

পরিসংখ্যান বলছে, পৃথিবীর প্রায় ২৮ শতাংশ মানুষ প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবারের জন্য হলেও ব্যবহার করেন ভয়েস কম্যান্ড। আর কথা বলে স্মার্ট ডিভাইস চালানোর বৃদ্ধি যেভাবে হচ্ছে দুনিয়াজুড়ে, তাতে আমাদের দেশ একেবারে প্রথম সারিতে।
‘কায়নাত: আ ব্লুম ইন দ্য ইউনিভার্স’। ভেলভেটের ওপর ব্রোকেড ও সুতোর কাজ। তাতে পাখি, গাছ, গোলাপ। কাশ্মীর উপত্যকার স্মৃতি। ওই স্মৃতিতেই, রংবেরঙে আজও অমলিন গুড্ডা– রোহিত বাল।
গলা অতি বিষম বস্তু। যারা গলা তোলে, আর তাদের বিরুদ্ধে যারা গলা তোলে, দু’-পক্ষেরই বাইরে থেকে আড়ি কিন্তু ভিতর থেকে গলাগলি ভাব।
রাত্রির শোভা যেমন চাঁদ, তেমনই আলকাপের দলের শোভা ছোকরা। ওস্তাদই তৈরি করেন ছোকরাকে। তাঁর সাধন-সমন্বিত তালিমেই ছোকরার ভিতরে গড়ে ওঠে মোহিনী মায়ার কিশলয়। সযত্ন অনুশীলনে ধীরে ধীরে তার ভেতর থেকে জন্ম নেয় মায়ায় গড়া এক কিন্নরী। যে পুরুষ নয়। কিম্পুরুষ নয়। নারী নয়। ছোকরা।
১৯ মে শ্রেষ্ঠত্বের দাবি রাখে তার প্রকৃত ইতিহাসের নিরিখে, বৈচিত্রে, তার সংগ্রামের ব্যাপকতার নিরিখে। বরাক উপত্যকার সদর শহর শিলচরের রেল-স্টেশনে পুলিশের গুলিতে জীবন আহুতি দিয়েছিলেন ১১ জন তরুণ-তরুণী। ভাষাকেন্দ্রিক গণ অভ্যুত্থানের এমন আপামর ব্যাপ্তি অন্য কোনও ভাষা সংগ্রামে পাওয়া যায় না।
একটি বিশেষ মাত্রা বইটিকে সমৃদ্ধ করেছে। তা হল, চিন্ময়ের গভীর সাহিত্যবোধ। সত্যজিতের সৃষ্টির মর্ম অনুধাবন করতে গিয়ে, তিনি ইংরেজি ও ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রতিচ্ছায়া মেলে ধরেছেন নৈপুণ্য সহকারে। পাশাপাশি উঠে এসেছে সত্যজিতের রাজনৈতিক নন্দন-ভাবনা এবং সামাজিক অঙ্গীকারের স্পর্শকাতর বিষয়টি।
জীবনে যদি না-গ্রহণ করতে পার একঘেয়েমি, কোনওদিন তুমি পাবে না তোমার মগ্নচৈতন্যের অপূর্ব অবদান। যে-অবদান তোমার জীবনকে সার্থক ও সম্পূর্ণ করবে।
‘বহুরূপী’র ‘রাজা অয়দিপাউস’। তিনটে ‘হায়!’ লক্ষ করবেন, নাটক প্রায় শেষদিকটায় পৌঁছে গিয়েছে, তখন ইয়োকাস্তের কণ্ঠে একটা ‘হায়’ শুনি আমরা। রবীন্দ্রগানের তিনটি ‘হায়’-এর সঙ্গে বহুরূপী অভিনীত তিনটি ‘হায়’ যেন একটা যোগসূত্র তৈরি করে। সবটাই দৈবনির্দিষ্ট দুর্ভাগ্যের ফল।
হেলসিঙ্কি লাভ অ্যান্ড অ্যানার্কি উৎসবের ফেস্টিভ্যাল ডিরেক্টর পেক্কা ল্যানেরভা বলেছিলেন, ‘কান আসলে শিল্পের চেয়ে ব্যবসার জায়গা বেশি।’ কথাটা প্রথমে খারাপ লেগেছিল। পরে ধীরে ধীরে বুঝেছি, পুরোপুরি মিথ্যে নয়। এখানে কবিতা আছে, কিন্তু তার পাশে বাজারও আছে। এখানে শিল্প আছে, কিন্তু তার পাশেই অদৃশ্য ক্ষমতার লিফট।
মানবদা যেমন বলতেন অনুবাদের কাজ কখনও শেষ হতে পারে না, নিরন্তর চলতে থাকে। আমার মনে হয়, সুবীরদাও বিশ্বাস করতেন সম্পাদনা-সংকলনের কাজও কখনও শেষ হয় না, চলতেই থাকে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved