পূর্ণেন্দু পত্রীর প্রচ্ছদ দেখলেই সহজেই অনুধাবন করা যায় যে, কেবল টেকনিক-প্রধান একজন শিল্পী হলে এসব প্রচ্ছদ করা যায় না। বরং পূর্ণেন্দুর মধ্যে এক অখণ্ড কবিসত্তা আছে বলেই তাঁর শিল্পীমানস জন্ম দিতে পেরেছে একের পর এক স্মরণীয় প্রচ্ছদের। আর এখানেই তাঁর কবিসত্তা ও শিল্পীসত্তা হাত ধরাধরি করে হেঁটেছে দীর্ঘতম পথ।
‘চরক সংহিতা’য় চিকিৎসায় আরোগ্য অসম্ভব এমন রোগীদের ক্ষেত্রে ‘প্যাসিভ ইউথেনাসিয়া’-র পক্ষে সমর্থন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রাচীন গ্রিসের হিপোক্রেটিসের মতোই প্রাচীন ভারতের চিকিৎসকরাও হাজার চিকিৎসাতেও ‘সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকা অসম্ভব’– এমন রোগীর ক্ষেত্রে পরোক্ষ স্বেচ্ছামৃত্যুকে সমর্থন করতেন।
অতীতের স্বদেশি আন্দোলন থেকে আজকের উত্তপ্ত রাজনৈতিক বাস্তবতা– সব ক্ষেত্রেই রবীন্দ্রনাথের গান আমাদের শিখিয়ে দেয়, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, মানুষকে ভালোবাসা এবং বিবেককে জাগ্রত রাখাই প্রকৃত সাহস। তাই রবীন্দ্রসংগীত আজ শুধু সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নয়, আমাদের সামাজিক ও নৈতিক পুনর্জাগরণের এক অনির্বাণ শক্তি।
রোজা বা উপবাস কেবল কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের একক সম্পদ নয়, এটি আসলে মানব ইতিহাসের এক সুদীর্ঘ এবং অবিচ্ছিন্ন আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য। যা যুগের পর যুগ মানুষকে বস্তুগত মোহত্যাগ করে নৈতিক ও আত্মিক উন্নতির শিক্ষা দিয়ে আসছে।
যুদ্ধের প্রভাব থেকে জাত শিল্পের ভাষা প্রতিমার মুখের মতো নির্মল নয়। তা বক্র; তির্যক; জটিল। কারণ সত্য প্রকাশের ভাষা নিটোল হয় না। এই truth of art-এর কথাটা মনে রাখাটা আমাদের আশু কর্তব্য। না হলে সত্যনিষ্ঠ শিল্প প্রান্তিক হয়ে পড়ে। তার জায়গা নেয় falsity of art।
এই রকম প্রেমপত্র কতদিন পড়েননি বলুন তো? জীবনে একবারও কি পেয়েছেন এমন চিঠি? এমন প্রেমের চিঠি পড়ার থ্রিল ও পরম-লগ্ন কি এসেছে জীবনে?
হারিয়ে গিয়েছে প্রেমের পাহারাদাররা। একটা ভালোবাসা পরিপূর্ণ হতে অনেক মানুষের অবদান থাকে, যাদের পাশে থাকা বৃত্তকে পূর্ণ করে। প্রেমের মতো একটা বৃহৎ বৃত্ত থেকে এখন সেই মানুষগুলো ক্রমশ সরে যাচ্ছে। ছোট হয়ে আসছে বৃত্ত। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রেম এখন একটা কনটেন্ট হয়ে উঠেছে।
মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র, নবকৃষ্ণের কাছে একবার তিন লাখ টাকা ধার করেছিলেন। নবকৃষ্ণ জানালেন, উক্ত টাকা তাঁকে আর শোধ করতে হবে না। বিনিময়ে গোপীনাথ শোভাবাজারেই থাকবেন। বলাবাহুল্য রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ক্রুদ্ধ হয়ে লন্ডনের প্রিভি কাউন্সিলে এ নিয়ে মামলা দায়ের করেন। সে মামলার রায় হল রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকে গোপীনাথ ফেরত দিতে হবে।
মিশরে দেখেছিলাম অন্য মরুভূমির আবহ। ধুলোঝড়। পিরামিডের ধ্বংসাবশেষ। বিশাল ‘স্ফিংস’-এর নিচে দাঁড়িয়ে দেখেছি তার ক্ষয়ে যাওয়ার বিষন্নতা। অসহায় স্ফিংসের চোখ থেকে জল নয়, আলতো করে নিঃশব্দে খসে পড়ছে বালি।
ইরান মার্কিন স্যাংশানে। অথচ তারপরেও সেই স্যাংশনকে টপকে তেল ঠিক বিক্রি করে গেছে তারা। কিশ দ্বীপে খুলে ফেলেছে পেট্রল এবং পেট্রোলিয়াম জাত পণ্যের ডলার-বহির্ভূত বাণিজ্যের জন্য কমোডিটি এক্সচেঞ্জ– ইরানিয়ান অয়েল বোর্স। রাশিয়া এবং চিনের সঙ্গে পেট্রো-ডলার বিরোধী ব্লক তৈরি করেছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved