Robbar

লোকমুখে শুনি ‘শিবপ্রসাদের ছবি’, অথচ সিনেমা তো নন্দিতা-শিবুর!

মহিলা পরিচালক হিসেবে সমসাময়িক বাংলা তথা ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে এত ব্যাপ্ত পরিসরে কাজ করা, সিনেমার মতো শিল্পমাধ্যমে খুব কঠিন ব্যাপার– নন্দিতাদি তা করে দেখিয়েছেন। আমার সৌভাগ্য সেই জার্নিটার সঙ্গে নিজেকে জুড়ে নিতে পেরেছি।

→

দুয়ে দুয়ে দুধ, না দই?

একের যেমন আঁটোসাঁটো বিপুল গৌরব, দু’য়ের কি তেমন গৌরব আছে? এক ক্লাসের ফার্স্ট বয় (নাকি গার্ল?), দুই বেচারা তো জীবনে ফার্স্ট হতে পারল না। সমাজেও দু’-নম্বরিদের খুবই দুর্নাম; যদিও দু’-নম্বরি লোকজনে সমাজ ছয়লাপ, তারাই এখন গ্লোরিয়াস মেজরিটি। কিন্তু এক হতে পারল না– এ দুঃখ নিয়ে দুই আদৌ এখন আর ভাবে কি না, জানি না।

→

গানের কথা খেয়াল করতেই আলাদা করতে পারলাম সুরকে

গানের কথার দিকে খেয়াল করতে শিখছি কিছুটা পরে, তখন সুর আর কথাকে খানিক আলাদা করতেও পারছি। আর গান বেছে নিচ্ছি তখন, কী গাইতে চাই, কী গাইতে চাই না, সেই গ্রহণ-বর্জনে কথাকে আলাদা করে চিনছি, আর সেই প্রোসেসটা ধীরে ধীরে জরুরি হয়ে উঠছে।

→

আমার হুইস্কি আমার চাট

আজও হুইস্কি-প্রসূত বেদনার ওপর ঝরে পড়ে তার রাঙা শাড়ির দুষ্টু আঁচল। তার পানতপ্ত ফাটলে জমে ওঠে ঘাম। সব কিছু এত টাটকা কেন আমার মনকেমনে? কেন হুইস্কির গোপন লকারে স্মৃতির পুরোনো গয়নাগুলো দূরের আকাশে উজ্জ্বল তারার মতো?

→

স্বতন্ত্র দুই বাদ্যের সমন্বয়ই তবলাকে মানুষের কাছাকাছি এনেছে

তবলার সাহিত্য রচনা করে বাঁয়া; আর সেই বহিঃপ্রকাশের ভাষাচরিত্র গঠন করে, সাহিত্যের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে ডাঁয়া তবলা। ডাঁয়া যদি গোটা কাঠামোটার মেরুদণ্ড হয়, বাঁয়া তবে রক্তমাংস। এই যে দুটো যন্ত্রের চরিত্র সম্পূর্ণ আলাদা, অথচ তারা পরস্পরের পরিপূরক।

→

বাতিল হয়ে গিয়েও সবকিছু বাতিল হয় না

একেবারে ফেলে দেওয়ার আগে একটু থাক। ওইটুকুই রয়ে যাওয়া, শিকড়ের সংরক্ষণ। চাইলে, ছিঁড়ে যাওয়া শাড়ি কেমন কাঁথা হয়ে থাকে আরামের।

→

একা বিমর্ষ, অনর্গল বন্ধুরাই শক্তির বেঁচে থাকার শক্তি

যে বাড়ি না ফিরে, ক্ষণে ক্ষণে বন্ধুর বাড়ি চলে যায়, তার কি একা থাকা মানায়? সে অন্তত দু’জনে, যুগলবন্দি।

→

রসশাস্ত্রে অদ্বিতীয়ের কোনও জয়কার নেই, সব জয় দ্বিতীয়ের

‘একঃ স্বাদু ন ভুঞ্জীত’। স্বাদুবস্তুর আস্বাদন একা গ্রহণ করতে নেই। বস্তুত পৃথিবীর স্বাদুতম বস্তুগুলো একা আস্বাদন করার মধ্যে একধরনের স্বমেহনী ব্যর্থতা আছে, সেটা খুব সূক্ষ্ম দৃষ্টি ছাড়া বোঝাই সম্ভব নয়।

→

বেঁচে থাক পাঠক আর রোববার.ইন-এর রোজকার বন্ধুত্ব

কাঁদা রোদ আর ঠান্ডা হাওয়ার এই বন্ধুত্ব বেঁচে থাক। বন্ধুত্ব বেঁচে থাক পাঠক ও রোববার.ইন-এরও। এই ডিজিটাল পৃথিবী তো ছোট হতে হতে আস্ত এক গ্রাম। মনে রাখবেন, ‘আমরা দুজন একটি গাঁয়ে থাকি। সেই আমাদের একটিমাত্র সুখ।’ রোববার.ইন-এর দ্বিতীয় জন্মদিনের বিশেষ নিবন্ধ।

→

বাঙালদের কাছে ডালের খাতির বেশি, ঘটিদের কাছে মাছটাই প্রিয়

এখনও লক্ষ্য করে দেখবেন, তিন প্রজন্ম পরেও বাঙালরা আগে মাছ, পরে ডাল খায়। কলকাতায় এসে এই উলটো কারবার দেখে বাঙালরা বেশ হকচকিয়ে ছিল। মাছের চেয়ে ডালের দাম কম বলে টানাটানির সংসারে ডালের ব্যবহার বেড়ে গেল বটে, কিন্তু ডালকে বাঙালরা অসম্মান করল না। জলসায় আগে মানবেন্দ্র, ধনঞ্জয়, পিন্টু কিন্তু শেষে হেমন্ত। তেমন শেষে ডাল।

→