

একমাত্র সংরক্ষিত জলাভূমিগুলি ছাড়া বাকি সব জলাভূমিই আজ বিপন্ন, আর সেইসঙ্গে জলজ বাস্তুতন্ত্রে বাস করা এই প্রাণীটির অস্তিত্বও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। আগে মাছ-চাষিরা চাষের কিছুটা অংশ বন্যপ্রাণীদের জন্য ছেড়ে দিত। এখন চাহিদা পূরণের চাপে, মুনাফা বাড়াতে, মাছের উপর নির্ভরশীল বাঘরোলদের হত্যা করতেও মানুষ দ্বিধা করছে না।
নজরুলের কারাজীবন। অনশন। হার-না-মানা হার গলায় পরা। জন্মদিনের আবহে, তাঁর সৃষ্টি ও জীবনকে সমান্তরালে রেখে এই পাঠ।
৯২ বছরের জন্মদিনে সারা ভারত-জুড়ে তাঁর পাঠকদের তিনি দিয়ে গেলেন এমন এক ভালবাসার বই, যা বড় প্রয়োজন ছিল এই হিংসা, বিদ্বেষ, যুদ্ধ, নাশ ও খুনোখুনির পরিবহে।
গ্রীষ্মের দুপুরের যদি ফেসবুক থাকত, অ্যাকাউন্টে নীল টিক থাকত। দুপুরের মধ্যে সে-ই একমাত্র সেলেব্রিটি। দ্বিতীয় স্থানে শীতের দুপুর। কিন্তু হেমন্ত-বসন্ত-বর্ষা এমনকী, শরতের দুপুরও তেমন আমল পায় না। এই প্রবল গরমে তাই রোববার.ইন দুপুরসংক্রান্তি।
যাদবপুর স্কুল অফ উইমেনস স্টাডিজ শুরু থেকেই কিছু-কিছু বই প্রকাশ করার কথা ভেবেছিল। মানবীচর্চা কেন্দ্রের প্রকাশনার পুরো দায়িত্বটাই সুবীর রায়চৌধুরীর কাঁধে ছিল, এবং আমার যতদূর মনে পড়ছে তিনিই আমাকে এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল বাংলা ভাষায় লেখা মহিলাদের হারিয়ে যাওয়া লেখা পুনরুদ্ধার করা এবং সেগুলি সুসম্পাদিত আকারে প্রকাশ করা।
নজরুলের সবচেয়ে উপেক্ষিত নাট্যকার সত্তাটির হয়ে ওঠার নেপথ্যের ইতিহাস বড়ই চমকপ্রদ এবং মাটির কাছাকাছি। তাঁর নাট্যশিক্ষার কোনও প্রথাগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ছিল না। তাঁর প্রথম পাঠশালা ছিল রাঢ় বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতি– লেটো গানের দল।
পাথর থেকে সোনা বের করা বেশ জটিল এবং ব্যয়বহুল একটি পদ্ধতি। প্রথমে বড় পাথরগুলোকে মেশিনে দিয়ে গুঁড়ো করে পাউডার করা হয়। এই পাউডারের সাথে সায়ানাইড দ্রবণ বা পারদ মিশিয়ে সোনাকে আলাদা করা হয়। সবশেষে উচ্চ তাপে গলিয়ে খাঁটি সোনা।
সন্ধের মরে ছাই হয়ে যাওয়া আলোয় লেখাগুলো আবছা ঠেকছে। পাশের ঘরে একটা মেয়ে প্রাণপণে চিৎকার করছে, ‘আমাকে আটকাও, কে আছো?’ আমাকে আটকাও তো দেখি...’। নাইট-শিফটের নার্সের কঠিন গলা পেলাম– “লায়লা হানিম, উঠে বসো মা। ছ’টার ইঞ্জেকশন আছে। ওঠো।” বাইরে দূরে কোথাও পুরনো হিন্দি গানের সুর বাজছে। এটা সেই সময়কার গান, যখন হিন্দি সিনেমায় খুব গয়না চুরি যেত।
‘টায়োস্কোপ’-এর মতো অপূর্ব অন্ত্যমিল বাংলা ছড়া ছাড়া আর কোথায় সম্ভব! শৈশবের ‘ইকড়ি মিকড়ি’ জনৈক ‘দামোদর’-এর ঘরদোর নিয়ে টুকরো অসংলগ্ন ছবিতে কত গল্পই বলে গেল; এইসব ছড়া বাংলা মৌখিক ধারায় ‘ননসেন্স রাইম’-এর আদিরূপ যেন।
একটু থেমে হাতের তামার ঘটিটা থেকে একটু জল খেয়ে ভৈরবী বললেন, ‘সেই যুবতী মেয়েটিকে আমি কিন্তু অনেক পরে চিনতে পেরেছিলাম!’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved