

নরেশদার সম্পাদনার একটা বিশেষ রীতি আমি অমিয় চক্রবর্তীর বই থেকেই লক্ষ করেছি। তিনি বই সম্পাদনা করলে সচরাচর বইয়ের শুরুতে নিজে কিছু লিখতেন না। সম্পাদকীয় থেকে শুরু করে যাবতীয় লেখালিখি থাকত বইয়ের শেষে। সম্ভবত তিনি মনে করতেন যাঁর সংগ্রহ বা সংকলন প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর লেখাই সে-বইয়ের প্রধান পরিচয়।
ঋতুর চোখ জুড়ে তখন অঝোর শ্রাবণ। আর মুখে সেই চেনা আবেগ– যখন সে সত্যিই কিছু পায়। চোখ মুছে বলল– ‘এই কবিতাটা… গানের মধ্যে থাকবে। পুরোটা না, ফাঁকে ফাঁকে। যেন গান আর কবিতা একে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে।’ গুলজারকে বলল– ‘এটা এক্ষুনি মোবাইলে রেকর্ড করে দাও, তোমার গলাতেই থাকবে।’
সেই জোহান দেশ, ক্লাব যেখানে গিয়েছেন বন্ধুকে পাশে চেয়েছেন, পেয়েছেন। ফাইনালে খালি হাতে ফিরেও দেশকে দিয়েছেন আশ্চর্য সুন্দর ফুটবল। দল ফেরার দিন আমস্টারডাম শিপল এয়ারপোর্টে লাখ লাখ মুখ, লেডস্টেপ্লিন স্কোয়ারে জনসমুদ্র। ট্রফি আসেনি তো কী!
প্রাচীনকালে শিবকে কেন্দ্র করে যে বাৎসরিক উৎসব হত, তার নাম ‘মহ’ বা ‘যাত্রা’। ভক্তদের সমস্বরে শিবের নাম-ডাকের গর্জন থেকে পরে ‘গাজন’ শব্দটি আসতে পারে। অনেকে লোকনিরুক্তি করে লিখেছেন, গাঁ-জনের উৎসব বলেই এর নাম ‘গাজন’। কিন্তু শহর মফস্সলেও গাজন উৎসব আজও পালিত হয় জাঁকজমকের সঙ্গে।
২২ মার্চ ইতালির এক আর্ট গ্যালারির দরজা ভেঙে অনেক রাতে চোরের দল যে ছবিটা চুরি করেছে, তার মধ্যে আছে হেনরি মাতিসের অমূল্য ওদালিস্ক সিরিজের সেই ছবি, যার মডেল হেনরিয়েটা।
আনন্দমেলায় প্রকাশিত হাত জোকস আমার খুব প্রিয় ছিল। মশার কথা লিখতে গিয়ে শুরুতেই, জীবনে কোনওদিন ভুলব না– এমন একখানা মনে পড়ে গেল। কীরকম? প্রশ্ন: হাসপাতালের বেডে একটা আহত হাতি শুয়ে আছে, আর তার পাশের বেডে শুয়ে আছে একটা মশা, কেন? উত্তর: যদি প্রয়োজন হয় রক্তদান করবে বলে।
সুভাষদার আশ্চর্য গদ্যবই ‘আমার বাংলা’র লেখাগুলো প্রকাশিত হয়েছিল ছোটদের কাগজ– ‘রংমশাল’-এ। ১৯৫১ সালে ১১টি গদ্যের এই সংকলন প্রথম প্রকাশিত হয় ‘ঈগল পাবলিশার্স’ থেকে। ‘আমার বাংলা’ বইটি অলংকরণের ছবিগুলো ছিল চিত্তপ্রসাদের আঁকা, সেইসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছিল সুনীল জানার তোলা কয়েকটা ফটোগ্রাফও।
আখের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসুর সংস্কৃতির প্রসঙ্গ। অনেকেই বলেন, আখ প্রথম লাগায় অসুররা। অসুররাজ বলির পাঁচ পুত্র– অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ, সুহ্ম, পুণ্ড্র। তাদের নাম অনুসারে পাঁচটি দেশের মধ্যে অন্যতম হল পুণ্ড্র বা উত্তরবঙ্গ। পণ্ডিতদের মতে ‘পুণ্ড্র’ শব্দের অর্থ এক জাতের আখ। যেমন দেশি আখের নাম ‘পুঁড়ি’।
কোনও কোনও বিয়োগব্যথা অনুভবের অতীত। সংবেদনশীল মন সেই মৃত্যুচেতনাকে অতিক্রম করতে পারে না একজীবনে। যতই তা জীবনের অনিবার্য, শান্ত ও দার্শনিক পরিণতি হোক, আক্ষেপের দিগন্তে তাই তোমাকে নিয়ে ‘সহজ কথা’ ফুরবে না, রাহুলদা।
চণ্ডীমঙ্গল লেখার সময় মুকুন্দ জন্মস্থান বর্ধমান ছেড়ে আরড়ায়। কিন্তু জায়গাটা ঠিক কোথায়? খোঁজ দিলেন সুকুমার: ঘাটালের শালবনী স্টেশনের একটু দূরে, পূর্বদক্ষিণে। মুকুন্দকে কে স্পনসর করছেন? কে তৈরি করছেন তাঁর ব্র্যান্ড? ব্রাহ্মণ রাজা, পালাধিগাই বীর বাঁকুড়া দেব। এই রাজার ছেলেকে মুকুন্দ পড়ায়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved