

বড় দল ছোট দলের কাছে হারলে তাকে অঘটন না বলে অন্য কিছু বলা যায় কি? বলা যায়– ফুটবল! কারণ, এই খেলার সবচেয়ে বড় সত্যই হল, এখানে কোনও ফল আগে থেকে লেখা থাকে না। আর সেই কারণেই কোটি কোটি মানুষ এখনও বিশ্বাস করেন, ৯০ মিনিটে অসম্ভবও সম্ভব।
বর্ষামঙ্গলকে কেন্দ্র করে কৃষিজীবী তথা পল্লিসংস্কৃতির বৈচিত্রও কোনও অংশে কম নয়। আষাঢ় মাসে ক্ষেতিজমিতে ‘চাষের জল লাগলে’ চাষিরা প্রথম চাষ দিতে দিতে এক ধরনের গান করতেন। একে বলা হত ‘আচোট ভাঙার গান’।
বাঙালির মনোজগৎ বিচিত্র। তবে বীরত্বের নামে হিংস্রতার প্রচারের পক্ষে শ্রেষ্ঠ বাঙালি চিন্তকেরা কেউই মত দেননি। সশস্ত্র বিপ্লবীরাও অহেতুক হিংসার বিরোধী ছিলেন।
খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিশেলও প্রত্যেকদিন প্র্যাকটিস করেন। খেলার দিন ৯০ মিনিট টানা দাঁড়িয়ে থাকার জন্য, অন্যান্য দিন ৪০ মিনিট ঠায় দাঁড়িয়ে থেকে নিজেকে প্রস্তুত করেন কঙ্গোর ‘লুমুম্বা ভেয়া’।
পেন-প্যাড অতীত, মিটিংয়ে নোট নিচ্ছে এআই। দীর্ঘকালের কাগজ-কলম পেষা থেকে মুক্তি। দ্রুত বদলে যাচ্ছে মিটিংয়ের ধরন; কথা শোনা, মনোযোগ দেওয়া, মনে রাখার ধরন। আমরা এখন আর মিটিংয়ে ঢোকার আগে পকেটে স্পর্শ করে দেখে নিই না, কলম আছে কি না।
যেখানে অধিকাংশ সমকামী সম্পর্কের ক্ষেত্রে চরিত্রদের লড়াই করতে দেখা যায় সম্পর্কটির বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গে, সেখানে সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতাকে ছপিয়ে Eva Baltasar-এর এই উপন্যাসে উঠে এসেছে একটি সমলিঙ্গ সম্পর্কের অন্তর্দ্বন্দ্ব।
কিছু কিছু অসমাপ্তি যুগে যুগে হয়ে থাকে ইতিহাসের পরম প্রাপ্তি। শেষ না-হওয়ার হতাশা ও বিশ্বাস নিয়ে।
মন্দিরের বিগ্রহ নন, এক জীবন্ত ঐতিহাসিক সত্তা, যাঁর লড়াই, যাঁর প্রেম, যাঁর বিনয় আজও আমাদের পথ দেখাতে পারে। আর এই সত্যনিষ্ঠ ইতিহাস চর্চার জন্য উমেশচন্দ্র বটব্যালের মতো এক আপসহীন, বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গিরও আমাদের কাছে সমানভাবে অপরিহার্য।
ভিড় সম্পর্কে এক গভীর সত্য উচ্চারণ করেছিলেন জীবনানন্দ– ভিড়ের হৃদয় নেই। সত্যিই নেই। ভিড়ের কোনও বিবেক নেই, কোনও দায়বদ্ধতা নেই, কোনও ব্যক্তিগত নৈতিকতা নেই। একজন মানুষ একা থাকলে যে কাজটি করতে লজ্জা পাবে, যে কাজটি করতে তার বিবেক বাধা দেবে, সেই মানুষই ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে অবলীলায় নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারে।
কারও চরিত্রের বাহ্যিক আড়ম্বরে মানিয়ে নেওয়ার কথা আদৌ কোনওদিন অভিনেতার ছিলই না। তার কাজ ছিল অভ্যন্তরীণ। অনেক বেশি করে তার কাজ ছিল মননে আর চিন্তায় চরিত্রের কাছাকাছি পৌঁছনো। সে হোক না বায়োপিক, শেষ অবধি তা আরও এক নিতান্ত চরিত্র বাদে কিছু না। কেনই বা অভিনয়ের নামে ‘গো-অ্যাজ-ইউ-লাইক’ খেলতে যাবে এক অভিনেতা!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved