

রাজনীতি বদলেছে, ভোটবাক্স বদলেছে, প্রচারমাধ্যমে এসেছে বিরাট বদল, কিন্তু ভোট জেতার কৌশল? আশ্চর্য! খুব বেশি বদলায়নি।
শুরুর কলাভবনের অন্দরমহল। শান্তিনিকেতনে ক্লাসের সহজ অনাড়ম্বর অন্দরসজ্জা ছিল আশ্রমজীবনের সঙ্গে বেশ মানানসই। মার্কা দেওয়া আর্ট কলেজের মতো নয়, একেবারে সাদাসাপ্টা। ব্যবস্থাপনাও খানিক আলাদা।
সুমন আজ আমাদের মধ্যে নেই, গত ৩১ মে, রবিবার তাঁর আন্ধেরি, লোখান্ডওয়ালার বাসভবনেই দেহ রেখেছেন। কিন্তু সন্ধ্যার নিস্তব্ধতায়, পুরোনো রেডিওর মৃদু শব্দে, কিংবা কোনও সংগীতপ্রেমীর স্মৃতির অলিন্দে তাঁর কণ্ঠ এখনও ভেসে আসে। সেই কণ্ঠে আছে প্রেমের মাধুর্য, ভক্তির নিবেদন, বেদনার কোমলতা এবং জীবনের সৌন্দর্যের প্রতি এক গভীর আস্থা।
ইন্দিরা দেবী চৌধুরানীর ব্যতিক্রমী জীবনের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে উনিশ ও বিশ শতাব্দীর শিক্ষিত অভিজাত বাঙালির ইতিহাস ও সংস্কৃতি। রবির আলোয় উজ্জ্বল এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক অনন্য নিজস্ব পরিচিতি।
প্রবাল দাশগুপ্ত কেবল একজন ভাষাবিজ্ঞানী বা ভাষাতাত্ত্বিক ছিলেন না, ছিলেন চিন্তক। বিশ্বাস করতেন– ভাষা কেবল ভাব বিনিময়ের মাধ্যম নয়, বরং তা মানুষের মুক্তির পথ; ভাষাগত বৈষম্য দূর করার মাধ্যমে পৃথিবীর মানুষ একে অপরের আরও কাছাকাছি আসতে পারে, আর সেই সেতুবন্ধনের মাধ্যম হিসেবে তিনি এসপেরান্তোকে বেছে নিয়েছিলেন।
গোটা ২০২৫ সাল জুড়েই ‘ব্রিকস প্লাস’ সদস্য দেশগুলির অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ‘ব্রিকস গ্রেন এক্সচেঞ্জ’-এর পরিকাঠামো নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন। ‘ব্রিকস গ্রেন এক্সচেঞ্জ’ কি ভারতীয় কৃষকের জন্য বিশেষ কোনো সুযোগ বয়ে আনবে? না কি তাদের এক নতুন সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করাবে?
গিল-বৈভব-অভিষেক পরবর্তী যুগে যেখানে বদলে গিয়েছে টি-টোয়েন্টির সংজ্ঞা, সেখানেও অদম্য তাগিদে বিরাটের উইলোর উইলে কিছু প্রামাণ্য খোদাই। ছুটে চলছেন প্রতিনিয়ত, বদলে ফেলছেন নিজেকে, সিঙ্গেলকে ডাবল করছেন, ফ্লিক শটে কবজির মোচড়ে বল পৌঁছে দিচ্ছেন গ্যালারির ঠিকানায়।
দুই শিল্পী, যারা শুধু জানে সৃজনের আনন্দ। যে আনন্দের তুল্য কিছু নেই। কিন্তু সেই আনন্দের উৎসার অন্যায় ও পাপ থেকে। এবং তারা মরছেও সেই দু’টি অসুখে, যাকে সমাজ-সংসার বলে পাপের শাস্তি। পঙ্ক থেকেই জন্মাচ্ছে সৃষ্টির পদ্ম।
যা কিছু ঘেঁটেঘুঁটে ঝাপসা করে দেওয়া হয় তা-ই ‘ঘোলাটে’। পুকুরের স্বচ্ছ জল পাঁক করে দিলে তা ঘোলা জল। ওই জলে মাছ ধরা আবার খুবই সন্দেহজনক এবং খারাপ কাজ! মানুষের দৃষ্টি কমে গেলে, আবহাওয়ায় ধোঁয়া বা ধুলে বেড়ে গেলে, এমনকী কারও স্মৃতি দুর্বল হয়ে গেলে সেটাও ঘোলাটে!
বাঙাল বাড়ির ঘোল হবে সাচ্চা টক দইয়ের, যাতে জলের পরিমাণ থাকবে মেপে। সেই ঘোলে পড়বে কাঁচালঙ্কা বাটা বা চটকানো নির্যাস, সঙ্গে থাকবে জিরে ভাজার গুঁড়ো আর ধনেপাতা কুচি। কোথাও কোথাও একটু সরষে বাটার ছোঁয়াও দেওয়া হয় সেই ঘোলে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved