প্রিয়ম্বদা এসেছেন সুরেন্দ্রর নৈশপার্টিতে দুরুদুরু বক্ষে। কেননা সেই পার্টিতে আসছেন ওকাকুরা। যাঁর তিনটি বিখ্যাত বই-ই পড়েছেন তিনি। যাঁর সম্বন্ধে শুনেছেন অনেক গল্প। বিশেষ করে ওকাকুরার নারীপ্রীতির রূপকথা।
১৮৯৩ সালে আমেরিকার ধর্মমহাসভায় যোগদানের জন্য বিবেকানন্দ যখন জাপানের পথ ধরে আমেরিকা যাত্রা করেন, তখন ইয়োকোহামা থেকে ভাঙ্কুভারের যাওয়ার জাহাজে তাঁর সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল সহযাত্রী অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী জামশেদজি টাটার।
১৯০১ সালের ২২ জানুয়ারি ইংল্যান্ড থেকে এক টেলিগ্রামে রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যুসংবাদ কলকাতায় পৌঁছনোর অল্পক্ষণের মধ্যেই সেই শোকসংবাদ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা ভারতে। এরপর থেকেই ব্রিটিশ সরকারের পৃষ্ঠপোষণায় দেশের অভিজাত সম্প্রদায় ইংল্যান্ডের মহারানির মৃত্যুতে শোকপালনের প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছিল। ভারতের অগুনতি সংবাদপত্র যেভাবে নিজেদের পৃষ্ঠাগুলিকে কম্পিত ও সিক্ত করেছিল, বহু বছর পর সেগুলি দেখতে বসে করুণ রসের চেয়ে হাস্যরসের উদ্রেক বেশি হয়! রানি ভিক্টোরিয়ার প্রয়াণের ১২৫ বছরে ফিরে দেখা।
এই বাংলায় সেই কোন কালে জয়রামবাটি নামের এক অজ পাড়া-গাঁয়ে সারদামণি নামের এক বামুনের বিধবা আমজাদ নামের এক মুসলিম জোলার এঁটো পাত কুড়িয়ে তাঁকে সন্তানের সম্মান দিয়েছিলেন, এই কথাটি ভুলে গেলে চলবে?
একটা পাত্রে অনেকগুলো গোটা গোটা লঙ্কা ছিল। সাহেব সেগুলো কী জিজ্ঞেস করতেই স্বামীজি বললেন, ‘এগুলো ভারতীয় কুল’– বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে রোববার.ইন-এ বিশেষ নিবন্ধ।
নব্যবঙ্গীয় চিত্রকলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে ‘প্রবাসী’ আর ‘মর্ডান রিভিউ’-এর পাতা ভরে উঠেছিল তাঁর লেখা চিত্র-পরিচিতিতে। অবনীন্দ্রনাথ ভারতমাতার ছবি আঁকলে, সেটি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন ভগিনী নিবেদিতা। তাঁর মনে হয়েছিল, এটি নতুন ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে ভারতীয় শিল্পভাষায়, দেশের মানুষের জন্যে আঁকা ছবি।
মৃত্যু সম্পর্কে শ্রীরামকৃষ্ণ কী ভাবতেন, সে কথা নানা সময় বলে গিয়েছে নানা জনের সঙ্গে আলাপে-সংলাপে। আজ শ্রীরামকৃষ্ণর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ শ্রীরামকৃষ্ণর মৃত্যুভাবনা নিয়েই।
বাঙালি এইসব মামুলি ব্যাপারকে ধর্তব্যের মধ্যেও আনত না। মাত্র এক দশক আগেও এসব নিয়ে কেউ ভাবেনি। অথচ আজ বাঙালিকে এসব নিয়ে ভাবানো যাচ্ছে। কে ভাবাচ্ছে? বাঙালির একশ্রেণির লোকজন। যাদের মূল লক্ষ্য এই ভাষার হিন্দু-মুসলমান করে গোবলয়ের সঙ্গে তফাতটা আরও কমিয়ে আনা যাবে।
ঠাকুর বলছেন, মানুষকে প্রথমে বুঝতে হবে যে সংসার অত্যন্ত গোলমেলে জায়গা। সংসার হল বিদেশ। সেখানে বিদেশির বেশে ভ্রমে ঘুরে বেড়াচ্ছি। যেন অকারণেই। স্বদেশ হচ্ছে আমার চৈতন্য। আমার আত্মা। সেখানেই আমি স্থিত হতে পারলে আমার শান্তি। তবেই মুক্তি।
যন্ত্রণা, জীবনের অজস্র ক্লেশ ও দুর্ভোগ কী শিখিয়েছে বিবেকানন্দকে? টেবিলটাই যেন ফিশফিশ করে বলতে থাকে বিবেকানন্দকে জীবন-নির্যাতনের মর্মকথা
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved