

বহিরাগত বলে মনে হচ্ছে যাদের, তাদের আমরা বের করে দিচ্ছি না। উদারভাবে গ্রহণ করছি। তাদের ক্যাম্পের নিভৃতিতে রেখে পুণ্য করার সুযোগ দিচ্ছি। দেশের জন্য পুণ্য, দশের জন্য পুণ্য।
পিতৃহারা রানী ও তার দিদি অন্নপূর্ণাকে শান্তিনিকেতনে নিয়ে আসবার ভাবনা রবীন্দ্রনাথের। অন্নপূর্ণা গেলেন গান শিখতে আর রানী ছবির মধ্যে খুঁজে পেলেন প্রাণ। তারপর কত বসন্তে, শরতে শান্তিনিকেতনের সঙ্গে মিতালি। রবীন্দ্রনাথ তাঁর মন বেঁধে দিলেন অন্তহীন আনন্দের সুরে, নন্দলাল বসু শেখালেন সেই আনন্দের রং নানা মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে।
বৈশাখ মাসের শ্রেষ্ঠত্ব, গুরুত্ব ইত্যাদি সম্পর্কে মহাভারত পুরাণ সাহিত্যে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। মহাভারতের অনুশাসন পর্বের ১০৯ পর্বে বলা হয়েছে– যে ব্যক্তি বৈশাখ মাসের দ্বাদশীতে উপবাস করে, অহোরাত্র কৃষ্ণের মধুসূদন নাম উল্লেখপূর্বক অর্চনা করেন– তিনি অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল এবং সোমলোক লাভ করেন।
নিমগাছের মতো ছোট ফুল, টুনটুনির মতো ছোট পাখি আর এমনই কিছু মানুষের কথা লিখতে চাই, যারা প্রচলিত অর্থে তেমন ‘বড়’ নয়। তবু তাদেরও নিজস্ব ভাব আছে। ভাষা আছে। কথা আছে। সাত মণ তেল না-পুড়লেও আছে উৎসবও। তাদের নিয়েই ‘মুখুজ্যের লিটফেস্ট’। আজ প্রথম পর্ব।
রাজা রবি বর্মার সমস্ত অয়েল পেন্টিং রোমান্টিকতায় অফুরান। এতটুকু আজও নিভে যায়নি তাদের আবেদন, ক্লান্ত হয়নি তাদের উজ্জ্বলতা, নিস্তেজ হয়নি তাদের প্রাণ।
মৌলিক শিল্পকর্ম এবং অন্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত শিল্পকর্ম, কিংবা অন্যের কাজ চুরি আর সরাসরি জালিয়াতির মধ্যে সীমারেখাটি কোথায় টানবেন? কোন নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে?
নরেশদার সম্পাদনার একটা বিশেষ রীতি আমি অমিয় চক্রবর্তীর বই থেকেই লক্ষ করেছি। তিনি বই সম্পাদনা করলে সচরাচর বইয়ের শুরুতে নিজে কিছু লিখতেন না। সম্পাদকীয় থেকে শুরু করে যাবতীয় লেখালিখি থাকত বইয়ের শেষে। সম্ভবত তিনি মনে করতেন যাঁর সংগ্রহ বা সংকলন প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর লেখাই সে-বইয়ের প্রধান পরিচয়।
ঋতুর চোখ জুড়ে তখন অঝোর শ্রাবণ। আর মুখে সেই চেনা আবেগ– যখন সে সত্যিই কিছু পায়। চোখ মুছে বলল– ‘এই কবিতাটা… গানের মধ্যে থাকবে। পুরোটা না, ফাঁকে ফাঁকে। যেন গান আর কবিতা একে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে।’ গুলজারকে বলল– ‘এটা এক্ষুনি মোবাইলে রেকর্ড করে দাও, তোমার গলাতেই থাকবে।’
সেই জোহান দেশ, ক্লাব যেখানে গিয়েছেন বন্ধুকে পাশে চেয়েছেন, পেয়েছেন। ফাইনালে খালি হাতে ফিরেও দেশকে দিয়েছেন আশ্চর্য সুন্দর ফুটবল। দল ফেরার দিন আমস্টারডাম শিপল এয়ারপোর্টে লাখ লাখ মুখ, লেডস্টেপ্লিন স্কোয়ারে জনসমুদ্র। ট্রফি আসেনি তো কী!
প্রাচীনকালে শিবকে কেন্দ্র করে যে বাৎসরিক উৎসব হত, তার নাম ‘মহ’ বা ‘যাত্রা’। ভক্তদের সমস্বরে শিবের নাম-ডাকের গর্জন থেকে পরে ‘গাজন’ শব্দটি আসতে পারে। অনেকে লোকনিরুক্তি করে লিখেছেন, গাঁ-জনের উৎসব বলেই এর নাম ‘গাজন’। কিন্তু শহর মফস্সলেও গাজন উৎসব আজও পালিত হয় জাঁকজমকের সঙ্গে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved