saraswati as a goddess of inebriant in old cult | Robbar
Robbar
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুর নয়, আদিতে সুরার সঙ্গেই অধিক যোগাযোগ ছিল সরস্বতীর

‘কাদম্বরী’ শব্দে যে মদ বোঝায় তার মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে একাধিক প্রমাণ আছে। যেমন বৃন্দাবনদাসের চৈতন্যভাগবতে বলা হয়েছে, ‘সত্য যেন কাদম্বরী পীয়ে– হেন ভান’। কাশীরামদাসের মহাভারতে উল্লিখিত হয়েছে, ‘কাদম্বরী পানে ঘুরে যুগল নয়ন’। পণ্ডিত কিলহর্ন সাহেব কাদম্বরী দেবীকে বলরামের স্ত্রী রূপে শনাক্ত করেছেন। কারণ বলরামের অপর নাম কদম্বর। ড. সু্কুমার সেন বঙ্গভূমিকা গ্রন্থে এ প্রসঙ্গে লিখেছেন– ‘এই দেবী হলেন বারুণী মদ্যভাণ্ডের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। বরুণের স্ত্রী বা ভগিনী, পরে সরস্বতীর এক রূপ।’ ড. সেনের মন্তব্য থেকে অনুমান করা যায়, মদের সঙ্গে সরস্বতীর কোনও একসময় গভীর যোগ ছিল।

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১১:৪৩   
Facebook WhatsApp Messenger

১৮.

বাংলা অভিধানে দেবী সরস্বতীর একাধিক সমার্থক শব্দ মেলে; গীর্দেবী, পদ্মাসনা, বাগীশা, বাগীশ্বরী, বাগদেবী, বাগবাদিনী, বাঙ্ময়ী, বিদ্যাদেবী, বীণাপাণি, ভারতী, মহাশ্বেতা, শতরূপা, শুক্লা, শ্বেতভুজা, সনাতনী, সরস্বতী, সর্বশুক্লা, সারদা, হংসবাহনা, হংসবাহিনী, হংসারূঢ়া ব্রহ্মাণী, কাদম্বরী ইত্যাদি। নামগুলি থেকে সরস্বতীর রূপ, বিদ্যা-সংগীত এবং দেবীর বাহন, বৈচিত্রময় সরস্বতী কাল্ট ইত্যাদির পরিচয় পাওয়া যায়।

যেমন ‘কাদম্বরী’ নামটি। কাদম্বরী নিয়ে দু’টি তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, বাংলায় সরস্বতী নামঙ্কিত দেবীর কোনও পুরাতন মন্দির পাওয়া না গেলেও, অষ্টম শতকের কাদম্বরীদেবীর মন্দিরের উল্লেখ আছে তাম্রশাসনে। দ্বিতীয়ত, যদিও কাদম্বরী এক বিতর্কিত দেবী। বিস্তারিত সেই তথ্যকুঞ্জে প্রবেশের পূর্বে সরস্বতী নিয়ে প্রাথমিক ধারণাগুলি একবার ঝালিয়ে নেওয়া যেতে পারে। 

zoom
কাদম্বরী, রাজা রবি বর্মা চিত্রিত

সরস্বতী মূলত নদী। নদীটির প্রাথমিক উৎস ঋকবেদ। বৈদিক সাহিত্যে সরস্বতী নদী মোট ৭২ বার উল্লেখিত হয়েছে। একা ঋকবেদে ৪৫টি সূক্তে সরস্বতী নদীর কথা রয়েছে। তিনটি সূক্তে সরস্বতী মুখ্য আলোচ্য বিষয়। নদী ও নদীদেবী হিসাবে মুখ্যত সরস্বতীর ঋকবৈদিক ভূমিকা। সরস্বতীর দুই ভগ্নিসমা দেবীর উল্লেখ রয়েছে ঋকবৈদিক সাহিত্যে– ইলা ও ভারতী। পরে সরস্বতী নদী বিলুপ্ত হলে প্রধানত দেবী রূপে অর্চিত হচ্ছেন। তবে সারস্বত দেবী-ভাবনা যেমন বৈচিত্রময় তেমনই অনেকক্ষেত্রে বিপ্রতীপতা যুক্ত।

সরস্বতী কাল্টে মোটামুটি কয়েকটি ধারা এসে সম্মিলিত হয়েছে। প্রথমত, কৃষি ভাবনা; দ্বিতীয়ত, শাক্তদেবী ভাবনা; তৃতীয়ত, আয়ুর্বৈদিক ভাবনা; এবং চতুর্থত, নাগদেবী ভাবনা ইত্যাদি। সরস্বতী নদীর দুই তীর ছিল অতি উর্বরা। কৃষিজ সম্পদে পরিপূর্ণ। এই কারণে সরস্বতী একসময় কৃষিদেবী হিসাবে পূজিত হয়েছেন। মেয়েরা এক সময় ‘সারস্বতব্রত’ পালন করতেন উত্তম ফসল প্রাপ্তির আশায়। 

আবার সরস্বতী আরোগ্য শুশ্রুষা অর্থাৎ মেডিসিনের দেবী। শুক্লাযজুর্বেদে সরস্বতী দেববৈদ্য অশ্বিনীদ্বয়ের স্ত্রীরূপে পরিচিত। ইন্দ্র তাঁর পুত্রসন্তান। একদশ শতকে রচিত ‘কথাসরিৎসাগর’ গ্রন্থ থেকে জানা যায়, পাটুলীপুত্রের নাগরিকরা রুগন ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য যে ঔষধ ব্যবহার করতেন, তার নাম ছিল সারস্বত। দেবীর সঙ্গে চিকিৎসাশাস্ত্রের এখনও যোগ লক্ষ করা যায়– পুজোর উপকরণে বাসক ফুল, যবের শিষ এবং আম্রমুকুল প্রদানে। আয়ুর্বেদে এগুলির ভেষজ মূল্য অপরিসীম।

zoom
সুনয়নী দেবীর আঁকা সরস্বতী

সরস্বতী একসময় শাক্তদেবী রূপে সুপরিচিত ছিলেন। পুরাণ অনুসারে তিনি বৃত্র নামে অসুরকে বধ করেছিলেন। সরস্বতী হংসবাহিনী নন, সিংহবাহিনী দনুজদলনী দেবী ছিলেন। তিনি ত্রিনয়না। জটামুকুটধারিণী। তবে দেবীর অন্যান্য রূপের সঙ্গে শাক্তরূপটিও ক্রমশ চাপা পড়ে যায়। বরং সূক্ষ্ম কোমল অনুভূতি ও সৌন্দর্য তথা ললিতকলার দেবী হয়ে ওঠেন। রবীন্দ্রনাথ দেবীর বন্দনা করেছেন ‘পুরস্কার’ কবিতায়–

বিমল মানস সরসবাসিনী
শুক্লবসনা শুভ্রহাসিনী।
বীণাগঞ্জিত মঞ্জুভাষিণী
কমলকুঞ্জাসনা।।

সরস্বতীর অপর নাম ‘ব্রহ্মাণী’। পূর্ব বর্ধমানে ব্রহ্মাণী নাগ কাল্টের দেবীরূপে পূজিত হচ্ছেন প্রাচীনকাল থেকে। ব্রহ্মাণী নদীর দুই তীরের গ্রামবাসীরা ‘সর্পবিদ্যার দেবী’ হিসাবে তাঁর পূজা করেন। ‘সমাচার দর্পণ’ পত্রিকা থেকে জানা যায়, উনিশ শতকে ভাণ্ডারটিকুরী গ্রামে পূজিত ব্রহ্মাণী পুজোয় সর্পবিদ্যার জাঙ্গুলিক ওঝা-সহ টোলের পণ্ডিত ও ছাত্ররা দেবীর পূজা দিতে আসতেন ফি-বছর।

zoom
ব্রাহ্মণী দেবী

মূর্তিতত্ত্বের নিরিখে সরস্বতীকে প্রথম দেখা যায় খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের ভারহুতের বেষ্টনীগাত্রে। পদ্মের উপরে দেবী দাঁড়িয়ে। হাতে বীণা। দ্বিভূজা দেবী। বাংলাদেশে সরস্বতীকে প্রথম পাচ্ছি খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকের বাংলার শাসক সমাচারদেবের সুবর্ণমুদ্রায়। এখানেও দেবী পদ্মের ওপর দাঁড়িয়ে। দেবীর বাহন হাঁস। 

এছাড়া একাধিক মেষবাহনা দেবীর প্রস্তরমূর্তি মিলেছে। যেমন বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়াম, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, আশুতোষ মিউজিয়ামে এই দেবীমূর্তি রয়েছে। বৌদ্ধ তান্ত্রিক মূর্তিও মিলেছে। কিন্তু বাদ সেধেছে ‘কাদম্বরী’ নামটি নিয়ে। কারণ কাদম্বরীর একাধিক অর্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মদ বা বারুণী। তাহলে কি সরস্বতীর সঙ্গে কোনও একসময় মদের গূঢ় যোগ ছিল? 

অষ্টম শতকের পালবংশের রাজা ধর্মপাল। তাঁর খালিমপুর তাম্রশাসন থেকে জানা যায়– মহাসামন্তাধিপতি নারায়ণ বর্মা ‘নন্ন নারায়ণ’ নামে এক দেবকুল অর্থাৎ মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই মন্দির ও দেবসেবা চালানোর জন্য পুণ্ড্রবর্ধন ভূক্তির অন্তর্গত ব্যাঘ্রতটী মণ্ডলের অন্তঃপাতী ক্রৌঞ্চশ্বভ্র নামক গ্রাম দান করা হয়েছিল। 

zoom
সরস্বতী, চিত্র: নন্দলাল বসু

উক্ত গ্রামের চতুঃসীমা বর্ণনা প্রসঙ্গে উত্তরদিকে একটি ছোট মন্দিরের উল্লেখ রয়েছে। মন্দিরটি ছিল কাদম্বরী দেবীর। এই দেবীর উল্লেখ এ যাবৎ প্রাপ্ত আর কোনও লেখমালায় পাওয়া যায়নি। এদিক থেকে কাদম্বরী অনন্য।

মহাকবি কালিদাসের লেখা ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ নাটকে আছে– ‘কাদম্বরী-শব্দিকে কখু পঢমং আস্মাণং শোহিদে ইসচী অদি। তা শুণ্ডিকাগালং যেব গশ্চস্ম।’ অর্থাৎ আমাদের প্রথম ভাব করতে হয় কাদম্বরীকে পূজা দিয়ে। তাই শুঁড়িবাড়ি যাই চল।

‘কাদম্বরী’ শব্দে যে মদ বোঝায় তার মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে একাধিক প্রমাণ আছে। যেমন বৃন্দাবনদাসের চৈতন্যভাগবতে বলা হয়েছে, ‘সত্য যেন কাদম্বরী পীয়ে– হেন ভান’। কাশীরামদাসের মহাভারতে উল্লিখিত হয়েছে, ‘কাদম্বরী পানে ঘুরে যুগল নয়ন’।

পণ্ডিত কিলহর্ন সাহেব কাদম্বরী দেবীকে বলরামের স্ত্রী রূপে শনাক্ত করেছেন। কারণ বলরামের অপর নাম কদম্বর। ড. সু্কুমার সেন বঙ্গভূমিকা গ্রন্থে এ প্রসঙ্গে লিখেছেন– ‘এই দেবী হলেন বারুণী মদ্যভাণ্ডের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। বরুণের স্ত্রী বা ভগিনী, পরে সরস্বতীর এক রূপ।’ ড. সেনের মন্তব্য থেকে অনুমান করা যায়, মদের সঙ্গে সরস্বতীর কোনও একসময় গভীর যোগ ছিল।

zoom
উনিশ শতকের ছাপাই চিত্রে সরস্বতী

হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বঙ্গীয় শব্দকোষে ‘কাদম্বরী’ শব্দের একাধিক অর্থ রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কোকিল বা শারিকা অর্থাৎ শুকপাখি। সরস্বতীর হাতে যে একসময় শারিকা বা শুকপাখি শোভা পেত তার চমৎকার চিত্র অঙ্কন করেছেন কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর চণ্ডীমঙ্গলকাব্যে। কবি লিখেছেন–

শিরে শোভে ইন্দু কলা করে শোভে জপমালা
শুকশিশু শোভে বাম করে।
নিরন্তর আছে সঙ্গী মসীপত্র পুথিখুঙ্গী
স্মরঙনে জড়িমা যায় দূর।।

কোকিল বা শারিকা সরস্বতীর মূর্তিকল্পনায় স্থান না-পেলেও সংগীতে উত্তম কণ্ঠের সঙ্গে কোকিলের কণ্ঠস্বরের তুলনা করা হয়। এই কারণে উচ্চস্তরের সংগীত-শিল্পীকে ‘কোকিলকণ্ঠী’ বলা হয়। এবং বিশেষ করে মহিলাশিল্পীদের। তবে কাদম্বরীর সঙ্গে মদের যোগ প্রসঙ্গে অনিবার্যভাবে এসে পড়ে গন্ধর্বদের নাম। সরস্বতীর প্রচলিত স্তোত্রে রয়েছে–

বন্দিতা সিদ্ধগন্ধর্ব্বৈর্চ্চিতা দেবদানবৈঃ।
পূজিতা মুনিভিঃ সর্ব্বৈঋষিভিঃ স্তূয়তে সদা।।

গন্ধর্বরা হচ্ছেন ‘ব্যন্তর’ অর্থাৎ দেব ও নরের মাঝামাঝি দেবকল্প শ্রেণি। গন্ধর্বদের আরাধ্য দেবী হলেন সরস্বতী। এরা দেবতাদের সভার সংগীত পরিবেশন করতেন, আবার গন্ধর্বরা ছিলেন ত্রিভূবনের সোমরসের রক্ষক। 

zoom
চালুক্য রাজত্বে প্রাপ্ত কালো পাথরের সরস্বতী

গন্ধর্বরাজ পুষ্পদন্ত দেবরাজ ইন্দ্রের সভায় প্রধান গায়ক ছিলেন। এদের সংগীতের মূর্ছনায় মোহময়ী অপ্সরাগণ নৃত্য পরিবেশন করতেন। সপ্তম শতকের কবি বাণভট্ট রচনা করেছিলেন কাদম্বরী আখ্যায়িকা। কাদম্বরী থেকে জানা যায়, দেবলোকে অপ্সরারা বাস করতেন। এদের ছিল চতুর্দশকূল। এই কূলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন চিত্ররথ।

দেবরাজ ইন্দ্র চিত্ররথকে হেমকুট নামে বর্ষপর্বতের অধীশ্বর করেন। গন্ধর্বরাজ হংস আর গৌরীর কন্যার নাম মহাশ্বেতা। অপ্সরাদের এক কুল অমৃত থেকে উদ্ভূত হয়েছিল ‘মদিরা’ নামে এক কন্যা। এই মদিরার সঙ্গে বিয়ে হয় গন্ধর্বরাজ চিত্ররথের সঙ্গে। তাঁদের কন্যা সন্তানের নাম কাদম্বরী। 

প্রসঙ্গত, মদিরা নামে মদের দেবীর উল্লেখ আছে কৌটিল্যর অর্থশাস্ত্রে। সুতরাং গন্ধর্ব হংস মদিরা মহাশ্বেতা কাদম্বরী ইত্যাদি নামগুলি এবং অপ্সরাদের সংগীত-নৃত্য ইত্যাদির অনুষঙ্গের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন সরস্বতী। এই কারণেই হয়তো ড. সুকুমার সেন মন্তব্য করেছেন, ‘[কাদম্বরী বা বারুণী] বরুণের স্ত্রী বা ভগিনী, পরে সরস্বতীর এক রূপ’।

………………..পড়ুন ঠাকুরদার ঝুলির অন্যান্য পর্ব………………..

পর্ব ১৭: পৌষপার্বণের সঙ্গে মিশে গেছে টুসু, সোদরব্রত কিংবা কুড়মালি আইখানযাত্রা

পর্ব ১৬: বাংলার মনসা ও চণ্ডীপুজোর ধারা এসে জগৎগৌরীতে মিলেছে

পর্ব ১৫: রাঢ়ের কবিগানের পালায় হিঁদু হলেন চাঁদ মুহম্মদ, কাশীনাথ মুসলিম

পর্ব ১৪: খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধো মন

পর্ব ১৩: বৈদিক যুগের ‘স্থালী’-ই আজকের প্লেট, ‘উখ্য’-ই ফ্রাইং প্যান

পর্ব ১২: লোকখেলার মধ্যে মিশে রয়েছে হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি

পর্ব ১১: অঘ্রানের নবান্ন মূলত নববর্ষেরই উৎসব ছিল

পর্ব ১০: বারবণিতাদের আরাধনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কাটোয়ার কার্তিক লড়াই

পর্ব ৯: শিশুঘাতক থেকে কেন শিশুরক্ষক দেবতা হয়ে উঠলেন কার্তিক?

পর্ব ৮: তেনাদের পুজো, তেনাদের মেলা-মোচ্ছব

পর্ব ৭: প্রেত মানেই ভূত বা অতীত, কিন্তু সকল প্রেতই ভূত নয়!

পর্ব ৬: কেবল কালী নন, লৌকিক লক্ষ্মী ঠাকরুনও দাঁড়ান স্বামী নারায়ণের বুকে পা রেখেই

পর্ব ৫: মহিষাসুরমর্দিনী নন, কৃষিপ্রধান বাংলায় আদিপূজিতা ছিলেন শস্যদেবী নবপত্রিকা

পর্ব ৪: পুকুরের দেবতা পুকুরের ভূত

পর্ব ৩: পুকুরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে লোককথা আর লোকবিশ্বাস

পর্ব ২: পৌরাণিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সাহিত্যে দেবতা অথবা মানুষের বন্ধু হিসেবেই স্থান পেয়েছে কুকুর

পর্ব ১: সেকালের ডাকাতির গপ্প

Kadamvari Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar Saraswati devi কাদম্বরী সরস্বতী

Share this article on