে ওঁর একটা কলকাতার ওপর বই বেরয়। পরে আবারও আরেকটা! তখন আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘আবার কলকাতা?’ বলেছিলেন, ‘কলকাতা আশ্চর্য শহর। সবার পরিবর্তন হয়। এ শহরের পরিবর্তন হয় না।’
কখনও শেখানোর চেষ্টা করতেন না রঘু রাই। উপদেশও দিতেন না। খালি বলতেন, ছবি তুলে যাও, ছবি তুলে যাও। আজ রঘু রাই চলে গেলেন। কলকাতার প্রতি অপূর্ব প্রেম নিয়ে চলে গেলেন। ওঁর কলকাতা সিরিজ থেকে গেল।
রঘু রাইদের মতো মানুষ যে সময়টায় এসেছিলেন, আসলে দুঃখের বিষয় হল, এঁদের সঙ্গে সঙ্গে সেই সময়টারও ক্রমশ মৃত্যু হয়ে চলেছে। সকলেই ওঁর ছবির কথা বলেন, বলবেন। কিন্তু এমন অসাধারণ একজন মানুষ, তাঁর জীবনের কথাও বলা উচিত।
বাঙালি মেয়ের সঙ্গে মাছের সম্পর্ক বেশ পুরনো। কোটা-রাঁধা-বাড়া কিংবা বেচাকেনা– দুই ক্ষেত্রেই মাছের সঙ্গে মেয়েদের সম্পর্ক নানাভাবে নানা স্তরে, আজও রয়েছে। আর তার সাক্ষ্য ধরা আছে মেয়েদের নিজস্ব গানে। মেয়েদের মৎস্যপুরাণ তাই অন্দর-বাহিরের নানা জানলা খুলে দেয়।
এ বছর অ্যালেন গিনসবার্গের শতবর্ষ। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সুবোধ সরকারের গিনসবার্গ সম্বন্ধীয় যে বক্তৃতা, তারই কিছু অংশের তরজমা।
আপাতদৃষ্টিতে এমন ভিত্তিহীন মন্তব্য তাচ্ছিল্যের সঙ্গে উড়িয়ে দেওয়াই যেতে পারে। কিন্তু যেখানে প্রধানমন্ত্রী এ-কথা বলছেন এবং ‘দেশবিরোধী’– এই শব্দচয়ন করছেন, তখন বুঝতে হবে, এর নেপথ্যে সুচতুর একটি রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে।
আমি তমালের দিকে চেয়ে হাসলাম। কিছুটা বোকা হাসি। কী বলব, ঠিক বুঝতে পারছি না। আমার সব ইনফরমেশন লোকটার কাছে আছে। শুধু যেটা মিলছে না, কখনও মিলবেও না, সেটা হল আমার মৃত্যু তারিখ। আমি পান্ডেজির দিকে তাকালাম। বললাম, ‘ভালো। কী আর করা যাবে? আপনাদের খাতায় থাকুক– আমি মৃত।’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved