Robbar

কলাম

প্রেসের কাজে গাফিলতি দেখলে কড়া চিঠি লিখতেন সুবীরদা

মানবদা যেমন বলতেন অনুবাদের কাজ কখনও শেষ হতে পারে না, নিরন্তর চলতে থাকে। আমার মনে হয়, সুবীরদাও বিশ্বাস করতেন সম্পাদনা-সংকলনের কাজও কখনও শেষ হয় না, চলতেই থাকে।

→

আমৃত্যু যৌবন-যাপন করে গিয়েছেন যে লেখক

চন্দ্রপ্রসাদ শইকীয়াকে আমি প্রথম দেখি নয়ের দশকে। ওই সময়েই মহাভারতের কর্ণকে নিয়ে লেখা তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘মহারথী’ সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পায়, আর তিনি অকাদেমির জেনারেল কাউন্সিল এবং অসমিয়া পরামর্শদাতা সমিতির সদস্য হন।

→

ডানায় মুক্তির গন্ধ

মানুষ তার ইতিহাসের জন্মলগ্ন থেকেই কখনও নিজের সীমাবদ্ধতা মানতে পারেনি। সব সীমা অতিক্রম করে সে স্বাধীনতার মুক্ত আকাশে অবাধে উড়তে চেয়েছে। চিরকাল। কারণ, সেটাই তার প্রকৃত স্বভাব।

→

আসা-যাওয়ার কলাভবন

নন্দলাল চলে যাওয়ায় অসিতকুমার পুনরায় আর্ট কলেজের চাকরি ছেড়ে কলাভবনে যুক্ত হতে চাইলে রবীন্দ্রনাথ খুশি হয়েছেন। নন্দলাল ফিরে গিয়েছিলেন নভেম্বরের শেষে। জানুয়ারির গোড়াতেই রবীন্দ্রনাথের চিঠিতে অসিতকুমারের শান্তিনিকেতনে আসার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

→

তালবাহার

তালপাতার স্মৃতি। আজও আমাদের লোকসংস্কৃতিতে তালপাতার লেখা প্রথাটি টিকে আছে। নবজাতকের জন্মের ষেটেরার দিনে তালপাতায় দুর্গানাম লিখে শিশুর মাথায় গোড়ায় রাখা হয়। বিশ্বাস হল, এই দিন বিধাতাপুরুষ নবজাতকের বিধিলিপি রচনা করবেন ঐ তালপাতাতেই।

→

নরহিংসা, বুঝস না, নরহিংসাহ!

রানাঘাট স্টেশনের বিকটাকৃতি মানুষটির ওই ‘নরহিংসা’ বলা জীবনে বারবার ধ্রুবপদের মতো ফিরে এসেছে।

→

অমৃতা চেয়েছিলেন, তাঁর পরিচয় তাঁর শরীরকে পেরিয়ে যাক

অমৃতা। অমৃতা শেরগিল। প্রেমে পড়েছেন। নিজের প্রেমে। ভরা যৌবন তাঁর। কিন্তু তিনি জানেন না তাঁর সঠিক পরিচয়। কোনও কোনও পুরুষ তাঁকে বলেছে, তাঁর প্রথম ও শেষ পরিচয়– তিনি সুন্দরী। তাঁর শুনতে ভালো লেগেছে এই ইঙ্গিত ও ইশারা। কিন্তু অমৃতা চান, তাঁর পরিচয় পেরিয়ে যাক তাঁর শরীর।

→

বাবু কলকাতার উবু মানুষ

এই ধর্মসাধন যেমন বাবু নরেন্দ্রকে আর উবু লাটুকে মিলিয়ে দেয়, তেমনই রবীন্দ্র-মানসেও কি সামাজিক ও রাজনৈতিক স্তরে কোনও ব্যবস্থাপনার আদর্শ উঁকি দিচ্ছিল, যা পাশ্চাত্যের বর্বর সীমাবদ্ধ রাষ্ট্রতন্ত্রকে ভেঙে ফেলবে?

→

করোগেটেড কাগজের অভাবে আটকে ছিল সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যসংগ্রহ

কাব্যসংগ্রহ প্রকাশের সময় আমি বইয়ের ডাস্ট জ্যাকেটের কাগজ জোগাড় করতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছিলাম। নাভানা সংস্করণের বইয়ে ডাস্ট জ্যাকেটে এক ধরনের করোগেটেড অফ-হোয়াইট কাগজ ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটা আবার স্বপনদার খুবই পছন্দ ছিল। তিনি চেয়েছিলেন, আমাদের সংস্করণেও ওইরকম কাগজ ব্যবহার করা হোক।

→

সতীর সন্ধানে

সতী কে? শুনলাম, তিনি না কি এই গাঁয়েরই মেয়ে। পরে অন্যরকম জীবন হয় তাঁর। তিনি কিছু একটা দেখেছেন ওই মুকুরটিলায় গামারের বনে। কীভাবেই বা খোঁজ পাব তাঁর? অপরিচিতা একজন মহিলা সম্পর্কে গাঁয়ের লোকের কাছে কিছু জানতে যাওয়া ভালো দেখাবে কি?

→