Robbar

Sangbad Pratidin

রিয়ার-ভিউ মিররে, একা…

ট্যাক্সি ড্রাইভারের ট্রাভিস আমাদের নিজেদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। কোনও এক গভীর রাতে, শহরের আলো পেরিয়ে কোনও ট্যাক্সির রিয়ার-ভিউ মিররে তাকালে সেখানে আমরা শুধু ট্রাভিস বিকলকে দেখি না– নিজেদেরও দেখি। দেখি নাগরিক জীবনের একাকিত্বকে।

→

স্মৃতি ও সংকটের জটিল ক্যালাইডোস্কোপ

যতই ‘কার্পে ডিয়েম’ বলা হোক, বর্তমানকে আসলে নির্মাণ করে মানুষের অতীত অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। মোদিয়ানোর সারা জীবনের সাহিত্য যেন তাঁর এই বক্তব্যকেই বাস্তবায়িত করতে করতে এগিয়েছে। উপন্যাসের পর উপন্যাসে তিনি হাতড়ে গিয়েছেন পূর্বস্মৃতি, অতীতের গর্ভ থেকে তুলে আনতে চেয়েছেন জীবনের অর্থ।

→

উর্দু কবিতার ঈশ্বর

মির তকি মির। আমার কাছে তিনি ফিরে আসেন তাঁর কবিতার মাধ্যমে করা স্বীকারোক্তির কায়দার জন্য। আজকের পৃথিবীতে মার্কিন কনফেশনাল কবিতা বা স্বীকারোক্তিমূলক অন্যান্য রচনার যে পরিসর তৈরি হয়েছে– তার যেন এক বীজতলা এই মির প্রদেশ।

→

তুমি কি কেবলই পতাকা?

নকুড়বাবুকে তাড়া করে আসছে চার-পাঁচটি দল। এই দলগুলির নানা পরিচয়। সেই পরিচয় তাদের মনুষ্য পরিচয়ের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে। একদলের ঝান্ডায় ত্রিশূল। আরেক দলের ঝান্ডায় চাঁদ। একদলের ঝান্ডায় এক ফুল তো আরেক দলের ঝান্ডায় আরেক ফুল। একদলের ঝান্ডা লাল, তো আরেক দলের ঝান্ডা কমলা। তাদের রাজনৈতিক দলত্ব, ধর্মীয় দলত্ব নানারকম। তবে একটা উদ্দেশ্য এক। তারা নকুড়বাবুর দৃষ্টি চায়, মুন্ডু চায়, মন চায়। কেন?

→

ট্রফি ফটোগ্রাফ এবং ঔপনিবেশিক বাঘ শিকার

১৮৭৫-১৯২৫ সময়কালের মধ্যে কেবল আনন্দের জন্য ভারতে প্রায় ৪০ হাজার বাঘ শিকার করা হয়েছিল। মৃত বাঘের মাথার উপর পা রেখে আলোকচিত্র তুলেছিলেন বহু রাজা, যুবরাজ, জমিদাররা। ফল– বাঘের সংখ্যায় ভয়ংকর হ্রাস। আজ ২৯ জুলাই। আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস। সেই কলঙ্কিত ইতিহাস ফিরে দেখার দিন, সংরক্ষণের শপথ নেওয়ার দিন।

→

প্রতিভা নয়, অসুখ!

ভিনসেন্ট ভ্যান গখ ছবির কারণেই হয়েছিলেন প্রায়োন্মাদ। ছবির টানেই একদিন ভাই থিওর রক্ষিতার দিকে তিনি হাত বাড়ালেন, সূক্ষ্মভাবে। ভ্যান নিঃসঙ্কোচ, আমার স্টুডিওতেই আমরা তিনজনে একসঙ্গে আঁকব। তাতে উৎসাহ বাড়বে।

→

অমরত্বের ২৯ জুলাই

১৯১১-তে মোহনবাগানের ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ড-জয় অনেকের কাছে পলাশীর প্রতিশোধ, অনেকের কাছে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ময়দানি-রূপ। স্বাদেশিকতার বর্ণপরিচয়। তবে এ-কথা অনস্বীকার্য, ১৯১১-য় মোহনবাগানের এই সাড়া জাগানো জয় স্বদেশি আন্দোলন এবং ফুটবলকে যেন এক সুতোয় বেঁধে ফেলেছিল।

→

আধুনিক ভাস্কর্যের লীলাভূমি

লীলা মুখোপাধ্যায়। ভারতীয় শিল্পের প্রথম আধুনিক ভাস্করদের একজন। শিল্পী বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায়ের ছাত্রী, পরবর্তীকালে সঙ্গিনী। কলাভবন থেকে নেপাল– প্রায় সর্বত্রই সঙ্গে ছিলেন, কাজ করেছেন, শিখেছেন। সৃষ্টি করেছেন আধুনিক ভারতীয় ভাস্কর্যের এক নতুন অধ্যায়– যেখানে সহজ সরল ভাবনা ও মানবিক গহীন আবেগের প্রতিচ্ছবি।

→

দেবতার জন্ম

উত্তরপ্রদেশের এক ব্যক্তির ফ্রিজের মধ্যে বরফ জমে শিবলিঙ্গের মতো হয়ে আছে– যা অনেকটা অমরনাথের মতো দেখতে। তা নিয়ে শুরু হয়েছে পূজা-অর্চনা-ভক্তিগীতি। আমাদের দেশের শিক্ষা, বিজ্ঞানচেতনা আর যুক্তিবাদী ধারণা ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু। এরপরেও এদেশে সোনাম ওয়াংচুকের মতো মানুষেরা শিক্ষার জন্য আন্দোলন করেন!

→

হরেক রকম হুড়ুম

প্রাচীনকালে মুড়ির নাম ছিল ‘হুড়ুম’। চৈতন্যচরিতামৃতে রয়েছে, ‘চিড়া হুড়ুম সন্দেশ সকল’। হুড়ুম একপ্রকার শস্যদানা হলেও, শব্দটির প্রকৃত অর্থ হল হালকা ফাঁপা ভাজা চাল বা চিঁড়ে। খেতে গেলেই দাঁতের চাপে মুড়মুড় করে আওয়াজ বের হয়। তাই বোধহয় নাম হয়েছে ‘মুড়ি’।

→