Robbar

Folk culture

তালবাহার

তালপাতার স্মৃতি। আজও আমাদের লোকসংস্কৃতিতে তালপাতার লেখা প্রথাটি টিকে আছে। নবজাতকের জন্মের ষেটেরার দিনে তালপাতায় দুর্গানাম লিখে শিশুর মাথায় গোড়ায় রাখা হয়। বিশ্বাস হল, এই দিন বিধাতাপুরুষ নবজাতকের বিধিলিপি রচনা করবেন ঐ তালপাতাতেই।

→

লোকশিল্প: আজ-কাল-পরশু

তথাগত চক্রবর্তী তাঁর ‘লোকশিল্পে রাজনীতির প্রভাব’ বইয়ের ‘কথামুখ’-এ লোকসংস্কৃতির এই প্রথাগত অনড়তার ধারণাটা ভাঙতে চেয়েছেন।

→

দেড় ফুটের ল্যাংচাভোগ ছাড়া রং খেলেন না মদনমোহন

দোগাছিয়ার ল্যাংচা আসলে নোড়াকৃতি রসগোল্লা। কোনও ভাজা মিষ্টি নয়। স্থানীয় নাম রসগোদা। বড় ল্যাংচায় লাগে আড়াই থেকে পৌনে তিন কেজি ছানা। দীর্ঘক্ষণ ছানাকে বিশেষ কৌশলে ঠেসে ময়দার আঠায় জোড় দিয়ে রসে ফোটানো চলে। একটি চার নম্বর কড়াইতে ওই মাপের দু’টি মিষ্টি বানাতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা।

→

মাদারি কা খেল

দরগাতলায় পরে ঢোলের জারি। ঢোল-কাঁসি আর সানাই বাদনের যুগলবন্দিতে বাঁশ নাচাতে শুরু করেন মাদার ভক্তরা। বাজনার তালে-তালে বাঁশ কখনও হাতের তালু, পেট, ঘাড়, কপাল, বুক ছুঁয়ে যায় চমৎকার গতি বিক্ষেপে। নাটকীয় মূর্ছনা আর সাবলীল ব্যালেন্সের কয়েকটি নান্দনিক চিত্রমালা।

→

কোনও পসরাই অবিক্রিত পড়ে থাকে না বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলায়

বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলা যেন মেলার ক্লাইম্যাক্স। কিছুটা সস্তায় পাওয়া যায় বলে লোকে আরও ভিড় জমায়। মেলায় দোকানদারদের কথায় বাবা গোপালদাসের কৃপায় মেলার কোনও জিনিস অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকে না।

→

অঘ্রানের নবান্ন মূলত নববর্ষেরই উৎসব ছিল

বাংলায় শুধু আমন ধানের সঙ্গে নবান্ন উৎসব জড়িয়ে নেই। একসময় অঘ্রান ছিল বছরের প্রথম মাস। ‘অগ্র’ শব্দের অর্থ আগে। ‘হায়ণ’ মানে বছর। এই হিসাবে বাংলার নববর্ষ ছিল ১ অঘ্রান। তখন বলা হত মার্গশীর্ষ মাস। নবান্ন– প্রকৃতপক্ষে নববর্ষের উৎসব।

→

বারবণিতাদের আরাধনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কাটোয়ার কার্তিক লড়াই

লোকপ্রযুক্তি ও প্রতিমাশিল্পের অনন্য যুগলবন্দী এই ‘রাজা কার্তিক’। দেশীয় যাত্রাপালা ও দক্ষিণি পুতুলশিল্পের প্রভাবযুক্ত ঐতিহ্যবাহী ‘থাকা-কার্তিক’। কাটোয়ায় কার্তিক লড়াইয়ের রঙিন আলোকোজ্জ্বল প্রচ্ছদ।

→

স্বামীর গঞ্জনা, প্রেমিক ডিচ করেছে, এসব নালিশও জানানো যায় টুসুর কাছে

বিসর্জনের সময় একটা গান শুনে চমকে উঠেছিলাম। গানটা হল– ‘জল জল যে করহ টুসু–/ জলে তুমার কে আছে!’ এই গানটি যেন শঙ্খ ঘোষের এই বিখ্যাত কবিতাটির লৌকিক রূপ। ‘জল কি তোমার কোনো ব্যথা বোঝে?/ তবে কেন, তবে কেন জলে কেন যাবে তুমি!’

→