শতবর্ষে পা দিলেন পরিচালক শক্তি সামন্ত। মিলেনিয়াম-পরবর্তী হিন্দি সিনেমায় থ্রিলারের সম্রাট, শ্রীরাম রাঘবন, শক্তি সামন্ত-র থ্রিলার ও রোমান্সের একান্ত অনুরাগী। ‘মেরি ক্রিসমাস’ ছবিটি শুরুই হচ্ছে শক্তি সামন্তকে উৎসর্গ করে। এহেন দ্রোণাচার্যের জন্ম-শতবর্ষ উপলক্ষে, রোববার.ইন-এর তরফে, একলব্য শ্রীরামের সঙ্গে আড্ডায় বসলেন উদয়ন ঘোষচৌধুরি।
আজকের কৃষিকর্মী অনেক সতর্ক। কখনও প্রচণ্ড, কখনও কোমল। কখনও সে তপস্বী কিংবা বৈজ্ঞানিক। দারুণ তার আবেগ-প্রবণতা আর শৃঙ্খলা। তাই তো সে দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারে, আমার কাজ– ফসল উৎপাদন। সেটাই তার অহংকার।
তিনি বিশ্বাস করতেন আমাদের তথাকথিত উচ্চাঙ্গ সংগীতের মূল নিহিত লোকসংগীতে। গানে, গায়কীতে, পরিবেশনায় এই বিশ্বাসটিকে প্রকাশ করেছেন অসামান্য প্রায়োগিক দক্ষতায়। টিবি তাঁর একটি ফুসফুস চিরতরে অক্ষম করে দিয়েছিল– সেই শারীরিক সীমাবদ্ধতাও তিনি পেরিয়ে গিয়েছিলেন নিজস্ব গায়কি তৈরি করে নিয়ে।
মাথা-বোঝাই ধান নিয়ে বাড়ি চলেছে চাষি। কাজ থেকে ফেরার পথে বানি-গরান-ঝাউয়ের জঙ্গলে, গাছের ছায়ায় মেয়েরা আজকাল জিরিয়ে নিতে পারে একটু। ওরা মনে মনে কুর্নিশ করে সেই মানুষকে, যিনি কবিতা লিখতে লিখতে ছায়াটুকুও আনিয়ে দিয়েছেন নোনা জলের মাটিতে। মেরু দেশের বরফ গলছে। পায়ের নিচে মাটি কতক্ষণ? স্মৃতি শুধু বলে যাবে– চেষ্টা চলেছিল সৃজনের।
একটা পাত্রে অনেকগুলো গোটা গোটা লঙ্কা ছিল। সাহেব সেগুলো কী জিজ্ঞেস করতেই স্বামীজি বললেন, ‘এগুলো ভারতীয় কুল’– বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে রোববার.ইন-এ বিশেষ নিবন্ধ।
মণীন্দ্র গুপ্তের মৃত্যুশোক সহ্য করতে করতে দেবারতি এই বিশ্বাসে চিরকাল স্থির থেকেছেন, তিনি আছেন। কেননা, দেবারতি আছেন বলেই মণীন্দ্র আছেন। সারদা আছেন বলেই রামকৃষ্ণ আছেন। পার্বতী আছেন বলেই শিব আছেন। সবাই অখণ্ড। সবই অখণ্ড। শিব-পার্বতীর যুগলকে মেনে রামকৃষ্ণ-সারদার বিবাহ তাই দেবারতির কাছে কবিতা।
মা এখন আমাকে বিষ দেওয়ার চেষ্টা করে। খাবারে। রোজ। একটু একটু করে। আমি জানি। বুঝি। ক্লাস সিক্সের শেষ থেকেই শুরু হয় এই খেলা। শুধু আমার সঙ্গে নয়। আমার আগের পাঁচ জন ভাইবোনের সঙ্গেও এই একই খেলা খেলেছে মা। সবাই হেরেছে। আমি এখনও হার মানিনি।
১৯৭৫ সালে দেশে জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় গৌরকিশোর ঘোষের লেখার অংশ বাদ দেওয়া, লেখা বাতিল হওয়া শুরু হয়। এই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গৌরদা মাথা ন্যাড়া করেছিলেন। সেইসঙ্গে এটাও জানিয়ে রেখেছিলেন, এতে কাজ না হলে তিনি গলায় কুকুরের বকলস পরে ঘুরবেন!
সম্প্রতি অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে হয়ে গেল নরেন্দ্রচন্দ্র দে সরকারের ছবির প্রদর্শনী। সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। আজ ৯৪ বছরেও তাঁর তুলি সমানভাবে সচল। বয়সের ভারে ন্যুব্জ, চোখের দৃষ্টি ক্ষীণ– একটি চোখে প্রায় দেখতে পান না বললেই চলে। তবুও ছবি আঁকায় বিরতি নেই।
এ দেশের নকট্যুরিজম নতুন-পুরনো মিলিয়ে রয়েছে। হেরিটেজ ভ্রমণের মধ্যে জয়পুরের আমের দুর্গ, গোলকোন্ডা ফোর্ট, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, সোমনাথ মন্দিরের মতো অসংখ্য টুরিস্ট স্পটের লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো। রয়েছে বেনারস, অযোধ্যা ও হরিদ্বার ঘাটের সন্ধ্যা-আরতি। রয়েছে রনথম্বোরের নাইট সাফারি, পেরিয়ার লেকে বোট সাফারিও।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved