সত্যিকারের ‘বসন্ত’কে একদিন চিনতে পারলাম বোলপুরে গিয়ে ভুবনডাঙার জলা মাঠটা পেরিয়ে। শান্তিনিকেতন ফার্স্ট গেট পেরিয়ে বাঁদিকে গেলে অথবা সোজা সেন্ট্রাল অফিসের মোড় পেরিয়ে যেতে যেতে দু’-দিকে ছাতার মতো শিরীষ গাছের বিশালত্ব দেখে মুগ্ধ হতে হতে এদিক-ওদিক তাকালে পলাশ চোখ টানবেই।
আসলে যুদ্ধ যে কি রূপ নিতে পারে, এখনই তা অনুমান করা একেবারেই অসম্ভব। আমেরিকা কিন্তু ইতিমধ্যেই তাদের গোলপোস্ট বদলে ফেলেছে। ইরানের সিস্টেমটা বেশ পোক্ত। ইরান আর যাই হোক, ভেনিজুয়েলা নয় যে এক মাদুরোকে উঠিয়ে নিয়ে এসে গোটা সিস্টেমটা বদলে দেওয়া যাবে!
২০২৬-এ সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং চলছে এই ‘ডিভোর্স ডাস্ট’। কতদূর যেতে পারে এই ডিভোর্স ডাস্ট? প্রতারণা হাতেনাতে ধরিয়ে দিতে পারে? প্রতারণা তো আমাদের ছায়াসঙ্গী আজ।
১৮৯৩ সালে আমেরিকার ধর্মমহাসভায় যোগদানের জন্য বিবেকানন্দ যখন জাপানের পথ ধরে আমেরিকা যাত্রা করেন, তখন ইয়োকোহামা থেকে ভাঙ্কুভারের যাওয়ার জাহাজে তাঁর সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল সহযাত্রী অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী জামশেদজি টাটার।
কেজরিওয়াল, সিসোদিয়া যদি নির্দোষই হন, তাহলে তাঁদের জেল-যন্ত্রণা সইতে হল কেন? কে ফিরিয়ে দেবে তাদের ভেসে যাওয়া দু’-দুটো বছর। যে দু’-বছরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। হারাতে হয়েছে নাম-যশ, সসম্মান।
দোগাছিয়ার ল্যাংচা আসলে নোড়াকৃতি রসগোল্লা। কোনও ভাজা মিষ্টি নয়। স্থানীয় নাম রসগোদা। বড় ল্যাংচায় লাগে আড়াই থেকে পৌনে তিন কেজি ছানা। দীর্ঘক্ষণ ছানাকে বিশেষ কৌশলে ঠেসে ময়দার আঠায় জোড় দিয়ে রসে ফোটানো চলে। একটি চার নম্বর কড়াইতে ওই মাপের দু’টি মিষ্টি বানাতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা।
মাত্র ২১ বছর ছয় মাস আয়ুষ্কাল নিয়ে পৃথিবীতে এসে তরু দত্ত যে বিস্ময়কর প্রতিভার পরিচয় দিয়েছিলেন, তা আমাদের এখনও মুগ্ধ করে। ফরাসি ও ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত তরু নিজের দেশ ভারতের অন্তঃস্থল বুঝতে শিখেছিলেন সংস্কৃত ভাষাও। জানতেন জার্মান ভাষাও।
গোটা ভারতবর্ষ যে-বাংলার ছানাকে ‘অপবিত্র’, ‘মৃতদুগ্ধ’ বলে অচ্ছুৎ করে রেখেছিল, সেই ছানা কীভাবে দেবভোগ্য হল! অসম্ভবকে সম্ভব করলেন যে-মহাপুরুষ তিনি হলে বাংলার শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু।
ভারতীয় সংগীতে বিশেষত নৃত্যকলায় শ্রীচৈতন্যদেবের অবদান অপরিসীম। কৃষ্ণ-প্রেমিক, দার্শনিক, সাধক-পণ্ডিত হিসেবে শ্রীচৈতন্যদেব বিশ্ববাসীর কাছে যতখানি পরিচিত, নৃত্যশিল্পী হিসেবে সে তুলনায় একেবারেই পরিচিত নন।
শ্রীচৈতন্যের ছবির প্রসঙ্গ উঠলে যাঁর কথা না বললে অসম্পূর্ণ থাকে, তিনি শিল্পী ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার। সম্ভবত এই বিষয়ে তাঁর ছবিই সর্বাধিক। কেবল সংখ্যার প্রেক্ষিতেই নয়, ক্ষিতীন্দ্রনাথের চিত্রমালায় পরম বৈষ্ণবের যে বিনম্র ভঙ্গি ফুটেছে তা আর কারোও ছবিতে প্রকাশ পেয়েছে কিনা জানি না।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved