

লস অ্যাঞ্জেলেস। ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আমেরিকান পপগায়িকা কেটি পেরির চুমু যেন শেষ হতেই চায় না কানাডার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডোর গালে। সমস্ত বিশ্বের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ল সেই আহেলি সোহাগ।
পুলিশের চোখ এড়াতেই শান্তিনিকেতনে ভর্তি হওয়া। বিপ্লবী, কিন্তু শান্ত ও স্থিতধী, এক দৃঢ় অথচ কোমল ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী ইন্দু। নন্দলাল, গৌরগোপাল আর প্রভাতমোহন বাদে কেউ তাঁর এ সত্তাটির কথা জানেন না। তাঁর পাশে দাঁড়ালেন নন্দলাল। বিনা আয়াসে সুন্দরভাবে রাখী বেঁধে দিলেন তাঁর শিল্পপ্রেম আর স্বদেশপ্রেমের।
‘অপরাজিতা রচনাবলী’তে অপরাজিতা দেবীর যাবতীয় কবিতার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপও ছাপা হয়েছিল। অপরাজিতা দেবীর ছদ্মনামটির আড়ালে, অনেকের ধারণা ছিল কোনও পুরুষ বুঝি মহিলার লেখনী নকল করে কবিতা লিখছেন। এমনকী অ-প-রা-জি-তা পাঁচজন পৃথক পুরুষ– এমন উদ্ভট চিন্তাও করতেন কেউ কেউ।
মধুবীরের কবিতায় যে বিপর্যয়ের কথা, গন্তব্যহীন যাত্রার অনুষঙ্গ, তাতে কতখানি তাঁর চারপাশ আর কতখানিই-বা বিশ্বের অতীত ও বর্তমান পরিস্থিতি কাজ করেছে, তা জানি না, কিন্তু তাঁর বা তাঁর সময়ের অসহায় অবস্থার কথা, তাঁর কবিতার ভিতর দিয়ে বেশ অনুভব করা যায়।
মদ, কালী, রামপ্রসাদী ভক্তি, আবেগটান– সব কিছুর ঘোর ভেঙে দেখি ‘ধন্বন্তরী’ নামক লোকটি রাস্তায় নেমে গেল। কেন গেল? কোথায় গেল? কী-ই বা করবে লোকটা এখন? এই সমস্ত সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়ে বাংলা ভাষায় মিশে গেলেন মানিক। সমর্পণ থেকে সম্ভাবনায় দিকে আমাদের এগিয়ে দিয়ে গেলেন।
ভাত খেতে হাতের আঙুল লাগে, মাটির ওপর দিয়ে চলে ফিরে বেড়াতে হলে পায়ের পাতার দরকার, এখন খাওয়ার সময় যদি আমি আমার আঙুলগুলোকে ঘেন্না করি, চলার সময় যদি পায়ের ওপর ঘেন্না হয়, তাহলে ধীরে ধীরে নিজের সমস্ত জীবনটার ওপরেই ঘেন্না ধরে যায়।
শিক্ষক নন্দলাল, আপামর ছাত্রকুলের ‘মাস্টারমশাই’– যিনি ভারতীয় পরম্পরার প্রতি ভাবে প্রবল নির্ভর থেকেও ভারতীয় ট্র্যাডিশন ভাঙার শক্তিকে আহ্বান করেন। খুব সহজ ভঙ্গিতে আর্টের গোড়ার কথাটুকু মেলে ধরতে তাঁর জুড়ি ছিল না।
প্রতাপচাঁদ যে রাজনীতিতে অতি বিচক্ষণ ছিলেন, তা এই শ্রীখণ্ড পর্ব থেকে বোঝা যায়। বেশ আঁটঘাট বেঁধেই জালপ্রতাপচাঁদ বর্ধমানে গিয়েছিলেন। অজ্ঞাতবাস পর্ব শেষ করে কলকাতার বরানগরে ঘাঁটি গাড়েন। আর তাঁর দোসরকে পাঠান উত্তররাঢ় পরিভ্রমণ করতে। তা যে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ছিল তা বোঝা যায়।
মনখারাপ থাকলে তরুণের টলি-রূপকথায় আমি ফিরে ফিরে যাই। মনের মেঘ সরে। টলিউড নিয়ে তরুণ মজুমদারের মতো হিমসাগর-মিষ্টি লেখা কেউ লিখতে পারেননি।
স্বর্ণকুমারী দেবী ‘ভারতী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ‘ভারতী’র প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক ছিলেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর পরেই স্বর্ণকুমারী এই পত্রিকা সম্পাদনার দায়িত্ব সামলেছেন বেশ কিছুদিন। ২০০২ সালে আমি দে’জ পাবলিশিং থেকে নতুন করে প্রকাশ করেছিলাম স্বর্ণকুমারী দেবীর ‘কাহাকে’ উপন্যাসটি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved