

পূজা– এক শিক্ষিত স্পষ্টভাষী তরুণী, সে যখন কমলেশকে তাদের বাসররাতে অরুণের জোরপূর্বক যৌন-আক্রমণের কথা জানায়, তখন কমলেশ অবিশ্বাস-ভরে তাকেই চড় মারে। ‘বৈবাহিক ধর্ষণ’ নিয়ে চিন্তার এই আকাল সমাজের মানসিকতার বাস্তবিক উপস্থাপনা মাত্র। এর প্রতিফলন দেখা যায় আমাদের আশপাশে ঘটে যাওয়া অগুনতি ঘটনায়।
পড়তে পড়তে বোঝা যায়, তথ্যচিত্র, চলচ্চিত্র মিলিয়ে সুন্দরবন নিয়ে এযাবৎ কম নয়। সবগুলিকে দু’-মলাটে ধরা সহজ ছিল না।
আমাদের সমাজের যাবতীয় অপদার্থতা, পরিবেশ ও সমাজের ক্রমাগত অবক্ষয়, এই ছবির পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে। তবে তা কখনই গল্প থেকে বেরিয়ে এসে দেখনদারি হয়ে দাঁড়ায় না।
অমৃতা। অমৃতা শেরগিল। প্রেমে পড়েছেন। নিজের প্রেমে। ভরা যৌবন তাঁর। কিন্তু তিনি জানেন না তাঁর সঠিক পরিচয়। কোনও কোনও পুরুষ তাঁকে বলেছে, তাঁর প্রথম ও শেষ পরিচয়– তিনি সুন্দরী। তাঁর শুনতে ভালো লেগেছে এই ইঙ্গিত ও ইশারা। কিন্তু অমৃতা চান, তাঁর পরিচয় পেরিয়ে যাক তাঁর শরীর।
এই ধর্মসাধন যেমন বাবু নরেন্দ্রকে আর উবু লাটুকে মিলিয়ে দেয়, তেমনই রবীন্দ্র-মানসেও কি সামাজিক ও রাজনৈতিক স্তরে কোনও ব্যবস্থাপনার আদর্শ উঁকি দিচ্ছিল, যা পাশ্চাত্যের বর্বর সীমাবদ্ধ রাষ্ট্রতন্ত্রকে ভেঙে ফেলবে?
কাব্যসংগ্রহ প্রকাশের সময় আমি বইয়ের ডাস্ট জ্যাকেটের কাগজ জোগাড় করতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছিলাম। নাভানা সংস্করণের বইয়ে ডাস্ট জ্যাকেটে এক ধরনের করোগেটেড অফ-হোয়াইট কাগজ ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটা আবার স্বপনদার খুবই পছন্দ ছিল। তিনি চেয়েছিলেন, আমাদের সংস্করণেও ওইরকম কাগজ ব্যবহার করা হোক।
তা দেখতে এখনও সুন্দর তরুলতাকে। বছর ৪২ বয়স হল তরুলতার, চেহারাটাকে এখন ছিপছিপে রেখেছে কচি মেয়েদের মতো। গায়ের রং ফরসা, চোখ-মুখে টান আছে। আর আছে ভদ্র ও রুচিশীল ব্যবহার। অন্য মেয়েদের মতো খদ্দেরদের দিকে সে তেড়ে যায় না বা গালিগালাজ করে না। প্রথম দিনেই তার সঙ্গে জমে গেল রবীন্দ্রর।
১৯৬১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। চারদিকে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের উন্মাদনা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের সরকার ‘টেগোর ইউনিভার্সিটি বিল’ পেশ করেছে। ঠিক সেই সময় ৪ নম্বর এলগিন রোড থেকে শ্রীযুক্ত দ্বিজেন্দ্রলাল সেনগুপ্তকে একটি চিঠি লিখছেন সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
মারের বদলা কি মার হয় রবীন্দ্রনাথে? না। শুরু হয় প্রতিহিংসাহীন ত্যাগ আর আত্মদানের মধ্য দিয়ে এক গভীর চলা। কখনও কখনও একলা চলা। আপন বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে একলা চলা।
সাধারণ ছবি এআই-এর সাহায্যে বদলে যাচ্ছে খানিক রঙিন, খানিক অসমান হাতে আঁকা অবয়বে। অ্যালগরিদম বা প্রম্পট এমনভাবেই বানানো হয়েছে যাতে করে প্রতিটি জেনারেটেড ইমেজেই থাকে শিশুসুলভ অসম্পূর্ণতার ছাপ। নিখুঁত, পরিপাটি ডিজিটাল ছবির ভিড়ে এই খানিক এলোমেলো চেহারা যেন অনলাইন দুনিয়ায় সতেজ হাওয়া বইয়ে দিয়েছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved