কেটারিংয়ের ভোজ কলকাতার খুব হাতেগোনা বর্হিষ্ণু পরিবারে আগে থেকে চালু থাকলেও যতদূর মনে হয়, '৭৫-এর জরুরি অবস্থার সময়ে গৃহস্থ যখন অনুষ্ঠানবাড়ির নিমন্ত্রিতের সংখ্যা কমাতে বাধ্য হলেন, তখন থেকেই সম্ভবত মধ্যবিত্ত পরিসরেও এই ঘরোয়া পরিষেবাটির আউটসোর্সিং শুরু হয়।
নোবেল শান্তি পুরস্কার কি হোয়্যাটঅ্যাপের চুটকি? চাইলেই ফরোয়ার্ড করে দেওয়া যায়? একবাটি মুড়িঘণ্ট? এ-বাড়ি ও-বাড়ি চালান করা সম্ভব? রথের মেলায় নাছোড়বান্দা বায়না করে পাওয়া টিয়াপাখি? কলুটোলা যুবকবৃন্দের বার্ষিক প্রতিযোগিতার ট্রফি? অথবা কোনও ট্রেন্ডিং বাংলা সিরিয়াল?
শর্বরী রায়চোধুরীর বলেছিলেন, ‘কেউ কেউ আমার কিছু কাজ দেখে বলেছেন যে, ওই কাজ চোখের সামনে রেখে ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক বাজতে থাকলে একটা সিংক্রোনাইজেশন হয়।’
খাতা দেখে গান গাওয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড বিরোধিতা ছিল অর্ঘ্য সেনের। রবীন্দ্রসংগীত দেবব্রত বিশ্বাসের কাছে শিখলেও রেকর্ড জগতে ট্রেনিং নেন শুভ গুহঠাকুরতা, সন্তোষ সেনগুপ্ত, শৈলেন মুখোপাধ্যায় ও সুচিত্রা মিত্রের তত্ত্বাবধানে। তাঁর মঞ্চাভিনয়ের পরিচালকরা ছিলেন শম্ভু মিত্র ও ঋত্বিক ঘটক।
এই উপন্যাসের শেষে কিন্তু নেই কোনও মৃত্যু ও বিদায়। কেননা কোনও জীবন কখনও শেষ হয় না। অ্যানি এরনো বিশ্বাস করেন, প্রতিটি জীবনের অন্তহীনতায়। আর বিশ্বাস করেন, জীবনের পরম প্রাপ্তি ‘eroticism’: যৌন উদ্দীপনা এবং রাগমোচনের সেই বহু ঈপ্সিত শীর্ষ সেকেন্ড!
এত সব কাব্যগাথা, এত সব মনের কথা, এত সুন্দর জীবন বেঁচে থাকার পরে উচিত হবে, চমৎকার বন্ধুর মতো মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা।
সম্পন্ন বনেদি পরিবারের তরফে নেমন্তন্ন করার সময় প্রায়শই আমন্ত্রণপত্রটি দেওয়া হত একটা পিতল বা কাঁসার থালায় ওপর রেখে। সঙ্গী হত পাশে শায়িত পান-সুপুরি। এই থালার পোশাকি নাম ছিল ‘আমন্ত্রণী থালা’।
তখন ‘ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা’ ত্রিপুরা-তে থিয়েটার-ইন-এডুকেশন নিয়ে পড়াশুনা করছি। সেই সময় রতন থিয়ামের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়েছিল। একদিন ক্লাসে পেন আনতে ভুলে গিয়েছিলাম। আমার অস্থিরতা লক্ষ করে তিনি বলেছিলেন, ‘পেহলে খুদকো ঢুন্ডো’। একটা ছোট্ট কথা, কিন্তু কী গভীর ব্যঞ্জনাপূর্ণ উক্তি!
বিবাহ অভিযান হবে। আর ‘বিয়ের গাড়ি’ থাকবে না, তা হয় নাকি! বর হোক কনে, দু’বাড়িতে বিয়ের জৌলুস বাড়িয়ে দেয় ফুলে সাজানো ধবধবে একখান গাড়ি। সবাই তাকে একডাকে চেনে– ‘বিয়ের গাড়ি’। আজ শুভক্ষণে সেই চার-চাকার সুখ-দুঃখের দু’চার কথা।
৭৩-এ পা দিলেন অঞ্জন দত্ত। তাঁর জীবন– কবিতা-গল্প-উপন্যাস নয়, সার্কাস। সার্কাস যে, তিনি লিখেছেন নিজেই, তাঁর সদ্য প্রকাশিত ‘অঞ্জন নিয়ে’ বইতে। কলকাতা আর দার্জিলিং বুকের মধ্যে নিয়ে ঘুরে বেড়ান তিনি আজও। মনে করেন, এই দুটো শহরই জৌলুস হারিয়েছে, কিন্তু এখনও ফুরিয়ে যায়নি একেবারে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved