

পেন-প্যাড অতীত, মিটিংয়ে নোট নিচ্ছে এআই। দীর্ঘকালের কাগজ-কলম পেষা থেকে মুক্তি। দ্রুত বদলে যাচ্ছে মিটিংয়ের ধরন; কথা শোনা, মনোযোগ দেওয়া, মনে রাখার ধরন। আমরা এখন আর মিটিংয়ে ঢোকার আগে পকেটে স্পর্শ করে দেখে নিই না, কলম আছে কি না।
মন্দিরের বিগ্রহ নন, এক জীবন্ত ঐতিহাসিক সত্তা, যাঁর লড়াই, যাঁর প্রেম, যাঁর বিনয় আজও আমাদের পথ দেখাতে পারে। আর এই সত্যনিষ্ঠ ইতিহাস চর্চার জন্য উমেশচন্দ্র বটব্যালের মতো এক আপসহীন, বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গিরও আমাদের কাছে সমানভাবে অপরিহার্য।
আজ থেকে বছর কুড়ি পূর্বে পূর্ণশশীর বাড়িটি যখন বিক্রয় হয়ে গেল তখন সেটি খালি করে দেওয়ার দায়িত্ব পড়েছিল আমার ওপরে। সেই বাড়ির একটি ঘরে দেখলাম কাদামাটি আর বর্ষার পচা জলের তলায় পড়ে আছে প্রচুর স্লেট-কাটিংয়ের নমুনা। পূর্ণশশীর উত্তরাধিকারীরা এই শিল্পকর্মের মর্যাদা বুঝেছিলেন বলে আমার মনে হয় না।
উট নিয়ে জটায়ুর যে রকম অপার কৌতূহল ছিল– কাঁটাওয়ালা গাছ উট কাঁটা বেছে খায় কি না ইত্যাদি– সেরকম নানা বেয়াড়া প্রশ্ন মনে এসেছিল। ভাবছিলাম, প্রায় ৭-৮ ফুট উঁচু উটের দুধ দোয়ানো হয় কীভাবে?
সংগ্রহ করে রাখা সজারুর কাঁটা দু’দিক পালিশ করে একটার পর একটা চিহড় পাতা জুড়ে চলে পাতা সেলাইয়ের কাজ। প্রথমে একটা পাতা, তারপর আরও দুটো পাতা, আবার তিন-চারটে পাতা, তাদের নিচে আরও পাতা– এভাবে ক্রমে মাছের আঁশের মতো সাজিয়ে, হাতের জাদুকরিতে তৈরি হয় থাকে ঘঙ।
তারাশঙ্করের যেমন বীরভূম, রামকুমারের তেমনই বাঁকুড়া। রাঢ় বাংলার প্রকৃতি, মানুষ, সমাজ ও অর্থনৈতিক অবস্থাকে তিনি হাতের তালুর মতো চেনেন। এই গভীর পরিচয়ের সঙ্গে মিশেছে তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ও আখ্যান রচনার আধুনিক কৃৎকৌশল। তাই তাঁর প্রতিটি উপন্যাসই একটি নতুন অভিজ্ঞতা।
মানবসম্পদ নিয়ে কাজ করা একটি নামজাদা অসরকারি সংস্থার সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে কিছু বিস্ময়কর তথ্য। সংস্থাটির নাম ‘ডিল’। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাপ্য ছুটি ব্যবহারের নিরিখে এশীয়-প্যাসিফিক দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে ভারত। বছরে যতগুলো সবেতন ছুটি পাওয়া যায়, তার পুরোপুরি ব্যবহার করেন মাত্র ১৭.২ শতাংশ ভারতীয় কর্মী।
ব্রিটিশ সরকারের চোখ এড়িয়ে জাপান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের প্রস্তুতি হিসেবে সুভাষচন্দ্রকে যিনি সাহায্য করেছিলেন, তিনি আনন্দমোহন সহায়, এই গোপন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন তাঁর স্ত্রী সতী (সেন), যিনি ছিলেন বাংলার মেয়ে।
‘বিবর্তন’ শীর্ষক এই প্রদর্শনী শুধু শিল্পকর্মের প্রদর্শন নয়; এটি এক গভীর মানস-অভিজ্ঞতা, এক বৌদ্ধিক যাত্রা, যেখানে দর্শক হয়ে ওঠেন অংশগ্রহণকারী। NGMA, নতুন দিল্লির উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রদর্শনী সমকালীন ভারতীয় শিল্পের বহুমাত্রিক সত্তাকে একত্রে উপলব্ধির সুযোগ করে দিয়েছে।
ইন্দিরা দেবী চৌধুরানীর ব্যতিক্রমী জীবনের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে উনিশ ও বিশ শতাব্দীর শিক্ষিত অভিজাত বাঙালির ইতিহাস ও সংস্কৃতি। রবির আলোয় উজ্জ্বল এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক অনন্য নিজস্ব পরিচিতি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved