Robbar

Sangbad Pratidin

করুণা ও বিদ্বেষের ধারাবিবরণী

লেখার জন্য যে ‘রিপোর্টাজ’ স্টাইল রেণুর সহজাত ছিলই, সেটাই উপন্যাসের ছাঁচে ঢেলে, তিনি খুলে-মেলে দেখিয়ে দিতে চাইলেন আঞ্চলিক মানুষ কীভাবে বাঁচে প্রতিদিন, দারিদ্র-শোষণ-সংস্কারের মধ্যেই, করুণা আর বিদ্বেষ মিলিয়ে নিয়ে।

→

মুসলিম কবির জগন্নাথভজন শরীরে তুলে নিয়েছিলেন কেলুচরণজি

মুসলিম কবি সালাবেগের ডাকে আজও বড়দারায় থামে পুরীর রথ। সালাবেগের জগন্নাথভজন ‘আহে নীল শৈল প্রবল মত্ত…’ পরম নিষ্ঠায় অভিনয় করতেন গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র। আটপৌরে দেহ, বিরলকেশ মাথা, সাদা ধুতি আর প্রায় রূপসজ্জাহীন মুখ, অলৌকিক হয়ে উঠত এক মুহূর্তে।

→

উল্টোরথযাত্রা

এক আষাঢ়ে যাত্রা শুরু করেছিল উল্টোরথ পত্রিকা। সম-চরিত্রের আরও বেশ কয়েকটি পত্রিকার জন্মে হারিয়ে গেলেও ‘উল্টোরথ’ পত্রিকার ‘গণেশ’ পরবর্তী প্রায় তিন দশক উল্টোয়নি। বরং তার জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বেড়েছে।

→

ইতিহাসের রসচক্র

রথ টানলেই জিলিপি আসে। রসগোল্লা-সন্দেশের বাবুয়ানি তার নেই; তবু বাঙালি রথে জিলিপি খাবে না, এ হতেই পারে না। বাঙালির এত আপন যে মিষ্টি, তার শুরু না কি বাংলায় নয়, ইরানে। আর সে খাবারকে ভারতে জনপ্রিয় করেছিল মোঘল শাসকরা। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলায় আসার রসচক্রটি ঠিক কেমন ছিল?

→

রথের রূপক

জগন্নাথের রথযাত্রা কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, তা আসলে মানুষ ও ঈশ্বরের, মানুষ ও মানুষের, মানুষ ও প্রকৃতির এবং জীবন ও মহাবিশ্বের মধ্যকার গভীর সম্পর্কের এক জীবন্ত উদ্‌যাপন। পুরীর তিন রথ আমাদের শেখায় যে, জীবনের প্রকৃত অর্থ নিহিত রয়েছে ভক্তি ও কর্মে, প্রকৃতি ও সভ্যতায়, ব্যক্তি ও সমাজে এবং আত্মা ও বিশ্বচৈতন্যের সমন্বয়ে।

→

মৃণালের অঞ্জন, অঞ্জনের মৃণাল

‘চালচিত্র এখন’ ছবিতে অভিনেতার ক্যানভাস রঙিন হয়ে উঠেছে অঞ্জনের চোখে ‘মৃণালদা’র যে প্রতিফলন হয়েছিল, তাই দিয়ে। সম্পূর্ণ মানুষটাকে নয়, বরং তাঁদের নিবিড় গুরু-শিষ্যের সম্পর্কটিকে অঞ্জন দত্ত তুলে ধরতে চেয়েছেন।

→

অনেকে বলেছিল, এইরকম নাম রাখলে সিনেমা চলবে না!

২০১৭ সালে বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা আর স্থানীয়দের হাহাকার তাঁকে ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’ নির্মাণের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। বাংলাদেশের লোকজীবন থেকে সিনেমার নামকরণে হেমাঙ্গ বিশ্বাসের গানের প্রসঙ্গ, নানা কথা উঠে এল বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকার মুহাম্মদ কাইয়ুমের দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে।

→

বাঁকুড়ার রথ পুতুলের মেলা

বাঙালির রথের মেলা আগে আলো করে থাকত মাটির পুতুল। সঙ্গে অবশ্যই থাকত কাঠের পুতুল, খেলনা গাড়ি ও তালপাতার সেপাই। আর বিকেলে পুতুলনাচের আসর। রথের মেলা থেকে পুতুল কিনেই গ্রামীণ বঙ্গজীবন ঝুলন সাজিয়ে তুলত। সেই ধারা কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে! তবু বিক্ষিপ্তভাবে সে আজও নিজের অস্তিত্বের কথা জানান দিয়ে চলেছে।

→

অর্থনীতি, আ মরি বাংলাভাষা

১ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক ও কার্যকর হতে চলেছে। শুভ উদ্যোগ। যদিও এ উদ্যোগ আগেও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে ভাষার কোনও উন্নতি হবে কি? বাংলা ভাষা নিয়ে পড়াশোনা করা ছাত্রটির ভবিষ্যৎ কি সুনিশ্চিত হবে?

→

ত্রৈলোক্যনাথের ভূতুড়ে ঠিকানায় আপনাকে স্বাগত

বাস্তব, কল্পনা আর বিজ্ঞান মিশিয়ে যে আজগুবি দোয়াত, তাতেই কলম ডোবাতেন ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়। এমন লেখক কি বিস্মৃত হয়েছেন বাঙালি পাঠকের কাছে? তাঁর বসতবাড়িটি এই বেহাল দশা কি কাম্য ছিল? দায় কার? লেখকের জন্মদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→