আনন্দমেলায় প্রকাশিত হাত জোকস আমার খুব প্রিয় ছিল। মশার কথা লিখতে গিয়ে শুরুতেই, জীবনে কোনওদিন ভুলব না– এমন একখানা মনে পড়ে গেল। কীরকম? প্রশ্ন: হাসপাতালের বেডে একটা আহত হাতি শুয়ে আছে, আর তার পাশের বেডে শুয়ে আছে একটা মশা, কেন? উত্তর: যদি প্রয়োজন হয় রক্তদান করবে বলে।
প্রজ্ঞা কী, এবং তা কি শেখানো যায়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, হ্যাঁ। জ্ঞানী ব্যক্তিদের গুণাবলি চিহ্নিত করার এবং সেগুলো অর্জনের উপায় বের করার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। প্রজ্ঞা বা জ্ঞানবোধকে মাপা যেমন কঠিন, তেমনই তার সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়াও সহজ নয়।
বিশ্বে এবং ভারতে বেশ কিছু জনপ্রিয় ‘ঘুমের প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত হয়। তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন ভিন্ন। ‘ওয়েকফিট স্লিপ ইন্টার্নশিপ’ এমন একটি জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা। এখানে নির্বাচিত ইন্টার্নদের ১০০ দিন ধরে দিনে ৯ ঘণ্টা করে ঘুমনোর জন্য মোটা অঙ্কের টাকা (কখনও ১ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত) দেওয়া হয়।
মিশরে দেখেছিলাম অন্য মরুভূমির আবহ। ধুলোঝড়। পিরামিডের ধ্বংসাবশেষ। বিশাল ‘স্ফিংস’-এর নিচে দাঁড়িয়ে দেখেছি তার ক্ষয়ে যাওয়ার বিষন্নতা। অসহায় স্ফিংসের চোখ থেকে জল নয়, আলতো করে নিঃশব্দে খসে পড়ছে বালি।
জীবনের ব্যক্তিগত স্তরেও আসলে আমরা বহু তালা বয়ে বেড়াই। অভিমান, ভয়, অপরাধবোধ। এসব আমাদের ভিতরের কক্ষগুলো বন্ধ করে রাখে। বাইরে থেকে কেউ জোর করলে দরজা ভাঙতে পারে, কিন্তু ভাঙা দরজা নিরাপত্তা দেয় না। দরকার হয়, সমঝোতা, ক্ষমা, ভালোবাসার মতো একটি উপযুক্ত চাবি।
বেঁধে থাকার মতো, বেঁধে রাখার মতো জিনিসের খোঁজ মানুষের প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই। সেই প্রস্তর ও ব্রোঞ্জ যুগেও। আঠার ব্যবহার কখনও তাদের অস্ত্রশস্ত্রে, কখনও বাসস্থান নির্মাণে, কখনও শিকারে, আবার কখনও শিল্পকলায়। গুহাচিত্রকে দেওয়ালে ধরে রাখতে এবং সেটাকে টেকসই করতে আঠার ভূমিকা সাংঘাতিক।
‘আমরা কোথায় যাচ্ছি কে তা জানে’, তবুও প্রশ্ন আমরা কি ঘুরে ঘুরে আবার পুরনো জায়গায় ফিরে আসি? গোটা পৃথিবীটাই তার আহ্নিক গতিতে নিজ অক্ষে এবং বার্ষিক গতিতে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে আগের জায়গায় ফিরে আসে বলেই তো শুনি। এই ঘূর্ণি দুর্নিবার, এক অনন্ত ঘূর্ণিপাক।
প্রেমের দৃশ্যায়নে দেখলাম ‘চুম্বন’-এর আধিক্য। চুম্বন দীর্ঘদিন ধরেই ভালোবাসা, আবেগ এবং ঘনিষ্ঠতার প্রতীক। ইতিহাস জুড়ে শিল্পীরা তাঁদের কাজে এই মুহূর্তগুলিকে ধারণ করেছেন। কোমল আলিঙ্গন থেকে শুরু করে আবেগপূর্ণ অধরে চুম্বন।
সমাজে উলকি মানে পরিচয়ের চিহ্ন। আফ্রিকার উপজাতি সমাজে, পলিনেশিয়ান দ্বীপপুঞ্জে কিংবা উত্তর ইউরোপের যোদ্ধাদের শরীরে ট্যাটু ছিল বংশ, বীরত্ব কিংবা দেবতার সঙ্গে সম্পর্কের সাক্ষ্য। জাপানের ইরেজুমি কখনও ছিল সাহসের অলংকার, আবার কখনও অপরাধীর গায়ে আঁকা সমাজবিরোধীর দাগ। ভারতীয় উপমহাদেশেও গ্রামীণ সমাজে নারীরা শরীরে ধারণ করেছে দেবদেবীর নাম, সৌন্দর্যের পাশাপাশি বিশ্বাসের আশ্রয়ে।
প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পশিক্ষার বাইরে মিউজিয়ামে প্রদর্শনী সাজাতে গিয়ে শুরুতে দুটো জিনিস খুব মজার লেগেছিল। ‘ডায়োরামা’ আর ‘ট্যাক্সিডার্মি’। ডায়োরামা একেবারেই নাটকের একটা মঞ্চের মতোই। আর কোনও জন্তু-জানোয়ারের তার নিজস্ব লোমওয়ালা চামড়াটা ব্যবহার করে, ভেতরে খড়কুটো বা তুলো ভরে সেটাকে সত্যিকারের সাইজে তৈরি করার নাম ট্যাক্সিডার্মি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved