এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, গ্রামোফোন কোম্পানির রেকর্ডের জনপ্রিয়তার মূল হয়ে দাঁড়ায় ইসলামি গান। এরপর থেকেই ইসলামি গান বাংলা ভাষায় ভীষণভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে। ইসলামি গানের জনপ্রিয়তার জন্য অনেক হিন্দু সংগীতশিল্পীও মুসলিম ছদ্মনামে ইসলামি গান গাইতে শুরু করেন।
অতিরিক্ত কোনও আবেগের সঞ্চালন সন্তর্পণে এড়িয়ে চলছেন, আর পরিমিতিই হয়ে উঠছে শিল্প, এইটা ক্রমাগত বুঝতে বুঝতে শঙ্খ ঘোষের কবিতা পড়ি। নীরবতা আর নিয়ন্ত্রণকে তাঁর কবিতায় চারিয়ে দিচ্ছেন তিনি; প্রচার নয় প্রকাশ, জোর নয় বিশ্বাস প্রবল হয়ে উঠছে। তাঁর নিজের কবিতা-ভাষা নীরবতার ভিতর থেকে, নেপথ্য থেকে সময়ের আশ্চর্য পরিক্রমা।
কবিতা চর্চাকারীদের মধ্যে এক ধরনের আদিম ব্যামো রয়েছে। তা, কবিতায় ব্যবহৃত ব্যক্তিনামের খোঁজ। বাংলা কবিতায়, বহু বিখ্যাত কবিতায় নামের ব্যবহার রয়েছে। জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন থেকে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের অবনী– এ নিয়ে পাঠকের জিজ্ঞাসা গোয়েন্দাগিরির পর্যায়ে পৌঁছেছে। সত্য আর কবিতার সত্য কি এক? বাস্তবের পিন ফুটিয়ে কবিতার বুদ্বুদ ফাটিয়ে দেখার এই চেষ্টা কি কবিতার পক্ষে ক্ষতিকারক? বিশ্ব কবিতা দিবসে সে নিয়েই বিশেষ নিবন্ধ।
এই দেশের রাজনীতির যে মূল ন্যারেটিভ, যে গণতান্ত্রিক পরিসর, যে ধর্মনিরপেক্ষতা– সম্পূর্ণ লীন হয়ে ছিল সর্দার বল্লভাই প্যাটেলের মূর্তিতে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে, এই তিনটি উপাদানই স্থানান্তরিত হয়েছে। গুজরাতে। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের দীর্ঘকায় মূর্তির ওপরে। কেউ কেউ বলবেন, এ-হল রাজনৈতিক ক্ষমতা বদলের অবধারিত ফলাফল। তবু হে পাঠক, একুশ শতকের ভারত কি বল্লভভাই প্যাটেল অথবা তাঁর উজ্জ্বল মূর্তির মতোই লৌহসম?
‘ওডিবিএল’-এর মতো একটি মহাগ্রন্থ সব বিতর্কের মধ্যেও একটি অবিশ্বাস্য রকমের শ্রমসাধ্য গবেষণা ও সুদৃঢ প্রামাণিক ভিত্তির জন্য দীর্ঘদিন আমাদের সম্ভ্রম ও নির্ভরতার আকর হয়ে থাকবে।
২১ মার্চ। ২০১২ সাল থেকে রাষ্ট্রসংঘের জেনারেল অ্যাসেমব্লি এই দিনটিকে ‘ডাউন সিন্ড্রোম ডে’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতি বছর নতুন কোনও বিষয়কে বেছে নেওয়া হয় এই দিনটির বিশেষ বার্তা হিসেবে। এ বছরের বার্তা, ‘একাকিত্ব নয়, একসঙ্গে চলা’।
এবারের আন্তর্জাতিক ছবি বিভাগের প্রায় সব ক’টি ছবিই নানাবিধ স্বৈরশাসন বা যুদ্ধ পরিস্থিতি, আগ্রাসন, তৎপ্রসূত দুঃসহ ব্যক্তি-স্মৃতি ও ট্রমাকে উপজীব্য করেছে। তবে অলিভার ল্যাক্সের ‘সিরাত’ এই তালিকায় একটি উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম।
কিন্তু যেই জীবনে দ্বিতীয় দশক এল, কানে গেল শক্তির স্বকণ্ঠে কবিতা পাঠ। ‘দুঃখ কি সহজে যায়? তাকে ধুতে নদী-ভরা জল/ লাগে ও বাতাস লাগে সেই ভেজা অঞ্চল শুকাতে।’ এইচএমভি-র লাল মলাটের ক্যাসেট। ব্যাস হয়ে গেল নেশা!
মার্চের শেষে ক্যামেরুনে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪-তম মন্ত্রী-পর্যায়ের সম্মেলন। উন্নত দেশগুলো যখন বাণিজ্যিক স্বার্থে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে, তখন গ্লোবাল সাউথের কোটি কোটি কৃষকের স্বার্থ এবং খাদ্য নিরাপত্তা কি আমাদের কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে?
আজকের প্রজন্ম, যারা সামাজিক মাধ্যমের পরিসরে নির্বিচারে অপরকে ‘ছাপরি’ বলে সম্বোধন করছে, তাদের কাছে এটি মূলত একটি শ্রেণি-নির্দেশক ট্যাগ। এই শব্দ ব্যবহারের সময় অধিকাংশই নিজেদের নৈতিক দায় স্বীকার করে না; বরং নিজেদের উচ্চরুচির মনে করে। কিন্তু এই রুচি কার রুচি? কে ঠিক করে রুচির মানদণ্ড?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved