এত সব কাব্যগাথা, এত সব মনের কথা, এত সুন্দর জীবন বেঁচে থাকার পরে উচিত হবে, চমৎকার বন্ধুর মতো মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা।
সম্পন্ন বনেদি পরিবারের তরফে নেমন্তন্ন করার সময় প্রায়শই আমন্ত্রণপত্রটি দেওয়া হত একটা পিতল বা কাঁসার থালায় ওপর রেখে। সঙ্গী হত পাশে শায়িত পান-সুপুরি। এই থালার পোশাকি নাম ছিল ‘আমন্ত্রণী থালা’।
তখন ‘ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা’ ত্রিপুরা-তে থিয়েটার-ইন-এডুকেশন নিয়ে পড়াশুনা করছি। সেই সময় রতন থিয়ামের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়েছিল। একদিন ক্লাসে পেন আনতে ভুলে গিয়েছিলাম। আমার অস্থিরতা লক্ষ করে তিনি বলেছিলেন, ‘পেহলে খুদকো ঢুন্ডো’। একটা ছোট্ট কথা, কিন্তু কী গভীর ব্যঞ্জনাপূর্ণ উক্তি!
বিবাহ অভিযান হবে। আর ‘বিয়ের গাড়ি’ থাকবে না, তা হয় নাকি! বর হোক কনে, দু’বাড়িতে বিয়ের জৌলুস বাড়িয়ে দেয় ফুলে সাজানো ধবধবে একখান গাড়ি। সবাই তাকে একডাকে চেনে– ‘বিয়ের গাড়ি’। আজ শুভক্ষণে সেই চার-চাকার সুখ-দুঃখের দু’চার কথা।
৭৩-এ পা দিলেন অঞ্জন দত্ত। তাঁর জীবন– কবিতা-গল্প-উপন্যাস নয়, সার্কাস। সার্কাস যে, তিনি লিখেছেন নিজেই, তাঁর সদ্য প্রকাশিত ‘অঞ্জন নিয়ে’ বইতে। কলকাতা আর দার্জিলিং বুকের মধ্যে নিয়ে ঘুরে বেড়ান তিনি আজও। মনে করেন, এই দুটো শহরই জৌলুস হারিয়েছে, কিন্তু এখনও ফুরিয়ে যায়নি একেবারে।
ভিএফএক্স বা বিভিন্ন টাইপফেস, টেমপ্লেট ইত্যাদি ব্যবহার করে আজ যেখানে অনেক সহজেই বানিয়ে নেওয়া যায় ফিল্ম ক্রেডিটস্, সে যুগের পেশাদার শিল্পীরা তা করতেন সম্পূর্ণ হাতে এঁকে! রামচন্দ্র সিন্ডে, দিগেন স্টুডিও– এঁদের পাশাপাশি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল ছিলেন নারায়ণ দেবনাথ।
শিবনারায়ণ রায় রবীন্দ্রনাথকে কোন আসনে বসাতেন তা ‘গণতন্ত্র, সংস্কৃতি ও অবক্ষয়’-এর পাতায় স্পষ্ট। তবে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে তাঁর কম বয়সে লেখা প্রবন্ধ নিয়ে কিন্তু একসময় বেশ তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে শান্তিনিকেতনে।
পুতুল এখানে মাটির কাছাকাছি। এখানে কোনও রাজা-রানি, নায়ক-নায়িকা, দেব-দেবী, দৈত্য-দানব নেই। আছে শুধু সাধারণ, প্রান্তিক, খেটে-খাওয়া মানুষ। তাই এর গানেও রোজের দিনের জীবনের ছোট-ছোট চাওয়া-পাওয়ার গল্প।
ব্রিজিট বার্দোর ক্যামিল চরিত্রটি প্রেম, নির্ভরতা ও স্বায়ত্তশাসনের টানাপোড়েনের প্রতীক। ‘লে মেপ্রি’-তে গদার দেখান, কীভাবে গ্রিক পুরাণের ওডিসি আধুনিক পুঁজিবাদী প্রযোজনার ভেতর পুনর্লিখিত হয়। বাস্তবের দুনিয়ায় দেবতারা নেই– আছে প্রযোজক, বাজার, আর আপসের নীরব হিংসা।
২০১৯ সালে এই বাঙালি মহিলা বিজ্ঞানী, বিভা চৌধুরীকে সম্মান জানাতে প্যারিসের ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিকাল ইউনিয়ন’ তাঁর নামে একটি নক্ষত্রের নাম রাখে। ইতিহাসের বুকে যে মেধাবিনীর ঠাঁই হয়নি, যাঁর কথা এখনও নিভৃতেই ঢাকা, সেই নক্ষত্রের সঙ্গে এভাবেই জুড়ে গিয়েছে বিভা চৌধুরীর নাম।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved