Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

নদীর সঙ্গে যুদ্ধ করে

গত তিন শতক ধরে বদলেছে বন্যার চরিত্র। উনিশ শতকের বন্যা ছিল প্রাকৃতিক, নদী প্লাবিত হয়ে। বিশ শতক থেকে মানুষের নদী-নিয়ন্ত্রণ শুরু। একুশে নগরায়ন। ফলে বন্যার চরিত্র এখন আরও জটিল। ভারী বৃষ্টিপাতজনিত নগর-বন্যা ক্রমশই ক্ষতিবৃদ্ধিকারী, কর্মনাশা হয়ে উঠছে। এর সমাধান কী?

→

বাদলের থিয়েটারে ধর্মের অ্যাবসার্ডিটি

বাদল সরকারের নাট্যদর্শনে আদি পাপের ধারণাটি কেবল সমাজ বা রাষ্ট্রের বৃহত্তর ক্যানভাসে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা প্রবেশ করেছে ব্যক্তিমানুষের মনস্তত্ত্বের গভীরতম স্তরে। বাদল সরকারের ঈশ্বরবিহীন পৃথিবীতে ‘কনফেশন বক্স’ হল– খোদ থিয়েটারের অঙ্গন, আর তার ফাদার হল– চরিত্রের দংশিত বিবেক।

→

ক্ষমতার কাছে, নয়তো কবিতার কাছে

নিজামুদ্দিন তাঁর দরগাহ খুলে দিয়েছিলেন। তবু আমির খুসরু অপেক্ষা করেছিলেন আট বছর। রক্তক্ষয়, যুদ্ধ, ক্ষমতা কি মূক করে দিয়েছিল তাঁকে? আজ সুদূর সিরিয়া থেকে আসা সালমান দারবিশের প্রিয় বাদ্যযন্ত্র যখন বোমার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত, তখন তার মুখের উপর আমির খুসরুর ছায়া পড়ে। ক্ষমতার ছায়া কি কবিতা মুছে দিতে পারে?

→

কৃপাময়ীর মুখে ব্রতকথার গল্প

কৃপাময়ী কর্মকার পটচিত্র আঁকেন। সাঁঝ পুজনীর ব্রতের আলপনা দেন, গড়েন যমপুকুর ব্রতের পুতুল। ব্রতের আলপনা, ছড়া বা মাটির পুতুলের আড়ালে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে এক বৃহত্তর সত্য, ধরা পড়ে বাংলার মেয়েদের আনন্দ, বেদনা, আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামের ইতিহাস।

→

পাঠকদের উন্মাদ দাবি: চাই কথোপকথনের নতুন খণ্ড!

পূর্ণেন্দু পত্রীর 'কথোপকথন' ওপার-বাংলাতেও বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। বাংলাদেশে কেউ-কেউ তো সে-বই ইচ্ছেমতো ছেপে বেরও করেছিলেন। তবে বাংলাদেশের যুবসমাজে এই বইয়ের প্রবল জনপ্রিয়তা কবিকেও অভিভূত করেছিল। চতুর্থ খণ্ডের উৎসর্গের পাতায় পূর্ণেন্দু পত্রী লিখেছিলেন, ‘বাংলাদেশের সেইসব তরুণ তরুণীদের হাতে/ কথোপকথন নিয়ে যারা উন্মাদ।’

→

নন্দলালের ছাত্র বাছাই

কলাভবনের ছাত্র নির্বাচনের ভার এসে পড়েছিল নন্দলালের ওপর। রামকিঙ্কর বেইজকে ছাত্র হিসেবে নির্বাচন বা চিত্তপ্রসাদকে মনোনীত না করা– যাবতীয় সিদ্ধান্তই নিতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু কীভাবে ছাত্রদের নির্বাচন করতেন তিনি? কী ছিল তাঁর নির্বাচনের মাপকাঠি?

→

ওয়ানস আপন এ ক্রাইম…

শিশুসাহিত্য হিংসাকে অনেক সময় নৈতিকতা দেয়, ন্যায্য বলে প্রতিষ্ঠা করে– সব মিলিয়ে এক ধরনের বৈধতা দান করে। তখন সেই আচরণ বা মনোভাবকে আমরা ‘হিংসা’ বলে চিনতেই পারি না।

→

নদী, তুমি কি নারী?

আমি সেই জ্যোৎস্নার প্রান্তদেশে দাঁড়িয়ে সেই অন্ধকার জলস্রোতকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘তুমি কে? জ্যোৎস্নাজলে মর্মরধ্বনি উঠল, ‘আমার কোনও নাম নেই। তাই তোমার প্রশ্নেরও কোনও উত্তর নেই।’ আমি ভাবতে লাগলাম। অন্ধকারে কে বলে উঠল কথাগুলো?

→

কবিতা মার্কেসের আখ্যানের পিলসুজ

গার্সিয়া মার্কেসের ক্ষেত্রে আখ্যানের নির্মাতা শুধু চারপাশ বা আখ্যানকার নন। তাঁর নিজের কথায়, কবিরাই তাঁকে দিয়ে লিখিয়েছেন। যেমন হোমার তেমন পাবলো নেরুদা। কবিতাই তাঁর চালিকাশক্তি। তাঁর নোবেল পুরস্কারের ব্যাঙ্কোয়েট ভাষণের নাম তাই ‘কবিতার জন্য উল্লাস’।

→

করুণা ও বিদ্বেষের ধারাবিবরণী

লেখার জন্য যে ‘রিপোর্টাজ’ স্টাইল রেণুর সহজাত ছিলই, সেটাই উপন্যাসের ছাঁচে ঢেলে, তিনি খুলে-মেলে দেখিয়ে দিতে চাইলেন আঞ্চলিক মানুষ কীভাবে বাঁচে প্রতিদিন, দারিদ্র-শোষণ-সংস্কারের মধ্যেই, করুণা আর বিদ্বেষ মিলিয়ে নিয়ে।

→