Robbar

রোজনামচা

সহজবোধ্য নয়, এমন কবিতাই গানের জন্য বেছে নিয়েছেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়

এই চ্যালেঞ্জটা প্রতুলদা ইচ্ছে করেই নিতেন। এবং খুব সহজে উতরোতেন।

→

‘আমি বাংলায় গান গাই’ প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের প্রকৃত পরিচয় নয়

আমি যদি এ জীবনে একজনও প্রকৃত নিরীক্ষামনস্ক নাগরিক মধ্যবিত্ত বাংলাভাষী সংগীতকার দেখে থাকি– তিনি প্রতুল মুখোপাধ্যায়। ওঁর চেয়ে নিরীক্ষামনস্ক কেউ কোনও দিনই আসেননি। ওঁর ধারে-কাছে আমি তো নেই, কেউ-ই নেই।

→

নিষিদ্ধ কালো শাড়িতে ইকবাল বানো গাইলেন ‘হাম দেখেঙ্গে’, সেই সুরে মিশে গেল জিয়ার বিরুদ্ধে ইনকিলাবের ডাক

আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি। ৩৯ বছর আগে জিয়ার স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে ইকবাল বানো নিষিদ্ধ কালো শাড়ি পরে মঞ্চে ওঠেন, ৫০,০০০ মানুষের সামনে গান ‘হাম দেখেঙ্গে’। রাতারাতি নিষিদ্ধ হন তিনি। তাতে কী? ততক্ষণে জেগে উঠেছে জনতা। রাষ্ট্রের নজরদারি এড়িয়ে সেই গানের রেকর্ডিং মুহূর্তে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

→

আমার কাছে আমার দ্বিতীয় বইটারও কোনও কপি নেই

আমি যে বইটাকে আমার প্রথম বই ভাবতাম, সেটা আসলে আমার দ্বিতীয় বই। এটা মনে পড়তেই অনেক হিসেব গোলমাল হয়ে গেল।

→

বাতিল ছোটগল্পকে ঘিরেই তৈরি হয়েছিল আমার দ্বিতীয় উপন্যাস

এই উপন্যাসটি নানা প্রতিক্রিয়া জাগায়। প্রাক্তন নকশালরা বিরক্ত হন। আত্মহত্যার ঘটনাটি কষ্টকল্পনা মনে হয় কোনও কোনও লেখক-সমালোচকের। আমি শুনে হাসি। একেই বলে ‘ট্রুথ ইজ স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশন’।

→

‘হন্যমান’ আমায় দিয়েছে মানুষের অকূল ভালোবাসা, অজস্র চিঠি, জড়িয়ে ধরা কান্না

বইটা শেষ করার আগে কেবলি মনে হচ্ছিল– হল না। আরও কী যেন দেওয়ার ছিল, বলার ছিল আরও কত কথা।

→

‘মানুষশাবকের কথা’ গ্রন্থাকারে প্রকাশ করতে আগ্রহী, হঠাৎ পোস্টকার্ড এসেছিল বাদল বসুর

ফিরে তাকালে একগুচ্ছ ‘যদি’ আমাকে ভাবিয়ে তোলে। কী হত যদি ‘ভোরের কাগজ’ আমার লেখাটি না ছাপত? কী হত যদি শ্যামলকান্তি দাশ আমায় পরামর্শ না দিতেন? কী হত যদি বাংলা সাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ কবি এবং একজন শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকের আশীর্বাদ না পেতাম?

→

আমার জীবনের দ্বিতীয় বই-ই লেখক হিসেবে আমার প্রথম বই

২০১০ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘পাতালঘর’। কচিকাঁচাদের ভালো লেগেছিল। সে কারণেই বই বিক্রি হয়েছিল ভালো। সেই বইয়ের প্রকাশক যদিও ব্যাজার মুখে জানিয়েছিলেন বিক্রি ‘মোটামুটি’।

→

আমার দ্বিতীয় বই বিক্রি করলেন না প্রকাশক, লিটল ম্যাগাজিনের টেবিল থেকেও ফিরে এল

যদি এইসমস্ত শব্দ কোনও পুরুষ লিখতেন এবং সেইসব লেখার একটা তথাকথিত পলিটিক্যাল অ্যাজেন্ডা থাকত— তাহলে হয়তো ওঁদের কাছে সেইসব শব্দ আপত্তিকর হত না।

→

‘শরীরে সন্দীপন নেই’ হল আমার তারুণ্যের অপমান ও ব্যথার সৌন্দর্য-দাগ

শরীরে সন্দীপন নেই-এর পরে আমি আরও অনেক কবিতা লিখেছি, কিন্তু তা ওই, ‘ভালোবেসে সখী সুখও নাহি’র মতো অতৃপ্ত, দীপ্তিহীন– কখনও তা একাকিত্বের আলো হয়ে জ্বলছে, নিভেও যাচ্ছে আমার ভিতর।

→