Robbar

রোজনামচা

হত্যাকাণ্ডের পর চাঁদ উঠলেও আমাদের চোখ জ্বালা করে না

ফিলিস্তিনি শিশুদের রক্তাক্ত নিথর শরীরগুলোতেও হয়তো অজস্র আদরের চাঁদের টিপ খুঁজে পেলেও পাওয়া যেতে পারে! কিন্তু চাঁদ প্রতি রাতজুড়ে কি সেই আদরের টিপ দেখতে সক্ষম?

→

আড্ডার বাড়ি ফেরা

আজ ইদের দিন, চাঁদের দিন– সে উপলক্ষে সকলের ‘চাঁদদা’– অনিরুদ্ধ লাহিড়ীর অপ্রকাশিত লেখাটি প্রকাশিত হল রোববার.ইন-এ।

→

নৈশ আতঙ্কের নীরব দর্শক

সাহিত্যকর্ম বা চলচ্চিত্রে অতিপ্রাকৃত অস্তিত্বের সঙ্গে চাঁদের সম্পর্ক বারেবারেই দেখানো হয়। তন্ত্রসাধনার ক্ষেত্রেও চাঁদের অবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলা তথা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সর্বত্রই চাঁদ হয়ে উঠেছে রাতের প্রতিনিধি।

→

অভিজ্ঞতা-লাভের ইচ্ছা চাঁদের ওপিঠ পর্যন্ত পৌঁছেছিল মণীন্দ্র গুপ্তর

শিব-ত্রিকালেশ্বরের কপালের চাঁদ নয় শুধু, মণীন্দ্র গুপ্ত ক্ষমার কবিতা লিখতে গিয়ে কবির বাড়ির কপালেও চাঁদ দেখেছেন। দিগভ্রান্ত চাঁদ। জ্যোৎস্নার আবছায়ায় যখন স্পষ্ট করে আর-কিছুই বোঝা যায় না। বোঝা যায় না রাতের পাখি কখন উড়ে যায়! তখন কবিতা লেখার কথা মনে আসে।

→

সারাদিন নিমগ্ন গ্রন্থাগারে, বিকেলে সূর্যছোঁয়া গান

এই শতকের সূচনায় সন্‌জীদা খাতুন ফিরে এসেছিলেন শান্তিনিকেতনে। গবেষণার বিষয় করলেন রবীন্দ্রসংগীতের স্বরলিপির ইতিবৃত্তকে। তখন তাঁর অবস্থান পূর্বপল্লীর পঞ্চবটি বাসগৃহে।

→

রবীন্দ্রনাথের গানের প্রচলিত পর্যায় বিভাগকেই প্রশ্ন করেছিলেন সন্‌জীদা খাতুন

২৫ মার্চ প্রয়াত হয়েছেন সন্‌জীদা খাতুন। শান্তিনিকেতনের এই আশ্রমকন্যা ক্রমে হয়ে উঠেছিলেন ভাষার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের অভিমানের মুখ।

→

এই মুহূর্তে কবি নয় বাংলায় প্লাম্বার বেশি দরকার: শক্তি-রশিদ তক্কো ও রাত্রিকালীন কবিতাভবন

মোমবাতির নিভু নিভু শিখায় বড় ফ্রেমের চশমার সেই মানুষটিকে প্রথমবার দেখা। নাম– শক্তি চট্টোপাধ্যায়।

→

নদী আমাদের শত্রু নয়

পাড়-বাঁধ দিয়ে প্লাবনভূমিতে বন্যার জল ঢুকতে না পারায় নদীখাত অগভীর হচ্ছে। বন্যার জল ধরার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে নদীর।

→

মানুষ যেদিন গাছ থেকে জমিতে পা রেখেছিল, সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল ভূমি-দখলের লড়াই

কৃষিকাজ শুরুর পর থেকেই শুরু হল ভূমির ওপর মানুষের অধিকার কায়েম করবার প্রয়াস, ব্যক্তিগত বা যূথবদ্ধ লড়াই। সেই লড়াই, চলেছে তো চলেছেই।

→

শান্তিনিকেতনে পলাশ-শিমুলের আগুন লেগেছে ডালে ডালে, তখন শক্তিদা আমাদের প্রথম ক্লাসটা নিয়েছিলেন

শান্তিনিকেতন কবিতা লেখার জায়গাই নয়। শক্তি চট্টোপাধ্যায় বিশ্বভারতীতে বাংলা বিভাগে পড়াতেন যখন, বলেছিলেন একথা। সে নিয়ে নানা উষ্মাও তৈরি হয়েছিল। এই লেখা অধ্যাপক শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের শান্তিনিকেতন পর্ব। কবির মৃত্যুদিনে রোববার.ইন-এর প্রণতি।

→