

জলাভূমি রক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিই আজ জলাভূমি ধ্বংসের হাতিয়ার, আইনি রক্ষাকবচকেই সুবিধামতো ব্যবহার করে চলছে জলাভূমি খুন। পাশাপাশি ধ্বংস হওয়া বাস্তুতন্ত্র। তার বিকল্প কী? কলকাতায় কিছু জলাশয় খাতায়-কলমে ‘বাস্তু’ হয়ে যায় আগেভাগেই, যাতে পরে ভরাট করা যায় আইন ফাঁকি দিয়ে।
ব্রিটিশ সরকারের চোখ এড়িয়ে জাপান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের প্রস্তুতি হিসেবে সুভাষচন্দ্রকে যিনি সাহায্য করেছিলেন, তিনি আনন্দমোহন সহায়, এই গোপন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন তাঁর স্ত্রী সতী (সেন), যিনি ছিলেন বাংলার মেয়ে।
‘Taiwan Travelogue’ আরও একবার তুলে আনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একটি ঔপনিবেশিক শাসনাধীন দেশকে মানুষ কার চোখ দিয়ে দেখবেন? শাসকগোষ্ঠীর একজন সদস্যের চোখ দিয়ে, না কি শাসিতদের চোখ দিয়ে? এই দু’ ধরনের দেখা কি কোনও বিন্দুতে এসে মিলবে?
ঢেঁকির সঙ্গে শিবের গাজনের যোগ ছিল। কাঠের তৈরি বাণেশ্বরের সঙ্গে সাদৃশ্য থাকার জন্য লোকে বলত ‘ঢেঁকি বাণেশ্বর’। উত্তর রাঢ়ের শিবগাজনে ভক্তদের সঙ্গে অনেকে মাথায় ঢেঁকি চাপিয়ে নাচতেন। আবার শিবতলায় গিয়ে কোনও ভক্তকে ঢেঁকির উপর বসিয়ে সাতপাক ঘোরাতেন।
‘বিবর্তন’ শীর্ষক এই প্রদর্শনী শুধু শিল্পকর্মের প্রদর্শন নয়; এটি এক গভীর মানস-অভিজ্ঞতা, এক বৌদ্ধিক যাত্রা, যেখানে দর্শক হয়ে ওঠেন অংশগ্রহণকারী। NGMA, নতুন দিল্লির উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রদর্শনী সমকালীন ভারতীয় শিল্পের বহুমাত্রিক সত্তাকে একত্রে উপলব্ধির সুযোগ করে দিয়েছে।
রাজনীতি বদলেছে, ভোটবাক্স বদলেছে, প্রচারমাধ্যমে এসেছে বিরাট বদল, কিন্তু ভোট জেতার কৌশল? আশ্চর্য! খুব বেশি বদলায়নি।
শুরুর কলাভবনের অন্দরমহল। শান্তিনিকেতনে ক্লাসের সহজ অনাড়ম্বর অন্দরসজ্জা ছিল আশ্রমজীবনের সঙ্গে বেশ মানানসই। মার্কা দেওয়া আর্ট কলেজের মতো নয়, একেবারে সাদাসাপ্টা। ব্যবস্থাপনাও খানিক আলাদা।
সুমন আজ আমাদের মধ্যে নেই, গত ৩১ মে, রবিবার তাঁর আন্ধেরি, লোখান্ডওয়ালার বাসভবনেই দেহ রেখেছেন। কিন্তু সন্ধ্যার নিস্তব্ধতায়, পুরোনো রেডিওর মৃদু শব্দে, কিংবা কোনও সংগীতপ্রেমীর স্মৃতির অলিন্দে তাঁর কণ্ঠ এখনও ভেসে আসে। সেই কণ্ঠে আছে প্রেমের মাধুর্য, ভক্তির নিবেদন, বেদনার কোমলতা এবং জীবনের সৌন্দর্যের প্রতি এক গভীর আস্থা।
ইন্দিরা দেবী চৌধুরানীর ব্যতিক্রমী জীবনের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে উনিশ ও বিশ শতাব্দীর শিক্ষিত অভিজাত বাঙালির ইতিহাস ও সংস্কৃতি। রবির আলোয় উজ্জ্বল এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক অনন্য নিজস্ব পরিচিতি।
প্রবাল দাশগুপ্ত কেবল একজন ভাষাবিজ্ঞানী বা ভাষাতাত্ত্বিক ছিলেন না, ছিলেন চিন্তক। বিশ্বাস করতেন– ভাষা কেবল ভাব বিনিময়ের মাধ্যম নয়, বরং তা মানুষের মুক্তির পথ; ভাষাগত বৈষম্য দূর করার মাধ্যমে পৃথিবীর মানুষ একে অপরের আরও কাছাকাছি আসতে পারে, আর সেই সেতুবন্ধনের মাধ্যম হিসেবে তিনি এসপেরান্তোকে বেছে নিয়েছিলেন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved