অতীতের জলতরঙ্গে ক্ষণিক পা ডুবিয়ে আমরা বর্তমানের সিঁড়ি ভাঙি, ভেঙে এসে দাঁড়াই ভবিষ্যতের চাতালে। কত কিছুই তো পুরনো হয়ে যায় জীবনে। ঘড়ি। ছাতা। কলম। পাড়া। প্রেমিকা। হয় না শুধু ঘর। কখনও হবেও না
ফিলিস্তিনি শিশুদের রক্তাক্ত নিথর শরীরগুলোতেও হয়তো অজস্র আদরের চাঁদের টিপ খুঁজে পেলেও পাওয়া যেতে পারে! কিন্তু চাঁদ প্রতি রাতজুড়ে কি সেই আদরের টিপ দেখতে সক্ষম?
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, উদাত্ত ঘোষণা ট্রাম্প বাহাদুরের: গাজ়ার অধিবাসীরা ভালোমানুষের মতো নতশিরে মানলে তো ভালো, নইলে, সমরাস্ত্রমণ্ডিত যুক্তরাষ্ট্রই সবলে তাদের। ততঃপর, ব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ নিজ পতাকা গাড়বে গাজ়ায়; অন্তে, ম্যারিকার শান্তিময় পূর্ণ-দখলদারিতে– নিশ্চয়ই, ‘রিয়েল এস্টেট’-বিশেষজ্ঞ ট্রাম্পের দক্ষ পরিচালনায় ও বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি ইলন মাস্ক জ্যায়সা অর্বুদ-নিযুতপতিদের সুখবিধায়, সুস্বাস্থ্যবিধায়– ভূমধ্যসাগরীয় গাজ়াকে রূপান্তরিত করা হবে রম্য পর্যটনকেন্দ্রে।
বিভিন্ন রিপোর্টে, বইয়ে, ইতিহাসে, ভার্চুয়াল তথ্যভাণ্ডার থেকে বই-পুথি-শিলালিপি ধ্বংসের যে হিসেব পাওয়া যায়, তা দিয়ে তৈরি হতে পারে আর-একটা আস্ত পৃথিবী– মানুষের কদর্য বর্বরতার নিদর্শন হিসেবে।
কেবলই পৃথিবী জুড়ে দৃশ্যের জন্ম হয়। অগুন্তি রিফিউজি কলোনির আকাশে এক ফালি চাঁদ।
আমি জানি অ্যান শেষটায় ধরা পড়ে গিয়েছিল। আমিও কি ধরা পড়ে যাব? মোবাইলটা যদি উদ্ধার হয়? এই লেখাগুলো পড়লে কি বাকিদের গাজার কথা মনে পড়বে?
এ আদতে যুদ্ধবিরতি না, গণহত্যাবিরতি। এই বিরতিটুকুতে পরবর্তী সমরনীতি ছকে ফেলা যায়, বন্ধুশিবির গুছিয়ে নেওয়া যায় এবং আর্থ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এঁচে নেওয়া যায়।
যুদ্ধপরিস্থিতির শেষ পর্ব। কিন্তু যুদ্ধ ততক্ষণ শেষ নয়, যতক্ষণ না মিলছে স্বাধীনতা।
চে গেভারা যখন বেঁচে ছিলেন, তখন তাঁকে কতজন চিনতেন? হয়তো এখন যতজন জাকারিয়া জুবেইদিকে চেনেন, ততজন।
৬,৮০০ জন ফিলিস্তিনির কোনও খোঁজ নেই। তাঁদের অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। যুদ্ধবিরতির সময়কালে যদি তাঁদের একাংশকে উদ্ধার করা যায়, তাহলে মৃতের সংখ্যা আরও অনেকটা বাড়বে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved