১৯৮৩-’৮৪ সাল নাগাদ সম্ভবত মহাশ্বেতাদি পুরুলিয়া যান খেড়িয়া শবরদের হাল-হকিকত জানতে। বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে সেই যে গেলেন, আজীবন সেখানকার আদিবাসী মানুষদের সঙ্গে জুড়ে রইলেন ঘনিষ্ঠভাবে।
একদিকে অবৈধ সম্পর্কের তীব্রতা এবং আনন্দ। অন্যদিকে সেই সম্পর্কের যন্ত্রণা, দহন। সেই সম্পর্কে অপমানের অন্তর-স্রোত এবং অসহনীয় আঘাত। অ্যানি এরনো সেটাই স্পষ্টভাবে বলেছেন।
শিল্পের লেখার সঙ্গে সাধারণ পাঠকের এক দূরত্বময় আলো-আঁধারির খেলা কি উতরোতে পারল এই বই? জানুন, কারণ সামনে বইমেলা। বইয়ের লিস্ট তৈরি করতে শুরু করেছেন তো?
সিনেমা শুধু ভাবা প্র্যাকটিস করতে যে আমাদের উদ্বুদ্ধ করে, তাই নয়, সিনেমা যে নিজেও ভাবে, ভাবতে পারে, ভাবার ক্ষমতা রাখে তাই যেন বারবার জানান দিয়ে যায় বেলা তারের সিনেমা। পৃথিবী যখন শুধুই গতির দাস, চারপাশের সবকিছুই যখন শুধুই হঠকারি হুলুস্থুল, তখন জুলে ভার্নের গল্পের মতো পৃথিবীর গহীন অন্তরে, অস্তিত্বের সুপ্ত গর্ভগৃহে যেন হানা দিত বেলা তারের ছবি।
শতবর্ষে পা দিলেন পরিচালক শক্তি সামন্ত। মিলেনিয়াম-পরবর্তী হিন্দি সিনেমায় থ্রিলারের সম্রাট, শ্রীরাম রাঘবন, শক্তি সামন্ত-র থ্রিলার ও রোমান্সের একান্ত অনুরাগী। ‘মেরি ক্রিসমাস’ ছবিটি শুরুই হচ্ছে শক্তি সামন্তকে উৎসর্গ করে। এহেন দ্রোণাচার্যের জন্ম-শতবর্ষ উপলক্ষে, রোববার.ইন-এর তরফে, একলব্য শ্রীরামের সঙ্গে আড্ডায় বসলেন উদয়ন ঘোষচৌধুরি।
আজকের কৃষিকর্মী অনেক সতর্ক। কখনও প্রচণ্ড, কখনও কোমল। কখনও সে তপস্বী কিংবা বৈজ্ঞানিক। দারুণ তার আবেগ-প্রবণতা আর শৃঙ্খলা। তাই তো সে দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারে, আমার কাজ– ফসল উৎপাদন। সেটাই তার অহংকার।
তিনি বিশ্বাস করতেন আমাদের তথাকথিত উচ্চাঙ্গ সংগীতের মূল নিহিত লোকসংগীতে। গানে, গায়কীতে, পরিবেশনায় এই বিশ্বাসটিকে প্রকাশ করেছেন অসামান্য প্রায়োগিক দক্ষতায়। টিবি তাঁর একটি ফুসফুস চিরতরে অক্ষম করে দিয়েছিল– সেই শারীরিক সীমাবদ্ধতাও তিনি পেরিয়ে গিয়েছিলেন নিজস্ব গায়কি তৈরি করে নিয়ে।
মাথা-বোঝাই ধান নিয়ে বাড়ি চলেছে চাষি। কাজ থেকে ফেরার পথে বানি-গরান-ঝাউয়ের জঙ্গলে, গাছের ছায়ায় মেয়েরা আজকাল জিরিয়ে নিতে পারে একটু। ওরা মনে মনে কুর্নিশ করে সেই মানুষকে, যিনি কবিতা লিখতে লিখতে ছায়াটুকুও আনিয়ে দিয়েছেন নোনা জলের মাটিতে। মেরু দেশের বরফ গলছে। পায়ের নিচে মাটি কতক্ষণ? স্মৃতি শুধু বলে যাবে– চেষ্টা চলেছিল সৃজনের।
একটা পাত্রে অনেকগুলো গোটা গোটা লঙ্কা ছিল। সাহেব সেগুলো কী জিজ্ঞেস করতেই স্বামীজি বললেন, ‘এগুলো ভারতীয় কুল’– বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে রোববার.ইন-এ বিশেষ নিবন্ধ।
মণীন্দ্র গুপ্তের মৃত্যুশোক সহ্য করতে করতে দেবারতি এই বিশ্বাসে চিরকাল স্থির থেকেছেন, তিনি আছেন। কেননা, দেবারতি আছেন বলেই মণীন্দ্র আছেন। সারদা আছেন বলেই রামকৃষ্ণ আছেন। পার্বতী আছেন বলেই শিব আছেন। সবাই অখণ্ড। সবই অখণ্ড। শিব-পার্বতীর যুগলকে মেনে রামকৃষ্ণ-সারদার বিবাহ তাই দেবারতির কাছে কবিতা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved