প্রেমের সপ্তাহ চলছে। প্রেম থাকলে, বিরহ তো থাকবেই। বহুকালের বহুমাত্রার বিরহ ছুঁয়ে যায় আমাদের জীবৎকাল। স্মৃতি-সত্তা-ভবিষ্যৎ জুড়ে মিশে যায় সেই মনখারাপের অপূর্ব রেণু।
চোখের জলের, রক্তের, অহৈতুকী ভালোবাসার, শুধু মানুষকে রক্ষা করার জন্য আপ্রাণ ভালোবাসার, কত কাহিনি দেশের সমাজ-ইতিহাসের ভাঁজে ভাঁজে রাখা আছে, কে সেইসব কথা বলবে? কোন স্মৃতিতে ঘর খুঁজে পাবে সেই কথাগুলো?
এ পৃথিবী ভালোবাসিতে জানে না। রাষ্ট্র কেবল বিছিন্নতাই চায়। মানুষে মানুষে, মানুষে পশুতে, সর্বতোভাবেই। হয়তো তাই গ্রামীণফোনকে আলাদা করে পশুপ্রেম প্রচার করতে হয়। যেমন করে প্রচার করার প্রয়োজন পড়ে সমলিঙ্গের মানুষ অথবা প্রান্তিক লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষদের প্রেম, সামাজিক স্বীকৃতির আশায়।
আজ থেকে ৮০০ বছর আগে একটা জনগোষ্ঠী পরিব্রজন করেছিলেন তাঁদের অসাধারণ সামুদ্রিক দক্ষতা ও জ্ঞান নিয়ে। তারপর তাঁরা শুধু মন দিয়ে সেই পেশাতেই নিযুক্ত থেকেছেন। আজ হঠাৎ সেই পেশা ছেড়ে তাঁরা কোথায় যাবেন? কী করবেন আগামী দিনে? তাঁরা কি এত বছরের প্রকৃতিলব্ধ জ্ঞান, ভাষা, সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলবেন?
দুই সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর রাজনীতির অবস্থান থেকে প্রেম? বা বিবদমান দু’টি দেশের মধ্যে? আমরা কি যুদ্ধরত পাকিস্তান আর ভারতের প্রেমগাথা লিখি? ভাবি? ভাবি না তো, অনেক প্রাচীন কোন গাথার, লায়লা মজনু বা হীর রঞ্ঝাকে আবার নতুন করে রচনা করতে।
ক্রিকেটার স্মৃতির কাহিনি হওয়া উচিত এক ডাকসাইটে ক্রীড়া সংগ্রামী হিসাবে। কিন্তু জনতা মেতে উঠল তাঁর ব্যক্তি জীবনের বেদনায় প্রলেপ দিতে। একজন আদর্শ অ্যাথলিট ফ্যান-সাপোর্ট চায় মাঠে। মাঠের বাইরে তাঁর প্রস্তুতিপর্ব। সেখানে একমাত্র প্রশিক্ষকের সাহচর্যে সনিষ্ঠ সাধনায় মগ্ন হওয়া। এই সাধনার নির্যাসই তো খেলোয়াড় নিবেদন করে দর্শককে।
১৯১২-র পয়লা নভেম্বর ইয়েটস-এর ভূমিকা-সহ রবীন্দ্রনাথের নিজের করা ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হচ্ছে ‘দ্য ইন্ডিয়া সোসাইটি’ থেকে। আর এই নভেম্বরেই বাংলাদেশের ঢাকা শহরে প্রায় নীরবে ঘটছে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এই শহরের এক ২২ বছরের বাঙালি তরুণী তাঁর জাপানি স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির দেশ দেখবেন বলে রওনা দিচ্ছে জাহাজে। তরুণীর নাম হরিপ্রভা।
গোটা গোটা করে পরিষ্কার হাতের লেখায় ছ’টি শব্দ লেখে সাদা পাতায়। বাংলায়। পরের লাইনে ইংরেজিতে। ফের ছ’টি শব্দ। কারণ সে বিপদে ফেলতে চায় না বিম্বিসারকে,... যশোময়কে,... তার পরিচিত কাউকে।
প্রেমের প্রকাশ-ভঙ্গিমায় যেখানে অভিনবত্ব যত বেশি, যার রকম যত নতুন এবং অচেনা, তার প্রেমের কথা শোনা যাবে তত সজোরে। চাই কী, প্রেমের বয়ানখানি শেয়ারিত হতে হতে ভাইরালও হয়ে যেতে পারে! ট্রেন্ড না-মানার ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে না-চাইতেই নতুন একখানি ট্রেন্ডও কতবার এইভাবেই শুরু হয়ে গেছে!
সমাজে উলকি মানে পরিচয়ের চিহ্ন। আফ্রিকার উপজাতি সমাজে, পলিনেশিয়ান দ্বীপপুঞ্জে কিংবা উত্তর ইউরোপের যোদ্ধাদের শরীরে ট্যাটু ছিল বংশ, বীরত্ব কিংবা দেবতার সঙ্গে সম্পর্কের সাক্ষ্য। জাপানের ইরেজুমি কখনও ছিল সাহসের অলংকার, আবার কখনও অপরাধীর গায়ে আঁকা সমাজবিরোধীর দাগ। ভারতীয় উপমহাদেশেও গ্রামীণ সমাজে নারীরা শরীরে ধারণ করেছে দেবদেবীর নাম, সৌন্দর্যের পাশাপাশি বিশ্বাসের আশ্রয়ে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved