

যাদবপুর স্কুল অফ উইমেনস স্টাডিজ শুরু থেকেই কিছু-কিছু বই প্রকাশ করার কথা ভেবেছিল। মানবীচর্চা কেন্দ্রের প্রকাশনার পুরো দায়িত্বটাই সুবীর রায়চৌধুরীর কাঁধে ছিল, এবং আমার যতদূর মনে পড়ছে তিনিই আমাকে এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল বাংলা ভাষায় লেখা মহিলাদের হারিয়ে যাওয়া লেখা পুনরুদ্ধার করা এবং সেগুলি সুসম্পাদিত আকারে প্রকাশ করা।
নজরুলের সবচেয়ে উপেক্ষিত নাট্যকার সত্তাটির হয়ে ওঠার নেপথ্যের ইতিহাস বড়ই চমকপ্রদ এবং মাটির কাছাকাছি। তাঁর নাট্যশিক্ষার কোনও প্রথাগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ছিল না। তাঁর প্রথম পাঠশালা ছিল রাঢ় বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতি– লেটো গানের দল।
পাথর থেকে সোনা বের করা বেশ জটিল এবং ব্যয়বহুল একটি পদ্ধতি। প্রথমে বড় পাথরগুলোকে মেশিনে দিয়ে গুঁড়ো করে পাউডার করা হয়। এই পাউডারের সাথে সায়ানাইড দ্রবণ বা পারদ মিশিয়ে সোনাকে আলাদা করা হয়। সবশেষে উচ্চ তাপে গলিয়ে খাঁটি সোনা।
সন্ধের মরে ছাই হয়ে যাওয়া আলোয় লেখাগুলো আবছা ঠেকছে। পাশের ঘরে একটা মেয়ে প্রাণপণে চিৎকার করছে, ‘আমাকে আটকাও, কে আছো?’ আমাকে আটকাও তো দেখি...’। নাইট-শিফটের নার্সের কঠিন গলা পেলাম– “লায়লা হানিম, উঠে বসো মা। ছ’টার ইঞ্জেকশন আছে। ওঠো।” বাইরে দূরে কোথাও পুরনো হিন্দি গানের সুর বাজছে। এটা সেই সময়কার গান, যখন হিন্দি সিনেমায় খুব গয়না চুরি যেত।
‘টায়োস্কোপ’-এর মতো অপূর্ব অন্ত্যমিল বাংলা ছড়া ছাড়া আর কোথায় সম্ভব! শৈশবের ‘ইকড়ি মিকড়ি’ জনৈক ‘দামোদর’-এর ঘরদোর নিয়ে টুকরো অসংলগ্ন ছবিতে কত গল্পই বলে গেল; এইসব ছড়া বাংলা মৌখিক ধারায় ‘ননসেন্স রাইম’-এর আদিরূপ যেন।
একটু থেমে হাতের তামার ঘটিটা থেকে একটু জল খেয়ে ভৈরবী বললেন, ‘সেই যুবতী মেয়েটিকে আমি কিন্তু অনেক পরে চিনতে পেরেছিলাম!’
ইস্টবেঙ্গল যত সাফল্য পেয়েছে দু’-দশকে, তার কয়েকগুণ বেশি ব্যর্থতায় ডুবেছে। আর যত ব্যর্থতার অন্ধকার এসেছে, তত মানুষ গোল হয়ে বসেছে কোনও অলীক মোমবাতির চারপাশে।
ভেঙে যাওয়া শহরের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে যখন শুধু নিজের প্রাণটুকুই আছে, বাকি সব জিনিস হারিয়ে গিয়েছে, তখন এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় পালাতে পালাতে দুই যুবক উদ্ধার করছেন অসংখ্য বই! ধুলো-পাথরের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে উদ্ধার করছেন, তাঁদের সভ্যতার ইতিহাস।
ডরোথির ভূমিকা প্রায় নিঃশব্দে মুছে গিয়েছিল কেরির জীবনচর্যা থেকে। ডরোথি অসাধারণ হতে চাননি, সাধারণ স্ত্রী এবং মায়ের ভূমিকায় ভালো থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অসম্ভব একাকিত্বে পাশে পাননি স্বামীর সাহচর্য। যে মনোযোগ, ভালোবাসা এবং চিকিৎসা ডরোথির দরকার ছিল– তা থেকে উপেক্ষিত থেকেছেন আজীবন।
লাল চুল ও ফর্সা ত্বকের অধিকারী মানুষরা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক দ্রুত এবং খুব সামান্য আলো থেকেও প্রচুর ভিটামিন-ডি তৈরি করতে পারে। উত্তর ইউরোপের অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনগুলোতে হাড়ের রোগ থেকে বাঁচতে এবং প্রজনন ক্ষমতা ধরে রাখতে এই বিবর্তন তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved