Robbar

রোজনামচা

সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের রবীন্দ্রভারতী বিরোধিতা

১৯৬১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। চারদিকে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের উন্মাদনা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের সরকার ‘টেগোর ইউনিভার্সিটি বিল’ পেশ করেছে। ঠিক সেই সময় ৪ নম্বর এলগিন রোড থেকে শ্রীযুক্ত দ্বিজেন্দ্রলাল সেনগুপ্তকে একটি চিঠি লিখছেন সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

→

মারের সাগর পাড়ি দেব

মারের বদলা কি মার হয় রবীন্দ্রনাথে? না। শুরু হয় প্রতিহিংসাহীন ত্যাগ আর আত্মদানের মধ্য দিয়ে এক গভীর চলা। কখনও কখনও একলা চলা। আপন বুকের পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে একলা চলা।

→

প্রকৃতির পুনরুদ্ধার চান শতবর্ষী অ্যাটেনবরো

তাঁর জীবন-শতকের বেশিরভাগটাই কেটেছে পৃথিবীর প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের রত্নভাণ্ডারের শোভা উপভোগ করে। তিনি পরের প্রজন্মের ওপর দিয়ে দিয়ে যেতে চান তাকে আগলে রাখার গুরুদায়িত্ব। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষই সবচেয়ে বড় সমাধানকারী।

→

সত্যজিতের গল্পের ভদ্রলোকেরা

সত্যজিতের গল্পে ছেলেবেলার বন্ধুত্বের কথা বারবার ফিরে ফিরে আসে। একদা-নিবিড়ভাবে-আশ্লিষ্ট দুই বন্ধু, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাঁরা স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হয়েছেন।

→

নাৎসি ছাঁচে গড়া সত্যজিতের খল বিজ্ঞানীরা

নাৎসি ক্যাম্পের ড. ফিশারকে তাঁর সহকর্মীরা তাঁর ফার্স্ট নেম ধরেই ডাকতেন। অর্থাৎ, ফ্রিৎস। উনিশ-কুড়ি বছর বয়স থেকেই সত্যজিৎ রায়ের স্মৃতিতে এই ‘ফ্রিৎস’ নামটা গেঁথে গিয়েছিল! দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তিন দশক পরে এই ‘ফ্রিৎস’ নামটা সত্যজিৎ রায় ফিরিয়ে এনেছিলেন নিজের এক ছোটগল্পে।

→

নিঃসঙ্গ ও রুচিমান সত্যজিতের ছোটগল্পের চরিত্ররা

সত্যজিৎ রায়ের গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের প্যাটার্ন একটা জায়গায় অদ্ভুতভাবে প্রায়ক্ষেত্রেই এক যে, তারা একা মানুষ, এবং তাদের নিঃসঙ্গতায় তাদের গ্লানি নেই। তারা নিজেদের, নিজেদের মতো করে আবিষ্কার করে নিতে পারে। এই যে নিজেকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিতে পারা– এ-ও একটা নিজস্ব রুচির পরিচয় দেয়।

→

৩৬৫ দিনই ‘মেয়ে’ ডে

যে অধিকার স্বাভাবিক নিয়মে পায় অধিকাংশ জন, সেই অধিকার মেয়েদের আদায় করে নিতে হয়। লড়ে নিতে হয়। যেই লড়াই ঘরে বাইরে সব জায়গায়। সম্মান এবং অধিকার– এই দুইটির আপসহীন প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজন মেয়েদের শ্রমের মর্যাদা।

→

যেদিন আমার স্বামী বাঘের মুখে পড়ল…

যে পুরুষ মানুষরা বাঘের হাতে প্রাণ হারান, তাদের স্ত্রীদের স্থানীয়রা ‘বাঘবিধবা’ বলে চিহ্নিত করে। এই বিধবাদের জীবন বিশেষ সুন্দর নয়। প্রায়শই সমাজের খোঁটা শুনতে হয়।

→

শূন্য মঞ্চের ভিতরে এত ঢেউ

খালেদ চৌধুরী জানতেন, একটা শহরের রূপ বোঝানোর জন্য গোটা শহরটাকে মঞ্চে তুলে আনার দরকার নেই, শুধু একটা ভাঙা ল্যাম্পপোস্ট আর একটা শূন্যে হারানো বাঁকানো সিঁড়িই যথেষ্ট। তাঁর তৈরি করা সেটগুলো যেন নিজেরাই এক একটা নীরব অভিনেতা, যারা সংলাপ না বলেও দর্শকদের সঙ্গে অনবরত কথা বলে যায়।

→

কেবলই ‘ছবি’ নয়

পোর্ট্রেট তুলতেন কম, অধিকাংশই ওয়াইড ফ্রেমের ক্যানডিড। ২৪-৭০ বা ২৮-৭০ এই লেন্সই উনি ব্যবহার করতেন। বেশিরভাগ ছবিই ওয়াইড ফ্রেম, লং লেন্স নিয়ে ঘুরতেনই না। সবসময় একটাই লেন্স দিয়ে সব কাজ করে সময় সাশ্রয় করতেন।

→