

অশান্ত শৈশব মদ্রিচকে কী করতে পারত? অস্ত্র তুলে নিতেন হাতে? পুড়তেন প্রতিশোধের আগুনে? না কি এই হিংস্র নির্মম পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে অটল থাকতেন তাঁর নির্মল অনাবিল আত্মোপলব্ধিতে: যুদ্ধ কখনও কারওর জন্য ভালো কিছু বয়ে আনে না। গাইতেন প্রিয় গান: ‘নিজে উ সোলদিমা সেভ’, টাকা সবকিছু নয়!
এক বছর কিছু লিখবেন না– এই মর্মে আনন্দমেলা সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি লিখেছিলেন বুদ্ধদেব গুহ। চিঠিটি কোনও বিদায়পত্র নয়, কোনও ক্লান্তির বিবরণও নয়। এটি যেন এক শিল্পীর আত্মার দিকে ফিরে তাকানোর মুহূর্ত। যেন তিনি বলছেন– আমি লিখতে জানি, তাই থামতেও জানি।
সাঁঝের কুয়াশামাখা রিক্ত, শস্যহীন খেত। আলপথ দিয়ে হেঁটে চলেছি। জানিই না, কেন যাচ্ছি, কোথায়ই বা যাচ্ছি। পিছনে ফেলে এসেছি অর্থহীন জীবন। সামনে কীসের সার্থকতা? তাও জানি না আমি।
গবেষকদের মতে, অতীতের বহু দুর্ভিক্ষ, সামাজিক অস্থিরতা এমনকী রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গেও ‘এল নিনো’র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। ভারতে উনিশ শতকের দুর্ভিক্ষ, চিনের খাদ্য সংকট এবং ব্রাজিলের দীর্ঘস্থায়ী খরায় লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল। যদিও শুধুমাত্র ‘এল নিনো’ দায়ী নয়, তবে এই জলবায়ুগত অবস্থা পরিস্থিতিকে বহুগুণ জটিল করে তুলেছিল।
মুর্শিদাবাদ ও বারুইপুরের লিচুর জনপ্রিয়তাও কম নয়। তবে ইউরোপে পাঠানোর জন্য কিন্তু মুজাফফরপুর বা তেজপুর বাদ দিয়ে সেরার সেরা লিচু– ‘গোলা গুলাব’কেই বেছে নেওয়া হয়েছে।
প্যারিসে আন্দ্রের আতিথ্যে থাকাকালীন ফ্রেস্কো আর বাটিক ছাড়াও প্রতিমা আরেকটি কাজ শিখেছেন, সে হল ইউরোপীয় পটারি। কলাভবনের সিলেবাসে স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে সিরামিক পটারির যে কোর্স চালু হয়েছে– তার সুদূর নেপথ্যেও প্রতিমা দেবী।
বালি-মাফিয়ারা নদীর গর্ভ থেকে দেদার বালি তুলছে প্রকাশ্য দিবালোকে। গড়ে উঠছে চোরাবালির মৃত্যু-ফাঁদ। নদী বুজিয়ে তৈরি হচ্ছে জমি-কারখানা। হারিয়ে গিয়েছে কত কত নদী। হারিয়ে গিয়েছে তার ইতিহাস। নদনদীর বিলুপ্তপ্রায় তালিকাটিও অশেষ বলাই ভালো। মুমূর্ষু নদনদী নিয়ে সরকার উদাসীন। উদাসীন আমরাও।
ভেঙে টুকরো হয়ে যাওয়া দুটো দেশ। দুটো মন। দুটো আত্মা। অসংখ্য কাঁটাতার পেরিয়ে। রক্ত পেরিয়ে। যন্ত্রণা পেরিয়ে। একে অপরের কাছাকাছি আসে। তাকায়। মুহূর্ত চলে যাওয়ার আগে বিদায়ের অনুমতি চায়।
নবনীতা আমাদের যুক্তিহীন, অনুভবহীন কিন্তু বদ্ধমূল পূর্ব-সংস্কার, প্রথা, তন্ত্র আয়নার মতো ধরেন, আর আমরা আত্মদর্শনে কেঁপে উঠি প্রায়! প্রখর তবু তিক্ত নয়, বরং তাঁর গল্পের গভীরে রইল করুণা, আর জীবনের অনিঃশেষ লাবণ্যে অনাহত বিশ্বাস।
রবীন্দ্রনাথের নাটকে অমল যখন মারা যাবে, তার আগে এসেছিল রাজ কবিরাজ। সেই রাজ কবিরাজের পদ্ধতি সম্পূর্ণ আলাদা। সেই পদ্ধতিতে জানলা খুলে দিতে হয়। খুলে দিতে হয় জীবন-মৃত্যুর সীমার বাইরে যে বড় সময় সেই বড় সময়ের দিকে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved