মাথা-বোঝাই ধান নিয়ে বাড়ি চলেছে চাষি। কাজ থেকে ফেরার পথে বানি-গরান-ঝাউয়ের জঙ্গলে, গাছের ছায়ায় মেয়েরা আজকাল জিরিয়ে নিতে পারে একটু। ওরা মনে মনে কুর্নিশ করে সেই মানুষকে, যিনি কবিতা লিখতে লিখতে ছায়াটুকুও আনিয়ে দিয়েছেন নোনা জলের মাটিতে। মেরু দেশের বরফ গলছে। পায়ের নিচে মাটি কতক্ষণ? স্মৃতি শুধু বলে যাবে– চেষ্টা চলেছিল সৃজনের।
একটা পাত্রে অনেকগুলো গোটা গোটা লঙ্কা ছিল। সাহেব সেগুলো কী জিজ্ঞেস করতেই স্বামীজি বললেন, ‘এগুলো ভারতীয় কুল’– বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে রোববার.ইন-এ বিশেষ নিবন্ধ।
মা এখন আমাকে বিষ দেওয়ার চেষ্টা করে। খাবারে। রোজ। একটু একটু করে। আমি জানি। বুঝি। ক্লাস সিক্সের শেষ থেকেই শুরু হয় এই খেলা। শুধু আমার সঙ্গে নয়। আমার আগের পাঁচ জন ভাইবোনের সঙ্গেও এই একই খেলা খেলেছে মা। সবাই হেরেছে। আমি এখনও হার মানিনি।
এ দেশের নকট্যুরিজম নতুন-পুরনো মিলিয়ে রয়েছে। হেরিটেজ ভ্রমণের মধ্যে জয়পুরের আমের দুর্গ, গোলকোন্ডা ফোর্ট, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, সোমনাথ মন্দিরের মতো অসংখ্য টুরিস্ট স্পটের লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো। রয়েছে বেনারস, অযোধ্যা ও হরিদ্বার ঘাটের সন্ধ্যা-আরতি। রয়েছে রনথম্বোরের নাইট সাফারি, পেরিয়ার লেকে বোট সাফারিও।
আমাদের ‘মৃত মেধা’ বা অলসতা আসলে AI-এর কাছে কাঁচামাল। আমরা যত কম ভাবব, যন্ত্র আমাদের হয়ে তত বেশি ভাববে, আর ততই আমরা সেই যন্ত্রের মালিকের হাতের পুতুলে পরিণত হব। এটাই আধুনিক দাসত্ব– যেখানে শিকল দেখা যায় না, কারণ শিকলটা আমাদের হাতে নয়, আমাদের মগজে পরানো হয়েছে।
আমাদের গিয়েছে যে উলের দিন, একেবারেই কি গিয়েছে? কিছুই কি নেই বাকি? শীত পড়েছে যখন জাঁকিয়ে, পুরনো গরম জামার মধ্যে থেকে, কখনওসখনও বেরিয়ে পড়ে আমাদের পুরনো শীত, পুরনো উলে-বোনা গরম জামার দিনকাল। নয়ের দশক থেকে ধীরে ধীরে এই বদলে যাওয়া পৃথিবীতে, সেই উল-বোনা জামা অনেকটা টাইমমেশিন।
গত বছর এই ক্যালেন্ডারের বিষয় ছিল, আমাদের দেশের মানুষের খাবারের বৈচিত্র। ২০২৬ সালকে ধরলে, এই ক্যালেন্ডার এবার পঞ্চম বছরে। এবারে এই ক্যালেন্ডার চেষ্টা করেছে শিল্পের মাধ্যমে প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধের জীবন্ত গল্পগুলিকে তুলে ধরতে।
সত্যজিৎ রায় বিশ্বাস করতেন, মানুষের সত্য আত্মপ্রকাশ ঘটে তখনই, যখন সে সামাজিক মুখোশের বাইরে থাকে। অপুকে তাই তিনি কোনও নাটকীয় প্রবেশে পরিচয় করাননি। কেবল একটি মাত্র চোখই যথার্থ সেখানে।
এবারের পৌষমেলা। কীরকম গেল? সঙ্গে বহু ছবি। মেলার চরিত্র কি এমনই ছিল? নাকি বদলে গিয়েছে একেবারে? পৌষের অন্য মেলার থেকে এই মেলা কি আলাদা কিছু?
ছবির ভাবের সঙ্গে চিত্রশিল্পীর নিজস্ব ভাব মিশে থাকে, সেই ব্যাপারে ক্যামেরার যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তা নিয়ে শিল্পীদের কোনও দ্বিমত ছিল না। ভারতশিল্পের অন্যতম রূপকার নন্দলাল বসু রাখঢাক না-করেই বলেছিলেন, ‘ক্যামেরা যন্ত্রমাত্র, হৃদয় ও বুদ্ধি নাই বলে তাতে প্রকৃতিতে যা আছে তার নিখুঁত ডিটেল উঠে মাত্র।’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved