বিষ-হাওয়ায়, দূষিত হাওয়ায় কলকাতার যত না শ্বাসকষ্ট হয়, তার চেয়ে বেশি শ্বাসরুদ্ধকর লাগে যখন এক গরিব প্যাটিস বিক্রেতা আক্রান্ত হন গীতাপাঠের আসরে। খাস কলকাতার বুকে, আর কোনও শীতে এমন দূষণ হয়েছে কি?
যজুর্বেদে ‘স্থালী’ শব্দটির প্রথম প্রয়োগ দেখা যায়। পতঞ্জলিও বড় ডিশ বলতে ‘স্থালী’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। ঋকবেদের ১/১৬২/১৩ ঋকে উখার কথা আছে। এটি যখন যজ্ঞকর্মে ব্যবহৃত হত, তখন এর গায়ে হুক লাগিয়ে যজ্ঞস্থলে ঝোলানো হত। বৌদ্ধসাহিত্য ঘটিকারসূত্র লিখেছে, ‘কুম্ভি’ নামে কুকিং-পটের কথা।
এমন আনন্দময় একটি অস্তিত্ব ছিল বাজার হেমব্রমের। কথা বলছেন, কাজ করছেন, গান করছেন। অমন মাপের শিল্পী, তবু দারিদ্র ছিলই ঘরে।
হাসি যে একটা বেনিয়মের শক্তি হয়ে উঠতে পারে, সেইটে রেনেসাঁস-উত্তর ইউরোপে এক ধরনের পাগলামি বলে দেগে দেওয়া হয়। সতেরো শতাব্দী থেকে হাসিকে অ্যাসাইলামে বন্দি করা হয়। ক্ষমতা গম্ভীরভাবে থাকতে চায়। কে না জানে গাম্ভীর্য নির্বোধের মুখোশ।
লেখার টেবিলের কি কোনও মন নেই? শুধুই শরীর? অসম্ভব। লেখার টেবিলের মন ছাড়া এমন থ্রিলার লেখা যায় না!
সবকিছু তো আর মেপে হয় না, আবার মাপজোখ ছাড়াও কিছু হয় না। গড়, আন্দাজ, বিশ্বাস– এসবের একটা বড়সড় ভূমিকা থাকত, সেকালের হিসেব-নিকেশে।
‘উপন্যাসসমগ্র’ প্রকাশের বছর দুয়েক পর একদিন বিকেলে নবারুণদা অপুকে ফোনে মজার সুরে বলেন, দে’জের ক্যাটালগে এত কবির ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ আছে অথচ তাঁর নেই কেন? অপু পালটা জানায় তিনি পাণ্ডুলিপি দিলেই তাঁর ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ ছাপা হবে।
বরমা গ্রামে কালীসাধকের আখড়ার দেওয়ালে দু’জন গ্রাম্য শিল্পী ‘শ্মশানে হরিশচন্দ্র’র কাহিনিচিত্র আঁকেন। এই আঁকা দেখে মুগ্ধ হয়ে সোমনাথ ছবি আঁকার দিকে আগ্রহী হন। সোমনাথের ছবি আঁকার আগ্রহ দেখে শৈলেন কাকা জলরঙের ছোট একটি বাক্স কিনে দেন।
ডান হাতের টুকটুকে তর্জনী রাঙা ঠোঁটে এমন ভাবে ধরা, যেন বলছেন, চুপ! অর্থাৎ, এই বইয়ে বাঙ্ময় চুপকথাই বেশি। যা বলব, তার থেকে বলব না অনেক বেশি।
আনন্দ-বিনোদন খেলার মুখ্য বৈশিষ্ট্য হলেও হাজার হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতিকে প্রকাশ করার স্বভাবগত তাগাদা খেলার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়। অনেক সময় গোষ্ঠী বা জাতির ঐতিহ্য প্রকাশের মাধ্যম হয়ে ওঠে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved