


স্রেফ তালগাছকে নিয়ে একটা ব্রত আমাদের বাংলায় আজও পালিত হয়। তার নাম তালনবমী। বিভূতিভূষণের ‘তালনবমী’ গল্পের কথা এই প্রসঙ্গে অনেকের মনে পড়বে। শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর সঙ্গে পাকা তালের প্রসঙ্গ অস্বীকার করার উপায় নেই। পাকা তালের বিভিন্ন পদ তিনি খেতে ভালোবাসেন। নন্দোৎসবে ছেলেপুলেদের নারকেল কাড়াকাড়ি, দধিকাদা ইত্যাদি লোক-উৎসব হলেও ভোজনে সেই পাকা তাল।
৩২.
তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে
সব গাছ ছাড়িয়ে
উঁকি মারে আকাশে।
রবি ঠাকুরের এই কবিতা নিয়েই আমাদের যত আদিখ্যেতা। গাছটি যতখানি অনাদৃত ততটাই অবহেলিত। শহর অঞ্চলে তালগাছের দেখা নেই। এত যে বনসৃজন, অরণ্য-সপ্তাহ ঘটা করে পালন করা হয়– তালগাছ কোথায়! আবার গাঁ-গঞ্জে চলুন– সেখানেও কেউ যত্ন-আত্তি করে তালগাছ লাগাচ্ছে, এমন পাগল এখন মেলা ভার।
অথচ তালগাছ, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে, গোটা গাছটাই একসময়ে অতি প্রয়োজনের বৃক্ষ। তালের প্রকাণ্ড কাণ্ড থেকে শুরু করে তালপাতা, তালের রস, তালশাঁশ আর পাকা তালের তো কথাই নেই। তালশাঁসের মেলা বসে বাংলার অনেক স্থানে। এমনকী আঁটিটুকু নিয়েও টানাটানি। তালের আঁকুড়ের স্বাদ লা-জবাব। বাংলা সাহিত্য আর লৌকিক সংস্কৃতি জুড়ে তালগাছের জয়জয়কার।

মহাকাব্যে তালগাছ স্বমহিমায় মাথা উঁচু করে আছে। বাল্মীকি রামায়ণে ভরদ্বাজ আশ্রম (২/৯৫/৫০) কিংবা পঞ্চবটি বনে নির্মিত রামকুঁড়ের ছাউনি, মহাভারতে ধনুক নির্মাণে তালগাছের কাণ্ডের ব্যবহার ইত্যাদি জানা যায়। ভারহুত সাঁচী অমরাবতী স্তূপে তালগাছের খোদাই বিস্ময়কর। ধোয়ীর ‘পবনদূত’ কাব্যে আছে সেকালে রাজ-পরিবারের মেয়েরাও তালপাতার অলংকার পরতেন; ‘তালীপত্রং নবশশিকলাকোমলং যত্র যাতি’।
গাঁ-গঞ্জে তালপুকুর, তালদিঘি, তালবোনা নামে পুকুরের ছড়াছড়ি। বছর ২০ আগেও গাঁয়ে-গাঁয়ে মাটির বাড়ির রমরমা। বান, বন্যা আর খরচ এবং আর্থিক সচ্ছলতায় মাটির বাড়ি এখন চাটি হয়ে গিয়েছে। মাথা তুলছে দু’ কামরার পাকাবাড়ি। অথচ মাটির বাড়ির সাঙা ষড়দল খুঁটি ছাঁটামো তথা চালের কাঠামো বলতে সার-ওলা তালের কাঠ অর্থাৎ তালের কাঁড়ি। তাল-কাঠুরেদের দড়ি বেঁধে তিন ছ্যা করে তালগাছ কাটা ছিল পরিশ্রমী শিল্প। বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে তাদের পেশা।
দুর্গাপুজো আর কালীপুজোয় তালপাতার বিরাট চাহিদা ছিল। তালপাতার ছাউনির আটচালায় দাঁড়ালে অদ্ভুত একটা আধশুকনো গন্ধ ভেসে আসত। পুজোর গন্ধের সঙ্গে মিলেমিশে সে এক অনিবর্চনীয় অনুভূতি। সাবেকি কালী মায়ের মন্দির মানেই তালপাতারই কুঁড়েঘর। কুঁড়েঘরের আচ্ছাদন বলতে তালপাতা। তালের ছাতা আজও গেরস্থ বাড়িতে খুঁজলে মেলে।

বর্ষার হাত থেকে বাঁচার জন্য তালপাতার পেঁকে বা ঘঙ দেখার জিনিস। কোমর অবধি ছড়িয়ে পড়ত পাতার আচ্ছাদন। দেখতে ঠিক যেন ডোঙার মতো। ডোঙাও তৈরি হয় তালগাছ কুঁদে। কেউ কেউ তালপাতার মাথালি বুনত। মেয়েরা গরমের দুপুরে অবসরে বুনত চৌকো আসন চাটাই।
ডোমপাড়ার মেয়েরা হাতপাখা, তালের টুপাই আর তালাই বুনত আপনমনে। স্থানীয় হাটে বিক্রি করতে যেত তাদের মরদরা। বাবলাতলার ছায়ায় বসে বড়রা ছোটদের জন্য তৈরি করে দিত তালপাতার ঘড়ি, কাঁটা বেঁধানো ঘুড়ি। হাওয়া দিলে বনবন করে ঘুরত। আর ছিল পাতার চশমা আর লম্বা সানাইয়ের মতো বাঁশি। প্যাঁ-পোঁ আওয়াজ করে পাড়া মাতিয়ে দিত ছোট-ছোট ছেলেমেয়েরা। কেউ কেউ বানিয়ে দিত তালপাতার সেপাই কিংবা তালপাতার হাত-পা নড়ানো তালভূত।

চোত-ফাগুন মাসে তালগাছ নিয়ে এলাহি কাণ্ড। যেসব পুরুষ গাছ আছে, গ্রাম্যভাষায় তার নাম আঁড়া গাছ। গাছের মুচি এলে নেশাড়ুরা মালিকের কাছে ঠেকো নিয়ে রসের কারবার শুরু করে দিত।
গাছ সমান লম্বা কঞ্চিওলা বাঁশ গাছের গোড়ায় গেড়ে দিত। কঞ্চির খাপে খাপে সিঁড়ির মতো গাছে উঠে যেত তালগাছে, কোমরে কয়েকটা হাঁড়ি ঝুলিয়ে। গাছ ভালো করে ঝু্রে সবজে রঙের মুচির ডগটাকে ধারালো হেঁসো দিয়ে ছুলে ভরে দিত হাঁড়িতে।

এক-একটা গাছে বিশ-বাইশটা হাঁড়ি। হাঁড়িগুলি ভালো করে তালপাতা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হত। রসের মৌতাতে হাজির হয় নানা ধরনের কীটপতঙ্গ। সেগুলোকে ঠেকানোর জন্যই এই কৌশল।
ভোর থাকতে সতের বালতিতে রশি বেঁধে ধীরে ধীরে নামানো হত সেই রস। সাদা ফেনাঅলা কাচ-কাচ দেখতে সেই রস। এই রসের পাটালি হয় ভালো। এর নাম ছিল তালপাটালি।
বাকি রস নামানো হত ঝাঁ-ঝাঁ দুপুরে। টকে একেবারে গেঁজে যেত। এর নাম ছিল তাড়ি। সারাদিন মোষের মতো রোদে-গরমে কাজ করে সেই রসের সন্ধানে আসত নেশাড়ু লোকেরা। চানাচুর, পিঁয়াজকুচো বা ডিমভাজা সহযোগে গাছতলায় বসে সেই রস পান ছিল তাদের কাছে ‘ওমিত্তি’। ঢুলু ঢুলু নেশায় রোদ পড়ে গেলে চান করে ভাত খেত। কেউ পুকুর গাবিয়ে মাছ ধরত নেশার ঝোঁকে।
বোশেখ মাসে মাঝরাতে তাল কেটে খাওয়া ছিল গ্রামের যুবক ও কিশোরদের কাছে অ্যাডভেঞ্চার। ছোট-ছোট ছেলেমেয়েদের তাল খাওয়ার থেকে খাওয়া-তালের প্রতি লোভ দারুন। খাওয়া-তালের মাঝে হুক-সমেত কঞ্চি লাগিয়ে চমৎকার গাড়ি বানানো হত। ছোটবেলায় সেই তালগাড়ি যিনি চালিয়েছেন, তিনি জানেন, খাওয়া-তালের কী মাহাত্ম্য!

পাকা তালের কথা বলতেই আমার একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে যায়। একসময় গাঁ-গঞ্জে ভাদরমাস ছিল বড় কষ্টের, অভাবের। বিশেষ করে গরীবগুর্বোদের অবস্থা ছিল সঙ্গীন। এই সময় মাঠে কাজকাম ছিল না। লোকে দুপুরে মুনিশ করত। বাড়িতে অনেকগুলি ছেলেপুলে। অভাবের সংসারে হাঁড়ি আর চড়ে না। গেরস্থদের ঘর থেকে ফ্যান চেয়ে খেত। তবে তাদের বাঁচিয়ে রেখেছিল পাকা তাল। পাকা তাল খেয়ে দিন গুজরান করত। চাষিরা আবার তালের সঙ্গে চালগুঁড়ি আর সামান্য আখের গুড় মিশিয়ে তাওয়াতে বড়ার মতো সেঁকে নিত। এর নাম তাল-চাবড়ি।
অবস্থাপন্ন লোকেরা জন্মাষ্টমীতে তালের নানারকম পদ তৈরি করত– তালের লুচি, তালফুলুরি, তালের বড়া, তালের রুটি ইত্যাদি। ঘন করে দুধ জ্বাল দিয়ে ক্ষীর করে, তাতে মেশানো হত তালের মাড়ি। তখন নাম ‘তালক্ষীর’। একটা নতুন ঝুড়িতে ঘসঘস করে তাল মেরে আটিঁগুলিকে এক জায়গায় রাখা হত। তার নাম ‘আঁটিকুঁড়ে’। সেখানে ছাই আর মাঝেমাঝে জল ছিটানো হত।
লক্ষ্মীপুজোর আগে সেই কল-বেরনো তালের আঁটি মাটি থেকে তুলে, জলে আচ্ছা করে ধুয়ে, শুকিয়ে নেওয়া হত। পুজোর দিন পুরুষেরা একটা মুগুরের উপর রেখে কাটারি দিয়ে কেটে শাঁস পুজোয় দিত। পরিত্যক্ত খোলগুলি ছিল ধান সিদ্ধ করার জ্বালানির অন্যতম উপকরণ।

গ্রামবাংলায় গাছ হিসাবে লোকের ভক্তিসম্ভ্রম পেয়েছে অশ্বথ, পাকুড়, বট, নিম, বেল, কাঁঠাল ইত্যাদি গাছ। তালগাছ সেখানে ব্রাত্য। আজও প্রতিষ্ঠা করা গাছ বলতে পাকুড় গাছ। গাছপুজো বিভিন্ন ধরনের গাছকে আশ্রয় করে হলেও, তালগাছ কোনওদিন চোখে পড়েনি। এমনকী শ্যাওড়াগাছকে মানুষ ভয়ে ভক্তি করে। লোকবিশ্বাস– শ্যাওড়া গাছে ভূত-পেতনি থাকে।
তালগাছও ভূতুরে। একনড়ি ভূত থাকে। মা বলতেন, ‘একনড়ি ভূতের আবার ছোটছেলের প্রতি ছিষ্টি নোব রে! কুলোর মতো পিঠ। মুলোর মতো জোড়া দাঁত। মাথার চুল ঝাঁটার কাটি! পুন্নিম্মে রেতে তালগাছের পাতা বাজায় একনড়ি ভূতে। বাগে পেলে পিঁড়েতে শোয়ানো কাঁচা ছেলে তুলে নিয়ে গাছে তোলে!’
অনেক তালগাছে বাবুইপাখিরা বাসা বোনে। বসন্তের শুরু থেকে এই দর্জি পাখিদের কাজ কম্ম বেড়ে যায়। সবসময় মুখে ঘাস-তৃণ নিয়ে কিচিরমিচির। গ্রামবাসীরা বিশ্বাস করে, তালগাছে বাবুইপাখিদের বাসা-বোনা সুখী গেরস্থ জীবনের প্রতীক। আবার অমঙ্গলও বটে, কেননা তালগাছে বড্ড শকুনি বসে।

যদিও শকুনদের আর খুব একটা দেখাই যায় না। তবে বসন্তের চাঁদের আলোয়া তালগাছে লিলুয়া বাতাসে তালপাতার বাজনা আর মাথা নাড়া যে না দেখেছে, তাকে বোঝানো যাবে না এই অবহেলিত গাছের সৌন্দর্য।
আরও একটি কারণে তালগাছ সম্পর্কে মানুষের ভুল ধারণা গেড়ে আছে। সকলেই জানেন, তালগাছে বাজ পড়ে বেশি। কারণ অনেক লম্বা গাছ। সুতরাং বাড়ির আশেপাশে এ গাছ সাধারণত রাখতে চায় না। আসলে তালগাছ নিজে শহীদ হয়ে আমাদের সুরক্ষিত রাখে।
স্রেফ তালগাছকে নিয়ে একটা ব্রত আমাদের বাংলায় আজও পালিত হয়। তার নাম তালনবমী। বিভূতিভূষণের ‘তালনবমী’ গল্পের কথা এই প্রসঙ্গে অনেকের মনে পড়বে। শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর সঙ্গে পাকা তালের প্রসঙ্গ অস্বীকার করার উপায় নেই। পাকা তালের বিভিন্ন পদ তিনি খেতে ভালোবাসেন। নন্দোৎসবে ছেলেপুলেদের নারকেল কাড়াকাড়ি, দধিকাদা ইত্যাদি লোক-উৎসব হলেও ভোজনে সেই পাকা তাল। নারকেল কাড়াকাড়ি খেলাটি যখন কিশোরদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, তখন যে গানটি করা হয়, সেখানে তালের বড়া খেয়ে নন্দের নাচকোচের কথা আছে–
কী আনন্দ হল বড় কী আনন্দ হল।
তালের বড়া খেয়ে নন্দ নাচিতে লাগিল।।

বলরাম পাকা তালের ভক্ত ছিলেন কি না জানা না গেলেও, তালগাছ বিলাসী ছিলেন। এই কারণেই তাঁর রথের ধ্বজার নাম ছিল ‘তালধ্বজ’।
পাতা দিয়ে শুধু লোকশিল্প নয়, আমাদের শিক্ষাসংস্কৃতির প্রথম পর্বে তালপাতা আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে। বাংলার ভূর্জ্যপত্র ছিল তালপাতা। তালপাতায় লেখা পুথি এখনও মেলে। বিশেষ করে পুজোপদ্ধতি মন্ত্র এসব তালপাতাতেই লেখা হত বিশ শতকের প্রথম দিক পর্যন্ত।
এখনও কথায় কথায় বলি পাততাড়ি গোটানোর কথা। সেখানেও জমে আছে তালপাতার স্মৃতি। আজও আমাদের লোকসংস্কৃতিতে তালপাতার লেখা প্রথাটি টিকে আছে। নবজাতকের জন্মের ষেটেরার দিনে তালপাতায় দুর্গানাম লিখে শিশুর মাথায় গোড়ায় রাখা হয়। বিশ্বাস হল, এই দিন বিধাতাপুরুষ নবজাতকের বিধিলিপি রচনা করবেন ঐ তালপাতাতেই।

লোকভাষায় ‘তাল’ শব্দের অর্থ হল বেশ বড়। এটি লোকভাষায় বড় অর্থে উপসর্গের কাজ করে– ‘তালকাঁকড়া’ (কালো রঙের কাঁকড়া) ‘তালভূষ’ (গঙ্গার শুশুক ইত্যাদি)। গ্রামে খাসি-পাঁঠা কাটার সময় তালপাতার ঠোঙাতেই বিক্রেতারা মাংস দিত। তখন পলিথিনের যুগ আসেনি।
তালগাছ প্রসঙ্গে এবার একটা মজার কথা বলব। মধ্যযুগে নানা ধরনের শাড়ির কথা শুনেছেন। খুঞার কাপড় তার অন্যতম দৃষ্টান্ত। মুকুন্দের ‘চণ্ডীমঙ্গল’ থেকে জানা যায়, সেকালের হতদরিদ্র ঘরের মেয়েরা খুঞার বসন বা কাপড় পরত। লহনা, খুল্লনাকে পাটশাড়ি কেড়ে নিয়ে খুঙার বসন পড়িয়ে মাঠে ছাগল চড়াতে পাঠিয়েছিল। ফুল্লরা তার বারমাস্যায় বলেছে–
বৈশাখে বসন্ত ঋতু খরতর খরা।
তরুতল নাহি মোরে করিতে পসরা।।
পা পোড়ে খরতর রবির কিরণ।
শিরে দিলে নাহি আঁটে খুঙার বসন।।
প্রচলিত অভিধানে ‘খুঙা’ বা ‘খুঞা’ শব্দ নেই। খুঞার কাপড় আসলে তালগাছ থেকে হত। তালগাছের বাগরা কেটে নেওয়ার পর যে অংশটি থাকে তার নাম ‘খোঙা’। লালচে বা কালো রঙের হয়। একে ফাটালে একটু মোটা সুতোর মতো তন্তু পাওয়া যায়। প্রাচীনকালে সম্ভবত এই তন্তু দিয়ে যে পরিচ্ছদ বানানো হত, তাকেই মুকুন্দ ‘খুঙার বসন’ বলেছেন, যা পরে শুধুমাত্র লজ্জা নিবারণ করা যেত।

গ্রামে গ্রামে আর ‘তমাল তালি বনরাজি নীলা’ দেখা যায় না। গাছপালা এমনিতেই বিদায় নিয়েছে। গাছপালা সাফ করে গজিয়ে উঠেছে নয়া বসতি। কোথাও হচ্ছে জমি। যারা শখের বাগান করে, তারা লাগায় মহার্ঘ মেহগনি, শিশুগাছ ইত্যাদি। পাকা রাস্তার দু’ধারে সরকারি বৃক্ষরোপণে শুধুমাত্র মাথা উঁচু করে ইউক্যালিপটাসের দাদাগিরি। তালগাছের দেখা নাই রে।
…………. পড়ুন ঠাকুরদার ঝুলির অন্যান্য পর্ব ………….
পর্ব ৩১: পোড়ামাটির শিল্পকে জনপ্রিয় করেছে কাঁঠালিয়ার শিল্পীরা
পর্ব ৩০: মৎস্য দেবতা মৎস্য ভোগ
পর্ব ২৯: কুবের পুজোর আচার থেকেই সোনা কেনা হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়
পর্ব ২৮: বৈশাখ বিষ্ণুর প্রিয়, পুরাণের শ্রেষ্ঠ মাস?
পর্ব ২৭: গর্জন থেকেই গাজন
পর্ব ২৬: অসুরদের ফসল বলেই কি আখ বলিপ্রদত্ত?
পর্ব ২৫: যুদ্ধবাজ নয়, বাঙালির রাম করুণরসের
পর্ব ২৪: অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ নিয়ে কৃষ্ণচন্দ্র-নবকৃষ্ণের মামলা লন্ডন অবধি গড়িয়েছিল
পর্ব ২৩: কিম্ভূত-কিমাকার মূর্তির নাম কেন ‘কাকতাড়ুয়া’?
পর্ব ২২: দেড় ফুটের ল্যাংচাভোগ ছাড়া রং খেলেন না মদনমোহন
পর্ব ২১: মায়া মমতায় গড়া বাংলা বিয়ের ছড়া
পর্ব ২০: মাদারি কা খেল
পর্ব ১৯: কোনও পসরাই অবিক্রিত পড়ে থাকে না বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলায়
পর্ব ১৮: সুর নয়, আদিতে সুরার সঙ্গেই অধিক যোগাযোগ ছিল সরস্বতীর
পর্ব ১৭: পৌষপার্বণের সঙ্গে মিশে গেছে টুসু, সোদরব্রত কিংবা কুড়মালি আইখানযাত্রা
পর্ব ১৬: বাংলার মনসা ও চণ্ডীপুজোর ধারা এসে জগৎগৌরীতে মিলেছে
পর্ব ১৫: রাঢ়ের কবিগানের পালায় হিঁদু হলেন চাঁদ মুহম্মদ, কাশীনাথ মুসলিম
পর্ব ১৪: খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধো মন
পর্ব ১৩: বৈদিক যুগের ‘স্থালী’-ই আজকের প্লেট, ‘উখ্য’-ই ফ্রাইং প্যান
পর্ব ১২: লোকখেলার মধ্যে মিশে রয়েছে হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি
পর্ব ১১: অঘ্রানের নবান্ন মূলত নববর্ষেরই উৎসব ছিল
পর্ব ১০: বারবণিতাদের আরাধনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কাটোয়ার কার্তিক লড়াই
পর্ব ৯: শিশুঘাতক থেকে কেন শিশুরক্ষক দেবতা হয়ে উঠলেন কার্তিক?
পর্ব ৮: তেনাদের পুজো, তেনাদের মেলা-মোচ্ছব
পর্ব ৭: প্রেত মানেই ভূত বা অতীত, কিন্তু সকল প্রেতই ভূত নয়!
পর্ব ৬: কেবল কালী নন, লৌকিক লক্ষ্মী ঠাকরুনও দাঁড়ান স্বামী নারায়ণের বুকে পা রেখেই
পর্ব ৫: মহিষাসুরমর্দিনী নন, কৃষিপ্রধান বাংলায় আদিপূজিতা ছিলেন শস্যদেবী নবপত্রিকা
পর্ব ৪: পুকুরের দেবতা পুকুরের ভূত
পর্ব ৩: পুকুরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে লোককথা আর লোকবিশ্বাস
পর্ব ২: পৌরাণিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সাহিত্যে দেবতা অথবা মানুষের বন্ধু হিসেবেই স্থান পেয়েছে কুকুর
পর্ব ১: সেকালের ডাকাতির গপ্প
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved