Robbar

রোজনামচা

সময় হয়েছে মেয়েদের সমান অর্গাজমের দাবি করার

স্বীকার করার সময় এসেছে যে, জেন্ডার গ্যাপ, পে-গ্যাপ-এর মতো অর্গাজম-গ্যাপও হচ্ছে বাস্তবতা। সেক্স এডুকেশন, মহিলাদের নিজেদের শারীরিক চাহিদার উন্মুক্ত দাবির ক্ষেত্র না হলে গ্যাপ থাকবেই চিরকাল।

→

আদরে সোহাগে কেঁপে ওঠা মেয়ের খোঁজ রাখে না বনবন করে ঘুরতে থাকা এ পৃথিবী

ঘুমের মধ্যে ঘেমে ওঠে ছোটির হাতের তালু, শক্ত হয়ে ওঠে তার স্তনবৃন্ত। একটি ভারি সুন্দর মুখ, সুঠাম দু’টি কাঁধ নেমে আসে তার দিকে...

→

সারা জীবন ধরে নিখুঁত হতে চেয়েছিলেন পাহাড়ী সান্যাল

শান্ত অবস্থা থেকে উত্তেজিত হয়ে পড়া কিংবা হঠাৎ আনন্দ পাওয়ার যে অভিব্যক্তি– তাতেও তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী এবং এক সুতোও অতি অভিনয় না-করা মানুষ। হাতে একটি কাজ করতে করতে কারও সঙ্গে গপ্প করা কিংবা খাবার খেতে খেতে কথা বলার দৃশ্য তিনি এত ভালো করতেন যে, মনেই হত না পর্দায় কারও অভিনয় দেখছি।

→

চিন্তাশীল বাঙালির অস্তিত্ব সংকটে?

বাঙালির চিন্তাচেতনার ক্ষেত্রটি কি সংকুচিত হতে হতে ক্রমশ এক গোয়ালঘরে পরিণত হয়েছে?

→

জীবনের প্রথম অনুষ্ঠানে প্রতুলদা স্টেজে চেয়েছিলেন একটি মাত্র টেবিল

টেবিল বাজিয়ে, খালি গলায় গান গেয়েছিলেন। ইন্টারল্যুড, হারমনি– সবই খালি গলায়! দর্শকদের মাত করে দিয়েছিলেন। বাকিটা ইতিহাস। বেশ কয়েক দশক কেটে গেল প্রতুলদার গানের। প্রচুর শ্রোতাও পেলেন। উজ্জীবিত করে রেখেছিলেন তাঁর শ্রোতাদের।

→

শ্মশানের পরিবেশ তোয়াক্কা না করে বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শবদেহ ঘিরে গাইছিলেন, নাচছিলেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়

আমরা ঘিরে আছি শোকতপ্ত অশ্রুসজল স্ট্যাচুর মতো, প্রতুলদা এসে গান ধরলেন ‘জন্মিলে মরিতে হবে রে, জানে তো সবাই, তবু মরণে মরণে অনেক ফারাক আছে ভাই। সব মরণ নয় সমান।’ সব কনভেনশন ভেঙে তিনি গাইছেন আর বাবাকে ঘিরে নাচছেন। খুব বিস্মিত হয়েছিলাম।

→

এই ‘পোস্ট’-মডার্ন যুগেও ‘শুকনো কাঠ’ খারাপ বাংলা আর ‘নীরস তরুবর’ ভালো বাংলা?

তলিয়ে দেখলে এখন বুঝতে পারি, যে সরস্বতীর চেয়ে হাঁসটাকে বেশি গুরুত্ব দিতে গিয়েই যত বিপত্তি। চিন্তার চেয়ে চিন্তার বাহন ভাষাটাকে নিয়ে আমাদের এই বেশি মরি মরি ভাবটাই যত নষ্টের গোড়া।

→

বাংলাদেশে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অনুষ্ঠানে বসে নিজের শ্বাসের আওয়াজকেও বিরক্তিকর ঠেকেছিল

আপনার অসামান্য গানগুলো নিরাপদেই আছে, আমাদের বুকে বুকে, স্লোগানে স্লোগানে, মিছিলে মিছিলে, লাল টুকটুকে স্বপ্নগুলোতে, আর চোখের পানিতে!

→

আমার প্রথম দেখা একজন পারফর্মার, যিনি ভীষণ প্রাকৃতিক

প্রথম আলাপে আমাকে প্রতুলদা বলেছিল, তুমি ‘ঘুম পেয়েছে বাড়ি যা’ বললে কেন? আমি একটু অপ্রস্তুত হয়ে গেছিলাম, একটু আমতা করতে করতেই, বললেন, তোমার ‘ঘুম পেয়েছে অফিস যা’ বলা উচিত ছিল।

→

প্রতুলদার মাতৃভাষা ও সংস্কৃতিপ্রেম কূপমণ্ডুকের ‘বাঙালিয়ানা’র সঙ্গে মেলে না

উগ্র বাঙালিয়ানার চোখ দিয়ে ‘আমি বাংলায় গান গাই'কে দেখাটাও ভুল। এই গানে গঙ্গা পদ্মায় সাত নদী তেরো সমুদ্রকে খুঁজে পাওয়া যেমন আছে, তেমনই আছে বাংলাকে ভালোবেসে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসার কথাও।

→