Robbar

রোজনামচা

সত্যজিৎ রায়ের ছবি তোলা ছিল বাবার কাছে অক্সিজেন

বাবার তোলা মানিকজেঠুর ছবি আজও দেখলে মনে হয়, নতুনভাবে সত্যজিৎ রায়কে দেখছি। একটা ফ্রেশ দেখার চোখ আছে তাতে। অন্য অনেকেই তো সত্যজিতের ছবি তুলেছেন। কিন্তু এতটা জনপ্রিয় হয়েছে কি সেইসব? আলোকচিত্রী নিমাই ঘোষের মৃত্যুদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→

দ্বিধাই শহীদুল জহিরের আখ্যানের কেন্দ্র

শহীদুল জহিরের গল্পে কোনও চূড়ান্ত উচ্চারণ নেই। অর্থ বারবার সরে যায়, ঘটনা ফিরে আসে, পরিসমাপ্তি স্থগিত থাকে। এই স্থগিত করে রাখা, না-বলা, দ্বিধাই– শহীদুল জহিরের আখ্যানের কেন্দ্র, তাঁর গভীরতম রাজনৈতিক অবস্থান।

→

অল্প যাওয়া, অল্প কথা বলা

অতিরিক্ত কোনও আবেগের সঞ্চালন সন্তর্পণে এড়িয়ে চলছেন, আর পরিমিতিই হয়ে উঠছে শিল্প, এইটা ক্রমাগত বুঝতে বুঝতে শঙ্খ ঘোষের কবিতা পড়ি। নীরবতা আর নিয়ন্ত্রণকে তাঁর কবিতায় চারিয়ে দিচ্ছেন তিনি; প্রচার নয় প্রকাশ, জোর নয় বিশ্বাস প্রবল হয়ে উঠছে। তাঁর নিজের কবিতা-ভাষা নীরবতার ভিতর থেকে, নেপথ্য থেকে সময়ের আশ্চর্য পরিক্রমা।

→

কবিতাপাঠকের গোয়েন্দাগিরি

কবিতা চর্চাকারীদের মধ্যে এক ধরনের আদিম ব্যামো রয়েছে। তা, কবিতায় ব্যবহৃত ব্যক্তিনামের খোঁজ। বাংলা কবিতায়, বহু বিখ্যাত কবিতায় নামের ব্যবহার রয়েছে। জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন থেকে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের অবনী– এ নিয়ে পাঠকের জিজ্ঞাসা গোয়েন্দাগিরির পর্যায়ে পৌঁছেছে। সত্য আর কবিতার সত্য কি এক? বাস্তবের পিন ফুটিয়ে কবিতার বুদ্বুদ ফাটিয়ে দেখার এই চেষ্টা কি কবিতার পক্ষে ক্ষতিকারক? বিশ্ব কবিতা দিবসে সে নিয়েই বিশেষ নিবন্ধ।

→

একাকিত্ব নয়, একসঙ্গে চলা

২১ মার্চ। ২০১২ সাল থেকে রাষ্ট্রসংঘের জেনারেল অ্যাসেমব্লি এই দিনটিকে ‘ডাউন সিন্ড্রোম ডে’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতি বছর নতুন কোনও বিষয়কে বেছে নেওয়া হয় এই দিনটির বিশেষ বার্তা হিসেবে। এ বছরের বার্তা, ‘একাকিত্ব নয়, একসঙ্গে চলা’।

→

শ্রবণ-শক্তি

কিন্তু যেই জীবনে দ্বিতীয় দশক এল, কানে গেল শক্তির স্বকণ্ঠে কবিতা পাঠ। ‘দুঃখ কি সহজে যায়? তাকে ধুতে নদী-ভরা জল/ লাগে ও বাতাস লাগে সেই ভেজা অঞ্চল শুকাতে।’ এইচএমভি-র লাল মলাটের ক্যাসেট। ব্যাস হয়ে গেল নেশা!

→

প্রচ্ছদশিল্পের কবি পূর্ণেন্দু পত্রী

পূর্ণেন্দু পত্রীর প্রচ্ছদ দেখলেই সহজেই অনুধাবন করা যায় যে, কেবল টেকনিক-প্রধান একজন শিল্পী হলে এসব প্রচ্ছদ করা যায় না। বরং পূর্ণেন্দুর মধ্যে এক অখণ্ড কবিসত্তা আছে বলেই তাঁর শিল্পীমানস জন্ম দিতে পেরেছে একের পর এক স্মরণীয় প্রচ্ছদের। আর এখানেই তাঁর কবিসত্তা ও শিল্পীসত্তা হাত ধরাধরি করে হেঁটেছে দীর্ঘতম পথ।

→

আজন্ম সংগীতের ছাত্র

বিলায়েত খান আজন্ম সংগীতের ছাত্র হয়েই জীবন কাটিয়েছেন। পুরস্কারের মোহ তাঁর মতো শিল্পীকে আবিষ্ট করেনি কখনওই– ১৯৬৪ এবং ’৬৮-তে যথাক্রমে ‘পদ্মশ্রী’ এবং ‘পদ্মভূষণ’ ফিরিয়ে দিয়েছেন, ২০০০ সালে ‘পদ্মবিভূষণ’-ও গ্রহণ করেননি। ১৯৯৫-তে ‘সংগীত নাটক অকাদেমি’ পুরস্কারও নিতে অস্বীকার করেছেন।

→

গানের জগতে নারী-পুরুষের সংজ্ঞা ভেঙে দিয়েছিলেন গাঙ্গুবাই

নারীকণ্ঠ মানেই স্বর হবে মিহি-মোলায়েম আর পুরুষকণ্ঠ জলদগম্ভীর হতে হবে– এমন বৈষম্য অনেক শিল্পীকেই সহ্য করতে হয়েছে। সেই স্টিরিওটাইপকে বদলে দিয়েছিলেন গাঙ্গুবাই হাঙ্গেল। টনসিল অপারেশনের জেরে তাঁর কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিল পুরুষালি।

→

প্রতিবাদের ইতিহাস, প্রতিবাদীর ইতিহাস

২০২৬-এর ৯ মার্চ প্রায় ৯০ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন পানিক্কার। ব্যক্তির মৃত্যু তো অনিবার্য। তবে তাঁর কাজ থেকে যায়। তাঁর লেখাপত্রে যে ‘কণ্ঠ ছাড়ো জোরে’র কথা বলে গিয়েছেন পানিক্কার, ইতিহাসকে সেই গুরু দায়িত্ব পালনের করানোর ভার তাঁর উত্তরসূরিদের।

→