‘বাথরুম ক্যাম্পিং’ এক ধরনের কোপিং মেকানিজম। আমার, আপনার, নিশ্চিত কোনও স্বতন্ত্র কোপিং মেকানিজম আছে। থাকতে বাধ্য! আপনি এক কাপ চা খেয়ে দুর্বহ চিন্তাগুলো ফেলে দিতে পারেন রিসাইকেল বিনে। কেউ নদীর পাড়ে বসে থাকতে পারে নিশ্চুপ। আর কেউ যাচ্ছে বাথরুমে।
নরেন্দ্রনাথ রায় মূলত শিল্পী; দোতারা বাজানোর তাগিদেই তাঁর দোতারা বানানো। ভাওয়াইয়া গান এবং দোতারার পাশাপাশি সারিন্দা, বাঁশি– সবেতেই তাঁর অবাধ চলন। তবু তাঁর ‘শিল্পী’ পরিচয় প্রায় ঢেকে গেছে ‘কারিগর’ পরিচয়ের ছায়ায়। ভাওয়াইয়া দোতারা বানানোর ক্ষেত্রটিতে পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁর জীবন, তাঁর সংগীতের দর্শনকে খুঁজতে চেয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলল রোববার.ইন।
এখন রাস্তায় রাস্তায় অ্যাংরি ইয়ংম্যান! সেলিম-জাভেদের ‘অ্যাংরি ইয়ংম্যান’ অমিতাভের সঙ্গে এদের তফাত হল– এরা ‘এস্ট্যাব্লিশমেন্ট’-এর বিরুদ্ধে ‘অ্যাংরি’ নয়, এরা ‘এস্ট্যাব্লিশমেন্ট’-এর হয়ে ‘অ্যাংরি’। ‘দিওয়ার’-এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রোববার.ইন-এ বিশেষ নিবন্ধ।
মূলত শিশুদের জন্য গ্রামের মহিলা শিল্পীরা এই পুতুল তৈরি করতেন। অন্যান্য মৃৎসামগ্রী তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকতেন পুরুষ শিল্পীরা। যেহেতু রমণীদের হাতে গড়ে উঠত কাঁঠালিয়ার পুতুল, তাই নারী জীবনের উপাখ্যান এই পুতুলের প্রধান চরিত্র হয়ে উঠেছে।
ফলের কারবার যখন করতাম, তখন আমার সমস্যা হত ‘ফাটিয়ে দাও’ দাদাদের নিয়ে। ঢ্যাঁড়শ ফাটিয়ে কচিত্ব বোঝা যায়, নারকোল ফাটিয়ে বুড়োত্ব বোঝা যায়। ফলওলাদের ডাক্তার হতে হয়। নারকোলটা হাতে নিয়েই প্রথম কথা ‘ঝুনো হবে তো?’
রবীন্দ্রনাথ বিষয়ে বহু বই লিখেছেন তিনি। সেখানে বারবার উঠে এসেছে রবীন্দ্রনাথের যৌনতার প্রসঙ্গটি। এবং তাতে লেখকের খ্যাতির চেয়ে বেশি জুটেছে কুখ্যাতি। কেন লিখলেন তিনি গুরুদেবের যৌনতা নিয়ে, কীভাবে যৌনতা প্রসঙ্গটি রবীন্দ্রচর্চার অন্যান্য প্রসঙ্গকে পিছনে ফেলে আকর্ষণ করল তাঁকে? এ সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিলেন রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যতই শতাব্দী ধরে লালিত বিশ্বাসের ভিতকে নড়িয়ে দিক না কেন, দেখাই তো যাচ্ছে তা মানবজীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, উন্নয়ন, মুহুর্মুহু বিপ্লব। তো এরকম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উদযাপন যে কল্পবিজ্ঞান করত, তাকে হয়তো একটু বাড়াবাড়ি করলে ইউটোপিয়ান বলাই যায়।
যে রাজ্যে, যে দেশে তিনবেলার খাবারের সংস্থান এখনও হয়ে ওঠেনি, সেই ভূখণ্ডে মানুষের যা আছে তা-ও কেড়ে নেওয়ার সব ফন্দি নিয়ে হাজির শাসক দল। বুলডোজার দিয়ে ক্রমাগত বাড়ি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে আসামে। এই জুলাই মাসের শুরুর দিকেই ভেঙে দেওয়া হয়েছে ১৪০০ বাড়ি।
বিপ্লবের পরে, বিভিন্ন গির্জা এবং গির্জার সংলগ্ন যে সমস্ত দালান অধিকার করে সরকার ফ্ল্যাট আর সরাইখানায় পরিণত করে এতদিন ভাড়া দিয়ে আসছিল এখন দেশজুড়ে সেগুলি পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি মরিয়া হয়ে উঠেছে। একমাত্র মস্কো শহরেই এরকম আটশো দালান আছে।
গৃহকর্তার ভূমিকা টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে পরিবারের কোনও সদস্য যদি নিজেকে একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে, তা নিজের কন্যা হলেও, পুরুষের মাথার ঠিক থাকে না। কারণ অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদান করা পুরুষের গুরুদায়িত্ব এবং তা করতে গিয়ে সে মানসিক দূরত্বের শিকার হলেও ক্ষতি নেই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved