একদিকে ঘুমন্ত পুরীর রাজকন্যারা। আক্ষরিক অর্থেই স্বরহীন আর ঘরবন্দি। রাজপুত্তুরেরা উদ্ধার না করলে এ জীবনের সব রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শ যাদের অধরাই থেকে যেত। আর-একদিকে ঘুঁটেকুড়ুনি ছোটোরানি, কুঁড়েঘরে থাকা দুয়োরানিরা। ড্যামসেল ইন ডিস্ট্রেস। তবে সুন্দরী, দুঃখিনী, প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি এরা আদর্শ সন্তানের মা।
আমি বাড়ি ছাড়লাম। সেখান থেকে হৃষীকেশ রুদ্রপ্রয়াগ হয়ে হেঁটে হেঁটে এখানে আসতে দুই বছর লেগেছিল। তবু একধ্যানে চলেছি। থেমেছি। আবার চলেছি। একদিন পৌঁছলাম। চারিদিকে ফাঁকা জায়গার মধ্যে দেখতে পেলাম আমার গুরুকে।
প্রজ্ঞা কী, এবং তা কি শেখানো যায়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, হ্যাঁ। জ্ঞানী ব্যক্তিদের গুণাবলি চিহ্নিত করার এবং সেগুলো অর্জনের উপায় বের করার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। প্রজ্ঞা বা জ্ঞানবোধকে মাপা যেমন কঠিন, তেমনই তার সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়াও সহজ নয়।
সুভাষদা একজন সত্যিকারের ব্যতিক্রমী অনুবাদক। সালিম আলির আত্মকথা– ‘Fall of a Sparrow’, সুভাষদা তার বাংলা নাম দিয়েছিলেন ‘চড়াই উতরাই’। অনুবাদের ক্ষেত্রে লক্ষ্যভাষায় দখল আর তার ভাণ্ডার থেকে বেছে আনা লাগসই প্রবাদ-প্রবচনের প্রয়োগ তাঁর অনুবাদকে একেবারেই অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে।
১৯৮৮-তে প্রথমবার স্বাধীন বাংলাদেশে পা রাখেন পবিত্র সরকার। পরে বহুবার এসেছেন। কিন্তু বোন লীলার সঙ্গে দেখা হয়নি কয়েক যুগ। তারপর ২০১২ সালের দিকে বাংলা একাডেমির আমন্ত্রণে ঢাকায় আসেন। অনুষ্ঠান শেষে বোনের সঙ্গে দেখা করতে ছুটে যান ভাদালিয়া।
ইরানের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে দুনিয়াজুড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালী। হরমুজের দখলদারি ঘুচিয়ে নিজস্ব প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠা করতে আমেরিকা লড়ছে ইরানের সঙ্গে। আর তার জেরে বিশ্ব বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম ও সংকট হু হু করে বেড়ে চলেছে।
ম্যাসাচুসেট্সের ফেডারেল ইমিগ্রেশন আদালতগুলোতে প্রতি সপ্তাহে এক অস্বস্তিকর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। সেটা হল অভিবাসী শিশুদের, প্রায়ই তাদের বাবা-মা ছাড়া, বিচারকদের সামনে হাজির হতে হচ্ছে নিজেদের বহিষ্কারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। বাচ্চাগুলো কী বুঝছে, কতটা বুঝছে, বোঝা যায় না– বসে থাকে আইনজীবীদের অফিসে পাথরের মতো নিরাবেগ মুখে।
মিয়া ব্যালার্ড নতুন লেখিকা। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘সাই গার্ল’ প্রকাশ করেছেন হ্যাচেটে। সমাজমাধ্যমে পাঠকরা ইতিমধ্যে অভিযোগ করেছেন যে, ব্যালার্ডের উপন্যাস আদৌ তাঁর নিজের লেখা নয়। বরং, এআই-এর লেখায় যতগুলো ফিঙ্গারপ্রিন্ট থাকতে পারে, সেসব এই উপন্যাসের ছত্রে ছত্রে। এত অভিযোগ সত্ত্বেও প্রশ্ন একটাই– এভাবে কি এড়ানো যাবে এআই-এর সৃজনশীলতাকে?
‘ইউ আর নট ম্যারিইং আ মেইড, ইউ আর ম্যারিইং আ লাইফ পার্টনার।’ অতি সম্প্রতি একটি ডিভোর্সের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই মন্তব্য এক লহমায় টান মেরেছে ভারতীয় পরিবারের একেবারে অন্দরে– ‘বিবাহ’ নামক প্রতিষ্ঠানটির আসল চেহারা নিয়ে।
গত ১৫ বছরে তো বটেই, বিশ্ব নাট্য দিবসের এই ৬৪ বছরের ইতিহাসে, আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে গোটা বিশ্বকে বার্তা দেওয়ার জন্য একজনও বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্বেরও ডাক পড়ল না! কেন মশাই? আমাদের কি বলার মতো কোনও কথা ছিল না? আমাদের শম্ভু মিত্র, উৎপল দত্ত, বাদল সরকার বা তৃপ্তি মিত্ররা কি আন্তর্জাতিক মানের ভাবুক ছিলেন না?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved