Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

শীতের প্রার্থনা, বসন্তের উত্তর: একদিন অথবা চিরদিন

এই কাব্যগ্রন্থের শীত দুঃসহ, রিক্ত, জীর্ণ পাতা ঝরাবার বেলা নিশ্চয়ই। আবার মনে হয় কবিজীবনের দিকে তাকালে মধ্যবয়সের এক অকাল বৈধব্য। আবার এই শীত জন্মান্তর। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে নতুন বীজের বসন্তের বার্তা।

→

জ্যোতির্ময় দত্ত আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর আন্ডারগ্রাউন্ডের ডেরায়

প্রয়াত সাংবাদিক, কবি, কিংবদন্তি পত্রিকা ‘কলকাতা’র সম্পাদক জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁকে নিয়ে স্মৃতিলিখন তপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জ্যোতির্ময় দত্তর অনুরোধে, তাঁর ‘কলকাতা’ পত্রিকাতেই হয়েছিল গদ্যের হাতেখড়ি হয়েছিল তপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

→

সত্যজিতের ‘মিষ্টি’যোগ

সত্যজিৎ রায়ের সিনেমায় বারবার করে এসেছে মিষ্টির প্রসঙ্গ। শুধু অলস, অকেজো ‘প্রপস’ হিসেবে নয়, কখনও নিবিড় বাঙালিয়ানায়, কখনও সিনেমার দিক নির্ধারণ করেছে। সেই মিষ্টি কখনও দোকানের, কখনও ময়রাকে অর্ডার দিয়ে বানানো, কখনও-বা বঙ্গের বাইরেরও।

→

স্বল্প আঁচড়ে গভীর দাগ কাটায় বিশ্বাস করতেন রমাপ্রসাদ বণিক

শুধুই দুর্বোধ্য বিষয় নয়, স্বল্প আঁচড়ে গভীর দাগ কাটাই স্রষ্টার কাজ। আবার বিষয়ের মধ্যে নাটকীয় ঘাত-প্রতিঘাত থাকাও বাঞ্ছনীয়। রমাপ্রসাদ বণিক সাধারণ বুদ্ধি-সম্পন্ন মানুষের জন্য নাটক নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, যেখানে রয়েছে বিষয়ের গভীরতা ও সত্যের অন্বেষণ।

→

এসেছে নতুন হিমযুগ?

বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর ‘কফিন অথবা সুটকেশ’ বইয়ের শেষ কবিতা ‘তৈরি হও’ আর পরের বই ‘হিমযুগ’-এর প্রথম কবিতার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে শীত ঋতু।

→

বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে স্পন্দিত এক অন্য মহানগর-কথা

তীব্র কালসচেতন এই উপন্যাস আমাদের দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে আসন্ন একটি প্রকাণ্ড নিরালম্বতার দিকে, আর আমরা প্রায় কেঁপে উঠি নিজেদেরই নিয়তি-দর্শনে।

→

রাঢ়ের কবিগানের পালায় হিঁদু হলেন চাঁদ মুহম্মদ, কাশীনাথ মুসলিম

দুর্গাপুজো উপলক্ষে গ্রামে বসেছে কবিগানের আসর। চাঁদ মুহম্মদ আর কাশীনাথ দেবনাথ। রাঢ়বঙ্গের দুই বিখ্যাত কবিয়াল। পালার বিষয় হিন্দু-মুসলমান। দুই ধর্মের অগুনতি শ্রোতা। শ্রোতারাই পালা নির্বাচন করে দিলেন। তবে শর্ত হল, হিঁদু হবেন চাঁদ মুহম্মদ। মুসলমান কাশীনাথ।

→

পাকিস্তানের সংস্কৃত-চর্চা প্রমাণ করে দেয় ভাষা আসলে ধর্ম-নিরপেক্ষ

আদান-প্রদান যে নতুন কিছু তা না। আরাকান রাজসভার কবিরা যে বাংলায় যে কাব্য লিখেছিলেন, সেগুলোর উৎস একটু খুঁজলেই দেখা যায়– অবিভক্ত ভারতবর্ষের কবিদের কবিতার সঙ্গে তার স্পষ্ট যোগসূত্র বর্তমান। এঁদের মধ্যে মুসলমানরাও ছিলেন, তাঁদের কাব্যে কৃষ্ণরাধাও ছিল, হোলিও ছিল।

→

শ্রীখ্রিস্টকীর্তন

কীর্তনের উদ্দেশ্যকে মাথায় রেখেই একসময় শুরু হয়েছিল ‘খ্রিস্টকীর্তন’! এর সূচনা সেই নদীয়ার চাপড়াতেই। সেখানে যিশুর বন্দনায় শোনা যেত শ্রীখোল, করতাল ইত্যাদি কীর্তন-উপযোগী বাদ্য।

→

শীতকালেই প্রথম বইয়ের জন্য কবিতালেখা, শীতকালেই সরে আসা কবিতা প্রকাশ থেকে

জয় গোস্বামীর বিরাট কাব্য-ভূখণ্ডের প্রবেশক দরজাটি আমাদের সামনে খুলে ধরে কে? খুলে ধরে তাঁর প্রথম বই ‘ক্রীসমাস ও শীতের সনেটগুচ্ছ’-র প্রথম কবিতার এই লাইন– ‘সমস্ত ক্ষুধার নীচে বালি আর সোরা আর গন্ধকের গৃহ’।

→