Robbar

Sangbad Pratidin

মিথ্যে আশা নয়, নোবেল বক্তৃতায় ‘সত্যি হতাশার’ কথা শুনিয়ে গেলেন লাজলো

বক্তৃতার শেষে তিনি আমাদের একটা অবিস্মরণীয় দৃশ্যের সামনে দাঁড় করালেন। তিনি আজও যেন সেই বার্লিনের সাবওয়ে ট্রেনে বসে আছেন। ট্রেন চলছে, স্টেশনগুলো পার হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তিনি কোথাও নামছেন না। ‘আমি কোথাও নামি না... আমি শুধু দেখি স্টেশনগুলো সরে সরে যাচ্ছে।’

→

মাপ করুন, সৃষ্টিশীলভাবে!

মানুষ-গাছ-জন্তু-পাখি-নদী-পাহাড়-সূর্য-তারা– এ সমস্ত নানান জিনিসের একটা প্রতীকী মোটিফ মানে একটা সিম্বল থাকে অস্ট্রেলিয়ান অ্যাবরিজিনাল আর্টে। সেগুলো বেশিরভাগই ডট, মানে ফুটকি দিয়ে করা। ছবির পটে কাজটা শেষ হয়ে গেলে ওরা যেটা করে সেটাই রহস্য।

→

শিবরাম চক্রবর্তীর গল্পের ছবি

শিব্রামের ছবি এঁকেছেন অন্যূন ৩০ জন শিল্পী। হর্ষবর্ধন-গোবর্ধনের ছবিও এঁকেছেন ১৫ জন, বিনির ছবি এঁকেছেন সাতজন শিল্পী। এছাড়া নকুড়মামা, ভালুমাসি, আলুমাসি, রামডাক্তার এবং জবার ছবি এঁকেছেন একজনই– শৈল চক্রবর্তী। ‘বাড়ী থেকে পালিয়ে’ বইয়ের যে তিনটি সংস্করণ দেখার সুযোগ হয়েছে তার চিত্রকরও শৈল চক্রবর্তী।

→

সারাজীবন নিজেকে জানার জন্যেই লিখে গিয়েছেন সমরেশ বসু

‘উত্তরঙ্গ’ পড়ে উচ্ছ্বসিত ডি কে বলেছিলেন, এই উপন্যাসের লেখককে সোনার কলম দেওয়া উচিত। এবং সত্যিই তিনি সমরেশ বসুকে বাড়িতে ডেকে একটি দামি কলম উপহার দেন। সমরেশদার জীবনের প্রথম পুরস্কার⎯ একটা ফাউন্টেন পেন পাওয়া তখন তাঁর কাছে প্রায় স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতোই ছিল।

→

আমাদের চৈতন্য হবে কবে?

ভাঙা বাড়ি, কিন্তু তার ভেতরেই এক রত্নশালা। খসে পড়া দরজার ফাঁকে উঁকি দিলেই ধুলোয় ঢাকা কত যুগ আগেকার মণিমাণিক্য সব দেখতে পাচ্ছি! একের ওপর আরেক, তারও ওপর আরও অনেক, স্তূপীকৃত! নড়বড়ে দোতলায় হাঁটতে ভয় হয়, অন্ধকার সিঁড়ি কোথায় নিয়ে যায় কে জানে! এই নাকি সেই জ্ঞানভাণ্ডার, যা উন্মোচিত হয়েছিল স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের হাতে! সঙ্গে ছিলেন স্যর আশুতোষ চৌধুরী, আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল, আচার্য রামানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়।

→

পথ হারানো নাবিকের দেবতা খাজা খিজিরের উৎসব

নাবিকেরা যদি পথ হারায়, সে পথ খুঁজে দেন জলের দেবতা। মুর্শিদাবাদে সেই দেবতার প্রতি উৎসবই বেরা উৎসব। পথ ভুল করে যে জীবনজাহাজ পাড়ি দিয়েছে, তাও ঠিক পথ খুঁজে পাক।

→

কলকাতা কি আর্জেন্টিনা হয়ে উঠতে পারল?

মেসিকে ঘিরে এই শহরে বিশ্রী রকমের বিশৃঙ্খলা ঘটে গেল। ফুটবল পাগল পশ্চিমবঙ্গ হয়তো উন্মাদনা দমিয়ে রাখতে পারেনি। কলকাতার আর্জেন্টিনা উন্মাদনার সামাজিক মনস্তত্ত্ব আসলে এক সামষ্টিক পরিচয়ের আকাঙ্ক্ষা। দূরের এক দেশের ফুটবলকে ঘিরে বাঙালি এমন এক অনুভূতির জগৎ তৈরি করেছে, যেখানে অচেনা মানুষও এক পতাকার রঙে হঠাৎই আপন হয়ে ওঠে। মারাদোনার বিক্ষুব্ধ প্রতিভা হোক বা মেসির নীরব সংগ্রাম, বাঙালি তাদের গল্পে নিজেরই জীবনযুদ্ধের ছায়া দেখতে পায়।

→

বিতর্কিত, বর্ণময় আটাত্তরের আর্জেন্টিনার জোড়া ফলা

বিতর্কিত, বর্ণময় ’৭৮-এর আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপের সেই ৯-১০। লিওপোল্ডো লুকের ৯ নম্বরের পাশে মারিও কেম্পেসের ১০। দু’জনকে পাশাপাশি রাখলে যে কোনও সত্তর-আশির রকব্যান্ডের সদস্য বলে চালিয়ে দেওয়া যায়।

→

শেষ বলে কিছু নেই…

থিয়েটারে অঞ্জন দত্তের কামব্যাক ও সেরা ‘ফর্মে’ থাকতে থাকতে অবসরগ্রহণ অন্তত মানুষটাকে নতুন ভাবে আবিষ্কারের প্রবণতা জাগিয়ে তুলেছে। সেই জাগরণের মাধ্যম হতে পারে 'থিয়েটার নিয়ে অঞ্জন'। গ্রন্থের আকার বড় নয়, এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলা যায়। কিন্তু মাদকতা থেকে যায়।

→

কাহিনি নয়, ফর্ম আর ফাস্ট পেসিং-ই এ ছবির ইউএসপি

এ ছবি শেষ অবধি কেমন, নির্দেশনা-চিত্রগ্রহণ-সম্পাদনা-অভিনয় কত উৎকৃষ্ট অথবা নিকৃষ্ট, আদৌ তা বাংলা সিনেমার জগতে গেমচেঞ্জার কি না– ইত্যাকার প্রশ্নে না গিয়েও বলা যায় প্রায় পরস্পরবিরোধী দুই ধরনের প্লট ডিভাইসকে এমন মজাদারভাবে ব্যবহার করার জন্য অন্তত ছবিটি আমাদের মনে থেকে যাবে।

→