

‘অপরাজিতা রচনাবলী’তে অপরাজিতা দেবীর যাবতীয় কবিতার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপও ছাপা হয়েছিল। অপরাজিতা দেবীর ছদ্মনামটির আড়ালে, অনেকের ধারণা ছিল কোনও পুরুষ বুঝি মহিলার লেখনী নকল করে কবিতা লিখছেন। এমনকী অ-প-রা-জি-তা পাঁচজন পৃথক পুরুষ– এমন উদ্ভট চিন্তাও করতেন কেউ কেউ।
আজ যখন হকনির মৃত্যুসংবাদ পৃথিবীজুড়ে শিল্পপ্রেমীদের বিষণ্ণ করে তুলেছে, তখন মনে পড়ে তাঁর শিল্পদর্শনের সেই মৌলিক শিক্ষা– পৃথিবীকে ভালোবাসতে হলে আগে তাকে দেখতে শিখতে হবে। শিল্প কোনও অলৌকিক জাদু নয়; শিল্প হল মনোযোগের চর্চা।
‘গার্ডিয়ান’ পত্রিকার সিনিয়র স্পোর্টস রিপোর্টার এই বিশ্বকাপকে বলছেন, ‘ট্রাম্পের বিশ্বকাপ’। ইরানি ফুটবলারদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, সেখানকার ফুটবলপ্রেমীদের আমেরিকায় ঢুকতে না দেওয়া, ‘আতঙ্কবাদী’ বলে দাগিয়ে দেওয়া, মুসলিম ও আফ্রিকান রেফারিকে নাকাল করা বুঝিয়ে দিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপ বর্ণবিদ্বেষবাদ, যুদ্ধ বা পক্ষপাতদুষ্টতাকে সঙ্গে নিয়েই চলবে।
মধুবীরের কবিতায় যে বিপর্যয়ের কথা, গন্তব্যহীন যাত্রার অনুষঙ্গ, তাতে কতখানি তাঁর চারপাশ আর কতখানিই-বা বিশ্বের অতীত ও বর্তমান পরিস্থিতি কাজ করেছে, তা জানি না, কিন্তু তাঁর বা তাঁর সময়ের অসহায় অবস্থার কথা, তাঁর কবিতার ভিতর দিয়ে বেশ অনুভব করা যায়।
মদ, কালী, রামপ্রসাদী ভক্তি, আবেগটান– সব কিছুর ঘোর ভেঙে দেখি ‘ধন্বন্তরী’ নামক লোকটি রাস্তায় নেমে গেল। কেন গেল? কোথায় গেল? কী-ই বা করবে লোকটা এখন? এই সমস্ত সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়ে বাংলা ভাষায় মিশে গেলেন মানিক। সমর্পণ থেকে সম্ভাবনায় দিকে আমাদের এগিয়ে দিয়ে গেলেন।
এই প্রাইড মান্থে হয়তো প্রচুর আলোচনা হবে অনয়া বাঙ্গারের ক্রিকেটে প্রবেশাধিকার না-থাকা নিয়ে। সহানুভূতির বন্যা বয়ে যাবে। তবে নিশ্চিতভাবেই, একজন ক্রিকেটার হিসেবে অনয়া বাঙ্গার ব্যর্থ। এবং এই ব্যর্থতার দায় সমস্ত লিঙ্গের মানুষের ওপর বর্তায়।
সংগ্রহ করে রাখা সজারুর কাঁটা দু’দিক পালিশ করে একটার পর একটা চিহড় পাতা জুড়ে চলে পাতা সেলাইয়ের কাজ। প্রথমে একটা পাতা, তারপর আরও দুটো পাতা, আবার তিন-চারটে পাতা, তাদের নিচে আরও পাতা– এভাবে ক্রমে মাছের আঁশের মতো সাজিয়ে, হাতের জাদুকরিতে তৈরি হয় থাকে ঘঙ।
তাঁর কবিতায় ঘুরে-ফিরে বেড়ায় তাঁর কিশোর প্রেমিকেরা। সীমাহীন সমুদ্রের মতো স্বাধীন এবং তরঙ্গমুখর সান্দ্রো পেন্নার অন্তর্জগৎ! ‘নবীন কিশোর’-দের প্রতি পেন্নার শারীরিক আকর্ষণ, সপ্রেম মুগ্ধতার এক কামতীব্র আগ্নেয়োদ্ভাসকে আমরা স্পর্শ করতে পারি তাঁর কবিতার পঙ্ক্তিতে পঙ্ক্তিতে।
ভাত খেতে হাতের আঙুল লাগে, মাটির ওপর দিয়ে চলে ফিরে বেড়াতে হলে পায়ের পাতার দরকার, এখন খাওয়ার সময় যদি আমি আমার আঙুলগুলোকে ঘেন্না করি, চলার সময় যদি পায়ের ওপর ঘেন্না হয়, তাহলে ধীরে ধীরে নিজের সমস্ত জীবনটার ওপরেই ঘেন্না ধরে যায়।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় গোলের পর যখন উদ্বেল মেক্সিকোর গ্যালারি, তখন উন্মুক্ত আকাশের দিকে তাকিয়ে বাবাকেই খুঁজছিলেন রাউল। তাঁকে কি কি বলছিল গ্যালারিতে ২৫ বছর বসে থাকা ইগনাসিও-র ব্রোঞ্জের মূর্তি?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved