২ ফেব্রুয়ারি চলে গেল বিশ্ব জলাভূমি দিবস। জলদূষণ আর জলদূষণের একটি বড় অংশের জন্য দায়ী আমাদের কার্যকলাপ। জলাভূমি যে সুরক্ষিত করতে হবে– এই বিষয়ে ভাবা শুরু হয়েছিল জলজ বাস্তুতন্ত্র বিপন্ন, তা বোঝার প্রায় ২৬ বছর পর। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা অনেক আগে থেকে বললেও, ১৯৭১-এর আগে টনক নড়েনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের!
২৫ জানুয়ারি বাঙালির থিয়েটারে নিয়ে এসেছে অদ্ভুত এক সমাপতন। এই দিনে ‘রেবেল পোয়েট’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম। ঠিক তার পঁচিশটি বসন্ত পেরিয়ে, উত্তর কলকাতায় জন্ম নিলেন বাংলা রঙ্গমঞ্চের ‘নটচূড়ামণি’ অর্দ্ধেন্দুশেখর মুস্তফী। এই সমাপতন কি শুধুই গাণিতিক?
সুভাষ বোস সেই সময়ে ভাবতে পারেননি যে, ভারত স্বাধীন হওয়ার এত বছর পরেও হিন্দুত্ববাদী শক্তিরা এতটা রাজনৈতিক শক্তিশালী হয়ে উঠবে। যে হিন্দুত্ববাদী শক্তিরা আজ রামরাজ্যের কথা বলেন এবং ‘জয় শ্রীরাম’ শ্লোগান দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের যখন মারা হচ্ছে তখন সুভাষ বোসের এই কথাগুলো প্রণিধানযোগ্য। তাই যাঁরা আজকে সুভাষ বোসের ‘উত্তরসূরি’ হিসেবে নিজেদের দেখানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা যদি একটু সুভাষ বোসের সম্পর্কে পড়াশোনার চেষ্টা করতেন, তাহলে হয়তো লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলতেন।
শর্বরী রায়চোধুরীর বলেছিলেন, ‘কেউ কেউ আমার কিছু কাজ দেখে বলেছেন যে, ওই কাজ চোখের সামনে রেখে ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক বাজতে থাকলে একটা সিংক্রোনাইজেশন হয়।’
খাতা দেখে গান গাওয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড বিরোধিতা ছিল অর্ঘ্য সেনের। রবীন্দ্রসংগীত দেবব্রত বিশ্বাসের কাছে শিখলেও রেকর্ড জগতে ট্রেনিং নেন শুভ গুহঠাকুরতা, সন্তোষ সেনগুপ্ত, শৈলেন মুখোপাধ্যায় ও সুচিত্রা মিত্রের তত্ত্বাবধানে। তাঁর মঞ্চাভিনয়ের পরিচালকরা ছিলেন শম্ভু মিত্র ও ঋত্বিক ঘটক।
তখন ‘ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা’ ত্রিপুরা-তে থিয়েটার-ইন-এডুকেশন নিয়ে পড়াশুনা করছি। সেই সময় রতন থিয়ামের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়েছিল। একদিন ক্লাসে পেন আনতে ভুলে গিয়েছিলাম। আমার অস্থিরতা লক্ষ করে তিনি বলেছিলেন, ‘পেহলে খুদকো ঢুন্ডো’। একটা ছোট্ট কথা, কিন্তু কী গভীর ব্যঞ্জনাপূর্ণ উক্তি!
ভিএফএক্স বা বিভিন্ন টাইপফেস, টেমপ্লেট ইত্যাদি ব্যবহার করে আজ যেখানে অনেক সহজেই বানিয়ে নেওয়া যায় ফিল্ম ক্রেডিটস্, সে যুগের পেশাদার শিল্পীরা তা করতেন সম্পূর্ণ হাতে এঁকে! রামচন্দ্র সিন্ডে, দিগেন স্টুডিও– এঁদের পাশাপাশি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল ছিলেন নারায়ণ দেবনাথ।
রবীন্দ্রনাথের বলা ‘চিরদিন আমি পথের নেশায় পাথেয় করেছি হেলা’ তাঁর জীবনেও সত্যি। গান নিয়ে পথ চলেছেন, পাথেয় নিয়ে কোনওদিন ভাবেননি। মনে করতেন, রবীন্দ্রনাথ যে-কথা বলছেন গানে, সে যেন আমারও বলার কথা, মনের কথা– এই ভাবনা নিয়ে গাইলে তবেই সে-গান শ্রোতাকে স্পর্শ করবে।
তপন সিংহ, আপনার ঘৃণা, তাচ্ছিল্য, অপভাষার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। না-হলে সাগরদা, সুনীলদা, পূর্ণেন্দুদাকে আমি অমন দাত্রী নৈকট্যে কাছে পেতাম না।
মৃত্যুর আগে ডেভিড ম্যাককাচন তাঁর ‘লাইকা’ ক্যামেরাটি তারাপদ সাঁতরাকে দিয়ে যান। ক্যামেরাটির লেন্সের ঢাকনা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারাপদবাবু সেখানে একটি সাধারণ ওষুধের শিশির ক্যাপ লাগিয়ে ব্যবহার করতেন। কেউ কৌতূহলী হয়ে ক্যামেরার নাম জানতে চাইলে তিনি অত্যন্ত গম্ভীর মুখে সেটিকে ওষুধের কোম্পানির নামেই পরিচয় দিতেন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved