এতকিছুর পরেও আঙুল ওঠে সেই মেয়েদের দিকেই। প্রশ্ন ওঠে, রাতবিরেতে একা মেয়ে কেন বিশ্রাম নিতে যাবে নিভৃতকক্ষে?
অফিস করে আসুন, কাজ সেরে আসুন। আসুন রাত হাঁটি। রাত দেখি। রাত বাঁচি। দুয়েকদিন আপনার পুরুষসঙ্গী পড়াক সন্তানকে। রাঁধুক বাড়ুক। আপনি সংঘবদ্ধ হোন ও রাতের অধিকার নিন। টেক ব্যাক দ্য নাইট।
খেলিফের প্রতি নেটিজেনের বিরুদ্ধতার কারণ তাই, আর যাই হোক, তা ‘মেয়েদের সমানাধিকারের’ দাবিতে নয়। সমস্যা অবশ্যই খেলিফের লম্বা, পেটানো পেশিবহুল চেহারা– যা বহু মানুষের মতে ‘নারীসুলভ’ নয়। অর্থাৎ, অলিম্পিক খেলার যোগ্যতা অর্জন করা ক্রীড়াবিদ পাশ করতে পারেননি আমাদের বিউটি প্যাজেন্টে। দুইক্ষেত্রেই লজ্জা আমাদের। তবুও খেলিফ জিতলেন, সোনা ছাড়া আর কীই বা পেতে পারতেন তিনি?
রক্তদাতা বা দাত্রী সুস্থ কিংবা তাঁর কোনও সংক্রমণ রয়েছে কি না, সেটাই বিবেচ্য হোক। তাঁর যৌন পরিচয় বা পেশা নয়।
স্মৃৃতি যা পেয়েছেন, তা তিনি আইনত পেয়েছেন। কৌশলে হাতিয়ে নেননি!
আসলে মহিলা-কর্মীদের ছুটি না দেওয়া, ছুটি না দিতে চাওয়া, ছুটি চাইতে এলে উষ্মা প্রকাশ করা একটি মানসিকতা। এই মানসিকতা বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে, চলছে চিরকাল।
কাজ ছাড়তে চাইলে তাঁদের কোনও নোটিস পিরিয়ড দিতে হবে না। পরিচয় গোপন রাখার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। যাতে ভবিষ্যতে পেশা বদল করলেও কোনও সমস্যায় পড়তে না হয়।
দশ দিনের দুঃখযাপনের সবেতন ছুটি ভারতে সম্ভব কি না, এই প্রশ্নটার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, দুঃখের দায়টা কি শুধু দুঃখী মানুষেরই?
তালিবানি ফতোয়ার মনুবাদী-সংস্করণ যখন ‘আধুনিক’ ভারতেও শুনতে হয়, তখন হৃৎকম্প উপস্থিত হতে বাধ্য।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved