Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

আলকাপ: বিরল মায়ার স্মৃতিচিহ্ন

রাত্রির শোভা যেমন চাঁদ, তেমনই আলকাপের দলের শোভা ছোকরা। ওস্তাদই তৈরি করেন ছোকরাকে। তাঁর সাধন-সমন্বিত তালিমেই ছোকরার ভিতরে গড়ে ওঠে মোহিনী মায়ার কিশলয়। সযত্ন অনুশীলনে ধীরে ধীরে তার ভেতর থেকে জন্ম নেয় মায়ায় গড়া এক কিন্নরী। যে পুরুষ নয়। কিম্পুরুষ নয়। নারী নয়। ছোকরা।

→

বহুত্বের স্বপক্ষে লড়াই

১৯ মে শ্রেষ্ঠত্বের দাবি রাখে তার প্রকৃত ইতিহাসের নিরিখে, বৈচিত্রে, তার সংগ্রামের ব্যাপকতার নিরিখে। বরাক উপত্যকার সদর শহর শিলচরের রেল-স্টেশনে পুলিশের গুলিতে জীবন আহুতি দিয়েছিলেন ১১ জন তরুণ-তরুণী। ভাষাকেন্দ্রিক গণ অভ্যুত্থানের এমন আপামর ব্যাপ্তি অন্য কোনও ভাষা সংগ্রামে পাওয়া যায় না।

→

এক সাহিত্যপ্রেমিকের সত্যজিৎ দর্শন

একটি বিশেষ মাত্রা বইটিকে সমৃদ্ধ করেছে। তা হল, চিন্ময়ের গভীর সাহিত্যবোধ। সত্যজিতের সৃষ্টির মর্ম অনুধাবন করতে গিয়ে, তিনি ইংরেজি ও ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রতিচ্ছায়া মেলে ধরেছেন নৈপুণ্য সহকারে। পাশাপাশি উঠে এসেছে সত্যজিতের রাজনৈতিক নন্দন-ভাবনা এবং সামাজিক অঙ্গীকারের স্পর্শকাতর বিষয়টি।

→

একঘেয়েমি যখন মগ্নজীবনের ডুবসাঁতার

জীবনে যদি না-গ্রহণ করতে পার একঘেয়েমি, কোনওদিন তুমি পাবে না তোমার মগ্নচৈতন্যের অপূর্ব অবদান। যে-অবদান তোমার জীবনকে সার্থক ও সম্পূর্ণ করবে।

→

হায়, গৃহহারা!

‘বহুরূপী’র ‘রাজা অয়দিপাউস’। তিনটে ‘হায়!’ লক্ষ করবেন, নাটক প্রায় শেষদিকটায় পৌঁছে গিয়েছে, তখন ইয়োকাস্তের কণ্ঠে একটা ‘হায়’ শুনি আমরা। রবীন্দ্রগানের তিনটি ‘হায়’-এর সঙ্গে বহুরূপী অভিনীত তিনটি ‘হায়’ যেন একটা যোগসূত্র তৈরি করে। সবটাই দৈবনির্দিষ্ট দুর্ভাগ্যের ফল।

→

সিনেমার উৎসব, না কি বিশ্ব রাজনীতি?

হেলসিঙ্কি লাভ অ্যান্ড অ্যানার্কি উৎসবের ফেস্টিভ্যাল ডিরেক্টর পেক্কা ল্যানেরভা বলেছিলেন, ‘কান আসলে শিল্পের চেয়ে ব্যবসার জায়গা বেশি।’ কথাটা প্রথমে খারাপ লেগেছিল। পরে ধীরে ধীরে বুঝেছি, পুরোপুরি মিথ্যে নয়। এখানে কবিতা আছে, কিন্তু তার পাশে বাজারও আছে। এখানে শিল্প আছে, কিন্তু তার পাশেই অদৃশ্য ক্ষমতার লিফট।

→

প্রেসের কাজে গাফিলতি দেখলে কড়া চিঠি লিখতেন সুবীরদা

মানবদা যেমন বলতেন অনুবাদের কাজ কখনও শেষ হতে পারে না, নিরন্তর চলতে থাকে। আমার মনে হয়, সুবীরদাও বিশ্বাস করতেন সম্পাদনা-সংকলনের কাজও কখনও শেষ হয় না, চলতেই থাকে।

→

আমৃত্যু যৌবন-যাপন করে গিয়েছেন যে লেখক

চন্দ্রপ্রসাদ শইকীয়াকে আমি প্রথম দেখি নয়ের দশকে। ওই সময়েই মহাভারতের কর্ণকে নিয়ে লেখা তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘মহারথী’ সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পায়, আর তিনি অকাদেমির জেনারেল কাউন্সিল এবং অসমিয়া পরামর্শদাতা সমিতির সদস্য হন।

→

যন্ত্রের জঠর থেকে কবিতা

সে যন্ত্র এক বাক্স বিশেষ, যার মধ্যে ভর্তি পুতুল। বাক্সের ওপরের গর্তে একটা ধাতব মুদ্রা বা ‘মোহর’ ফেললে সেটা গড়াতে গড়াতে নিচে আসত, আর ঘটে চলত একের পর এক ঘটনা, ক্রমান্বয়ে, ওপর থেকে নিচে। শেষে একটা পুতুল বেরিয়ে আসত হাফিজের কবিতা লেখা চিরকুট নিয়ে। সেই আজব যন্ত্রই কাব্য-যন্ত্র।

→

অতীতের গল্প বলে জয়নগরের পুতুল

সমকালীন সমাজ-জীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলি, মজিলপুরের পুতুল-নির্মাণের চরিত্র হয়ে ওঠে। তাদের তুলির টানে বাংলার চিরাচরিত পটচিত্রের ব্রাশ স্ট্রোক খুব সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। পূর্বপুরুষের সেই ধারা এই ২১ শতকেও বজায় রেখেছেন মৃৎশিল্পী শম্ভুনাথ দাস।

→