

তারাশঙ্করের যেমন বীরভূম, রামকুমারের তেমনই বাঁকুড়া। রাঢ় বাংলার প্রকৃতি, মানুষ, সমাজ ও অর্থনৈতিক অবস্থাকে তিনি হাতের তালুর মতো চেনেন। এই গভীর পরিচয়ের সঙ্গে মিশেছে তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ও আখ্যান রচনার আধুনিক কৃৎকৌশল। তাই তাঁর প্রতিটি উপন্যাসই একটি নতুন অভিজ্ঞতা।
রবীন্দ্রনাথ সমাজনির্মিত লিঙ্গের খাঁচাটিকে ভাঙতে ভাঙতে চলেন। প্রশ্ন করেন প্রণয়ের পরিসরে নারী-পুরুষ বাইনারির কেন্দ্রিকতাকে, ‘পুরুষালি’, ‘মেয়েলি’ এই একমাত্রিক সংজ্ঞাগুলির একাধিপত্যকে, তাঁর রচনাপথে জেন্ডার-এর পাঠ নিয়ে আসে নানা সন্ধানের বাতাস। প্রাইড মান্থ উপলক্ষে বিশেষ নিবন্ধ।
মনখারাপ থাকলে তরুণের টলি-রূপকথায় আমি ফিরে ফিরে যাই। মনের মেঘ সরে। টলিউড নিয়ে তরুণ মজুমদারের মতো হিমসাগর-মিষ্টি লেখা কেউ লিখতে পারেননি।
১৯৮৫ সালের ৯ জুন ‘পরমা’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল। একটি আদ্যন্ত বাঙালি উচ্চবর্ণ, উচ্চবিত্ত পরিবারের বিবাহিত নারীর কাহিনি। কিন্তু নারীর অস্তিত্ব, নারী-জীবনের বাস্তবতা ও পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রে বাস করা নারীকে যে হেনস্থা-হিংসার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, কেবলমাত্র সিকিভাগ স্বাধীনতার জন্য, সেই ক্যানভাস আজকের ভারতে এতটুকু পুরনো হয়নি।
মানবসম্পদ নিয়ে কাজ করা একটি নামজাদা অসরকারি সংস্থার সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে কিছু বিস্ময়কর তথ্য। সংস্থাটির নাম ‘ডিল’। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাপ্য ছুটি ব্যবহারের নিরিখে এশীয়-প্যাসিফিক দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে ভারত। বছরে যতগুলো সবেতন ছুটি পাওয়া যায়, তার পুরোপুরি ব্যবহার করেন মাত্র ১৭.২ শতাংশ ভারতীয় কর্মী।
স্বর্ণকুমারী দেবী ‘ভারতী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ‘ভারতী’র প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক ছিলেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর পরেই স্বর্ণকুমারী এই পত্রিকা সম্পাদনার দায়িত্ব সামলেছেন বেশ কিছুদিন। ২০০২ সালে আমি দে’জ পাবলিশিং থেকে নতুন করে প্রকাশ করেছিলাম স্বর্ণকুমারী দেবীর ‘কাহাকে’ উপন্যাসটি।
আমির খানের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ওঁর বাড়িতেই ছিলাম কয়েকদিন। পাঁচগনির সেই বাড়িতে একটি বিলাসবহুল টয়লেট আমার থাকার ঘরের লাগোয়া ছিল। সেখানে স্নানঘরের যাবতীয় কিছুর সঙ্গে, কমোডের ডাইনে-বাঁয়ে দেওয়ালের গায়ে পছন্দমতো ছোট্ট লাইব্রেরিও ছিল। ছিল বসে বই পড়া এবং নোট লেখার ব্যবস্থা।
বাস্তবের মাটিতে আজ যেখানে মিসাইলের ছোঁয়ায় নিহত অসংখ্য নিষ্পাপ শিশুর কবর খুঁড়তে হচ্ছে, হয়তো সেখানেই বসে একদিন কোনও এক মেয়ে বুঝতে চেষ্টা করবে– ‘হিজাব’ কেন তার জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠল? মার্জি-মাফিক না হোক, মর্জিমাফিক তো হওয়া উচিত! প্রয়াত শিল্পী মার্জান সাত্রাপি স্মরণে বিশেষ নিবন্ধ।
‘পার্সেপলিস’-এর গল্প বলা হয়েছে সাদা-কালোর বাইনারি ব্যবহার করে। এই সাদা-কালো মাধ্যম, প্রাথমিকভাবে বিষয়টি সহজভাবে পরিবেশন করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হলেও, আসলে এই সাদা এবং কালো রঙের বৈপরীত্য ইঙ্গিত করে স্মৃতি-বিস্তৃতি, শাসক-শাসিত, দমন-স্বাধীনতা, বাইরের এবং অন্তরের বিপ্লব এই সমস্ত কিছুর তাৎপর্যের দিকে।
‘I want justice, love, and the wrath of God all in one.’ ভয়ংকর এই যাচনা! গ্রিক চিন্তক ও লেখকরাও ভাবতে পারেননি। ভাবতে পেরেছিলেন, ফারসি, ফরাসি, ইংরেজি, সুইডিশ, জার্মান, ইটালিয়ান জানা এই ইরানি তরুণী, যার বালিকাবেলা কেটেছিল এক ধর্মবিঘ্নিত নারীবিদ্বেষী সামাজিক পরিবেশে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved