Robbar

Bangladesh

বাংলাদেশের উচ্ছৃঙ্খল অবস্থা দুই বাংলার সংখ্যালঘুকে বিপন্ন করে তুলছে

যারা আজকের বাংলাদেশকে এই হিংসা আর মূঢ়তার অন্ধকারে নিয়ে যেতে চাইছে, তারা ‘মৌলবাদী’ বা সাম্প্রদায়িক শুধু নয়, তারা জেহাদি এবং কোনও ধর্মের জেহাদিদের দ্বারাই কোনও সদর্থক কাজ হতে পারে না।

→

বাংলার ১৩০০ নদীর জল নির্গত হয় ঋত্বিকের ক্যামেরায়

ঋত্বিক ঘটক জন্মগ্রহণ করেন ঢাকার জিন্দাবাহার লেনের মামাবাড়িতে। এ বছর ঋত্বিকের জন্মশতবর্ষ পালিত হচ্ছে, আগামী বছর মহাশ্বেতা দেবীর জন্মশতবর্ষ পালিত হবে। ঢাকার যে বাড়িতে মহাশ্বেতা দেবী জন্মেছেন সেই বাড়িটি এখনও অক্ষত রয়েছে।

→

ক্ষতবিক্ষত ‘ছায়ানট’-এর সঞ্জীবনী হতে পারে রবীন্দ্রনাথের গানই

শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের নিরন্তর আসা-যাওয়া পাঠগ্রহণ দুই বাংলার মধ্যে সেতু রচনা করে আসছে নিরন্তর। ছায়ানটের সঙ্গে প্রতিনিয়তই সেই বিনিময় ও বন্ধন অটুট রয়েছে। কারণ, আমরা রবীন্দ্রনাথকে আমাদের ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি ও মানবতার বটবৃক্ষ রূপে জানি।

→

বাংলাদেশকে কারা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়?

ধর্মীয় উগ্রতার নামে লুটপাট আর বিপ্লবের নামে সংস্কৃতি ধ্বংস– এটাই ‘নতুন’ বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা। এখানে ধর্মীয় অবমাননার কারণ দিয়ে মানুষকে উলঙ্গ করে পুড়িয়ে উল্লাস করে মারা হয়। একুশ শতকে ২০২৫-এ এসেও বর্বর অন্ধকারময় যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। অথচ রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনও উদ্বেগ উৎকণ্ঠা নেই।

→

‘ছায়ানট’-এর শরীরে আঘাত করে মারটা কি রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত পৌঁছল?

আজ যদি শান্তিনিকেতনের উপাসনাগৃহ আঘাত পায়, আমি মনে করি, ঠিক তেমনই আঘাত পেয়েছে ছায়ানট।

→

দেওয়ালচিত্র দেখেই শিল্পে আগ্রহী হয়েছিলেন সোমনাথ হোর

বরমা গ্রামে কালীসাধকের আখড়ার দেওয়ালে দু’জন গ্রাম্য শিল্পী ‘শ্মশানে হরিশচন্দ্র’র কাহিনিচিত্র আঁকেন। এই আঁকা দেখে মুগ্ধ হয়ে সোমনাথ ছবি আঁকার দিকে আগ্রহী হন। সোমনাথের ছবি আঁকার আগ্রহ দেখে শৈলেন কাকা জলরঙের ছোট একটি বাক্স কিনে দেন।

→

বাঙাল ভাষা রপ্ত না হলেও ‘দ্যাশের বাড়ি’র প্রতি জ্যোতি বসুর টান ছিল অতুলনীয়

ঢাকার বিপ্লবী মদনমোহন ভৌমিক জ্যোতি বসুদের বারদীর বাড়িতে আত্মগোপন করেছিলেন। ডাক্তার বাড়ি বলে তেমন কেউ সন্দেহ করত না। তাই বিপ্লবীদের ভরসার আশ্রয়স্থল ছিল বসুদের বারদীর বাড়ি।

→

দুরন্ত ঘূর্ণির এই লেগেছে পাক

বাংলাদেশের সঙ্গে একদিনের ম্যাচে ৫০ ওভারই বল করলেন ক্যারিবিয়ান স্পিন বোলাররা! এই কাণ্ডকারখানা দেখে অবাক সারা পৃথিবী! এ যেন লেখালিখি ছেড়ে নিয়মিত র‍্যাম্পে হাঁটছেন সলমন রুশদি, যেন তবলা বাজানো ছেড়ে পায়রা পুষছেন জাকির হোসেন!

→

সমরেশ বসুর ‘দ্যাশের বাড়ি’ বেঁচে রয়েছে তাঁর সৃষ্টিতে, তাঁর গল্পে, উপন্যাসে

সমরেশ বসু ’৭২ সালে ঢাকা শহর ঘুরে গিয়ে পরের বছর, অর্থাৎ ১৯৭৩ সালে ‘মোক্তারদাদুর কেতুবধ’ নামে আত্মজীবনীমূলক একটি কিশোর উপন্যাস লেখেন। এই উপন্যাসে সমরেশের ঢাকার শৈশবজীবনের অনেকটাই ছবির মতো পাওয়া যায়।

→

বিলুপ্ত ওয়ালীউল্লাহ, ছদ্মনামের ওয়ালীউল্লাহ

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ অনেক বেশি সেল্ফ- ক্রিটিক্যাল নিজের এশীয় পরিচয়কে বিশ্বনাগরিকতার সাপেক্ষে বিচার করে দেখার ব্যাপারে। এবং, এই জন্য শিম রান্নার উৎকৃষ্ট পদ্ধতি জানার চেষ্টা নতুন ধরনের গদ্যভাষার অন্বেষণ মাত্র। আসল উদ্দেশ্য, নিজের বিশ্ববীক্ষার সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন উপস্থিত করা।

→