Robbar

কলাম

পাঠকদের উন্মাদ দাবি: চাই কথোপকথনের নতুন খণ্ড!

পূর্ণেন্দু পত্রীর 'কথোপকথন' ওপার-বাংলাতেও বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। বাংলাদেশে কেউ-কেউ তো সে-বই ইচ্ছেমতো ছেপে বেরও করেছিলেন। তবে বাংলাদেশের যুবসমাজে এই বইয়ের প্রবল জনপ্রিয়তা কবিকেও অভিভূত করেছিল। চতুর্থ খণ্ডের উৎসর্গের পাতায় পূর্ণেন্দু পত্রী লিখেছিলেন, ‘বাংলাদেশের সেইসব তরুণ তরুণীদের হাতে/ কথোপকথন নিয়ে যারা উন্মাদ।’

→

নন্দলালের ছাত্র বাছাই

কলাভবনের ছাত্র নির্বাচনের ভার এসে পড়েছিল নন্দলালের ওপর। রামকিঙ্কর বেইজকে ছাত্র হিসেবে নির্বাচন বা চিত্তপ্রসাদকে মনোনীত না করা– যাবতীয় সিদ্ধান্তই নিতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু কীভাবে ছাত্রদের নির্বাচন করতেন তিনি? কী ছিল তাঁর নির্বাচনের মাপকাঠি?

→

নদী, তুমি কি নারী?

আমি সেই জ্যোৎস্নার প্রান্তদেশে দাঁড়িয়ে সেই অন্ধকার জলস্রোতকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘তুমি কে? জ্যোৎস্নাজলে মর্মরধ্বনি উঠল, ‘আমার কোনও নাম নেই। তাই তোমার প্রশ্নেরও কোনও উত্তর নেই।’ আমি ভাবতে লাগলাম। অন্ধকারে কে বলে উঠল কথাগুলো?

→

মাহেশের রথের সারথি

মাহেশের রথের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে কমলাকর পিপিলাইয়ের নাম। ইতিহাস লিখতে গিয়ে কেউ তাঁকে বলেছেন বহিরাগত, কেউ বলেছেন তিনিই মাহেশের জগন্নাথের আদি প্রতিষ্ঠাতা। মতভেদ থাকলেও কমলাকরকে বাদ দিয়ে মাহেশের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ইতিহাস অসম্পূর্ণ।

→

গঙ্গাস্নানের প্রযুক্তি

আগেকার দিনে মেয়েদের গঙ্গাস্নান ছিল ঝক্কির। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, পার্বণের দিনে গিন্নিকে বন্ধ পালকি-সুদ্ধ গঙ্গায় ডুবিয়ে আনা হত। প্রযুক্তির কল্যাণে আজ সেই সমস্যা মিটেছে। এখন নিত্য গঙ্গাস্নান। সকাল-বিকেল। প্রযুক্তিই এখন যুগপৎ ভক্তিযোগ ও কর্মযোগের সহায়।

→

জীবনের মাস্তুলহীন নাবিক

হেমিংওয়ে যাপন করেছেন এক তাড়িত জীবন। সংসার পেতেছেন সংসার ভাঙতে। একটি প্রেম শেষ হতে না হতে শুরু হয়েছে আর এক প্রেম। এসবের মধ্যেই তিনি বেছে নিয়েছিলেন ভাবনার একাকিত্ব। বেছে নিয়েছিলেন মদের সর্বগ্রাসী আগুন। নিজের ইচ্ছেমতো বেঁচেছেন, মৃত্যুকেও একলহমায় আলিঙ্গন করেছেন নিজের ইচ্ছেমতোই।

→

নির্জনসজনে

শহুরে মেয়ে দূর কোলিয়ারিতে মরলে প্রচুর বখেড়া, তার চেয়ে অন্য কিছু ভাবতে হল। বিচিত্র এক ক্যাম্পে একরকম চিকিৎসা করিয়ে নিয়ে যাওয়া হল অন্য একটা জায়গায়। এটা অনেক সুরক্ষিত, মানে যারা স্বস্তিতে থাকেন তাদের পক্ষে নিরুপদ্রব, সুব্যবস্থিত।

→

চিনের সঙ্গে শিল্পসেতু

কলাভবনের বীজ তখনও রোপণ করা হয়নি, রবীন্দ্রনাথ চাইছিলেন অন্ততপক্ষে নন্দলাল তাঁর জাপানযাত্রার সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে চলুক– ‘বিচিত্রা’কে যথাযথভাবে গড়ে তুলতেও তাঁর যাওয়া দরকার। কিন্তু অবন ঠাকুর তাঁর প্রিয়তম শিষ্যটিকে ছাড়বেন না, ফলে সে যাত্রায় কবির সঙ্গে রইলেন মুকুল দে।

→

কলকাতা: পূর্ণেন্দু সংস্করণ

কলকাতার ইতিহাসের অলিগলিতে ছিল পূর্ণেন্দুদার স্বচ্ছন্দ যাতায়াত। পাঠকমহলে কলকাতার ইতিহাস নিয়ে সুখপাঠ্য, তথ্যনির্ভর লেখার একটা চাহিদা চিরকালই ছিল আর সে-ধরনের লেখায় শ্রীপান্থ (নিখিল সরকার) আর পূর্ণেন্দুদা ছিলেন সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই লেখক।

→

১৩০ ঘরের বংচের ভাষার কবি

কাটা গাছের পাশ দিয়ে যেমন মঞ্জরি বের হয়, ভারতের উত্তর-পূর্বের জনজাতি বংচের তেমনই। পাহাড়িয়া নদীর মতো নানা প্রতিকূলতার পাথর ডিঙিয়ে জেগে রয়েছে তাঁদের শিক্ষা-সংস্কৃতির পথচলা। যোমিং থাংগা বংচের, কমল বংচেরের মতো কবিমন তাকে আগলে রেখেছে বরাবর। কারণ কবিতাকে প্রাণ থেকে ভালোবাসেন তাঁরা, ভালোবাসেন নিজের মাতৃভাষাকেও।

→