

সে যন্ত্র এক বাক্স বিশেষ, যার মধ্যে ভর্তি পুতুল। বাক্সের ওপরের গর্তে একটা ধাতব মুদ্রা বা ‘মোহর’ ফেললে সেটা গড়াতে গড়াতে নিচে আসত, আর ঘটে চলত একের পর এক ঘটনা, ক্রমান্বয়ে, ওপর থেকে নিচে। শেষে একটা পুতুল বেরিয়ে আসত হাফিজের কবিতা লেখা চিরকুট নিয়ে। সেই আজব যন্ত্রই কাব্য-যন্ত্র।
সমকালীন সমাজ-জীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলি, মজিলপুরের পুতুল-নির্মাণের চরিত্র হয়ে ওঠে। তাদের তুলির টানে বাংলার চিরাচরিত পটচিত্রের ব্রাশ স্ট্রোক খুব সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। পূর্বপুরুষের সেই ধারা এই ২১ শতকেও বজায় রেখেছেন মৃৎশিল্পী শম্ভুনাথ দাস।
প্রশাসনিক ভবন নয়, বরং এই বাড়ি তৈরি হয়েছিল ‘কোম্পানি কা কেরানি কা বাড়ি’ হিসাবে, তারপর কিছুদিন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এবং শেষে সরকারি কাজকর্মের জন্য ভবনটি ব্যবহৃত হয়। আর স্বাধীন ভারতে এই লাল বাড়িটিই হয়ে উঠল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজ্য শাসনের মূল ভরকেন্দ্র ‘মহাকরণ’, আরেক নাম ‘রাইটার্স বিল্ডিং’।
এই রাজ্য কি আবার নতুন করে ঝুঁকি নেওয়া, উদ্ভাবন এবং শিল্পবান্ধব আত্মবিশ্বাসের ভাষা শিখতে পারবে? যদি পারে, তাহলে হয়তো একদিন সত্যিই বহু প্রবাসী বাঙালির কাছে ‘ফেরা’ শব্দটা শুধুই নস্টালজিয়া হয়ে থাকবে না, বাস্তব সম্ভাবনাও হয়ে উঠবে।
বৃষ্টি দিয়ে শুরু হয়ে এই উপন্যাস বৃষ্টি দিয়ে শেষ হয়, যেন এক বৃত্তই সম্পূর্ণ হল। অধ্যাপকের আক্ষেপ ছিল, যা কিছু ‘দামী’ সব ফেলে দিয়ে যা মূল্যহীন, তাকেই জড়ো করে চলেছি আমরা, সেই আমাদের ‘সুখ’-এর উপকরণ অথবা উপকরণের ‘সুখ’, তারই জন্য আমাদের রুদ্ধশ্বাস ছোটা।
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পরেও ইরানে নেকড়ের প্রতি সেই বিদ্বেষ থেমে থাকেনি। জরাথুস্ট্রবাদের সেই ‘অশুভ শক্তির প্রতীক’ হিসেবে নেকড়েকে দেখার মানসিকতা ইরানিদের অবচেতন মনে থেকে গিয়েছিল। ফেরদৌসী তুরানিও তাঁর শাহনামায় শত্রুদের নেকড়ের সাথে তুলনা করেছিলেন, যা এই প্রাণীর প্রতি ঘৃণাকে আরও উস্কে দিয়েছে।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সুন্দরবন-এর সোনালি ফুলের বনমধু সারা বিশ্বে পৌঁছেছে, জিআই ট্যাগ পেয়েছে সুন্দরবনের মধু। কিন্তু মধু সংগ্রাহকদের জীবন কতটা মধুর? কতটা স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ?
মিষ্টি জলের বাস্তুতন্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে ডলফিন। বাঘের সঙ্গে এদের তুলনা করা হয়, কারণ স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রে এরাই সর্বোচ্চ শিকারি হিসাবে বাস করে। তাই জীববিজ্ঞানী ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা এদের বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য নির্ধারণের একটি নিয়ামক বা সূচক হিসাবে ব্যবহার করেন।
গোটা প্রদর্শনীকক্ষে একাকী বেশ খানিকটা সময় কাটালে এই আর্কাইভগুলো জীবন্ত হয়ে কানের কাছে বোধহয় ফিসফিসিয়ে ওঠে, দর্শককে একটা খুব হালকা ধাক্কায় আরামদায়ক জায়গার থেকে সরিয়ে কেমন যেন একটা অস্বস্তির মধ্যে টেনে আনে।
সারা জীবনে পরলাম আটপৌরে ধনেখালি, টেকসই, কম দাম। তখন, সেই ১৯৬০-’৭০-এর সময়ে শাড়ির ভেতর-আঁচলে তাঁতিদের নাম লেখা থাকত– বট, কৃষ্ণ, নব ইত্যাদি। আমি তো পরতাম শাদা জমি অথবা off white। তার অনেক shade: গঙ্গাজলি, চন্দন, কোরা এইসব। প্লেন জমি অথবা খড়কে ডুরি (pinstripe)। সদ্যই প্রয়াত হয়েছেন বিদুষী সতী চট্টোপাধ্যায়। শাড়ি নিয়ে তাঁর একটি অপ্রকাশিত লেখা রইল পাঠকদের জন্য।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved