এই রকম প্রেমপত্র কতদিন পড়েননি বলুন তো? জীবনে একবারও কি পেয়েছেন এমন চিঠি? এমন প্রেমের চিঠি পড়ার থ্রিল ও পরম-লগ্ন কি এসেছে জীবনে?
হারিয়ে গিয়েছে প্রেমের পাহারাদাররা। একটা ভালোবাসা পরিপূর্ণ হতে অনেক মানুষের অবদান থাকে, যাদের পাশে থাকা বৃত্তকে পূর্ণ করে। প্রেমের মতো একটা বৃহৎ বৃত্ত থেকে এখন সেই মানুষগুলো ক্রমশ সরে যাচ্ছে। ছোট হয়ে আসছে বৃত্ত। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রেম এখন একটা কনটেন্ট হয়ে উঠেছে।
মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র, নবকৃষ্ণের কাছে একবার তিন লাখ টাকা ধার করেছিলেন। নবকৃষ্ণ জানালেন, উক্ত টাকা তাঁকে আর শোধ করতে হবে না। বিনিময়ে গোপীনাথ শোভাবাজারেই থাকবেন। বলাবাহুল্য রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ক্রুদ্ধ হয়ে লন্ডনের প্রিভি কাউন্সিলে এ নিয়ে মামলা দায়ের করেন। সে মামলার রায় হল রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকে গোপীনাথ ফেরত দিতে হবে।
মিশরে দেখেছিলাম অন্য মরুভূমির আবহ। ধুলোঝড়। পিরামিডের ধ্বংসাবশেষ। বিশাল ‘স্ফিংস’-এর নিচে দাঁড়িয়ে দেখেছি তার ক্ষয়ে যাওয়ার বিষন্নতা। অসহায় স্ফিংসের চোখ থেকে জল নয়, আলতো করে নিঃশব্দে খসে পড়ছে বালি।
ইরান মার্কিন স্যাংশানে। অথচ তারপরেও সেই স্যাংশনকে টপকে তেল ঠিক বিক্রি করে গেছে তারা। কিশ দ্বীপে খুলে ফেলেছে পেট্রল এবং পেট্রোলিয়াম জাত পণ্যের ডলার-বহির্ভূত বাণিজ্যের জন্য কমোডিটি এক্সচেঞ্জ– ইরানিয়ান অয়েল বোর্স। রাশিয়া এবং চিনের সঙ্গে পেট্রো-ডলার বিরোধী ব্লক তৈরি করেছে।
বাংলা কবিতায় সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের আবির্ভাব চমকপ্রদই ছিল। বুদ্ধদেব এক-এক করে চিনিয়ে দিয়েছিলেন সুভাষের প্রথম কবিতার বইয়ের অভিনবত্বগুলি। তাঁর ধারণায় সুভাষ সম্ভবত প্রথম বাঙালি কবি যিনি প্রেমের কবিতা লিখে কবি-জীবনের সূচনা ঘটাননি। ‘পদাতিক’ বইয়ের প্রথম লাইন হল– ‘কমরেড, আজ নবযুগ আনবে না?’
ঝুলন্ত বারান্দার জানলার আয়তন দেখলেই বোঝা যায়– হাল্লার ঘরগুলোয় আলো কেন এত কম ঢোকে! হাল্লার সব ঘরের লাইট সেট আপ করার সময় এটাই মাথায় রেখেছিলেন সৌম্যেন্দু রায়। এখানেই সৌম্যেন্দু রায়ের অসাধারণত্ব।
মোবাইল ফোন এবং সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার শুধু পড়াশুনা বা খেলাধূলা নয়, শারীরিকভাবেও অসুস্থ করে তুলছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। বিভিন্ন গবেষণা বলছে, একজন মোবাইল আসক্ত কিশোর কিংবা কিশোরীর খিদে কমে যাওয়া এবং ঘুমের সমস্যা হওয়া একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিলায়েত খান আজন্ম সংগীতের ছাত্র হয়েই জীবন কাটিয়েছেন। পুরস্কারের মোহ তাঁর মতো শিল্পীকে আবিষ্ট করেনি কখনওই– ১৯৬৪ এবং ’৬৮-তে যথাক্রমে ‘পদ্মশ্রী’ এবং ‘পদ্মভূষণ’ ফিরিয়ে দিয়েছেন, ২০০০ সালে ‘পদ্মবিভূষণ’-ও গ্রহণ করেননি। ১৯৯৫-তে ‘সংগীত নাটক অকাদেমি’ পুরস্কারও নিতে অস্বীকার করেছেন।
ইডেনে রাহুল-লক্ষ্মণ জুটির সেই সম্মোহক ব্যাটিং-এর ২৫ বছর পূর্ণ। রইল বিশেষ নিবন্ধ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved