

ব্রিটিশ সরকারের চোখ এড়িয়ে জাপান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের প্রস্তুতি হিসেবে সুভাষচন্দ্রকে যিনি সাহায্য করেছিলেন, তিনি আনন্দমোহন সহায়, এই গোপন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন তাঁর স্ত্রী সতী (সেন), যিনি ছিলেন বাংলার মেয়ে।
‘বিবর্তন’ শীর্ষক এই প্রদর্শনী শুধু শিল্পকর্মের প্রদর্শন নয়; এটি এক গভীর মানস-অভিজ্ঞতা, এক বৌদ্ধিক যাত্রা, যেখানে দর্শক হয়ে ওঠেন অংশগ্রহণকারী। NGMA, নতুন দিল্লির উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রদর্শনী সমকালীন ভারতীয় শিল্পের বহুমাত্রিক সত্তাকে একত্রে উপলব্ধির সুযোগ করে দিয়েছে।
ইন্দিরা দেবী চৌধুরানীর ব্যতিক্রমী জীবনের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে উনিশ ও বিশ শতাব্দীর শিক্ষিত অভিজাত বাঙালির ইতিহাস ও সংস্কৃতি। রবির আলোয় উজ্জ্বল এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক অনন্য নিজস্ব পরিচিতি।
অকিঞ্চিৎকর দৈনন্দিন উপাদান দিয়েই সত্যজিৎ আদর্শ লোকেশনকে চিহ্নিত করতেন। উপযোগী লোকেশন বাছাই করার সময়, ওই জায়গার বিশিষ্ট দু’-একটি বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের সন্ধান করতেন সত্যজিৎ। সেই নির্বাচিত লোকেশনের স্বাতন্ত্র্য-সূচক চিহ্নগুলোর অন্তরালে আমরা কখনও দেখতে পাই পরিযায়ী বন্যপ্রাণীর ইতিহাস, কখনও পুরাণের ছায়া, কখনও বা নৃতত্ত্ব।
রাঢ়বঙ্গে শিলাবতী নদীতীরে বাঁকুড়ার সিমলাপাল ব্লক। সেখানকার পুখুরিয়া গ্রামের নামটি আমাদের অনেকের কাছে অচেনা ঠেকলেও, কাঁসার তৈরি অভিনব ‘পেটাই ধ্বনিপাত্র’র (Singing bowl) সন্ধানে সেখানেই একদা এসে হাজির হয়েছিলেন জার্মান ইঞ্জিনিয়ার পিটার হেস।
একমাত্র সংরক্ষিত জলাভূমিগুলি ছাড়া বাকি সব জলাভূমিই আজ বিপন্ন, আর সেইসঙ্গে জলজ বাস্তুতন্ত্রে বাস করা এই প্রাণীটির অস্তিত্বও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। আগে মাছ-চাষিরা চাষের কিছুটা অংশ বন্যপ্রাণীদের জন্য ছেড়ে দিত। এখন চাহিদা পূরণের চাপে, মুনাফা বাড়াতে, মাছের উপর নির্ভরশীল বাঘরোলদের হত্যা করতেও মানুষ দ্বিধা করছে না।
গ্রীষ্মের দুপুরের যদি ফেসবুক থাকত, অ্যাকাউন্টে নীল টিক থাকত। দুপুরের মধ্যে সে-ই একমাত্র সেলেব্রিটি। দ্বিতীয় স্থানে শীতের দুপুর। কিন্তু হেমন্ত-বসন্ত-বর্ষা এমনকী, শরতের দুপুরও তেমন আমল পায় না। এই প্রবল গরমে তাই রোববার.ইন দুপুরসংক্রান্তি।
‘টায়োস্কোপ’-এর মতো অপূর্ব অন্ত্যমিল বাংলা ছড়া ছাড়া আর কোথায় সম্ভব! শৈশবের ‘ইকড়ি মিকড়ি’ জনৈক ‘দামোদর’-এর ঘরদোর নিয়ে টুকরো অসংলগ্ন ছবিতে কত গল্পই বলে গেল; এইসব ছড়া বাংলা মৌখিক ধারায় ‘ননসেন্স রাইম’-এর আদিরূপ যেন।
ডরোথির ভূমিকা প্রায় নিঃশব্দে মুছে গিয়েছিল কেরির জীবনচর্যা থেকে। ডরোথি অসাধারণ হতে চাননি, সাধারণ স্ত্রী এবং মায়ের ভূমিকায় ভালো থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অসম্ভব একাকিত্বে পাশে পাননি স্বামীর সাহচর্য। যে মনোযোগ, ভালোবাসা এবং চিকিৎসা ডরোথির দরকার ছিল– তা থেকে উপেক্ষিত থেকেছেন আজীবন।
লাল চুল ও ফর্সা ত্বকের অধিকারী মানুষরা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক দ্রুত এবং খুব সামান্য আলো থেকেও প্রচুর ভিটামিন-ডি তৈরি করতে পারে। উত্তর ইউরোপের অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনগুলোতে হাড়ের রোগ থেকে বাঁচতে এবং প্রজনন ক্ষমতা ধরে রাখতে এই বিবর্তন তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved