Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

ঘরানার ফুটপাথ বদল

ইউরোপ বনাম লাতিন আমেরিকার ঘরানার লড়াইয়ে কে জিতবে, তা নির্ধারণ হবে কিছুদিন বাদেই। একথা সত্যি যে, লাতিন আমেরিকার ফুটবলে শিল্প এবং লড়াইয়ের সংমিশ্রণ, সেই ছবিটা বহু বছর ধরেই ধীরে ধীরে বদলে গিয়েছে অনেকটাই। অন্যদিকে, ইউরোপের দেশগুলোর উপনিবেশের ইতিহাস, অর্থনৈতিক শক্তি এবং অভিবাসন নীতির ইতিবাচক ফলে পুষ্ট হয়েছে তাদের বদলে চলা ফুটবল-সংস্কৃতি।

→

তোমার ঈর্ষা আমার জয়

পাউন্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মুসোলিনির হয়ে ইতালির রেডিও থেকে মার্কিন-বিরোধী ধারাবাহিক বক্তৃতা দেন। যুদ্ধশেষে মার্কিন সেনা তাঁকে গ্রেফতার করে। তাঁকে জনসমক্ষে প্রায় প্রদর্শিত করা হয়। তারপর যুদ্ধবন্দি মানসিক রোগী হিসেবে সেন্ট এলিজাবেথে রাখা হয় ১২ বছর। এই বন্দিদশা থেকে তাঁকে মুক্ত করেছিল রবার্ট ফ্রস্টের কবি-ঈর্ষা।

→

প্রশ্নে নো এন্ট্রি

কর্পোরেট আসলে ‘পরিবার’ হতে চায় না, চায় শুধু এই শব্দের আবেগটা খাবলে ধরতে। না-হলে চাকরির শুরুতেই কেন দুটো স্বাভাবিক ও জরুরি প্রশ্নকে দুরমুশ করে দেবে? তৎক্ষণাৎ শাস্তি দেবে চাকরি বাতিল করে? কর্পোরেট মনে মনে বিড়বিড়াচ্ছে– এক কর্মীকে প্রত্যাখান করে সে মহা ক্ষমতাবান।

→

ভালোবাসার অচিনপুর

ভালোবাসা মানে, পরিণতিকাঙ্ক্ষাহীন অনুরাগ; ওই অর্থেই মানুষ প্রথম শব্দটি ব্যবহার করেছিল। তারপর অগণ্য বাজে লোকের বাজে কথায় ওই শব্দ শতদীর্ণ হয়েছে! কিন্তু শতদীর্ণ হয়েছে বলেই তো তার মেরামত প্রয়োজন। ‘ভালোবাসা’ বলতে আদিতে যা বোঝাত, আজও ‘ভালোবাসা’ এলে মানুষ ঠিক প্রথমেই যা অনুভব করে, সেই অনুভবার্থের কাছে ভুলভাবে বহুল-ব্যবহৃত শব্দটিকে ফিরিয়ে না দিলে কী নিয়ে মানুষ বাঁচবে?

→

কলাভবন: পূর্ব থেকে পশ্চিমে

শোনা যায়, পূর্ব দিক থেকে কলাভবনের অবস্থানগত পরিবর্তন ক্রমশ পশ্চিমদিকে সরে আসায় নন্দলাল একটু রসিকতা করেছেন। ঘনিষ্ঠ বৃত্তে গল্পচ্ছলে তিনি বলেছেন, কলাভবনের গতি দেখছি ক্রমে পুব থেকে পশ্চিমে চলেছে। অর্থাৎ শিল্পের অভিমুখ যেন প্রাচ্য থেকে ধীরে ধীরে পাশ্চাত্যের দিকেই এগিয়ে চলেছে।

→

পিছন-পানে তাকাই যদি কভু

ভিড় বাস চলেছে। দ্রুত। ভিড় পিছন দিকে এগিয়ে গিয়েছে। পিছন দিকে এগতে এগতে কেউ ভাবছে– পিছনটাই সামনে! এই ভাবনা ততক্ষণই সত্য, যতক্ষণ না গন্তব্য আসছে। গন্তব্য একটা মুহূর্ত, সময়ের বিন্দু।

→

জীবনপুরেই হকনির দেশ

রেনেসাঁর সার্থক উত্তরসূরি বলেই হয়তো এক মাধ্যমে বেশিদিন আটকে থাকা না-পসন্দ ছিল হকনির। সেকালের দা ভিঞ্চির রীতি মেনেই শিল্প মাধ্যমের ব্যবহারে তুমুল হইহল্লা বাধিয়ে দিলেন হকনি। মানুষের চোখ যা দেখে, স্মৃতি সেই দৃশ্যেরই সম্পাদক। ছবি আঁকার মধ্যে সেই স্মৃতির সঞ্চয় একে একে সেলাই করে এক সুবিশাল দৃশ্যের অবতারণা করতে চাইলেন।

→

প্রথম বাঙালি মহিলা ইলাস্ট্রেটর

গত শতাব্দীর তিনের দশক পর্যন্ত সন্দেশের পাতায় নিয়মিত দেখা যেত তাঁর ছবি। নিজের প্রত্যেকটি লেখার সচিত্রকরণ শুধু নয়, অন্য লেখকদের লেখার সঙ্গেও তাঁর করা অলংকরণ সন্দেশকে সমৃদ্ধ করেছে। এমনকী স্বর্ণকুমারী দেবীর একটি ইংরেজি বইয়ের অলংকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ছবিও তিনি এঁকে দিয়েছিলেন লেখিকার অনুরোধে।

→

অন্তহীন অর্থহীন শূন্যতা

‘ব্যাকরুমস’ আদতে আমাদের ব্রেন। এবং এর ভিতরে থরে থরে ছড়িয়ে থাকা আসবাবগুলো অবহেলায় পড়ে থাকা আমাদের স্মৃতিচিহ্ন।

→

ভিটের ভাস্কর্য

বাংলাবাড়ি থেকে ইউরোপীয় বাংলো আসেনি। সেটি কুঁড়েঘর বা দোচালার আইডিয়া থেকে কপি করা। আসলে বাংলাবাড়ি থেকেই আটচালা যুক্ত মাটির দেবালয় চণ্ডীমণ্ডপ গড়ে উঠেছিল। গড়ে উঠেছিল ইসলামিক মৃৎস্থাপত্য দেহলিজ বা দলিজখানা।

→