যে শ্যামলেন্দু ভালোবাসত শেক্সপিয়র পড়তে, সে যখন নিজের কর্পোরেট উচ্চাশার কাছে সমর্পণ করে ক্ষমতার নিষ্ঠুর নোনাজল মেখে ফেলে– তার গভীর আত্মগ্লানি যে ভাষায়, যে রূপকল্পে দেখান শংকর, তাতে বোঝা যায়, কীভাবে তিনি প্লটের গাঁথনিতে মিশিয়ে রাখছেন তাঁর শেক্সপিয়র ট্রাজেডির পাঠ।
শংকর চলে গেলেন। রেখে গেলেন বাঙালির, চাকরিজীবী বাঙালির ও চাকরিকেন্দ্রিক বাঙালির মুখ দেখার সাহিত্য দর্পণ।
বিশ্বে যেসব স্তন্যপায়ী প্রাণীদের চোরাচালান করা হয় তাদের মধ্যে সর্বাধিক চালান করা হয় প্যাঙ্গোলিন, জীবিত ও মৃত দুই অবস্থাতেই। যেকোনো প্রজাতিকে রক্ষা করতে গেলে আগে সেই প্রজাতিটি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। সচেতনতাই বদলে দিতে পারে এই প্যাঙ্গোলিনদের বর্তমান অবস্থা।
‘হিমালয় শীর্ষে আপনি দাঁড়িয়ে রয়েছেন, কিন্তু আপনার আসল উচ্চতা কত?’ এমনই উদ্ভট প্রশ্ন করেছিলেন শংকর, স্বয়ং সত্যজিৎকে। চলচ্চিত্রচর্চার বাইরে গিয়ে সত্যজিৎকে খানিকটা ভেতর থেকে, কাছ থেকে দেখার আগ্রহ সেই সাক্ষাৎকার জুড়ে।
২ ফেব্রুয়ারি চলে গেল বিশ্ব জলাভূমি দিবস। জলদূষণ আর জলদূষণের একটি বড় অংশের জন্য দায়ী আমাদের কার্যকলাপ। জলাভূমি যে সুরক্ষিত করতে হবে– এই বিষয়ে ভাবা শুরু হয়েছিল জলজ বাস্তুতন্ত্র বিপন্ন, তা বোঝার প্রায় ২৬ বছর পর। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা অনেক আগে থেকে বললেও, ১৯৭১-এর আগে টনক নড়েনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের!
২৫ জানুয়ারি বাঙালির থিয়েটারে নিয়ে এসেছে অদ্ভুত এক সমাপতন। এই দিনে ‘রেবেল পোয়েট’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম। ঠিক তার পঁচিশটি বসন্ত পেরিয়ে, উত্তর কলকাতায় জন্ম নিলেন বাংলা রঙ্গমঞ্চের ‘নটচূড়ামণি’ অর্দ্ধেন্দুশেখর মুস্তফী। এই সমাপতন কি শুধুই গাণিতিক?
সুভাষ বোস সেই সময়ে ভাবতে পারেননি যে, ভারত স্বাধীন হওয়ার এত বছর পরেও হিন্দুত্ববাদী শক্তিরা এতটা রাজনৈতিক শক্তিশালী হয়ে উঠবে। যে হিন্দুত্ববাদী শক্তিরা আজ রামরাজ্যের কথা বলেন এবং ‘জয় শ্রীরাম’ শ্লোগান দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের যখন মারা হচ্ছে তখন সুভাষ বোসের এই কথাগুলো প্রণিধানযোগ্য। তাই যাঁরা আজকে সুভাষ বোসের ‘উত্তরসূরি’ হিসেবে নিজেদের দেখানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা যদি একটু সুভাষ বোসের সম্পর্কে পড়াশোনার চেষ্টা করতেন, তাহলে হয়তো লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলতেন।
শর্বরী রায়চোধুরীর বলেছিলেন, ‘কেউ কেউ আমার কিছু কাজ দেখে বলেছেন যে, ওই কাজ চোখের সামনে রেখে ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক বাজতে থাকলে একটা সিংক্রোনাইজেশন হয়।’
খাতা দেখে গান গাওয়ার ব্যাপারে প্রচণ্ড বিরোধিতা ছিল অর্ঘ্য সেনের। রবীন্দ্রসংগীত দেবব্রত বিশ্বাসের কাছে শিখলেও রেকর্ড জগতে ট্রেনিং নেন শুভ গুহঠাকুরতা, সন্তোষ সেনগুপ্ত, শৈলেন মুখোপাধ্যায় ও সুচিত্রা মিত্রের তত্ত্বাবধানে। তাঁর মঞ্চাভিনয়ের পরিচালকরা ছিলেন শম্ভু মিত্র ও ঋত্বিক ঘটক।
তখন ‘ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা’ ত্রিপুরা-তে থিয়েটার-ইন-এডুকেশন নিয়ে পড়াশুনা করছি। সেই সময় রতন থিয়ামের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়েছিল। একদিন ক্লাসে পেন আনতে ভুলে গিয়েছিলাম। আমার অস্থিরতা লক্ষ করে তিনি বলেছিলেন, ‘পেহলে খুদকো ঢুন্ডো’। একটা ছোট্ট কথা, কিন্তু কী গভীর ব্যঞ্জনাপূর্ণ উক্তি!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved