

ভূমিকম্প শুরু হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেল্টারে পৌঁছতে হয় জাপানে। কিন্তু পোষ্য শিরো আর কু-কে ফেলে রেখে একা শেল্টারে যেতে পারেনি মেয়েটি। তাদের নিয়ে সারারাত গাড়িতে কাটিয়েছে। কেন? কারণ পোষ্য হল পরিবার। সত্যিই কি পোষ্য কখনও পরিবার হয়ে উঠতে পারে?
নাসিরুদ্দিন শাহ জীবনকৃতি সম্মান পুরস্কার গ্রহণে অসম্মতি জানিয়েছেন। কেন? উত্তর সহজ, একজন অভিনেতার সফর কখনও ফুরয় না। সেই কাজ আমৃত্যু করে যেতে হয়। এমনই নিয়তি। তাই নাসিরুদ্দিন বিশ্বাস করেন, তাঁর কেরিয়ার এখনও শেষ হয়নি।
অসমের বন্যার কারণ অনুসন্ধান করতে গেলে শেষপর্যন্ত আমাদের ব্রহ্মপুত্রকে বুঝতে হয় শুধু একটি নদী হিসেবে নয়, বরং হিমালয় থেকে বঙ্গীয় বদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি জীবন্ত, পরিবর্তনশীল ভূ-প্রাকৃতিক ব্যবস্থা হিসেবে। নদীকে আটকানোর চেয়ে নদীকে বোঝা, তাকে প্রয়োজনীয় স্থান দেওয়া এবং তার পরিবর্তনশীলতার সঙ্গে মানুষের জীবনকে অভিযোজিত করাই অসমের দীর্ঘমেয়াদি বন্যা মোকাবিলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ।
ফয়েজ-এর এত মরমি, প্রাঞ্জল বাংলায় ভাষান্তর আগে দেখিনি। এর আগে করা কমলেশ সেনের তর্জমাকে অলোকরঞ্জন ‘ক্রান্তিসঞ্চারী’ বলে মনে করেছিলেন। পরবর্তীকালে ভিক্টর কিয়েনার্ন থেকে শুরু করে আগা শহিদ আলি বা বারান ফারুকির– তাকে ছাপিয়ে গিয়েছে নীলাঞ্জনের পরিক্রমণ।
প্রাচীনকালে সর্পচিকিৎসায় জলের ব্যবহার করা হত। একালের বিচারে এর নাম ‘হাইড্রোথেরাপি’। একইভাবে আয়ুর্বেদ অনুসারে মারণব্যাধি মসূরিকা বা বসন্তরোগের চিকিৎসায় জলের মাধ্যমে শীতলীকরণ থেরাপির ব্যবহার করা হত। শীতলাদেবীর নামকরণটি এই শীতলতা থেকেই এসেছে।
আজ কেয়া চক্রবর্তীর জন্মদিন। কেয়া চক্রবর্তী ও শাঁওলী মিত্রের দীর্ঘদিনের নাট্য-আত্মীয়তা। সেই স্মৃতির খানিক ‘কেয়াদির কথা’ নামে লিখে রেখেছিলেন শাঁওলী মিত্র। জন্মদিনে সেই অপ্রকাশিত গদ্যটি প্রকাশ করল রোববার.ইন।
‘জয় নয়, অংশগ্রহণই আসল’: অলিম্পিক্সের মহাবাক্য যাই হোক না কেন, এখন সাফল্য বলতে ভারতীয়রা নিরীহ প্রচেষ্টাকে পাত্তা দেয় না। বোঝে পদক আর প্রতিষ্ঠা। এবারের কমনওয়েলথ তাই পদকের আড়ালে এক নিঃশব্দ আন্দোলন, এক গোপন ক্রীড়া-বিপ্লব।
আমেরিকার যে কৃষি-মডেলের ফাঁসে বিপর্যস্ত সেখানকার কৃষকদের জীবন, সেই কর্পোরেট মডেল ভারতের মতো দেশে ক্ষুদ্র কৃষকদের আদৌ কি আশার আলো দেখাতে পারবে? বরং আমেরিকার নীতি থেকে শিক্ষা না নিয়ে সেই একই কর্পোরেট-নির্ভরতার পথে হাঁটলে তা ভারতীয় কৃষকদের জন্য ডেকে আনতে পারে ঋণের মরণফাঁদ।
যতদিন পৃথিবীতে যুদ্ধ থাকবে, যতদিন বোমার আঘাতে শিশুরা কাঁদবে, ততদিন ‘ফ্লাওয়ার পাওয়ার’ দর্শন আমাদের মনে করিয়ে দেবে, মারণাস্ত্রের চেয়েও মানুষের ভালোবাসা অনেক বেশি স্থায়ী। শক্তির জোরে সাময়িকভাবে জয়ী হওয়া যায়, কিন্তু পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রাখতে গেলে শেষ পর্যন্ত ভালোবাসারই শরণাপন্ন হতে হবে। সেখানেই মানুষের চূড়ান্ত মুক্তি।
ফরসা নয় কালো। ‘দ্য ওডিসি’-তে এভাবেই হেলেন এবং এবং ক্লিটেমনেস্ট্রাকে ভেবেছেন পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান। চরিত্রের সেই ভার বহনের জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন অভিনেত্রী লুপিটা নিয়ং’ও-কে। সেই ছকভাঙা ভাবনার নেপথ্যে কোন ভূমিকা পালন করেছে নোলানের লেখার টেবিল?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved