

কাব্যসংগ্রহ প্রকাশের সময় আমি বইয়ের ডাস্ট জ্যাকেটের কাগজ জোগাড় করতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছিলাম। নাভানা সংস্করণের বইয়ে ডাস্ট জ্যাকেটে এক ধরনের করোগেটেড অফ-হোয়াইট কাগজ ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটা আবার স্বপনদার খুবই পছন্দ ছিল। তিনি চেয়েছিলেন, আমাদের সংস্করণেও ওইরকম কাগজ ব্যবহার করা হোক।
সতী কে? শুনলাম, তিনি না কি এই গাঁয়েরই মেয়ে। পরে অন্যরকম জীবন হয় তাঁর। তিনি কিছু একটা দেখেছেন ওই মুকুরটিলায় গামারের বনে। কীভাবেই বা খোঁজ পাব তাঁর? অপরিচিতা একজন মহিলা সম্পর্কে গাঁয়ের লোকের কাছে কিছু জানতে যাওয়া ভালো দেখাবে কি?
১০০ বছর আগে হাওড়ার এক গ্রাম থেকে বন্ধুর সঙ্গে কলকাতা ডকে আসে অতি দরিদ্র এক তরুণ। বাড়ি পালানো বন্ধুর কাছে সে শুনেছিল তার ভাগ্যান্বেষণ করতে জাহাজে করে বিদেশে পালানোর বিবরণ।
দৈনন্দিন গার্হস্থ্য জীবনের সাদাকালো যাপন-শৈলী তাঁদের পুতুলের বিষয়বস্তু। কাঁঠালিয়ার পুতুল যেমন একক চরিত্র হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে, তেমনই একাধিক চরিত্রের সমন্বয়ে সামাজিক ন্যারেটিভ প্রকাশ করেছে।
‘বরগীত’ শব্দের ‘বর’ শব্দটির অর্থ বড় বা লম্বা। শতকের নয়ের দশকের শুরু থেকে উজনি অসম ও নামনি অসমে নানা জায়গায় বরগীত শুনেছি; কিন্তু তা ঠিক কত বড়, তা আদিগন্ত বিস্তৃত ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ের ওই গান না-শুনলে বুঝতে পারতাম না।
নন্দলাল বসুর এমন অপ্রত্যাশিত ভাবে চলে যাওয়ায় কলাভবন ঘিরে রবীন্দ্রনাথের আশা যেন নিভে গেল। নিজের ইচ্ছেয় নন্দলাল চলে গিয়েছিলেন বলে মনে হয় না। ঘটনার সময়ে রবীন্দ্রনাথ কি আশ্রমে ছিলেন না? যদি থাকেন তাহলে কি তাঁর সঙ্গে দেখা না-করেই চলে গেলেন নন্দলাল?
আট নম্বর জার্সির ডিপ লায়িং ডিফেন্সিভ মিডমিল্ডার রাইকার্ড এবং ন’ নম্বর স্ট্রাইকার-কাম-অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বাস্তেনের পাশে আইকনিক দশ নম্বর শার্ট প্লেমেকার গুলিটের। তিন ভয়ংকর ডাচ তরুণের অলৌকিকের রিক্রুটমেন্ট। কমলা রঙের ট্রায়ো, তৈরি হল ইতালীয় ‘ট্রে টিউলিপানি’, যার ইংরিজি অর্থ দ্য ‘থ্রি টিউলিপস’।
রঘুর একটা কথা মনে আছে: আমি নষ্ট নেগেটিভ রেখে দিই। ফেলে দিই না। ওগুলো আমার ব্যর্থতার চিহ্ন। রঘুর মৃত্যুর পরে তার এই কথাটা আমার মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। রঘুর কিছু ব্যর্থ নেগেটিভ থেকে ছবি করে যদি কোনওদিন প্রকাশ করা যায়?
জীবন, তাঁর উপলব্ধিতে এক অবিচ্ছিন্ন কালস্রোত– সেখানে অনায়াসে অতীত, বর্তমানের মধ্যে প্রবাহিত হয় এবং বর্তমান মিলে যায় ভবিষ্যতের সঙ্গে। বাস্তব পিছলে যায় পরাবাস্তবে, রং আর রেখার এক অদ্ভুত স্তরবিন্যাস সৃষ্টি করে বহুমাত্রিক দৃষ্টিকোণ। আমিনা করের ছবি চেতনার প্রবহমানতার এক দৃশ্য দলিল।
কোনও তালবাদ্য নেই, শুধু একটা হারমোনিয়াম নিয়ে উনি গাইছেন। ‘এমন দেশ টি কো-থাও খুঁজে...’– 'কোথাও' এর 'কো'-টা এক জায়গায় থাকছে, 'থাও'টা চলে যাচ্ছে অনেক দূরে। থাও-এর সুরটা একটা ঢেউয়ের মতো উঠে নেমে যেন ভেসে যাচ্ছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved