Robbar

Satyajit Ray

‘না কিনুন, একবার হাতে নিয়ে দেখুন!’

ভিড়ভর্তি মেলার মাঠে দু’ হাত অন্তর ছবি! হাতছানি দিয়ে ডাকছে, কতকটা আদ্যিকালের ছাপানো বিজ্ঞাপনের অদৃশ্য সুরে– ‘না কিনুন, একবার হাতে নিয়ে দেখুন!’ বিস্তর শিল্পী, লেখক, সম্পাদক, ছাপাখানার কর্মীদের সমবেত সম্মেলনে এক মহা ধুমধাম। বইয়ের ছবি? ছবির বই? নাকি ছবিতে গল্প? কোনটা? বোধহয় সবগুলোই সত্যি।

→

লীলাদিকে ‘রান্নার বই’ লিখতে বলেছিলাম আমিই

আমি প্রায়ই বলতাম, লীলাদি আপনি রান্নার ওপর একটা বই তো লিখতে পারেন! নানা কাজের চাপে উনি তখন না-লিখতে পারলেও, পরে, ১৯৭৯ সালে, ‘রান্নার বই’ তাঁর মেয়ের সঙ্গে লেখেন। জনপ্রিয়তার নিরিখে এ আমার নয়, সমস্ত বাঙালি জাতির গর্ব ও বিশেষ প্রাপ্তি।

→

একবিন্দু আত্মকরুণা নেই অঞ্জনের আত্মজীবনীতে

অঞ্জনের ‘অঞ্জন নিয়ে’ এমন এক আত্মস্মৃতি, যেখানে কিছু এমন ভাঙচুর হয়েছে, যা ঘটানো অঞ্জন ছাড়া কারও পক্ষে সম্ভব নয়।

→

তপন সিন্হা‌র তাচ্ছিল্য আমার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল

তপন সিংহ, আপনার ঘৃণা, তাচ্ছিল্য, অপভাষার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। না-হলে সাগরদা, সুনীলদা, পূর্ণেন্দুদাকে আমি অমন দাত্রী নৈকট্যে কাছে পেতাম না।

→

রিপোর্টাজ যখন হয়ে ওঠে কথাসাহিত্য

উপন্যাস, ছোটগল্প, এমনকী রিপোর্টাজেও তিনি ছিলেন অদ্বিতীয়। দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা-ভাষায়,ভাবে এবং প্রয়োগে স্বতন্ত্র। থিয়েটার, সিনেমা এবং মার্গসংগীতের পাশে অনায়াসে দ্যুতি ছড়াত সম্পাদক দীপেন্দ্রনাথের 'এথিকোপলিটিক্যাল' চর্চা।

→

উল বোনার সঙ্গে শীতের প্রেম ভেঙে গিয়েছে বহুকাল

আমাদের গিয়েছে যে উলের দিন, একেবারেই কি গিয়েছে? কিছুই কি নেই বাকি? শীত পড়েছে যখন জাঁকিয়ে, পুরনো গরম জামার মধ্যে থেকে, কখনওসখনও বেরিয়ে পড়ে আমাদের পুরনো শীত, পুরনো উলে-বোনা গরম জামার দিনকাল। নয়ের দশক থেকে ধীরে ধীরে এই বদলে যাওয়া পৃথিবীতে, সেই উল-বোনা জামা অনেকটা টাইমমেশিন।

→

সত্যজিতের সিনেমায় একচোখের ব্যবহার

সত্যজিৎ রায় বিশ্বাস করতেন, মানুষের সত্য আত্মপ্রকাশ ঘটে তখনই, যখন সে সামাজিক মুখোশের বাইরে থাকে। অপুকে তাই তিনি কোনও নাটকীয় প্রবেশে পরিচয় করাননি। কেবল একটি মাত্র চোখই যথার্থ সেখানে।

→

সত্যজিতের ‘মিষ্টি’যোগ

সত্যজিৎ রায়ের সিনেমায় বারবার করে এসেছে মিষ্টির প্রসঙ্গ। শুধু অলস, অকেজো ‘প্রপস’ হিসেবে নয়, কখনও নিবিড় বাঙালিয়ানায়, কখনও সিনেমার দিক নির্ধারণ করেছে। সেই মিষ্টি কখনও দোকানের, কখনও ময়রাকে অর্ডার দিয়ে বানানো, কখনও-বা বঙ্গের বাইরেরও।

→

শ্রীখ্রিস্টকীর্তন

কীর্তনের উদ্দেশ্যকে মাথায় রেখেই একসময় শুরু হয়েছিল ‘খ্রিস্টকীর্তন’! এর সূচনা সেই নদীয়ার চাপড়াতেই। সেখানে যিশুর বন্দনায় শোনা যেত শ্রীখোল, করতাল ইত্যাদি কীর্তন-উপযোগী বাদ্য।

→

‘বোধহয়’ এক অপ্রাসঙ্গিক অভিনেতা

একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া কোনও ছবির পোস্টারেই স্থান মেলেনি কল্যাণদার। অর্থাৎ, প্রধান বা মুখ্য চরিত্র তো নয়ই, পার্শ্বচরিত্রেও চিরকাল ব্রাত্য থেকে গিয়েছেন। তারপর সেই সুপারহিট গান ‘আমি কলকাতার রসগোল্লা’-র ব্যাকগ্রাউন্ডে নৃত্যরত কনস্টেবল; অতঃপর ধীরে ধীরে কিছু সময়ের জন্য আড়ালে চলে যাওয়া... বোধহয়।

→