

অকিঞ্চিৎকর দৈনন্দিন উপাদান দিয়েই সত্যজিৎ আদর্শ লোকেশনকে চিহ্নিত করতেন। উপযোগী লোকেশন বাছাই করার সময়, ওই জায়গার বিশিষ্ট দু’-একটি বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের সন্ধান করতেন সত্যজিৎ। সেই নির্বাচিত লোকেশনের স্বাতন্ত্র্য-সূচক চিহ্নগুলোর অন্তরালে আমরা কখনও দেখতে পাই পরিযায়ী বন্যপ্রাণীর ইতিহাস, কখনও পুরাণের ছায়া, কখনও বা নৃতত্ত্ব।
রাঢ়বঙ্গে শিলাবতী নদীতীরে বাঁকুড়ার সিমলাপাল ব্লক। সেখানকার পুখুরিয়া গ্রামের নামটি আমাদের অনেকের কাছে অচেনা ঠেকলেও, কাঁসার তৈরি অভিনব ‘পেটাই ধ্বনিপাত্র’র (Singing bowl) সন্ধানে সেখানেই একদা এসে হাজির হয়েছিলেন জার্মান ইঞ্জিনিয়ার পিটার হেস।
একমাত্র সংরক্ষিত জলাভূমিগুলি ছাড়া বাকি সব জলাভূমিই আজ বিপন্ন, আর সেইসঙ্গে জলজ বাস্তুতন্ত্রে বাস করা এই প্রাণীটির অস্তিত্বও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। আগে মাছ-চাষিরা চাষের কিছুটা অংশ বন্যপ্রাণীদের জন্য ছেড়ে দিত। এখন চাহিদা পূরণের চাপে, মুনাফা বাড়াতে, মাছের উপর নির্ভরশীল বাঘরোলদের হত্যা করতেও মানুষ দ্বিধা করছে না।
গ্রীষ্মের দুপুরের যদি ফেসবুক থাকত, অ্যাকাউন্টে নীল টিক থাকত। দুপুরের মধ্যে সে-ই একমাত্র সেলেব্রিটি। দ্বিতীয় স্থানে শীতের দুপুর। কিন্তু হেমন্ত-বসন্ত-বর্ষা এমনকী, শরতের দুপুরও তেমন আমল পায় না। এই প্রবল গরমে তাই রোববার.ইন দুপুরসংক্রান্তি।
‘টায়োস্কোপ’-এর মতো অপূর্ব অন্ত্যমিল বাংলা ছড়া ছাড়া আর কোথায় সম্ভব! শৈশবের ‘ইকড়ি মিকড়ি’ জনৈক ‘দামোদর’-এর ঘরদোর নিয়ে টুকরো অসংলগ্ন ছবিতে কত গল্পই বলে গেল; এইসব ছড়া বাংলা মৌখিক ধারায় ‘ননসেন্স রাইম’-এর আদিরূপ যেন।
ডরোথির ভূমিকা প্রায় নিঃশব্দে মুছে গিয়েছিল কেরির জীবনচর্যা থেকে। ডরোথি অসাধারণ হতে চাননি, সাধারণ স্ত্রী এবং মায়ের ভূমিকায় ভালো থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অসম্ভব একাকিত্বে পাশে পাননি স্বামীর সাহচর্য। যে মনোযোগ, ভালোবাসা এবং চিকিৎসা ডরোথির দরকার ছিল– তা থেকে উপেক্ষিত থেকেছেন আজীবন।
লাল চুল ও ফর্সা ত্বকের অধিকারী মানুষরা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক দ্রুত এবং খুব সামান্য আলো থেকেও প্রচুর ভিটামিন-ডি তৈরি করতে পারে। উত্তর ইউরোপের অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনগুলোতে হাড়ের রোগ থেকে বাঁচতে এবং প্রজনন ক্ষমতা ধরে রাখতে এই বিবর্তন তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
পরিসংখ্যান বলছে, পৃথিবীর প্রায় ২৮ শতাংশ মানুষ প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবারের জন্য হলেও ব্যবহার করেন ভয়েস কম্যান্ড। আর কথা বলে স্মার্ট ডিভাইস চালানোর বৃদ্ধি যেভাবে হচ্ছে দুনিয়াজুড়ে, তাতে আমাদের দেশ একেবারে প্রথম সারিতে।
সে যন্ত্র এক বাক্স বিশেষ, যার মধ্যে ভর্তি পুতুল। বাক্সের ওপরের গর্তে একটা ধাতব মুদ্রা বা ‘মোহর’ ফেললে সেটা গড়াতে গড়াতে নিচে আসত, আর ঘটে চলত একের পর এক ঘটনা, ক্রমান্বয়ে, ওপর থেকে নিচে। শেষে একটা পুতুল বেরিয়ে আসত হাফিজের কবিতা লেখা চিরকুট নিয়ে। সেই আজব যন্ত্রই কাব্য-যন্ত্র।
সমকালীন সমাজ-জীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলি, মজিলপুরের পুতুল-নির্মাণের চরিত্র হয়ে ওঠে। তাদের তুলির টানে বাংলার চিরাচরিত পটচিত্রের ব্রাশ স্ট্রোক খুব সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। পূর্বপুরুষের সেই ধারা এই ২১ শতকেও বজায় রেখেছেন মৃৎশিল্পী শম্ভুনাথ দাস।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved