

আনন্দমেলায় প্রকাশিত হাত জোকস আমার খুব প্রিয় ছিল। মশার কথা লিখতে গিয়ে শুরুতেই, জীবনে কোনওদিন ভুলব না– এমন একখানা মনে পড়ে গেল। কীরকম? প্রশ্ন: হাসপাতালের বেডে একটা আহত হাতি শুয়ে আছে, আর তার পাশের বেডে শুয়ে আছে একটা মশা, কেন? উত্তর: যদি প্রয়োজন হয় রক্তদান করবে বলে।
সুভাষদার আশ্চর্য গদ্যবই ‘আমার বাংলা’র লেখাগুলো প্রকাশিত হয়েছিল ছোটদের কাগজ– ‘রংমশাল’-এ। ১৯৫১ সালে ১১টি গদ্যের এই সংকলন প্রথম প্রকাশিত হয় ‘ঈগল পাবলিশার্স’ থেকে। ‘আমার বাংলা’ বইটি অলংকরণের ছবিগুলো ছিল চিত্তপ্রসাদের আঁকা, সেইসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছিল সুনীল জানার তোলা কয়েকটা ফটোগ্রাফও।
আখের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসুর সংস্কৃতির প্রসঙ্গ। অনেকেই বলেন, আখ প্রথম লাগায় অসুররা। অসুররাজ বলির পাঁচ পুত্র– অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, সুহ্ম, পুণ্ড্র। তাদের নাম অনুসারে পাঁচটি দেশের মধ্যে অন্যতম হল পুণ্ড্র বা উত্তরবঙ্গ। পণ্ডিতদের মতে ‘পুণ্ড্র’ শব্দের অর্থ এক জাতের আখ। যেমন দেশি আখের নাম ‘পুঁড়ি’।
কোনও কোনও বিয়োগব্যথা অনুভবের অতীত। সংবেদনশীল মন সেই মৃত্যুচেতনাকে অতিক্রম করতে পারে না একজীবনে। যতই তা জীবনের অনিবার্য, শান্ত ও দার্শনিক পরিণতি হোক, আক্ষেপের দিগন্তে তাই তোমাকে নিয়ে ‘সহজ কথা’ ফুরবে না, রাহুলদা।
চণ্ডীমঙ্গল লেখার সময় মুকুন্দ জন্মস্থান বর্ধমান ছেড়ে আরড়ায়। কিন্তু জায়গাটা ঠিক কোথায়? খোঁজ দিলেন সুকুমার: ঘাটালের শালবনী স্টেশনের একটু দূরে, পূর্বদক্ষিণে। মুকুন্দকে কে স্পনসর করছেন? কে তৈরি করছেন তাঁর ব্র্যান্ড? ব্রাহ্মণ রাজা, পালাধিগাই বীর বাঁকুড়া দেব। এই রাজার ছেলেকে মুকুন্দ পড়ায়।
আমি বাড়ি ছাড়লাম। সেখান থেকে হৃষীকেশ রুদ্রপ্রয়াগ হয়ে হেঁটে হেঁটে এখানে আসতে দুই বছর লেগেছিল। তবু একধ্যানে চলেছি। থেমেছি। আবার চলেছি। একদিন পৌঁছলাম। চারিদিকে ফাঁকা জায়গার মধ্যে দেখতে পেলাম আমার গুরুকে।
প্রজ্ঞা কী, এবং তা কি শেখানো যায়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, হ্যাঁ। জ্ঞানী ব্যক্তিদের গুণাবলি চিহ্নিত করার এবং সেগুলো অর্জনের উপায় বের করার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। প্রজ্ঞা বা জ্ঞানবোধকে মাপা যেমন কঠিন, তেমনই তার সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়াও সহজ নয়।
সুভাষদা একজন সত্যিকারের ব্যতিক্রমী অনুবাদক। সালিম আলির আত্মকথা– ‘Fall of a Sparrow’, সুভাষদা তার বাংলা নাম দিয়েছিলেন ‘চড়াই উতরাই’। অনুবাদের ক্ষেত্রে লক্ষ্যভাষায় দখল আর তার ভাণ্ডার থেকে বেছে আনা লাগসই প্রবাদ-প্রবচনের প্রয়োগ তাঁর অনুবাদকে একেবারেই অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে।
১৯৮৮-তে প্রথমবার স্বাধীন বাংলাদেশে পা রাখেন পবিত্র সরকার। পরে বহুবার এসেছেন। কিন্তু বোন লীলার সঙ্গে দেখা হয়নি কয়েক যুগ। তারপর ২০১২ সালের দিকে বাংলা একাডেমির আমন্ত্রণে ঢাকায় আসেন। অনুষ্ঠান শেষে বোনের সঙ্গে দেখা করতে ছুটে যান ভাদালিয়া।
বাংলায় রামচন্দ্রের যোদ্ধা রূপের চেয়ে তাঁকে করুণ রসের নায়ক রূপে বন্দনা করেছেন দ্বাদশ শতাব্দীর বাঙালি কবি জয়দেব। ‘ধৃত রামশরীর জয় জগদীশ হরে’। এখান থেকেই শুরু হয়েছে রামের প্রকৃত বাঙালিয়ানা। কৃত্তিবাসের কাব্যে এই করুণ রসের সঙ্গে ভক্তিরস গাঢ় হয়ে উঠেছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved