Robbar

Satyajit Ray

মোমরঙা শৈশবের খোঁজে

সাধারণ ছবি এআই-এর‌ সাহায্যে বদলে যাচ্ছে খানিক রঙিন, খানিক অসমান হাতে আঁকা অবয়বে। অ্যালগরিদম বা প্রম্পট এমনভাবেই বানানো হয়েছে যাতে করে প্রতিটি জেনারেটেড ইমেজেই থাকে শিশুসুলভ অসম্পূর্ণতার ছাপ। নিখুঁত, পরিপাটি ডিজিটাল ছবির ভিড়ে এই খানিক এলোমেলো চেহারা যেন অনলাইন দুনিয়ায় সতেজ হাওয়া বইয়ে দিয়েছে।

→

সত্যজিতের গল্পের ভদ্রলোকেরা

সত্যজিতের গল্পে ছেলেবেলার বন্ধুত্বের কথা বারবার ফিরে ফিরে আসে। একদা-নিবিড়ভাবে-আশ্লিষ্ট দুই বন্ধু, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাঁরা স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হয়েছেন।

→

নাৎসি ছাঁচে গড়া সত্যজিতের খল বিজ্ঞানীরা

নাৎসি ক্যাম্পের ড. ফিশারকে তাঁর সহকর্মীরা তাঁর ফার্স্ট নেম ধরেই ডাকতেন। অর্থাৎ, ফ্রিৎস। উনিশ-কুড়ি বছর বয়স থেকেই সত্যজিৎ রায়ের স্মৃতিতে এই ‘ফ্রিৎস’ নামটা গেঁথে গিয়েছিল! দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তিন দশক পরে এই ‘ফ্রিৎস’ নামটা সত্যজিৎ রায় ফিরিয়ে এনেছিলেন নিজের এক ছোটগল্পে।

→

নিঃসঙ্গ ও রুচিমান সত্যজিতের ছোটগল্পের চরিত্ররা

সত্যজিৎ রায়ের গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের প্যাটার্ন একটা জায়গায় অদ্ভুতভাবে প্রায়ক্ষেত্রেই এক যে, তারা একা মানুষ, এবং তাদের নিঃসঙ্গতায় তাদের গ্লানি নেই। তারা নিজেদের, নিজেদের মতো করে আবিষ্কার করে নিতে পারে। এই যে নিজেকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিতে পারা– এ-ও একটা নিজস্ব রুচির পরিচয় দেয়।

→

মছলিবাবা, ভেরি ফিসি!

সত্যজিৎ আসল মছলিবাবাকে পর্দায় নিয়ে এসেছেন দর্শকদের মনে একটা কৌতূহল তৈরি করে দিয়ে, মছলিবাবার সম্বন্ধে মোটামুটি তথ্য জানার পর। সেই দৃশ্যে, মছলিবাবাকে দেখানোর আগে আমরা দেখেছিলাম মছলিবাবার অনুষঙ্গ, কানা-উঁচু থালায় রাখা মাছের আঁশ।

→

ভারত ফোটোগ্রাফারদের স্বর্গ, বিশ্বাস করতেন রঘু রাই

নব্বই সালের আশপাশে ওঁর একটা কলকাতার ওপর বই বেরয়। পরে আবারও আরেকটা! তখন আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘আবার কলকাতা?’ বলেছিলেন, ‘কলকাতা আশ্চর্য শহর। সবার পরিবর্তন হয়। এ শহরের পরিবর্তন হয় না।’

→

সব কাঁটা কি বাছতে পারে মানুষ?

কিছু কাঁটা বেঁধে গলায়। কিছু পায়ে। চোরকাঁটার মতো কিছু লেগে থাকে গায়ে। তাকে যতই ঝাড়া হোক, যায় না।

→

ইতিহাসের স্বর ও লিপি

পুরনো কলকাতা। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যু। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। কলকাতায় বোমাতঙ্ক। মন্বন্তর: ‘ফ্যান দাও, ফ্যান দাও’। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। অখণ্ড বাংলা থেকে খণ্ড বাংলা। স্বাধীনতা। নকশাল আন্দোলন। এসবের সমান্তরালেই গান গাওয়া, গান শোনা। তাঁর বয়স আজ ১০০। এই সাক্ষাৎকার শুধুই এক গায়কের সাক্ষাৎকার নয়, ইতিহাসের সঙ্গে সংলাপ।

→

অমিয় চক্রবর্তীর ‘কবিতাসংগ্রহ’ ছিল নরেশ গুহ-র গুরুদক্ষিণা

নরেশদার সম্পাদনার একটা বিশেষ রীতি আমি অমিয় চক্রবর্তীর বই থেকেই লক্ষ করেছি। তিনি বই সম্পাদনা করলে সচরাচর বইয়ের শুরুতে নিজে কিছু লিখতেন না। সম্পাদকীয় থেকে শুরু করে যাবতীয় লেখালিখি থাকত বইয়ের শেষে। সম্ভবত তিনি মনে করতেন যাঁর সংগ্রহ বা সংকলন প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর লেখাই সে-বইয়ের প্রধান পরিচয়।

→

সত্যজিৎ রায়ের ছবি তোলা ছিল বাবার কাছে অক্সিজেন

বাবার তোলা মানিকজেঠুর ছবি আজও দেখলে মনে হয়, নতুনভাবে সত্যজিৎ রায়কে দেখছি। একটা ফ্রেশ দেখার চোখ আছে তাতে। অন্য অনেকেই তো সত্যজিতের ছবি তুলেছেন। কিন্তু এতটা জনপ্রিয় হয়েছে কি সেইসব? আলোকচিত্রী নিমাই ঘোষের মৃত্যুদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→