Robbar

Sangbad Pratidin

কবির জাদুবাস্তব গৃহনির্মাণ

এই গদ্য যেমন ‘স্পষ্ট, সরল এবং অকৃত্রিম’, তেমনই ‘মায়াবী অথচ স্বাধীন এক দুঃসাহস’। ছোট এক গদ্যাংশে পাশাপাশি ‘চালের কারবার’, ‘রান্নাঘর’, ‘খাটা পায়খানা’ এবং ‘ভাঙা ফুলের টব’। ঠিক যেমনটা বাস্তবের পৃথিবীতে তাদের সহাবস্থান। ‘সভ্য’ মানুষ যাকে আলাদা রাখতে ‘সামাজিক স্বাচ্ছন্দ’ বোধ করে। কিন্তু কবির সে দায় নেই।

→

মশা নিয়ে মশকরা

আনন্দমেলায় প্রকাশিত হাত জোকস আমার খুব প্রিয় ছিল। মশার কথা লিখতে গিয়ে শুরুতেই, জীবনে কোনওদিন ভুলব না– এমন একখানা মনে পড়ে গেল। কীরকম? প্রশ্ন: হাসপাতালের বেডে একটা আহত হাতি শুয়ে আছে, আর তার পাশের বেডে শুয়ে আছে একটা মশা, কেন? উত্তর: যদি প্রয়োজন হয় রক্তদান করবে বলে।

→

এক মুখে কবিতা, অন্য মুখে মিছিলের স্লোগান

সুভাষদার আশ্চর্য গদ্যবই ‘আমার বাংলা’র লেখাগুলো প্রকাশিত হয়েছিল ছোটদের কাগজ– ‘রংমশাল’-এ। ১৯৫১ সালে ১১টি গদ্যের এই সংকলন প্রথম প্রকাশিত হয় ‘ঈগল পাবলিশার্স’ থেকে। ‘আমার বাংলা’ বইটি অলংকরণের ছবিগুলো ছিল চিত্তপ্রসাদের আঁকা, সেইসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছিল সুনীল জানার তোলা কয়েকটা ফটোগ্রাফও।

→

চন্দনা হোরের নিজস্ব ব্যথার পূজা

চন্দনার কাজ আমাদের সময়ের কাজ। আমরা যারা থিতু হতে চেয়েছি, দেশ চেয়েছি, ঘর চেয়েছি, রাষ্ট্রের কাছে সমাজের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছি, পড়শীর কাছে আত্মীয়তা আর মানুষের কাছে শুশ্রুষা চেয়েছি তাদের চুরমার করা যন্ত্রণাগুলি নিয়ে, প্রেম পীড়ন প্রতিরোধের আর্তিগুলি নিয়ে তাঁর নিজস্ব ব্যথার পূজা।

→

আমার দিদি কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

সকলের ছোট হওয়ায় দিদির ভালোবাসা আমি বরাবরই একটু বেশি পেয়েছি। ছোটবেলা থেকেই সকলে আমাকে ডাকত ‘ছোট্ট মোহর’। আমিও নিজেকে তাই ভাবতাম। দিদির মুখে শুনেছি, কেউ আমাকে নাম জিজ্ঞেস করলেই, আমি নাকি বলতাম– ‘আমার নাম কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়’।

→

সুধাময়ীর পরিচয়পত্র

বিএলও সুধাময়ীর দিকে খানিক তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকান। তারপর নুয়ে পড়া শরীরটার দিকে ফর্মটা এগিয়ে দিয়ে বলেন, সব ঠিক আছে। নিন, এবার টিপছাপ দিন। মুহূর্তে সোজা হয়ে যায় সুধাময়ী। তার চোখদুটো জ্বলে ওঠে।

→

ভারতমাতা, বিদ্যা বালান ও জাফর পানাহির টাইমমেশিন

পানাহি ২০০৩-এর কলকাতার বুকে, বাংলার মাটির মেয়ের পাল্টে ফেলা ছায়ায়, দাঙ্গাবাজ মানুষের প্রচারের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাবেন হয়তো। আর আবার তিনি হাঁটবেন কান থেকে বার্লিন, অফসাইডে গোল করে আবার কারাগারের পথে। অবন ঠাকুর তাকিয়ে থাকবেন রিভার্স বঙ্গভঙ্গের এক ডিসটোপিয়ান ইতিহাসের দিকে।

→

রঙ্গজীবনের অঙ্গ

ভোট এলেই নেতারা অদ্ভুত রকমের মাটির মানুষ হয়ে ওঠেন। তাঁরা বোঝাতে চেষ্টা করেন, দুর্জনেরা আর যাই বলুক, তারা আসলেই আমাদেরই লোক, আমাদের প্রতিনিধি। সেজন্যই এই বাসন মাজা থেকে শুরু করে দাড়ি কামানোর সংযোজন। একবারটি ভোট হয়ে গেলেই বোঝা যায়, কে যে কার আপন। কে কাকে ব্যবহার করছে আর কে ব্যবহৃত হয়ে চলেছে অনবরত।

→

রাহুল, দেরি করেও তোমার লেখা এসে পৌঁছবে না আর

কিছু মানুষ থাকে আলো নিয়ে। তারা চলে গেলে শুধু একজন মানুষ হারিয়ে যায় না– আলোও নিভে যায় একটু একটু করে। রাহুলের চলে যাওয়াটা তেমনই।

→

মশারির ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন সুন্দরী ক্লিওপেট্রা

রোমান পুরুষরা মশারির ভেতরে থাকাকে কিছুটা ‘মেয়েলি’ বা আরামপ্রিয়তা মনে করে অবজ্ঞার চোখেই দেখতেন। রোমান কবি হোরাসও ক্লিওপেট্রার মশারি ব্যবহার নিয়ে সেই সময়ে ব্যঙ্গ বা উপহাস করতে ছাড়েননি।

→