

‘Taiwan Travelogue’ আরও একবার তুলে আনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একটি ঔপনিবেশিক শাসনাধীন দেশকে মানুষ কার চোখ দিয়ে দেখবেন? শাসকগোষ্ঠীর একজন সদস্যের চোখ দিয়ে, না কি শাসিতদের চোখ দিয়ে? এই দু’ ধরনের দেখা কি কোনও বিন্দুতে এসে মিলবে?
রাজনীতি বদলেছে, ভোটবাক্স বদলেছে, প্রচারমাধ্যমে এসেছে বিরাট বদল, কিন্তু ভোট জেতার কৌশল? আশ্চর্য! খুব বেশি বদলায়নি।
নারী-কদর্যতা এই অত্যন্ত আধুনিক সময়ে দাড়িয়ে মূলধারার সাহিত্যে প্রবলভাবে প্রবেশ করতে না-পারলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘ফেমিনিন-গ্রোটেস্ক’-এর বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা কিছুটা হলেও বেড়েছে।
একটি বিশেষ মাত্রা বইটিকে সমৃদ্ধ করেছে। তা হল, চিন্ময়ের গভীর সাহিত্যবোধ। সত্যজিতের সৃষ্টির মর্ম অনুধাবন করতে গিয়ে, তিনি ইংরেজি ও ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রতিচ্ছায়া মেলে ধরেছেন নৈপুণ্য সহকারে। পাশাপাশি উঠে এসেছে সত্যজিতের রাজনৈতিক নন্দন-ভাবনা এবং সামাজিক অঙ্গীকারের স্পর্শকাতর বিষয়টি।
পড়তে পড়তে বোঝা যায়, তথ্যচিত্র, চলচ্চিত্র মিলিয়ে সুন্দরবন নিয়ে এযাবৎ কম নয়। সবগুলিকে দু’-মলাটে ধরা সহজ ছিল না।
তথাগত চক্রবর্তী তাঁর ‘লোকশিল্পে রাজনীতির প্রভাব’ বইয়ের ‘কথামুখ’-এ লোকসংস্কৃতির এই প্রথাগত অনড়তার ধারণাটা ভাঙতে চেয়েছেন।
স্থির প্রজ্ঞা আর জীবন-অভিজ্ঞতার মহতী সঞ্চয় লেখাগুলিকে গভীরভাবে প্রোথিত রেখেছে মাটির সঙ্গে। উচ্চকিত বিদ্রোহ নেই বটে, কিন্তু এ লেখায় নিরপেক্ষতার ভানও নেই কোথাও। শ্রম সমাজ ও সাহিত্যের লেখাগুলি একত্রে সমাজের সম্মিলিত মানসে, অবচেতনে, সাহিত্যে এবং রাষ্ট্রের কাঠামোর মধ্যে নিহিত পিতৃতন্ত্রের মূল স্বরকে চিনিয়ে দেবে।
এই গদ্য যেমন ‘স্পষ্ট, সরল এবং অকৃত্রিম’, তেমনই ‘মায়াবী অথচ স্বাধীন এক দুঃসাহস’। ছোট এক গদ্যাংশে পাশাপাশি ‘চালের কারবার’, ‘রান্নাঘর’, ‘খাটা পায়খানা’ এবং ‘ভাঙা ফুলের টব’। ঠিক যেমনটা বাস্তবের পৃথিবীতে তাদের সহাবস্থান। ‘সভ্য’ মানুষ যাকে আলাদা রাখতে ‘সামাজিক স্বাচ্ছন্দ’ বোধ করে। কিন্তু কবির সে দায় নেই।
স্বপ্না দেব ছিলেন খ্যাতনামা সাংবাদিক। বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী সত্যনিষ্ঠ এক মানুষ। সারা জীবনে এসেছেন অসংখ্য মানুষের সংস্পর্শে। তাঁদের মধ্যে বহু মানুষই কৃতী। সেই সব অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনবোধকে আরও পরিপুষ্ট করেছে। এই বইয়ে লিখিত নানা ঘটনার ভিতর দিয়ে আমরা তা বুঝতে পারি।
আজকে যে বিশ্বব্যাপী নৈকট্য, তার থেকে অনেক আলাদা ছিল তখনকার বিজয়গড়, তখনকার উদ্বাস্তু কলোনি, তখনকার ভারত। ১০টি পর্বে সেই কাহিনির মালা গেঁথেছেন লেখক রংগন চক্রবর্তী।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved