

যখনই খুদে অ্যাসটেরিক্স বা সরল-সোজা ওবেলিক্স তাদের অলৌকিক পানীয় খেয়ে মহাশক্তিশালী রোমান লিজিয়নদের কচুকাটা করেছে, তখনই পাঠক এক অদ্ভুত মানসিক তৃপ্তির স্বাদ পেয়েছেন। দুই স্রষ্টা গোসিনি ও ইউদেরজোর জন্মের ১০০ বছর পরেও তাঁদের তৈরি চরিত্রগুলো একইভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে রয়েছে।
মাত্র ১১ বছর বয়সে গান্ধীজির আহ্বানে ঘর ছেড়ে যে মেয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, ঘরের মোহ তাঁকে কোনওদিনই সংসারী করতে পারেনি। স্বাধীনতা-উত্তর রাজনীতিও তাঁকে আকর্ষণ করেনি কোনও দিন।
চাষিরা আলাদা করে চাষ করছেন হাতির জন্য। হাতিও চাষির ভাগের ফসল নষ্ট করছে না। এরকম দুর্লভ উদাহরণ সুলভ হোক। এইটুকু তো সভ্য হওয়াই যায়, তাই না?
ইউরোপ থেকে ফেরার খবর পেয়ে ম্যাগনোলিয়া ফুল নিয়ে রবীন্দ্রনাথ অভিনন্দন জানাতে গেলেন জগদীশচন্দ্রকে। কিন্তু সেদিন সস্ত্রীক জগদীশচন্দ্র কোথাও গিয়েছিলেন। তাঁর টেবিলের ওপর ফুলটি রেখে আসেন কবি। অবলার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বন্ধুত্বকে কোনও কোনও গবেষক ভিন্ন আলোকে ব্যাখ্যা করলেও তার মধ্যে সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায় না।
রবীন্দ্রনাথ মানেই কি মৃত্যুকে এক অদ্ভুত আধ্যাত্মিক চোখে দেখা? একটা ভীষণ রোমান্টিক, শান্ত, স্নিগ্ধ ব্যাপার? যেন মৃত্যু কোনও শোকের জিনিস নয়, স্রেফ পরমাত্মার সঙ্গে মিলনের একটা রাস্তা। কিন্তু ব্যাপারটা কি এতটাই সোজা? ২২ শ্রাবণ উপলক্ষে রবীন্দ্র-নাটকে মৃত্যুর নানা প্রেক্ষিত নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ।
আজ কেয়া চক্রবর্তীর জন্মদিন। কেয়া চক্রবর্তী ও শাঁওলী মিত্রের দীর্ঘদিনের নাট্য-আত্মীয়তা। সেই স্মৃতির খানিক ‘কেয়াদির কথা’ নামে লিখে রেখেছিলেন শাঁওলী মিত্র। জন্মদিনে সেই অপ্রকাশিত গদ্যটি প্রকাশ করল রোববার.ইন।
গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্যের জীবনকাহিনি আজ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, বড় কিছু করার জন্য সবসময় প্রাচুর্য বা বড় ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না, যা প্রয়োজন তা হল একাগ্রতা, নিষ্ঠা এবং চারপাশের প্রকৃতিকে ভালোবাসার এক সত্যান্বেষী মন।
জে কে রাউলিং কিংবা তাঁর সৃষ্ট শুভশক্তির মশালধারী শিশু হ্যারি– বড় হয়ে উঠতে উঠতে বারবার দেখায় জীবনে ভালোবাসার থেকে বড় জাদু আর কিছু হতে পারে না। মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ যদি করতেই হয় তবে শুধুমাত্র তা ভালোবাসার জন্য করা যেতে পারে।
যতই ‘কার্পে ডিয়েম’ বলা হোক, বর্তমানকে আসলে নির্মাণ করে মানুষের অতীত অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। মোদিয়ানোর সারা জীবনের সাহিত্য যেন তাঁর এই বক্তব্যকেই বাস্তবায়িত করতে করতে এগিয়েছে। উপন্যাসের পর উপন্যাসে তিনি হাতড়ে গিয়েছেন পূর্বস্মৃতি, অতীতের গর্ভ থেকে তুলে আনতে চেয়েছেন জীবনের অর্থ।
১৮৭৫-১৯২৫ সময়কালের মধ্যে কেবল আনন্দের জন্য ভারতে প্রায় ৪০ হাজার বাঘ শিকার করা হয়েছিল। মৃত বাঘের মাথার উপর পা রেখে আলোকচিত্র তুলেছিলেন বহু রাজা, যুবরাজ, জমিদাররা। ফল– বাঘের সংখ্যায় ভয়ংকর হ্রাস। আজ ২৯ জুলাই। আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস। সেই কলঙ্কিত ইতিহাস ফিরে দেখার দিন, সংরক্ষণের শপথ নেওয়ার দিন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved