Robbar

পাঁচমিশালি

গাজায় এখনও মৌমাছিরা উড়ছে!

গাজায় নতুন করে শুরু হয়েছে মৌ-পালন। ধ্বংসের মধ্য দিয়ে যাত্রা। মৌমাছি উড়ছে। কিছু ফুল এখনও অবশিষ্ট আছে। ফুলেরা একবার মৌমাছিকে অথবা মৌমাছিরা ফুলকে একবার খুঁজে পেলে বানচাল হয়ে যাবে তামাম এই যুদ্ধের দলিল। মাটি ফাটিয়ে সমস্ত সীমানা ঘুচিয়ে তারা আবার ফিরিয়ে আনবে সবুজ। আবার প্রাণ। আবার সেই এক জীবনীশক্তি, যার অধীনে ক্ষুদ্র মানুষের জন্ম।

→

নদীর সঙ্গে যুদ্ধ করে

গত তিন শতক ধরে বদলেছে বন্যার চরিত্র। উনিশ শতকের বন্যা ছিল প্রাকৃতিক, নদী প্লাবিত হয়ে। বিশ শতক থেকে মানুষের নদী-নিয়ন্ত্রণ শুরু। একুশে নগরায়ন। ফলে বন্যার চরিত্র এখন আরও জটিল। ভারী বৃষ্টিপাতজনিত নগর-বন্যা ক্রমশই ক্ষতিবৃদ্ধিকারী, কর্মনাশা হয়ে উঠছে। এর সমাধান কী?

→

বাদলের থিয়েটারে ধর্মের অ্যাবসার্ডিটি

বাদল সরকারের নাট্যদর্শনে আদি পাপের ধারণাটি কেবল সমাজ বা রাষ্ট্রের বৃহত্তর ক্যানভাসে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা প্রবেশ করেছে ব্যক্তিমানুষের মনস্তত্ত্বের গভীরতম স্তরে। বাদল সরকারের ঈশ্বরবিহীন পৃথিবীতে ‘কনফেশন বক্স’ হল– খোদ থিয়েটারের অঙ্গন, আর তার ফাদার হল– চরিত্রের দংশিত বিবেক।

→

কৃপাময়ীর মুখে ব্রতকথার গল্প

কৃপাময়ী কর্মকার পটচিত্র আঁকেন। সাঁঝ পুজনীর ব্রতের আলপনা দেন, গড়েন যমপুকুর ব্রতের পুতুল। ব্রতের আলপনা, ছড়া বা মাটির পুতুলের আড়ালে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে এক বৃহত্তর সত্য, ধরা পড়ে বাংলার মেয়েদের আনন্দ, বেদনা, আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামের ইতিহাস।

→

ওয়ানস আপন এ ক্রাইম…

শিশুসাহিত্য হিংসাকে অনেক সময় নৈতিকতা দেয়, ন্যায্য বলে প্রতিষ্ঠা করে– সব মিলিয়ে এক ধরনের বৈধতা দান করে। তখন সেই আচরণ বা মনোভাবকে আমরা ‘হিংসা’ বলে চিনতেই পারি না।

→

করুণা ও বিদ্বেষের ধারাবিবরণী

লেখার জন্য যে ‘রিপোর্টাজ’ স্টাইল রেণুর সহজাত ছিলই, সেটাই উপন্যাসের ছাঁচে ঢেলে, তিনি খুলে-মেলে দেখিয়ে দিতে চাইলেন আঞ্চলিক মানুষ কীভাবে বাঁচে প্রতিদিন, দারিদ্র-শোষণ-সংস্কারের মধ্যেই, করুণা আর বিদ্বেষ মিলিয়ে নিয়ে।

→

ইতিহাসের রসচক্র

রথ টানলেই জিলিপি আসে। রসগোল্লা-সন্দেশের বাবুয়ানি তার নেই; তবু বাঙালি রথে জিলিপি খাবে না, এ হতেই পারে না। বাঙালির এত আপন যে মিষ্টি, তার শুরু না কি বাংলায় নয়, ইরানে। আর সে খাবারকে ভারতে জনপ্রিয় করেছিল মোঘল শাসকরা। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলায় আসার রসচক্রটি ঠিক কেমন ছিল?

→

রথের রূপক

জগন্নাথের রথযাত্রা কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, তা আসলে মানুষ ও ঈশ্বরের, মানুষ ও মানুষের, মানুষ ও প্রকৃতির এবং জীবন ও মহাবিশ্বের মধ্যকার গভীর সম্পর্কের এক জীবন্ত উদ্‌যাপন। পুরীর তিন রথ আমাদের শেখায় যে, জীবনের প্রকৃত অর্থ নিহিত রয়েছে ভক্তি ও কর্মে, প্রকৃতি ও সভ্যতায়, ব্যক্তি ও সমাজে এবং আত্মা ও বিশ্বচৈতন্যের সমন্বয়ে।

→

মৃণালের অঞ্জন, অঞ্জনের মৃণাল

‘চালচিত্র এখন’ ছবিতে অভিনেতার ক্যানভাস রঙিন হয়ে উঠেছে অঞ্জনের চোখে ‘মৃণালদা’র যে প্রতিফলন হয়েছিল, তাই দিয়ে। সম্পূর্ণ মানুষটাকে নয়, বরং তাঁদের নিবিড় গুরু-শিষ্যের সম্পর্কটিকে অঞ্জন দত্ত তুলে ধরতে চেয়েছেন।

→

বাঁকুড়ার রথ পুতুলের মেলা

বাঙালির রথের মেলা আগে আলো করে থাকত মাটির পুতুল। সঙ্গে অবশ্যই থাকত কাঠের পুতুল, খেলনা গাড়ি ও তালপাতার সেপাই। আর বিকেলে পুতুলনাচের আসর। রথের মেলা থেকে পুতুল কিনেই গ্রামীণ বঙ্গজীবন ঝুলন সাজিয়ে তুলত। সেই ধারা কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে! তবু বিক্ষিপ্তভাবে সে আজও নিজের অস্তিত্বের কথা জানান দিয়ে চলেছে।

→