নারী-পুরুষের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে এই লেখা, প্যারিস থেকে কলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৪ ফেব্রুয়ারির কথা মনে রেখে চলুন আমরা বরং যাই, এক বাঙালি প্রেমে, ১০০ বছর আগে।
এইচআইভি-এইডস কীভাবে ছড়ায় আমরা জানি। কিন্তু এ রোগের চিকিৎসাও এখন ভীষণভাবে উন্নত হয়েছে। এইচআইভি আর যাতে এইডসে পরিণত না হতে পারে, ভারতে তেমন চিকিৎসা প্রায় বিনামূল্যে বিতরিত সেই প্রথম দিন থেকে, এতগুলো বছর। সঠিক চিকিৎসায় এইচআইভি না নিরাময় হলেও একজন রোগী প্রায় বাকি জীবন স্বাভাবিক ভাবে, সুস্থ ভাবে কাটাতে পারে।
সাহিত্য, ইতিহাস, শিল্পকলা, এমনকী, ধর্মীয় পুঁথিতেও যেভাবে যৌনতা, প্রেম বা অন্তরঙ্গতা নিয়ে নানা খোলামেলা আলোচনা পাওয়া যায়, তার সঙ্গে আজকের হিন্দুত্ব মবদের মতামত মেলে না।
নিপুণ রাজনৈতিক কৌশলে বাঙালি আর বাংলাদেশী, পরিযায়ী শ্রমিক আর উদ্বাস্তু, বাংলাদেশী আর অনুপ্রবেশকারী, এসআইআর আর নাগরিকত্ব– প্রত্যেকটা বিষয়কে একেবারে ঘুলিয়ে-ঝালিয়ে একসা করে দেওয়া হল, যার নিট ফল– মানুষ দিশেহারা, বিভ্রান্ত, আতঙ্কিত। এই ‘আতঙ্ক’-ই ভোটের বাক্সে কেরামতি দেখাবে বলে বিজেপির বিশ্বাস?
প্রেমের সপ্তাহ চলছে। প্রেম থাকলে, বিরহ তো থাকবেই। বহুকালের বহুমাত্রার বিরহ ছুঁয়ে যায় আমাদের জীবৎকাল। স্মৃতি-সত্তা-ভবিষ্যৎ জুড়ে মিশে যায় সেই মনখারাপের অপূর্ব রেণু।
চোখের জলের, রক্তের, অহৈতুকী ভালোবাসার, শুধু মানুষকে রক্ষা করার জন্য আপ্রাণ ভালোবাসার, কত কাহিনি দেশের সমাজ-ইতিহাসের ভাঁজে ভাঁজে রাখা আছে, কে সেইসব কথা বলবে? কোন স্মৃতিতে ঘর খুঁজে পাবে সেই কথাগুলো?
এ পৃথিবী ভালোবাসিতে জানে না। রাষ্ট্র কেবল বিছিন্নতাই চায়। মানুষে মানুষে, মানুষে পশুতে, সর্বতোভাবেই। হয়তো তাই গ্রামীণফোনকে আলাদা করে পশুপ্রেম প্রচার করতে হয়। যেমন করে প্রচার করার প্রয়োজন পড়ে সমলিঙ্গের মানুষ অথবা প্রান্তিক লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষদের প্রেম, সামাজিক স্বীকৃতির আশায়।
আজ থেকে ৮০০ বছর আগে একটা জনগোষ্ঠী পরিব্রজন করেছিলেন তাঁদের অসাধারণ সামুদ্রিক দক্ষতা ও জ্ঞান নিয়ে। তারপর তাঁরা শুধু মন দিয়ে সেই পেশাতেই নিযুক্ত থেকেছেন। আজ হঠাৎ সেই পেশা ছেড়ে তাঁরা কোথায় যাবেন? কী করবেন আগামী দিনে? তাঁরা কি এত বছরের প্রকৃতিলব্ধ জ্ঞান, ভাষা, সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলবেন?
দুই সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর রাজনীতির অবস্থান থেকে প্রেম? বা বিবদমান দু’টি দেশের মধ্যে? আমরা কি যুদ্ধরত পাকিস্তান আর ভারতের প্রেমগাথা লিখি? ভাবি? ভাবি না তো, অনেক প্রাচীন কোন গাথার, লায়লা মজনু বা হীর রঞ্ঝাকে আবার নতুন করে রচনা করতে।
ক্রিকেটার স্মৃতির কাহিনি হওয়া উচিত এক ডাকসাইটে ক্রীড়া সংগ্রামী হিসাবে। কিন্তু জনতা মেতে উঠল তাঁর ব্যক্তি জীবনের বেদনায় প্রলেপ দিতে। একজন আদর্শ অ্যাথলিট ফ্যান-সাপোর্ট চায় মাঠে। মাঠের বাইরে তাঁর প্রস্তুতিপর্ব। সেখানে একমাত্র প্রশিক্ষকের সাহচর্যে সনিষ্ঠ সাধনায় মগ্ন হওয়া। এই সাধনার নির্যাসই তো খেলোয়াড় নিবেদন করে দর্শককে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved