

মাত্র ১১ বছর বয়সে গান্ধীজির আহ্বানে ঘর ছেড়ে যে মেয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, ঘরের মোহ তাঁকে কোনওদিনই সংসারী করতে পারেনি। স্বাধীনতা-উত্তর রাজনীতিও তাঁকে আকর্ষণ করেনি কোনও দিন।
‘ডন থ্রি’র ক্ষেত্রে রণবীর সিংয়ের সরে যাওয়া, শুটিং শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত– সব মিলিয়ে গুরুতর একটা প্রশ্ন মাথাচাড়া দেয়– অভিনেতা কি সিনেমার কর্মী? শিল্পী? অংশীদার? না কি নিজের ব্র্যান্ডের মালিক, যাঁর ইচ্ছে হলে কোনও প্রকল্পে ঢুকবেন, ইচ্ছে হলে বেরিয়ে যাবেন? এই যা-ইচ্ছে-তাই প্রশ্ন ধরে এগলেই, বলিউডের অস্বস্তিকর পরিবর্তন চোখে পড়বে ঠিক।
কাফকা ও কুন্দেরার মধ্যে সরাসরি কোনও সম্পর্ক ছিল না। তবু তাঁদের লেখার গভীরে ছিল এক অদৃশ্য সাংস্কৃতিক সূত্র। একজনের শক্তি ছিল প্রশাসন, অন্যজনের– মতাদর্শ। তাঁরা দু’জনেই প্রাগকে ছেড়েছিলেন ভিন্নভাবে– একজন মৃত্যুর মাধ্যমে, অন্যজন নির্বাসনে। কিন্তু শহর তাঁদের ছাড়েনি।
কী আশ্চর্য! সাপকে আমরা দেবতার আসনে বসিয়েছি আবার সেই দেবতাই সর্পবিষহরা, বিষের চিকিৎসা করেন। মনসা হোক বা লোকদেবী ঝাঁকলাই, সকলেই আসলে একাধারে সাপ ও ওঝা। বিষ ও বিষের ওষধি।
চাষিরা আলাদা করে চাষ করছেন হাতির জন্য। হাতিও চাষির ভাগের ফসল নষ্ট করছে না। এরকম দুর্লভ উদাহরণ সুলভ হোক। এইটুকু তো সভ্য হওয়াই যায়, তাই না?
মোহন ভাগবতের সঙ্গে জেন জি-র সরাসরি কথোপকথনকে শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ কিংবা আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি বলে দেখলে হয়তো পুরো ছবিটা ধরা পড়বে না। এর মধ্যে হয়তো রয়েছে আরও অনেক দীর্ঘমেয়াদি প্রশ্ন। সেই প্রশ্নগুলোর মধ্যে অন্যতম– জেন জি কি আদৌ সংসদীয় রাজনীতির অংশ হতে ইচ্ছুক?
সমাজের ওপর অভিমান থেকেই প্যারিসের নৈশজীবনের নেশায় মেতে উঠেছিলেন পৌনে পাঁচ ফুটের তুলুস-লোত্রেক, তাঁর দানবীয় প্রতিভা আর যৌনখিদে নিয়ে। মূলত মুলারুজের পোস্টার এঁকে এমন প্রসিদ্ধি এবং বাণিজ্যিক সাফল্যে পৌঁছন তিনি যে, ইউরোপীয় শিল্পের রূপকথায় তিনি এক অনন্য রাজকুমার।
নোলানের দুয়ারে দর্শক অতিথি, তিনি জানেন না তিনি যা পরিবেশন করছেন, তা থেকে দর্শক কী গ্রহণ করবে? কোনটাকে বড় করে দেখবে? হিংসাকে না আত্মোপলব্ধিকে? সমস্তরকম সম্ভাবনা সত্ত্বেও তিনি আতিথেয়তায় কোনও ত্রুটি কিন্তু রাখেননি।
‘গীতা পাঠের চাইতে ফুটবল খেলা ভালো’– এই বাণী অবশ্য স্বামী বিবেকানন্দের মুখে মানায়। কারণ, নরেন্দ্রনাথ দত্ত বেশ ডাকাবুকো। খেলাধুলোয় পারঙ্গম। স্বভাব আমুদে। রবীন্দ্রনাথ বিবেকানন্দের মতো খেলা-পারঙ্গম ছিলেন না। কুস্তি তাঁকে শিখতে হয়েছিল। শরীরের কাঠামোও চমৎকার। তাঁর ব্রহ্মচর্যাশ্রমে খেলাধুলোর বিশেষ গুরুত্ব ছিল।
মিসিং ভাষার লেখাপত্র প্রকাশের প্রতিষ্ঠানের অভাব। মিসিং সাহিত্য মূলত মৌখিক আর লিপিও কোনও নির্দিষ্ট রূপ পায়নি। মিসিং জনজাতির অধিকাংশ শিক্ষিত মানুষ অসমিয়া ভাষা ব্যবহার করতেন কারণ সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যম ওটিই। জীবন নরহের উদ্যোগেই মিসিং কথন সাহিত্য সারা ভারতে পোঁছেছিল।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved