

যে অপরিণত সময়ের কাছে আর ফেরা যাবে না কোনওদিন, সেই সময়টাকে নিয়ে চলে গেলেন ঝগড়ুটে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। আমাদের বড় হওয়ার বৃত্ত সম্পূর্ণ হল শেষমেশ।
‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-র একচেটিয়া উপহার হিসেবেই হোক, কিংবা দেহসুগন্ধি হিসেবে চকোলেটের গন্ধ বিক্রি করার প্রবণতায়, অথবা যৌনক্রীড়ার বিবিধ উপকরণে চকোলেট ফ্লেভারের পরিচিত ব্যবহারে– চকোলেটকে বারবার ‘অ্যাফ্রোডিসিয়াক’ হিসেবে পেশ করার ধরনটি পরিচিত।
বিদ্যাপতি লিখছেন: পীন পয়োধর রোচি উজোরি। ‘রোচি’ শব্দটি একাধিক অনুষঙ্গের বাহক। ‘রোচি’ আলো বা দীপ্তির অনুষঙ্গ। এবং রুচিযোগ্যতার অনুষঙ্গ। অর্থাৎ, রাধার উন্মুক্ত স্তন কখনও অশালীন নয়। সব থেকে অব্যর্থ এবং তারল্যের ইঙ্গিতবাহী শব্দটা হল ‘উজোরি’, অর্থাৎ রাধার স্তনে আলোর জোয়ার।
আগে পাণ্ডবানী অভিনয় করত শুধু ছেলেরা। সেখানে স্বচ্ছন্দে ঢুকে পড়েছিলেন তীজন বাই। বেছে নিয়েছিলেন ‘কাপালিক’ জাতের পাণ্ডবানী, যেখানে স্মৃতিনির্ভর পুরো পারফরম্যান্সটি দাঁড়িয়ে, হেঁটে-চলে, নেচে-গেয়ে করতে হয়। একই গাথা, কিন্তু প্রতি অভিনয়ে আলাদা আলাদা হত তাঁর উপস্থাপনা।
প্রশ্নপত্রের ছাই ঘেঁটে কেউ কেউ যেন খুঁজে পায় ভাষার আগুন। যে আগুন, তারা ছড়িয়ে দিতে পারে উত্তরপত্রে। ভাইরাল জগৎ পারাবার থেকে দূরে, ওই গোপন উত্তরপত্রগুলি যেন ভবিষ্যতের পাণ্ডুলিপির বীজ হয়ে ওঠে, এইটুকু আশা।
কেউ ধর্ষক হয়ে জন্মায় না। সমাজ, রাষ্ট্র, পরিবার ধর্ষক তৈরি করে। একজন ধর্ষককে পিটিয়ে মারলে বা ফাঁসি দিলেও ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যায় না, যাবে না, যতদিন না ধর্ষক তৈরি হওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটাকে আমরা পালটাতে পারি।
মাত্র ৫০ বছরের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র সেই বাণিজ্যকেন্দ্র, পথ সমস্ত গ্রাস করেছে। রাস্তাটির অর্ধেক ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে। এপারের অল্প কিছুটা তীরের জমি পার হয়েই যে স্কুল, তা যেন মাঠের মধ্যে পা ছড়িয়ে বসে থাকা এক অসহায় মা, সন্তানদের সংসারের ধ্বংস নিশ্চিত জেনেও যাঁর রক্ষা করার বা পালিয়ে যাওয়ার কোনও উপায় নেই।
শাস্ত্রবিরোধী আন্দোলনের আদর্শে গল্প লিখতে এসে বলরাম মুখরোচক কাহিনি কিংবা জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য উপস্থাপন করেননি কোনও গল্পে। শুধু অন্তর্জীবনের অনুভূতিটুকু তাঁর গল্পে ফুটে উঠেছে সচেতন শব্দ সমাবেশে। গতানুগতিক গল্পপাঠে অভ্যস্ত পাঠক দুর্বোধ্য বাহানা দিয়ে বলরামের গল্পগুলিকে বাতিল করতেই পারেন, কিন্তু সংখ্যা নয়, বলরাম দাবি করেন সহানুভূতি, সূক্ষ্ম সংবেদন।
‘ভালো-বাসার বারান্দা’ এখনও পর্যন্ত পাঁচ খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে। ২০১০-এ প্রথম খণ্ড প্রকাশের পর দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশ করতে অনেকটাই সময় লেগে গিয়েছিল। সেই সময় নবনীতাদি রেগে গিয়ে আমাকে একটা চিঠি লিখে ওই বই ছাপতে নিষেধ করেছিলেন।
দশরথের এত স্নেহ পেয়েছিলেন বলেই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ পিতৃ-আজ্ঞা পালনে রাজত্ব ত্যাগ করে বিষম জীবনযাপন বেছে নিয়েছিলেন রাম। সেই রামই নিজের পুত্রদের স্নেহ করার সুযোগই পেলেন না। মহাভারতে যেমন পিতার স্নেহ কী বস্তু জানলই না পঞ্চপাণ্ডব। শকুন্তলা-দুষ্মন্তের পুত্র ভরতকেও পিতৃস্নেহ বঞ্চিত হতে হয়েছিল শৈশবে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved