Robbar

উষ্ণায়ন কি মনকেও পোড়ায়?

সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ বলছে, ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে শহর কার্যত এক ‘পরিবেশগত জরুরি অবস্থার’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত গরমের ফলে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি অনিদ্রা ও স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে, যা সরাসরি মানুষের মানসিক উদ্বেগ ও বিষণ্ণতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

→

হাঁসফাঁস গরম কি এবার বর্ষার বেস্টফ্রেন্ড?

লা নিনার ঠান্ডা অবস্থার ক্ষীণ হয়ে পড়া, ভারত মহাসাগরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে বেড়ে যাওয়া অতিরিক্ত তাপমাত্রার ফলে, যদি বর্তমান অবস্থা বজায় থাকে তাহলে এপ্রিল-মে ২০২৬ গত এক দশকের অন্যতম উষ্ণ প্রাক-বর্ষা মৌসুমী হতে পারে। তাহলে বৃষ্টির আগে কি প্রবল গরম পড়বে?

→

সমুদ্র আঁকড়ে বেঁচে থাকা কোলিদের কি আমরা ক্লাইমেট রিফিউজি বানিয়ে দেব?

আজ থেকে ৮০০ বছর আগে একটা জনগোষ্ঠী পরিব্রজন করেছিলেন তাঁদের অসাধারণ সামুদ্রিক দক্ষতা ও জ্ঞান নিয়ে। তারপর তাঁরা শুধু মন দিয়ে সেই পেশাতেই নিযুক্ত থেকেছেন। আজ হঠাৎ সেই পেশা ছেড়ে তাঁরা কোথায় যাবেন? কী করবেন আগামী দিনে? তাঁরা কি এত বছরের প্রকৃতিলব্ধ জ্ঞান, ভাষা, সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলবেন?

→

আরাবল্লি না থাকলে আমূল বদলে যাবে ভারতের জলবায়ু

একবার ভেবে দেখা যাক আরবল্লি নেই। গরম বালি ক্রমশ গলা টিপে ধরেছে পশ্চিমের ছোট ছোট নদীগুলোর; ক্রমে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের পশ্চিম প্রান্ত বালিতে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে; গঙ্গার গতিপথ হারিয়ে যাচ্ছে গরম বালিতে; ভারতের জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে– তাই না?

→