Robbar

কলাম

মৎস্য দেবতা মৎস্য ভোগ

লৌকিক প্রবাদে ‘মাছের মায়ের পুতের শোক’ বলে যতই বিদ্রুপ করা হোক না কেন, মাছ প্রজননের প্রতীক। সেই কারণে বিয়েতে মাছ দেওয়ার রীতি আজও বঙ্গ জীবনের অঙ্গ। এছাড়া মৎস্যমিথুনের আলাদা তাৎপর্যও দেখা যায় বিবিধ ধর্মীয় সংস্কৃতিতে।

→

টেবিলই মধুসূদনের নেমেসিস, আত্মদহনের আয়না

নিষিদ্ধ মাংস থেকে ম্লেচ্ছ ধর্ম থেকে অবৈধ সম্পর্ক থেকে অসামাজিক জীবন– সব কিছুর প্রতি আজীবন অমোঘ টান অনুভব করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। সবকিছুর জন্য কি দায়ী নয় তাঁর ভাবনা এবং সৃষ্টির টেবিলটা? ওই টেবিলটা কি তাঁকে নিয়ে যায়নি একটার পর একটা তাড়নায়?

→

জটলার মাঝে করতালি

আমাদের ‘চাচা’ বলে এক বন্ধু ছিল। গাঁজা খেত। শ্মশানে গিয়ে। আমিও তার সঙ্গে শ্মশানে যেতাম। চাচা একটু গোল গোল নেশা-জড়ানো স্বরে বলত, মাজমাওয়ালা গোপাল। চাচা কেন গোপালকে ‘মাজমাওয়ালা’ বলত, আর ওই কথাটার কী মানে, সে আমি আজও জানি না।

→

সংস্কৃতির গুরুচণ্ডালী

যে বেমানান শব্দগুলো পাশাপাশি সহ্য করা যেত না আগে, আজকাল সেটাকে আর অত অসহ্য লাগে না অনেকের। যাকে আমরা বলি ‘গুরুচণ্ডালী’ দোষ। অনেকদিন আগে, অর্থাৎ ব্যাকরণে আমাদের মাথাটা যখন অনেকটাই ঠান্ডা ছিল, তখন এই গুরুচণ্ডালী ব্যাপারটা, নিজের মতো করে ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যে বোঝাপড়ার আয়োজন করেছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী।

→

অন্ধকারে, মৃতদেহ কাঁধে

যখন কেউ কাউকে খুন করে লাশ গায়েব করে, তখন সে কি লাশ ঘাড়ে করে এমন আরামদায়ক দুলকিচালে নিশ্চিন্তে হেঁটে যেতে পারে?

→

নন্দলাল বসু ও কলাভবনের শুরুর দিনগুলি

অবনীন্দ্রনাথের প্রিয় শিষ্য নন্দলাল তখন চিত্রীমহলে বিশেষ পরিচিত। ‘সতীর দেহত্যাগ’, ‘দয়মন্তীর স্বয়ম্বর’, ‘সুজাতা’, ‘অহল্যা উদ্ধার’, ‘জতুগৃহ দাহ’, ‘উমার তপস্যা’ ইত্যাদি অজস্র ছবি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার বেশ কিছু আগে, ১৯১৪ সালে, রবীন্দ্রনাথ নন্দলালকে শান্তিনিকেতনে আমন্ত্রণ করেছিলেন।

→

স্মৃতি-বিস্মৃতির কথা

শুধু আপনারই বা কেন হবে, আমার আপনার সকলের মাথার নাম ‘স্মৃতিমণ্ডল’। স্মৃতি নামের মন্ডল পদবিধারী মেয়ের কথা বলছি না, বলছি এক সমাসবদ্ধ পদের কথা। স্মৃতিমণ্ডল।

→

সমর্পণ নয়, ব্যাড গার্লের প্রতিস্পর্ধা

১৯৫৮। আমার জীবনে ওপি এল, তোলপাড়! অসামান্য সুন্দরী নায়িকা মধুবালার ঠোঁটে আমি গাইলাম ওপির সুরে ‘আইয়ে মেহেরবান’। রাতারাতি ভারত জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আমার কণ্ঠের রতিস্নান। আমি বুঝলাম এই গানের সবটুকু, সব মায়া ও মাদক, আমার কণ্ঠের জন্য রচনা করেছে ওপি।

→

সদ্যবৈধব্য চিনতে আমার কখনও ভুল হয়নি

রোববার-এ ফিরলেন জয় গোস্বামী। লেখা নয়, অনন্ত কথাবার্তা পরিসর। যে-কথা ছুঁয়ে থাকবে তাঁর নানা স্মৃতি ও অনুসঙ্গকে। সঙ্গে শৈবাল বসু।

→

কবি বনাম আবৃত্তিকার

কবিতা পড়া শেষ করে মঞ্চ থেকে নিষ্ক্রান্ত হচ্ছেন যখন শম্ভু মিত্র, সুভাষ মুখোপাধ্যায় স্মিত হেসে দাঁড়িয়েছেন তাঁর সামনে। আবৃত্তি কেমন লাগল জানতে চাইছেন শম্ভু মিত্র। সুভাষ জানালেন: ‘ভালো, তবে আমি পড়লে বোধহয় আর একটু ভালো হত।’

→