

আজ পরিণত বয়সে পৌঁছে, আমার বাড়ির দলিল ঠিক কোথায় রাখা আছে আমার খেয়ালও থাকে না, কিন্তু একটি-একটি করে পাওয়া কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর ১৪১টি চিঠির একটি সম্ভার ধীরে ধীরে আমার সর্বস্ব সম্পত্তি হয়ে উঠেছে– গত প্রায় চার দশক ধরে তার প্ৰতিটি শব্দে, যতিচিহ্নে, আঁকিবুঁকিতে, অক্ষরে, সাক্ষরে!
বিশ্রী শত্রুতার বলয়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে শান্তির বার্তা উচ্চারণ করতে কলজে লাগে। ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ বটে। কিন্তু বিশ্বের, সব দেশের মধ্যে সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা দিয়ে তারা হৃদয় জিতে নিয়েছে।
স্বপনদা (স্বপন মজুমদার) আমাকে বলেছিলেন নবনীতাদির প্রথম উপন্যাসটি পুনর্মুদ্রণ করার কথা। ১৯৮৬-র বইমেলার সময় আমি সেই উপন্যাস– ‘আমি, অনুপম’ নতুন করে প্রকাশ করেছিলাম। ‘আমি, অনুপম’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে, ইমার্জেন্সির সময়।
মহাশ্বেতা দেবীর জন্মশতবর্ষ। অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক শুভরঞ্জন দাশগুপ্ত মহাশ্বেতার সঙ্গে কথা বলেছেন কয়েকবার। তাঁর সঙ্গে মহাশ্বেতার শেষ কথোপকথনটির বিষয় ছিল সাহিত্য ও লেখকের রাজনৈতিক-সামাজিক অঙ্গীকার। অপ্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারটির মাধ্যমেই জন্মশতবর্ষে রোববার.ইন-এর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।
এক নারী যে একটি বটগাছের মতো পুরুষসঙ্গী চাইছে জীবনে, সেই নারীকে দেখতে যদি হয় পুরুষসুলভ? সেই নারীসত্তা যদি লুকিয়ে থাকে কোনও পুরুষদেহে– তবে কি তার এই চাহিদা, এই ইচ্ছে, এই নিরাপত্তা ও প্রেমের প্রত্যাশাকে দেখা হবে ‘পাপ’ হিসেবে? তাকে বিতাড়িত করা হবে ‘ছায়াসুনিবিড়, শান্তির নীড়’ প্রেম-উদ্যান থেকে?
দেশে-বিদেশে গুরু কেলুচরণ মহাপাত্রের ওড়িশি নৃত্যের সমস্ত রকম প্রকরণ বিধৃত হত সুজাতা মহাপাত্রের নৃত্যের মাধ্যমে। ওড়িশি নৃত্যের এমন কোনও প্রকোষ্ঠ ছিল না, যেখানে সুজাতা মহাপাত্র একটি অত্যুজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রতিভাত হননি।
ফিফা আয়োজিত কোনও বড় টুর্নামেন্টে এই প্রথম ছ’জন মহিলা রেফারি। পুরুষদের ফুটবল ম্যাচ পরিচালনার জন্য যে মহিলারা নির্বাচিত হয়েছেন– তাঁদের রীতিমতো চূড়ান্ত কঠিন এই শারীরিক পারদর্শিতার প্রমাণ দিতে হয়েছে। তারপরে মিলেছে মাঠ শাসন করার ছাড়পত্র। সেখানে কোনও লেডিস কম্পার্টমেন্ট নেই। যাত্রাপথে ছাড় নেই একটুও।
ছবির নাম ‘ক্লাউন’। গোপেশের ছবির প্রতিটি রেখায় কুটিলতার যে বিস্তৃত বিন্যাস, তা প্রতিটি মুখচ্ছবিকে করে তোলে প্রতিকৃতি। তাদের চোখের ক্রূরতা, মুখের রেখার অনমনীয় নিষ্ঠুরতা তাদের শরীরী ভাষাকে স্পষ্ট করে তোলে। এভাবেই ঘুরে বেড়ায় এই মানুষেরা, নিজের চেহারা লুকিয়ে, নিজের খলস্বভাব মেকি হাসির আড়ালে লুকিয়ে।
এমন সে আকাশভাঙা বিরতিবিহীন বৃষ্টি যে, সেই ঘনঘোরের মধ্যে বসে তখন মনে হয়, হে প্রভু! জীবনের এই ঝড়, এই বৃষ্টিপাত আর বুঝি কখনও থামবে না!
‘ওয়া কালচার’ থেকে জাপানের ফুটবল মহার্ঘ কী পেয়েছে? স্যামুরাই স্পিরিট। খেলা শেষে, সমর্থকেরা স্টেডিয়াম সাফ করে দেয়। খেলোয়াড়েরা ড্রেসিংরুম। তাই কেউ যখন বলে, জাপানের ফুটবল একটা ফ্লুক, তখন হাসিই পায়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved