Robbar

Sangbad Pratidin

গঙ্গাস্নানের প্রযুক্তি

আগেকার দিনে মেয়েদের গঙ্গাস্নান ছিল ঝক্কির। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, পার্বণের দিনে গিন্নিকে বন্ধ পালকি-সুদ্ধ গঙ্গায় ডুবিয়ে আনা হত। প্রযুক্তির কল্যাণে আজ সেই সমস্যা মিটেছে। এখন নিত্য গঙ্গাস্নান। সকাল-বিকেল। প্রযুক্তিই এখন যুগপৎ ভক্তিযোগ ও কর্মযোগের সহায়।

→

অন্য জাতের গান

নব্বই-উত্তর গান নিয়ে এল বিষয়গত ভিন্নতা। অভাবনীয় সব স্থান, সামগ্রী ও চরিত্ররা। এমন সব সাধারণ মানুষজনের জীবনের আখ্যান যা আগে বাংলা গানের উপাদান বলে গণ্য হত না। কিন্তু তথাকথিত ‘জীবনমুখী’ গানে জাতপাতের প্রসঙ্গটি পেতে ২০১৯ অবধি অপেক্ষা করতে হল।

→

সে উজ্জ্বল বাসনা যেন তীক্ষ্ণ প্রহার

পুরাতন দিল্লি শহর। যেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়ে নানা কবির সমাহার। যে শহর মির্জা গালিবের, সেখানে সমর সেন বন্ধ লেখা আর খুলতে পারলেন না। নিজের কাছে দরকার কমে গেল কবিতার। কিন্তু সেটা কি শুধুই নিজের?

→

জীবনের মাস্তুলহীন নাবিক

হেমিংওয়ে যাপন করেছেন এক তাড়িত জীবন। সংসার পেতেছেন সংসার ভাঙতে। একটি প্রেম শেষ হতে না হতে শুরু হয়েছে আর এক প্রেম। এসবের মধ্যেই তিনি বেছে নিয়েছিলেন ভাবনার একাকিত্ব। বেছে নিয়েছিলেন মদের সর্বগ্রাসী আগুন। নিজের ইচ্ছেমতো বেঁচেছেন, মৃত্যুকেও একলহমায় আলিঙ্গন করেছেন নিজের ইচ্ছেমতোই।

→

নির্জনসজনে

শহুরে মেয়ে দূর কোলিয়ারিতে মরলে প্রচুর বখেড়া, তার চেয়ে অন্য কিছু ভাবতে হল। বিচিত্র এক ক্যাম্পে একরকম চিকিৎসা করিয়ে নিয়ে যাওয়া হল অন্য একটা জায়গায়। এটা অনেক সুরক্ষিত, মানে যারা স্বস্তিতে থাকেন তাদের পক্ষে নিরুপদ্রব, সুব্যবস্থিত।

→

মানিকবাবুর চাল

বাদশাহ আকবর না কি দাবা খেলতেন রক্তমাংসের মানুষ সাজিয়ে। সেরকমই ‘শতরঞ্জ কে খিলাড়ী’ ছবিতে লর্ড ডালহৌসি থেকে শুরু করে দুই দাবাড়ু পর্যন্ত সব চরিত্রই দাবার ঘুঁটি হয়ে উঠেছিল সত্যজিতের কলমের ডগায়। কীভাবে? বিশ্ব দাবা দিবসে বিশেষ নিবন্ধ।

→

কলকাতায় ব্রুসলীলা

সত্তরের কলকাতার অলিগলিতে হঠাৎই ঢুকে পড়েছিলেন ব্রুস লি। ‘এন্টার দি ড্রাগন’ ছবির মাধ্যমে। যদিও তখন তিনি আর জীবিত নেই। তবু ডিভিডি-ভিসিআর, পাড়ায় পাড়ায় ক্যারাটে ইশকুল আর রকের আড্ডায় একটা প্রজন্মের সকলেই আমরা ব্রুস লি হতে চেয়েছিলাম।

→

ভালোবাসা অবসর নেয় না!

‘ধনঞ্জয়দা, তুমি যে বড় চলে যাচ্ছ!’ –‘আমার কাজ যে ফুরিয়েছে।’ –‘তুমি কি আর আসবে না?’ তোমার হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়া অবয়ব শেষবার বলে ওঠে– ‘আমার আসার আর দরকারই হবে না…’

→

চিনের সঙ্গে শিল্পসেতু

কলাভবনের বীজ তখনও রোপণ করা হয়নি, রবীন্দ্রনাথ চাইছিলেন অন্ততপক্ষে নন্দলাল তাঁর জাপানযাত্রার সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে চলুক– ‘বিচিত্রা’কে যথাযথভাবে গড়ে তুলতেও তাঁর যাওয়া দরকার। কিন্তু অবন ঠাকুর তাঁর প্রিয়তম শিষ্যটিকে ছাড়বেন না, ফলে সে যাত্রায় কবির সঙ্গে রইলেন মুকুল দে।

→

সতী ও আমাদের প্রতিবন্ধকতা

প্রবল ঝড়বাদলের এক রাতে উমাকে পাওয়া যায় তার স্বামী বৃদ্ধ বটগাছটির সঙ্গে। এক মাথা সিঁদুর, দু’ চোখের পাতা খোলা। প্রতিবন্ধী উমা, সহমরণে যাওয়াই যার জন্য সম্মানের হত বলে ভেবেছিল প্রতিবেশীরা, এই মৃত্যু কি তাদের মানসিক প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তি দেয়?

→