

সতীদির কাছে আমরা কিটস পড়িনি। পড়েছিলাম ওয়াল্টার স্কট-এর বিখ্যাত উপন্যাস ‘Heart of Midlothian’। এই উপন্যাসটি আমার খুবই প্রিয় এবং পরে এক সময়ে আমি নিজেও অধ্যাপক হিসাবে এটি পড়িয়েছি। সেমেস্টার-পূর্ব সেই অধ্যয়নের যুগে বেশ ক’টি ক্লাস জুড়ে বেশ রসিয়ে রসিয়ে উপন্যাসটি পড়া হয়েছিল, একথা মনে আছে।
সারা জীবনে পরলাম আটপৌরে ধনেখালি, টেকসই, কম দাম। তখন, সেই ১৯৬০-’৭০-এর সময়ে শাড়ির ভেতর-আঁচলে তাঁতিদের নাম লেখা থাকত– বট, কৃষ্ণ, নব ইত্যাদি। আমি তো পরতাম শাদা জমি অথবা off white। তার অনেক shade: গঙ্গাজলি, চন্দন, কোরা এইসব। প্লেন জমি অথবা খড়কে ডুরি (pinstripe)। সদ্যই প্রয়াত হয়েছেন বিদুষী সতী চট্টোপাধ্যায়। শাড়ি নিয়ে তাঁর একটি অপ্রকাশিত লেখা রইল পাঠকদের জন্য।
১৯৫৮। আমার জীবনে ওপি এল, তোলপাড়! অসামান্য সুন্দরী নায়িকা মধুবালার ঠোঁটে আমি গাইলাম ওপির সুরে ‘আইয়ে মেহেরবান’। রাতারাতি ভারত জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আমার কণ্ঠের রতিস্নান। আমি বুঝলাম এই গানের সবটুকু, সব মায়া ও মাদক, আমার কণ্ঠের জন্য রচনা করেছে ওপি।
এই সংকটের সমাধান শুধু সরকারি হস্তক্ষেপ বা ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিলে মিলবে না; প্রয়োজন চাষি ও সরকার– উভয়পক্ষের সদিচ্ছা ও সচেতনতা।
রোববার-এ ফিরলেন জয় গোস্বামী। লেখা নয়, অনন্ত কথাবার্তা পরিসর। যে-কথা ছুঁয়ে থাকবে তাঁর নানা স্মৃতি ও অনুসঙ্গকে। সঙ্গে শৈবাল বসু।
কবিতা পড়া শেষ করে মঞ্চ থেকে নিষ্ক্রান্ত হচ্ছেন যখন শম্ভু মিত্র, সুভাষ মুখোপাধ্যায় স্মিত হেসে দাঁড়িয়েছেন তাঁর সামনে। আবৃত্তি কেমন লাগল জানতে চাইছেন শম্ভু মিত্র। সুভাষ জানালেন: ‘ভালো, তবে আমি পড়লে বোধহয় আর একটু ভালো হত।’
‘শংকর’ পণ্য হিসেবে সার্থক বলেই পণ্যসাহিত্যকেন্দ্রিক তর্কটা তাঁকে ঘিরে রেখেছিল আগাগোড়া। মনোবিকলন বলবে, এর কারণ– প্রাতিষ্ঠানিক জনপ্রিয়তাকে ঈর্ষা, ফলত অস্বীকার। সম্প্রতি পণ্যপসরা নামিয়ে রাখলেন শংকর, এবং এই অস্বীকারই চিরস্বীকৃতি হয়ে রইল তাঁর।
অক্ষয় তৃতীয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যক্ষাধিপতি কুবেরের নাম। স্বর্গের সম্পদনিধির দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিনটিতে। কুবের সম্ভবত প্রাক-বৈদিক দেবতা। বৈদিক যুগে তিনি প্রথম সারির দেবতাদের মতোই প্রভাবশালী ছিলেন। অনেকেই ‘কুবের’ শব্দটিকে অস্ট্রিক গোষ্ঠীর শব্দ মনে করেছেন।
প্রতিটি উনিশে এপ্রিল আমাদের ঋতুপর্ণ ঘোষ এবং তাঁর সিনেমাশিল্পকে মনে করিয়ে দিয়ে যায়। আমরা সেই স্মৃতিতে অনেক প্রহর থেকে যেতে চাই। তাঁর শিল্পের প্রভাব বাঙালি জীবনে নেভার নয়। ঋতুপর্ণ এরপরেও বহু ছবি করেছেন, কিন্তু তাঁর অননুকরণীয় কথাবিশ্ব তৈরি হয়েছিল ‘১৯শে এপ্রিল’ থেকে, এমন বললে অত্যুক্তি হয় না।
কলাভবন তো আর হঠাৎ করে গড়ে ওঠেনি, ধীর গতিতে এক-পা এক-পা করে এগিয়েছে। আমরা জানি, রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত ‘বিশ্বভারতী’র অন্যতম প্রধান অঙ্গের নাম ‘কলাভবন’। তার পুরো চেহারা গড়ে উঠেছে ধীরে ধীরে। ভেবে দেখলে, তার সূচনা কি ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অন্তরে নিহিত ছিল না?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved