Robbar

পাঁচমিশালি

মালদার কালোবরন লোকদেবী কৃষ্ণাচণ্ডী

একটা বটবৃক্ষের ভিতর একটা কালো পাথরের পুজো হচ্ছে। তিনি কৃষ্ণাচণ্ডী। আগে মুখের একটা অবয়ব বোঝা গেলেও, এখন সিঁদুর লেপে মুখ আর বোঝা যায় না। তবে দেখে মনে হচ্ছিল কিছুটা বৌদ্ধদেবীর আদল।

→

এক মৃত্যু, ভিন্ন ক্যানভাস

পরিতোষ সেনের বর্ণনায় জানা যায়, মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের কাছে সংবাদ আসে যে তাঁর প্রিয় সভাসদ এনায়েত খাঁ মৃত্যুপথযাত্রী। খবরটি শোনামাত্র সম্রাট তাঁকে দেখার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন। এই মুহূর্তেই একটি ঐতিহাসিক শিল্পকর্মের জন্মের ইতিহাস সূচিত হয়। ইনায়েত খাঁ-র জীর্ণ দেহের নির্লিপ্ত প্রতিকৃতি অঙ্কনের নির্দেশ দিলেন জাহাঙ্গীর।

→

বন্দে মাতরম্‌-এ ভাষা যা হইলেন

ভবানন্দ গাইছিল দেবভাষায়, যেন স্তবগীতি। আন্দাজ করি, আরাধ্যার রূপ-মাধুর্য বর্ণনার পরে তার কণ্ঠ ক্রমশ উদ্দীপনার তীব্রতায় আচ্ছন্ন হয়ে উঠেছিল, ‘সপ্তকোটিকণ্ঠকলকলনিনাদকরালে–’; হঠাৎ নেহাৎ প্রাকৃতভাষায় বালকোচিত অনুযোগে সে আত্মধিক্কার ব্যক্ত করে বসে– ‘অবলা কেন মা এত বলে?’ স্তোত্র নেমে আসে স্লোগানে। দার্শনিকের অধ্যাত্ম সশস্ত্র বিপ্লবের উপযোগী হয়ে ওঠে।

→

চক্ষে আমার তৃষ্ণা

যোগেন চৌধুরী তাঁর ছবিতে কবিতার স্পর্শ নিয়ে এলেও, বিশেষত নারীদের চোখে, এইসব নারীচরিত্র সৃষ্টিতে অনেক বেশি বাস্তব ও প্রাণবন্ত। তাঁর নারীরা রবীন্দ্রনাথের চিত্রকলার নারীদের চেয়ে অনেক বেশি ‘রক্তমাংস’-এর!

→

সমুদ্র আঁকড়ে বেঁচে থাকা কোলিদের কি আমরা ক্লাইমেট রিফিউজি বানিয়ে দেব?

আজ থেকে ৮০০ বছর আগে একটা জনগোষ্ঠী পরিব্রজন করেছিলেন তাঁদের অসাধারণ সামুদ্রিক দক্ষতা ও জ্ঞান নিয়ে। তারপর তাঁরা শুধু মন দিয়ে সেই পেশাতেই নিযুক্ত থেকেছেন। আজ হঠাৎ সেই পেশা ছেড়ে তাঁরা কোথায় যাবেন? কী করবেন আগামী দিনে? তাঁরা কি এত বছরের প্রকৃতিলব্ধ জ্ঞান, ভাষা, সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলবেন?

→

এক বঙ্গ মহিলার জাপান যাত্রা

১৯১২-র পয়লা নভেম্বর ইয়েটস-এর ভূমিকা-সহ রবীন্দ্রনাথের নিজের করা ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হচ্ছে ‘দ্য ইন্ডিয়া সোসাইটি’ থেকে। আর এই নভেম্বরেই বাংলাদেশের ঢাকা শহরে প্রায় নীরবে ঘটছে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এই শহরের এক ২২ বছরের বাঙালি তরুণী তাঁর জাপানি স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির দেশ দেখবেন বলে রওনা দিচ্ছে জাহাজে। তরুণীর নাম হরিপ্রভা।

→

রিমি বিশ্বাসের মুঠোজগৎ

গোটা গোটা করে পরিষ্কার হাতের লেখায় ছ’টি শব্দ লেখে সাদা পাতায়। বাংলায়। পরের লাইনে ইংরেজিতে। ফের ছ’টি শব্দ। কারণ সে বিপদে ফেলতে চায় না বিম্বিসারকে,... যশোময়কে,... তার পরিচিত কাউকে।

→

‘অমানুষ’ ছবি দেখে উচ্ছ্বসিত দর্শকরা শক্তি সামন্তকে কাঁধে তুলে নিয়েছিল

নকশাল আতঙ্কের মধ্যে প্রাণের ভয়ে মুম্বই চলে গিয়েছিলেন উত্তম কুমার। সেখানেই আলাপ হয় শক্তি সামন্তর সঙ্গে। শক্তি তাঁকে নিয়ে বানান ভারতের প্রথম বাই-লিঙ্গুয়াল ছবি ‘অমানুষ’। হিন্দি ধাঁচে বানানো এই ছবি বাঙালি কতটা পছন্দ করবে তা নিয়ে সংশয় ছিল পরিচালকের। কিন্তু ঘটল সম্পূর্ণ বিপরীত।

→

এঁদো এলাকাকে আকর্ষণীয় দিঘায় পরিণত করেছিলেন এক সাহেব

যতদিন দিঘা থাকবে, ততদিন দিঘার সমুদ্রতটে প্রতিটি ঢেউয়ের ছোঁয়ায় লেখা হবে জন স্নেইথের নাম। দিঘার স্থপতি থেকে যাবেন তাঁর প্রাণপ্রিয় সমুদ্র-সৈকতে।

→

‘গোমাতার সন্তান’ বনাম স্বামী বিবেকানন্দ!

এই বাংলায় সেই কোন কালে জয়রামবাটি নামের এক অজ পাড়া-গাঁয়ে সারদামণি নামের এক বামুনের বিধবা আমজাদ নামের এক মুসলিম জোলার এঁটো পাত কুড়িয়ে তাঁকে সন্তানের সম্মান দিয়েছিলেন, এই কথাটি ভুলে গেলে চলবে?

→