Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

প্রাণে গান না থাকলে গানেও প্রাণ থাকবে না, বলতেন অর্ঘ্য সেন

খাতা দেখে গান গাওয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড বিরোধিতা ছিল অর্ঘ্য সেনের। রবীন্দ্রসংগীত দেবব্রত বিশ্বাসের কাছে শিখলেও রেকর্ড জগতে ট্রেনিং নেন শুভ গুহঠাকুরতা, সন্তোষ সেনগুপ্ত, শৈলেন মুখোপাধ্যায় ও সুচিত্রা মিত্রের তত্ত্বাবধানে। তাঁর মঞ্চাভিনয়ের পরিচালকরা ছিলেন শম্ভু মিত্র ও ঋত্বিক ঘটক।

→

অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’ শেখায় অন্তহীন ইরোটিসিজম-ই জীবনের পরমপ্রাপ্তি

এই উপন্যাসের শেষে কিন্তু নেই কোনও মৃত্যু ও বিদায়। কেননা কোনও জীবন কখনও শেষ হয় না। অ্যানি এরনো বিশ্বাস করেন, প্রতিটি জীবনের অন্তহীনতায়। আর বিশ্বাস করেন, জীবনের পরম প্রাপ্তি ‘eroticism’: যৌন উদ্দীপনা এবং রাগমোচনের সেই বহু ঈপ্সিত শীর্ষ সেকেন্ড!

→

মরণের পরেও, এই পৃথিবীর জন্য আপনি রইলেন

এত সব কাব্যগাথা, এত সব মনের কথা, এত সুন্দর জীবন বেঁচে থাকার পরে উচিত হবে, চমৎকার বন্ধুর মতো মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা।

→

বিয়ের চিঠি: রসিকতা থেকে কাব্যচর্চা

সম্পন্ন বনেদি পরিবারের তরফে নেমন্তন্ন করার সময় প্রায়শই আমন্ত্রণপত্রটি দেওয়া হত একটা পিতল বা কাঁসার থালায় ওপর রেখে। সঙ্গী হত পাশে শায়িত পান-সুপুরি। এই থালার পোশাকি নাম ছিল ‘আমন্ত্রণী থালা’।

→

থিয়েটারের দুনিয়ায় ‘ব্র্যান্ড’ হয়ে উঠতে পেরেছিলেন রতন থিয়াম

তখন ‘ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা’ ত্রিপুরা-তে থিয়েটার-ইন-এডুকেশন নিয়ে পড়াশুনা করছি। সেই সময় রতন থিয়ামের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়েছিল। একদিন ক্লাসে পেন আনতে ভুলে গিয়েছিলাম। আমার অস্থিরতা লক্ষ করে তিনি বলেছিলেন, ‘পেহলে খুদকো ঢুন্ডো’। একটা ছোট্ট কথা, কিন্তু কী গভীর ব্যঞ্জনাপূর্ণ উক্তি!

→

সব্বাই নয়, কেউ কেউ ‘বিয়ের গাড়ি’

বিবাহ অভিযান হবে। আর ‘বিয়ের গাড়ি’ থাকবে না, তা হয় নাকি! বর হোক কনে, দু’বাড়িতে বিয়ের জৌলুস বাড়িয়ে দেয় ফুলে সাজানো ধবধবে একখান গাড়ি। সবাই তাকে একডাকে চেনে– ‘বিয়ের গাড়ি’। আজ শুভক্ষণে সেই চার-চাকার সুখ-দুঃখের দু’চার কথা।

→

বিশ্বাস করি, রাজনীতি নয়, কলকাতাই আমাকে আমার মতো করে বাঁচতে দেবে

৭৩-এ পা দিলেন অঞ্জন দত্ত। তাঁর জীবন– কবিতা-গল্প-উপন্যাস নয়, সার্কাস। সার্কাস যে, তিনি লিখেছেন নিজেই, তাঁর সদ্য প্রকাশিত ‘অঞ্জন নিয়ে’ বইতে। কলকাতা আর দার্জিলিং বুকের মধ্যে নিয়ে ঘুরে বেড়ান তিনি আজও। মনে করেন, এই দুটো শহরই জৌলুস হারিয়েছে, কিন্তু এখনও ফুরিয়ে যায়নি একেবারে।

→

স্টুডিওপাড়ার নারায়ণ দেবনাথ

ভিএফএক্স বা বিভিন্ন টাইপফেস, টেমপ্লেট ইত্যাদি ব্যবহার করে আজ যেখানে অনেক সহজেই বানিয়ে নেওয়া যায় ফিল্ম ক্রেডিটস্, সে যুগের পেশাদার শিল্পীরা তা করতেন সম্পূর্ণ হাতে এঁকে! রামচন্দ্র সিন্ডে, দিগেন স্টুডিও– এঁদের পাশাপাশি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল ছিলেন নারায়ণ দেবনাথ।

→

কাদের লিটল ম্যাগাজিন বলা যাবে না, তার তালিকা তৈরি করেছিলেন শিবনারায়ণ রায়

শিবনারায়ণ রায় রবীন্দ্রনাথকে কোন আসনে বসাতেন তা ‘গণতন্ত্র, সংস্কৃতি ও অবক্ষয়’-এর পাতায় স্পষ্ট। তবে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে তাঁর কম বয়সে লেখা প্রবন্ধ নিয়ে কিন্তু একসময় বেশ তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে শান্তিনিকেতনে।

→

পুতুল নাচিয়ে সীতা উদ্ধারের গল্প বলে চাদর-বাঁধনি

পুতুল এখানে মাটির কাছাকাছি। এখানে কোনও রাজা-রানি, নায়ক-নায়িকা, দেব-দেবী, দৈত্য-দানব নেই। আছে শুধু সাধারণ, প্রান্তিক, খেটে-খাওয়া মানুষ। তাই এর গানেও রোজের দিনের জীবনের ছোট-ছোট চাওয়া-পাওয়ার গল্প।

→