

এই প্রাইড মান্থে হয়তো প্রচুর আলোচনা হবে অনয়া বাঙ্গারের ক্রিকেটে প্রবেশাধিকার না-থাকা নিয়ে। সহানুভূতির বন্যা বয়ে যাবে। তবে নিশ্চিতভাবেই, একজন ক্রিকেটার হিসেবে অনয়া বাঙ্গার ব্যর্থ। এবং এই ব্যর্থতার দায় সমস্ত লিঙ্গের মানুষের ওপর বর্তায়।
তাঁর কবিতায় ঘুরে-ফিরে বেড়ায় তাঁর কিশোর প্রেমিকেরা। সীমাহীন সমুদ্রের মতো স্বাধীন এবং তরঙ্গমুখর সান্দ্রো পেন্নার অন্তর্জগৎ! ‘নবীন কিশোর’-দের প্রতি পেন্নার শারীরিক আকর্ষণ, সপ্রেম মুগ্ধতার এক কামতীব্র আগ্নেয়োদ্ভাসকে আমরা স্পর্শ করতে পারি তাঁর কবিতার পঙ্ক্তিতে পঙ্ক্তিতে।
রবীন্দ্রনাথ সমাজনির্মিত লিঙ্গের খাঁচাটিকে ভাঙতে ভাঙতে চলেন। প্রশ্ন করেন প্রণয়ের পরিসরে নারী-পুরুষ বাইনারির কেন্দ্রিকতাকে, ‘পুরুষালি’, ‘মেয়েলি’ এই একমাত্রিক সংজ্ঞাগুলির একাধিপত্যকে, তাঁর রচনাপথে জেন্ডার-এর পাঠ নিয়ে আসে নানা সন্ধানের বাতাস। প্রাইড মান্থ উপলক্ষে বিশেষ নিবন্ধ।
১৯৮৫ সালের ৯ জুন ‘পরমা’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল। একটি আদ্যন্ত বাঙালি উচ্চবর্ণ, উচ্চবিত্ত পরিবারের বিবাহিত নারীর কাহিনি। কিন্তু নারীর অস্তিত্ব, নারী-জীবনের বাস্তবতা ও পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রে বাস করা নারীকে যে হেনস্থা-হিংসার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, কেবলমাত্র সিকিভাগ স্বাধীনতার জন্য, সেই ক্যানভাস আজকের ভারতে এতটুকু পুরনো হয়নি।
জলাভূমি রক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিই আজ জলাভূমি ধ্বংসের হাতিয়ার, আইনি রক্ষাকবচকেই সুবিধামতো ব্যবহার করে চলছে জলাভূমি খুন। পাশাপাশি ধ্বংস হওয়া বাস্তুতন্ত্র। তার বিকল্প কী? কলকাতায় কিছু জলাশয় খাতায়-কলমে ‘বাস্তু’ হয়ে যায় আগেভাগেই, যাতে পরে ভরাট করা যায় আইন ফাঁকি দিয়ে।
সুমন আজ আমাদের মধ্যে নেই, গত ৩১ মে, রবিবার তাঁর আন্ধেরি, লোখান্ডওয়ালার বাসভবনেই দেহ রেখেছেন। কিন্তু সন্ধ্যার নিস্তব্ধতায়, পুরোনো রেডিওর মৃদু শব্দে, কিংবা কোনও সংগীতপ্রেমীর স্মৃতির অলিন্দে তাঁর কণ্ঠ এখনও ভেসে আসে। সেই কণ্ঠে আছে প্রেমের মাধুর্য, ভক্তির নিবেদন, বেদনার কোমলতা এবং জীবনের সৌন্দর্যের প্রতি এক গভীর আস্থা।
প্রবাল দাশগুপ্ত কেবল একজন ভাষাবিজ্ঞানী বা ভাষাতাত্ত্বিক ছিলেন না, ছিলেন চিন্তক। বিশ্বাস করতেন– ভাষা কেবল ভাব বিনিময়ের মাধ্যম নয়, বরং তা মানুষের মুক্তির পথ; ভাষাগত বৈষম্য দূর করার মাধ্যমে পৃথিবীর মানুষ একে অপরের আরও কাছাকাছি আসতে পারে, আর সেই সেতুবন্ধনের মাধ্যম হিসেবে তিনি এসপেরান্তোকে বেছে নিয়েছিলেন।
অনীকের সঙ্গে যতবার কথা হয়েছে আমার, সিনেমা নিয়ে নয়, জীবনবোধ নিয়ে, মনে হয়েছে আমার, সে বেছে নিয়েছে কার্নিশ দিয়ে চলার পথ। উপনিষদ যাকে বলেছে, ক্ষুরের ধার দিয়ে চলা।
দিনকয়েক আগেও আমার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল অনীকের। আমার কাছে আসবে, দেখা করবে, এমনটাই বলেছিল। কী কথা, ফোনে কি বলা যায়? জিজ্ঞেস করাতে বলেছিল, ‘না, না। সামনাসামনি গিয়ে কথা বলব।’ দুর্ভাগ্য, সেই বসাটাও হল না, কী কথা যে ওর বলার ছিল, সেটাও আর জানার কোনও উপায় রইল না।
রকেটের মধ্যে কৃত্রিম মাধ্যাকর্ষণ শক্তি হঠাৎ চলে যাওয়ায় গ্লাসের হুইস্কি বলের মতো হয়ে ভেসে যেতে থাকে, আর ক্যাপ্টেন আকুল স্বরে বলতে থাকেন, ‘আরে, হুইস্কি, তুমি এত অবাধ্য কেন? এসো... গেলাসের মধ্যে ফিরে এসো!’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved