Robbar

কলাম

বিরোধিতার সহজপাঠ

আজকের কোনও তরুণ-তরুণী, যাঁরা নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে প্রবেশ করতে চলেছেন, বা এমন কেউ যাঁরা যুব রাজনীতি করেন এখনই, এমনকী, যাঁরা দীর্ঘকাল পার্টিজীবী, তাঁদের কাছে বিরোধিতার ‘সহজপাঠ’ তৈরি করলেন এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। যে সহজ পাঠের একটাই ভাষা– আপন করে নেওয়ার।

→

দেশভাগের সময় এক ট্রাঙ্ক পাণ্ডুলিপি বরিশালেই ফেলে এসেছিলেন জীবনানন্দ

বরিশালের ভূপ্রকৃতি, জলাভূমি, নদী, নিসর্গ জীবনানন্দের চেতনাজগৎ জুড়ে ছিল। তাঁর একান্ত আপন শহর। দেশ-বিভাগের বিয়োগান্ত নাটকের শুরুতেই; তৎকালীন মফস্‌সল শহর বরিশালের ‘সর্বানন্দ ভবন’ ছেড়ে ফিরে যান মহানগর কলকাতায়। তারপর যত দূরে গিয়েছেন, তাঁর পিছে পিছে হামাগুড়ি দিয়ে পৌঁছে গেছে বরিশাল।

→

সলিল চৌধুরীর সুর বাতিল করতে চেয়েছিলেন রাজ কাপুর!

একটা প্রাইভেট স্ক্রিনিংয়ে ডাকা হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রির সমস্ত তাবড় তাবড় মানুষজনকে। ‘মধুমতী’ ছবি সবাই দেখলেন। দেখার পরে সবাই সবার ভালোলাগা তাঁদের মতো করে বলছিলেন। হঠাৎ বিমল রায়কে ডেকে রাজ কাপুর বললেন, ‘এই গানগুলো চলবে না।’

→

সুরানিলয়ের টেবিল থেকেই জন্ম নিয়েছিল উপন্যাসের ভাবনা

উত্তর-আধুনিক ইউরোপিয়ান উপন্যাসের ইতিহাসে এই উপন্যাস নিঃসন্দেহে একটা সরণিফলক। জগৎ-বিখ্যাত উপন্যাস। যার লেখক এক বর্ণময় ভাবমূর্তির এবং বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধির নির্বাসিত নিঃসঙ্গ মানুষ। আরও একটু বলি, তার লেখার টেবিলের রং ছিল কালো। আর তিনি ছিলেন প্যারিসবাসী। ভালোবেসে ছিলেন এই পরবাসের নিজবাস! তাঁর ভাবনার টেবিল ছিল বাড়ির কাছেই এক সুরানিলয়ে।

→

চিরশত্রু থেকে শ্রেষ্ঠ জুটি

স্ত্রী ডেনিসে ডি অলিভিয়েরার গর্ভে তৃতীয় সন্তান ম্যাথিউস দু’দিন আগেই জন্মেছে। পিতা বেবেতো। দু’ হাতের কল্পিত দোলনা। ডানদিকে ঠিক একই ভঙ্গিতে সঙ্গীর অনুকরণ করলেন মাজিনহা। এবং বাঁদিকে রোমারিও। বেবেতো আনন্দে পাগল হয়ে জড়িয়ে ধরলেন রোমারিওকে। দীর্ঘ মনকষাকষি, রাইভ্যালরি একটি দৃশ্যেই উধাও।

→

জয় এখন শেষজীবনের বুদ্ধদেব বসুর মতোই প্রশ্নাতুর

কবি হিসেবে জয়ের প্রতিষ্ঠা বাইরের দিক থেকে যতটা বিস্ময়কর, ততটাই বিস্ময়কর তাঁর কবিতা নিয়ে অনবরত সংশয়ী প্রশ্ন করে চলা। তিরবিদ্ধ হরিণ যেমন বাঁচার পথ খোঁজে, কবিতাবিদ্ধ শরীরেরও তেমনই রক্তাক্ত পথ-সন্ধান জরুরি। তা কবির জন্য যেমন সত্য, কবিতা পাঠকের জন্যও তা-ই।

→

বিজ্ঞান পরিবেশনা ও মিউজিয়ামের অজানা গল্প

প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পশিক্ষার বাইরে মিউজিয়ামে প্রদর্শনী সাজাতে গিয়ে শুরুতে দুটো জিনিস খুব মজার লেগেছিল। ‘ডায়োরামা’ আর ‘ট্যাক্সিডার্মি’। ডায়োরামা একেবারেই নাটকের একটা মঞ্চের মতোই। আর কোনও জন্তু-জানোয়ারের তার নিজস্ব লোমওয়ালা চামড়াটা ব্যবহার করে, ভেতরে খড়কুটো বা তুলো ভরে সেটাকে সত্যিকারের সাইজে তৈরি করার নাম ট্যাক্সিডার্মি।

→

কোনও পসরাই অবিক্রিত পড়ে থাকে না বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলায়

বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলা যেন মেলার ক্লাইম্যাক্স। কিছুটা সস্তায় পাওয়া যায় বলে লোকে আরও ভিড় জমায়। মেলায় দোকানদারদের কথায় বাবা গোপালদাসের কৃপায় মেলার কোনও জিনিস অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকে না।

→

একবিন্দু আত্মকরুণা নেই অঞ্জনের আত্মজীবনীতে

অঞ্জনের ‘অঞ্জন নিয়ে’ এমন এক আত্মস্মৃতি, যেখানে কিছু এমন ভাঙচুর হয়েছে, যা ঘটানো অঞ্জন ছাড়া কারও পক্ষে সম্ভব নয়।

→

কালী তো রোজকার, সরস্বতী তো মোটে একদিনের গেস্ট!

স্কুলে সরস্বতী পুজো পাইনি বলে কলেজে, তার ওপর হস্টেলে থাকার সুযোগে সেই অভাব উসুল করার সুযোগ ঘটত। গেটের ভেতরে বাগানের সামনে গাড়ি ঢোকার রাস্তার ওপর রাত্রি দুটো পর্যন্ত দল বেঁধে আলপনা দেওয়াও বারণ ছিল না। দেবীকে সাজানো শেষ করে ভোর চারটেয় ঘুমতে যাওয়া, সকালে উঠে অঞ্জলি না দেওয়া। ভগবান বলে কিছু নেই। অঞ্জলি দেব কাকে?

→