Robbar

রোজনামচা

অমরত্বের ২৯ জুলাই

১৯১১-তে মোহনবাগানের ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ড-জয় অনেকের কাছে পলাশীর প্রতিশোধ, অনেকের কাছে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ময়দানি-রূপ। স্বাদেশিকতার বর্ণপরিচয়। তবে এ-কথা অনস্বীকার্য, ১৯১১-য় মোহনবাগানের এই সাড়া জাগানো জয় স্বদেশি আন্দোলন এবং ফুটবলকে যেন এক সুতোয় বেঁধে ফেলেছিল।

→

মুসলিম কবির জগন্নাথভজন শরীরে তুলে নিয়েছিলেন কেলুচরণজি

মুসলিম কবি সালাবেগের ডাকে আজও বড়দারায় থামে পুরীর রথ। সালাবেগের জগন্নাথভজন ‘আহে নীল শৈল প্রবল মত্ত…’ পরম নিষ্ঠায় অভিনয় করতেন গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র। আটপৌরে দেহ, বিরলকেশ মাথা, সাদা ধুতি আর প্রায় রূপসজ্জাহীন মুখ, অলৌকিক হয়ে উঠত এক মুহূর্তে।

→

উল্টোরথযাত্রা

এক আষাঢ়ে যাত্রা শুরু করেছিল উল্টোরথ পত্রিকা। সম-চরিত্রের আরও বেশ কয়েকটি পত্রিকার জন্মে হারিয়ে গেলেও ‘উল্টোরথ’ পত্রিকার ‘গণেশ’ পরবর্তী প্রায় তিন দশক উল্টোয়নি। বরং তার জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বেড়েছে।

→

ইতিহাসের রসচক্র

রথ টানলেই জিলিপি আসে। রসগোল্লা-সন্দেশের বাবুয়ানি তার নেই; তবু বাঙালি রথে জিলিপি খাবে না, এ হতেই পারে না। বাঙালির এত আপন যে মিষ্টি, তার শুরু না কি বাংলায় নয়, ইরানে। আর সে খাবারকে ভারতে জনপ্রিয় করেছিল মোঘল শাসকরা। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলায় আসার রসচক্রটি ঠিক কেমন ছিল?

→

বাঁকুড়ার রথ পুতুলের মেলা

বাঙালির রথের মেলা আগে আলো করে থাকত মাটির পুতুল। সঙ্গে অবশ্যই থাকত কাঠের পুতুল, খেলনা গাড়ি ও তালপাতার সেপাই। আর বিকেলে পুতুলনাচের আসর। রথের মেলা থেকে পুতুল কিনেই গ্রামীণ বঙ্গজীবন ঝুলন সাজিয়ে তুলত। সেই ধারা কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে! তবু বিক্ষিপ্তভাবে সে আজও নিজের অস্তিত্বের কথা জানান দিয়ে চলেছে।

→

ত্রৈলোক্যনাথের ভূতুড়ে ঠিকানায় আপনাকে স্বাগত

বাস্তব, কল্পনা আর বিজ্ঞান মিশিয়ে যে আজগুবি দোয়াত, তাতেই কলম ডোবাতেন ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়। এমন লেখক কি বিস্মৃত হয়েছেন বাঙালি পাঠকের কাছে? তাঁর বসতবাড়িটি এই বেহাল দশা কি কাম্য ছিল? দায় কার? লেখকের জন্মদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→

কলকাতায় ব্রুসলীলা

সত্তরের কলকাতার অলিগলিতে হঠাৎই ঢুকে পড়েছিলেন ব্রুস লি। ‘এন্টার দি ড্রাগন’ ছবির মাধ্যমে। যদিও তখন তিনি আর জীবিত নেই। তবু ডিভিডি-ভিসিআর, পাড়ায় পাড়ায় ক্যারাটে ইশকুল আর রকের আড্ডায় একটা প্রজন্মের সকলেই আমরা ব্রুস লি হতে চেয়েছিলাম।

→

১৯৬৭, ইডেন, গ্যারি সোবার্স লাইভ!

ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং– ক্রিকেটের তিন ভুবনে তিনি ছিলেন সেরার সেরা। ‘অলরাউন্ডার’ শব্দটার জন্মই হয়েছিল তাঁকে কেন্দ্র করে। সদ্য প্রয়াত, সেই গারফিল্ড সোবার্সকে ঘিরে মুগ্ধতার রেশ আজও ভেসে বেড়ায় ২২ গজ থেকে গ্যালারিতে। তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণ রোববার.ইন-এ।

→

‘অসুস্থ’ কলকাতার অদ্বিতীয়া চিকিৎসক

কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়। প্রথম ভারতীয় মহিলা চিকিৎসক। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে, যখন তাঁর পেশা এবং রাতে রোগী দেখাকে ‘বেশ্যা’ বলে কটাক্ষ করে একটি রক্ষণশীল হিন্দু পত্রিকা, তখন তিনি রোগী দেখতে যান ফিটনে চড়ে, এগিয়ে নিয়ে চলেন বাংলার নারীমুক্তি আন্দোলনকে!

→

সমাজসচেতন না হলে, অভিনেতা মঞ্চের পুতুল

এমনটাই মনে করতেন বিজন ভট্টাচার্য। বিশ্বাস করতেন, ‘মানুষের কল্যাণে রুটির লড়াই-এর সঙ্গে প্রাণের লড়াইকে এক সূত্রে বেঁধে নাট্য আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই গণনাট্যের মর্মকথা।’ তিনি চিরকালই জনমুখী, বিজন পথের মানুষ নন।

→