

বাংলা সাহিত্যে কে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক– তাই নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ আছে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকারেরা প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিকের শিরোপাটি অর্পণ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের অগ্রজা সুসাহিত্যিকা স্বর্ণকুমারী দেবীকে, কিন্তু কুসুমকুমারী দেবীর ‘স্নেহলতা’ কি তার আগেই প্রকাশিত নয়?
আর্টসি ক্যাফে কফি অ্যান্ড কালচারে চলছে দেবদত্ত গুপ্তর প্রদর্শনী ‘আই লার্নড দ্য রিভার বিফোর আই স ইট’। বাংলার নদীকেন্দ্রিক সংস্কৃতির আবেগ তাঁর ছবির মধ্যে লক্ষ করা যায়। সেখানে কোথাও পাঁচপীরের গল্প, কোথাও মনসামঙ্গলের ছায়া।
সবটা যেন কেমন গুলিয়ে গেল। না হলে প্রমিতের ফলার খাওয়ার ইচ্ছেটা তো ছিলই। প্রমিত চোয়াল শক্ত করে। চলে যেতে উদ্যত হয়। পরমেশবাবু কিছুটা বাধা দিতে গিয়েও দেয় না। প্রমিত কি কিছুটা অপমানিত হল? বিয়াস ওর দিকে একটু তাকালও না বলে? পরমেশবাবু কিছুটা যেন অস্বস্তিতে।
ইউরোপ বনাম লাতিন আমেরিকার ঘরানার লড়াইয়ে কে জিতবে, তা নির্ধারণ হবে কিছুদিন বাদেই। একথা সত্যি যে, লাতিন আমেরিকার ফুটবলে শিল্প এবং লড়াইয়ের সংমিশ্রণ, সেই ছবিটা বহু বছর ধরেই ধীরে ধীরে বদলে গিয়েছে অনেকটাই। অন্যদিকে, ইউরোপের দেশগুলোর উপনিবেশের ইতিহাস, অর্থনৈতিক শক্তি এবং অভিবাসন নীতির ইতিবাচক ফলে পুষ্ট হয়েছে তাদের বদলে চলা ফুটবল-সংস্কৃতি।
পাউন্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মুসোলিনির হয়ে ইতালির রেডিও থেকে মার্কিন-বিরোধী ধারাবাহিক বক্তৃতা দেন। যুদ্ধশেষে মার্কিন সেনা তাঁকে গ্রেফতার করে। তাঁকে জনসমক্ষে প্রায় প্রদর্শিত করা হয়। তারপর যুদ্ধবন্দি মানসিক রোগী হিসেবে সেন্ট এলিজাবেথে রাখা হয় ১২ বছর। এই বন্দিদশা থেকে তাঁকে মুক্ত করেছিল রবার্ট ফ্রস্টের কবি-ঈর্ষা।
কর্পোরেট আসলে ‘পরিবার’ হতে চায় না, চায় শুধু এই শব্দের আবেগটা খাবলে ধরতে। না-হলে চাকরির শুরুতেই কেন দুটো স্বাভাবিক ও জরুরি প্রশ্নকে দুরমুশ করে দেবে? তৎক্ষণাৎ শাস্তি দেবে চাকরি বাতিল করে? কর্পোরেট মনে মনে বিড়বিড়াচ্ছে– এক কর্মীকে প্রত্যাখান করে সে মহা ক্ষমতাবান।
ভালোবাসা মানে, পরিণতিকাঙ্ক্ষাহীন অনুরাগ; ওই অর্থেই মানুষ প্রথম শব্দটি ব্যবহার করেছিল। তারপর অগণ্য বাজে লোকের বাজে কথায় ওই শব্দ শতদীর্ণ হয়েছে! কিন্তু শতদীর্ণ হয়েছে বলেই তো তার মেরামত প্রয়োজন। ‘ভালোবাসা’ বলতে আদিতে যা বোঝাত, আজও ‘ভালোবাসা’ এলে মানুষ ঠিক প্রথমেই যা অনুভব করে, সেই অনুভবার্থের কাছে ভুলভাবে বহুল-ব্যবহৃত শব্দটিকে ফিরিয়ে না দিলে কী নিয়ে মানুষ বাঁচবে?
শোনা যায়, পূর্ব দিক থেকে কলাভবনের অবস্থানগত পরিবর্তন ক্রমশ পশ্চিমদিকে সরে আসায় নন্দলাল একটু রসিকতা করেছেন। ঘনিষ্ঠ বৃত্তে গল্পচ্ছলে তিনি বলেছেন, কলাভবনের গতি দেখছি ক্রমে পুব থেকে পশ্চিমে চলেছে। অর্থাৎ শিল্পের অভিমুখ যেন প্রাচ্য থেকে ধীরে ধীরে পাশ্চাত্যের দিকেই এগিয়ে চলেছে।
ভিড় বাস চলেছে। দ্রুত। ভিড় পিছন দিকে এগিয়ে গিয়েছে। পিছন দিকে এগতে এগতে কেউ ভাবছে– পিছনটাই সামনে! এই ভাবনা ততক্ষণই সত্য, যতক্ষণ না গন্তব্য আসছে। গন্তব্য একটা মুহূর্ত, সময়ের বিন্দু।
রেনেসাঁর সার্থক উত্তরসূরি বলেই হয়তো এক মাধ্যমে বেশিদিন আটকে থাকা না-পসন্দ ছিল হকনির। সেকালের দা ভিঞ্চির রীতি মেনেই শিল্প মাধ্যমের ব্যবহারে তুমুল হইহল্লা বাধিয়ে দিলেন হকনি। মানুষের চোখ যা দেখে, স্মৃতি সেই দৃশ্যেরই সম্পাদক। ছবি আঁকার মধ্যে সেই স্মৃতির সঞ্চয় একে একে সেলাই করে এক সুবিশাল দৃশ্যের অবতারণা করতে চাইলেন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved