Robbar

রোজনামচা

জুতোর বাক্সে কবিতা জমাতাম, ভাবতাম, চাকরি পেলে একদিন বই হবে

ফুলস্কেপ কাগজের একটি পাতায়, সিগারেটের রাংতার পিছনে, ক‍্যালেন্ডারে পিছনে বা ছেড়া কাগজের টুকরোয়, যেখানেই লিখি, ভাঁজ করে কিছুদিন পকেটে নিয়ে ঘুরতাম আমি, বন্ধুদের পড়াতাম, বিশেষত কয়েক নির্দিষ্টজনকে।

→

আমায় ডিরেক্টর বানিয়েছে আমার আদরের দ্বিতীয়

দ্বিতীয় বই আমার দিকে তাকিয়ে এখন মুচকি হাসে। ফিসফিস করে সে বলে, তুমি ভাবছ ফোয়ারা জিতেছে কিন্তু আসল গোলটা কিন্তু আমিই দিয়েছি মোক্ষম মুহূর্তে।

→

আমার ‘অষ্ট চরণ ষোলো হাঁটু’ নিয়ে সিনেমা করতে চেয়েছিলেন পূর্ণেন্দু পত্রী

অনেককেই বলতে শুনেছি, ‘অষ্ট চরণ ষোলো হাঁটু’ থেকে আমরা তার পাঠক। নামগল্পটা বেরিয়েছিল ‘অনুষ্টুপ’ পত্রিকায়। পূর্ণেন্দু পত্রীর এই গল্পটা ভালো লাগে। পূর্ণেন্দুদা আমাকে বলেন, ‘প্রচ্ছদটা আমি করব।’ করেওছিলেন।

→

আমার সমস্ত ভয়েরিজম নিয়েই দ্বিতীয় বইতে নিজের প্রেমপত্রটি রেখেছি

এই বইয়ে এবং আমার আরও অনেক পরবর্তী লেখায় খোলাখুলি যৌনতা থাকলেও, আমি আমার ভাষা থেকে রুচি, শিক্ষা, সভ্যতা এবং ড্রইংরুম পালিশ কখনও বর্জন করেছি বলে মনে হয় না।

→

অবাধ্য হৃদয়ের কথা অন্যভাবে বলতে চেয়েছিলাম আমার দ্বিতীয় বইয়ে

প্রথম বই-ই আনন্দ পুরস্কারে ভূষিত হয়। এতে আমার মাথা ঘুরে যাওয়ার সমূহ আশঙ্কা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। এই পুরস্কার বরং আমার দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছিল। যাঁরা কাব্য জগতে আমাকে সাদরে গ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের জন্য আরও ভালো লেখার দায়িত্ব।

→

পরবর্তী কাব্যগ্রন্থ শুধু নয়, বহু অনাগত উপন্যাসের সম্ভাবনাও ছিল ‘বৃষ্টি আসবে’ বইটিতে

আজ থেকে শুরু কলকাতা বইমেলা। আর রোববার.ইন-এ শুরু ‘দ্বিতীয় বই’ নিয়ে লেখকদের স্মৃতিচারণ। চলবে বইমেলার শেষদিন পর্যন্ত। এই সিরিজটি শুরু হল অনিতা অগ্নিহোত্রী-র লেখা দিয়ে।

→

হারিয়ে যাওয়া, বাতিল মেয়েদের খোঁজে…

যেসব কথা লেখা বারণ, যেসব কথা বলা বারণ সেই সমস্ত নীরবতা ভেঙে মুখর হল ক্লোই এবং অলিভিয়ার গল্প। পুরুষের অক্ষ ছাড়িয়ে দুই মেয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠা তাই বারবার গড়ে তুলেছে এক অন্য প্রতিরোধের ইতিহাস।

→

থানায় আটক নেতাজিকে চা খাইয়েছিলেন নৃপেন্দ চন্দ্র, সেই স্মৃতিতেই নারায়ণগঞ্জে গড়ে ওঠে ‘বোস কেবিন’

ঢাকায় শেষ রাজনৈতিক সম্মেলনে নেতাজি হিন্দু-মুসলিম-সহ দেশের আপামর জনসাধারণকে ‘ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আঘাত প্রদানের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের’ আহ্বান জানান।

→

ওয়েদার রিপোর্ট দিতে দিতে তিনি আমাদের দিয়ে গেলেন চাবুক চাবুক সাহস

যেভাবে তিনি ‘স্টার ওয়ার্স’-এর অফার ফিরিয়ে দেন, সেভাবে কেন ‘ডুন’-কে নাকচ করতে পারেন না?

→

সাদত হাসান মান্টো: একজন দর্জির নাম

ছোটগল্পের আসলে শক্তি তার ঈঙ্গিতময়তায়– পেঁয়াজের খোসার মতো তার অসংখ্য পরতে। আর সেটাই কী আশ্চর্য দক্ষতায় করেছেন আপনি, সাদাত হাসান মান্টো। ইঞ্চি ইঞ্চি মেপে, কাঁচি দিয়ে আখ্যানকে নিখুঁত মাপে কেটে কেটে, বলা না-বলার সুতো দিয়ে সেলাই করে। দৃশ্য-অদৃশ্যের খেলা খেলে।

→