Robbar

রোজনামচা

সত্যজিতের অন্ধভক্ত বললেও কম বলা হয়

দিনকয়েক আগেও আমার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল অনীকের। আমার কাছে আসবে, দেখা করবে, এমনটাই বলেছিল। কী কথা, ফোনে কি বলা যায়? জিজ্ঞেস করাতে বলেছিল, ‘না, না। সামনাসামনি গিয়ে কথা বলব।’ দুর্ভাগ্য, সেই বসাটাও হল না, কী কথা যে ওর বলার ছিল, সেটাও আর জানার কোনও উপায় রইল না।

→

পাত্র চাই, পানপাত্র

রকেটের মধ্যে কৃত্রিম মাধ্যাকর্ষণ শক্তি হঠাৎ চলে যাওয়ায় গ্লাসের হুইস্কি বলের মতো হয়ে ভেসে যেতে থাকে, আর ক্যাপ্টেন আকুল স্বরে বলতে থাকেন, ‘আরে, হুইস্কি, তুমি এত অবাধ্য কেন? এসো... গেলাসের মধ্যে ফিরে এসো!’

→

যে ‘দেবদাস’ রিমেক করা যায় না

পপুলারিটি তেমনই জন্তু, যা অজগরের মতো আমাদের একান্ত মৌলিক ও লৌকিক নৈঃশব্দ্যগুলোকে গিলে খেয়ে নেয়। নির্জন ও নিভৃত পরিসরকে বিধ্বস্ত করে ফেলাই তার অন্যতম পলিটিক্যাল এথিক্স। তবু দেবদাসের ভোরকালীন মৃত্যুকে নির্বাচনী জয়-পরাজয়ের উল্লাস ঢেকে ফেলতে পারল না। কলঙ্কিত করতে পারল না অহেতুক লোক-দেখানো শোকপ্রস্তাবের মেকি অশ্রু দিয়ে।

→

কারার ওই নজরুল

নজরুলের কারাজীবন। অনশন। হার-না-মানা হার গলায় পরা। জন্মদিনের আবহে, তাঁর সৃষ্টি ও জীবনকে সমান্তরালে রেখে এই পাঠ।

→

লেটোর সংলাপ সমৃদ্ধ করেছিল নাট্যকার নজরুলকে

নজরুলের সবচেয়ে উপেক্ষিত নাট্যকার সত্তাটির হয়ে ওঠার নেপথ্যের ইতিহাস বড়ই চমকপ্রদ এবং মাটির কাছাকাছি। তাঁর নাট্যশিক্ষার কোনও প্রথাগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ছিল না। তাঁর প্রথম পাঠশালা ছিল রাঢ় বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতি– লেটো গানের দল।

→

কাশ্মীরের প্রকৃতিকে পোশাকে রূপান্তর

‘কায়নাত: আ ব্লুম ইন দ্য ইউনিভার্স’। ভেলভেটের ওপর ব্রোকেড ও সুতোর কাজ। তাতে পাখি, গাছ, গোলাপ। কাশ্মীর উপত্যকার স্মৃতি। ওই স্মৃতিতেই, রংবেরঙে আজও অমলিন গুড্ডা– রোহিত বাল।

→

বহুত্বের স্বপক্ষে লড়াই

১৯ মে শ্রেষ্ঠত্বের দাবি রাখে তার প্রকৃত ইতিহাসের নিরিখে, বৈচিত্রে, তার সংগ্রামের ব্যাপকতার নিরিখে। বরাক উপত্যকার সদর শহর শিলচরের রেল-স্টেশনে পুলিশের গুলিতে জীবন আহুতি দিয়েছিলেন ১১ জন তরুণ-তরুণী। ভাষাকেন্দ্রিক গণ অভ্যুত্থানের এমন আপামর ব্যাপ্তি অন্য কোনও ভাষা সংগ্রামে পাওয়া যায় না।

→

মুশকিল আসান

টুটুবাবু চলে গেলেন। মাথার ওপর থেকে ছাতা চলে গেলে, যা হয়, এখন অবস্থা সেরকমই। একলা লাগে ভারি।

→

আমার সহজ পাঠ, আমার স্কুল জীবন

‘শূন্য থেকে শুরু’। স্বপনসাধন বোসের (টুটু বোস) ৭৫ বছরের জন্মদিনে প্রকাশিত হয়েছিল এই বই। কীরকম ছিল তাঁর বড় হয়ে ওঠা? তাঁর বাল্যকাল? শিক্ষাজীবন? লিখেছিলেন এই বইয়ের ‘সহজপাঠ’ অংশে। তাঁর প্রয়াণ-আবহে রইল সে লেখার টুকরো পুনর্মুদ্রণ।

→

যে চিঠি অনন্তের পথে যাবে

নিবিড় আঁধারে আপনি আমাকে দিয়েছিলেন নির্ভয়নিলয়। এবং হাত ধরে এই প্রতিশ্রুতি, ছেড়ে যাবেন না। আমি জানি ছেড়ে আপনি যাননি। আমিও যাইনি আপনাকে ছেড়ে। দেখা হবে। হয়তো তাড়াতাড়ি। জীবন তৈরি করে আলোকবর্ষের দূরত্ব। মৃত্যু আমাদের প্রত্যেককে মুহূর্তে করে আত্মীয়। টুটু বোসের প্রয়াণে বিশেষ স্মরণলেখ।

→