আমাদের গিয়েছে যে উলের দিন, একেবারেই কি গিয়েছে? কিছুই কি নেই বাকি? শীত পড়েছে যখন জাঁকিয়ে, পুরনো গরম জামার মধ্যে থেকে, কখনওসখনও বেরিয়ে পড়ে আমাদের পুরনো শীত, পুরনো উলে-বোনা গরম জামার দিনকাল। নয়ের দশক থেকে ধীরে ধীরে এই বদলে যাওয়া পৃথিবীতে, সেই উল-বোনা জামা অনেকটা টাইমমেশিন।
সত্যজিৎ রায় বিশ্বাস করতেন, মানুষের সত্য আত্মপ্রকাশ ঘটে তখনই, যখন সে সামাজিক মুখোশের বাইরে থাকে। অপুকে তাই তিনি কোনও নাটকীয় প্রবেশে পরিচয় করাননি। কেবল একটি মাত্র চোখই যথার্থ সেখানে।
সত্যজিৎ রায়ের সিনেমায় বারবার করে এসেছে মিষ্টির প্রসঙ্গ। শুধু অলস, অকেজো ‘প্রপস’ হিসেবে নয়, কখনও নিবিড় বাঙালিয়ানায়, কখনও সিনেমার দিক নির্ধারণ করেছে। সেই মিষ্টি কখনও দোকানের, কখনও ময়রাকে অর্ডার দিয়ে বানানো, কখনও-বা বঙ্গের বাইরেরও।
কীর্তনের উদ্দেশ্যকে মাথায় রেখেই একসময় শুরু হয়েছিল ‘খ্রিস্টকীর্তন’! এর সূচনা সেই নদীয়ার চাপড়াতেই। সেখানে যিশুর বন্দনায় শোনা যেত শ্রীখোল, করতাল ইত্যাদি কীর্তন-উপযোগী বাদ্য।
একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া কোনও ছবির পোস্টারেই স্থান মেলেনি কল্যাণদার। অর্থাৎ, প্রধান বা মুখ্য চরিত্র তো নয়ই, পার্শ্বচরিত্রেও চিরকাল ব্রাত্য থেকে গিয়েছেন। তারপর সেই সুপারহিট গান ‘আমি কলকাতার রসগোল্লা’-র ব্যাকগ্রাউন্ডে নৃত্যরত কনস্টেবল; অতঃপর ধীরে ধীরে কিছু সময়ের জন্য আড়ালে চলে যাওয়া... বোধহয়।
কমল মিত্র যেসব ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন, সে সবক’টিতেই তিনি ছিলেন অবিশ্বাস্যরকম বিশ্বাসযোগ্য! কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ‘টাইপকাস্ট’– রাশভারী বাবার রোলে। জন্মদিনে, তাঁকে সমগ্রতায় দেখার এক চেষ্টা।
সত্যজিৎ রায় বেড়াতে বা সিনেমা তুলতে যেখানে গিয়েছেন পরে কখনও সেসব জায়গায় ফেলুদাকেও নিয়ে গিয়েছেন। এর মধ্যে জয়সলমীরের মরুভূমি, কাশী বা পুরীর মতো স্থান-মাহাত্ম্যওয়ালা জায়গা, হংকং বা লন্ডন, ইলোরার গুহা, লখনউ বোম্বাই আর শহর কলকাতা থাকলেও পাহাড়ের প্রতি তাঁর আকর্ষণটা যেন একটু বেশি ছিল বলে মনে হয়।
আজ রিলিজ করছে ‘রাপ্পা রায় অ্যান্ড ফুলস্টপ ডট কম’। বাংলায় প্রথম কমিকস থেকে ফিল্ম। সেই কমিকস চরিত্র রাপ্পা রায়ের স্রষ্টা সুযোগ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখলেন তাঁর রাপ্পা রায়ের নানা চরিত্রের নির্মাণ নিয়ে।
‘চলচ্চিত্র মানুষ এবং আরো কিছু’ বইটি প্রকাশের পরে পাঠকমহলে যথেষ্ট সাড়া পড়ে যায়। দু’-মলাটের মধ্যে ঋত্বিকের এতগুলো লেখা এর আগে কখনও আসেনি। তবে এ-কাজটিও সুরমা বউদি এবং ঋতবান ঘটকের সাগ্রহ অনুমোদন ছাড়া করা সম্ভব হত না।
ভারতে ‘কমার্শিয়াল আর্টের জনক’ অন্নদা মুন্সীকে নিজের অজান্তেই আত্মস্থ করেছি আশৈশব। অন্যভাবে বলতে গেলে, সত্যজিৎ রায়ের পর আরও দু’-প্রজন্ম (কী তারও বেশি) পার করেও অন্নদা মুন্সীর প্রভাব অটুট।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved