নীরব এবং গানবাবু– জীবনযুদ্ধে নানা ঝড়-ঝাপটা সামলে মানুষের বেঁচে থাকার অর্থকে তলিয়ে দেখতে চেয়েছে, নির্মোহ দৃষ্টিতে। আর সেই উপলব্ধির কেন্দ্রে বিরাজ করে শহর কলকাতা, তার সর্বগ্রাসী সত্তায়।
বাংলা সাহিত্যে কি দেবীর মতো নারীর উপস্থিতি নেই? তাঁরা কেমন? খেয়াল করে দেখবেন– সবর্ত্রই তারা দুঃখিনী। রূপকথার গল্পের দুয়োরানিরাই শ্রেষ্ঠ নারী। কারণ? কারণ তাঁদের ছিন্ন বস্ত্র, ভাঙা ঘর এবং চোখের জল তাদের পাঠকপ্রিয়তার কারণ।
সোভিয়েত নাগরিকত্ব আমাদের সময়কার কোনও ভারতীয়েরই ছিল না– এমনকী, গোপেন চক্রবর্তীরও ছিল না। সেই সময়কার জীবিতদের মধ্যে একমাত্র একজনই– ওই জ্যাক লিট্টনই ছিলেন এর ব্যতিক্রম।
যেদিন দেওয়ালে হাতে আঁকা ছবি নড়ল সেদিন দু’হাত তুলে চিৎকার করে আনন্দে প্রায় ‘ইউরেকা’ বলে উঠলেন চণ্ডীদা।
মেলবোর্নের জিন-বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জেনিফার গ্রিভস জানিয়েছেন, অশক্ত, দুর্বল গঠনের কারণেই ওয়াই ক্রোমোজোম ক্রমশ নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারছে না। ফলে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে পুরুষ নামক প্রজাতি।
সম্পর্কে হালকা ঘৃতাহুতি দেবে এই আগুন ছোঁয়া, এগিয়ে আসার ভঙ্গিটা চুম্বনের কিন্তু আসলে ছুতোটা সিগারেট ধরানোর– এইসব নানান উদ্দেশ্য-বিধেয়-সমাস-কারক।
মার্কোস ও তার সন্তান-সম্ভবা স্ত্রীর সঙ্গে কর্তারা যে ব্যবহার করেছিলেন, সেই অপমানও আমার পক্ষে ভোলা সম্ভব ছিল না।
আজ কলেজ স্ট্রিটে বাংলা বইয়ের ব্যবসায় ডিসকাউন্ট দেওয়ার যে-চল সেটা বাবার হাত ধরেই কি না তা বলার মতো তথ্যপ্রমাণ হয়তো আমার হাতে নেই, কিন্তু বাবা যে এই কাজের শুরু দিকের একজন মানুষ, তা বললে নিশ্চয়ই অত্যুক্তি হবে না।
অভিভাবক-হীন বড় শহরে যুবদের মেসবাড়িতে বসবাস করার এক অন্য দিকও ছিল, যা অনেকের কাছেই আদর্শ ছাত্র-জীবন হিসেবে গণ্য হত না।
কিন্তু যার নাম লম্বোদর তার পেট বড় না হলে চলবে কেমন করে! তার সমাধান শিল্পী করে দিয়েছে। গণেশ মাটিতে বসে কোলে একটা মাদল রেখে বাজাচ্ছে। সেটাই ভুঁড়ির মতো দেখাচ্ছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved